• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home প্রথম বাংলা

একুশের মঞ্চে কে হিট, কে ফ্লপ? মমতা না ঋতব্রত, কার সভায় বাজিমাত

News Desk by News Desk
July 21, 2026
in প্রথম বাংলা, কলকাতা
0
Mamata vs Ritabrata rally crowd comparison during Shaheed Diwas in Kolkata
64
SHARES
101
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

Mamata vs Ritabrata: এবারের একুশে জুলাই যেন একই রাজনৈতিক আবেগের মধ্যে তৈরি করল দুই ভিন্ন ছবি। কলকাতার ময়ো রোড এবং কালীঘাটকে ঘিরে তৃণমূলের দুই পৃথক রাজনৈতিক সমাবেশে উঠে এল দুই ধরনের বার্তা, দুই ধরনের দাবি এবং দুই বিপরীত রাজনৈতিক অবস্থান। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই আরও তীব্র করার বার্তা, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে তৃণমূলের পুরনো রাজনৈতিক ইতিহাস ও একুশে জুলাইয়ের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন। ফলে শহিদ দিবসের মঞ্চ শুধু স্মরণ ও শ্রদ্ধার জায়গা থাকেনি, বরং তা পরিণত হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বাকযুদ্ধের ক্ষেত্রেও।

ADVERTISEMENT

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা থেকে উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে বিভিন্ন ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াই করবেন। পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে ভয় দেখিয়ে বা গায়ের জোরে কোনও কিছু করা হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। অন্যদিকে দলত্যাগী বা ভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশেও তাঁর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট স্পষ্ট। তিনি বলেছেন, যাঁরা বিজেপিতে যেতে চান, তাঁরা যেতে পারেন; তাঁদের জায়গা পূরণ করার জন্য দলের ছাত্র ও যুব সংগঠন রয়েছে।

অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একুশে জুলাইয়ের ঐতিহ্য, অতীতের রাজনৈতিক ঘটনা এবং দলের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে নানা অভিযোগ। সব মিলিয়ে এবারের একুশে জুলাই দেখল একই রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত দুই শিবিরের মধ্যে এক অভূতপূর্ব প্রকাশ্য সংঘাত।

দুই মঞ্চে দুই ছবি, নজর রাজনৈতিক সমীকরণে

এবারের একুশে জুলাইয়ের সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল কলকাতার দুই পৃথক মঞ্চ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের মূল কর্মসূচি এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের পাল্টা কর্মসূচি—দুই জায়গাতেই ছিল নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি তুলে ধরার চেষ্টা। এই পরিস্থিতিতে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি এবং তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়ো রোডের কর্মসূচিতে এমন কিছু মানুষকেও দেখা যায়, যাঁরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী বা সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রথমে সেই সভায় যান এবং পরে কালীঘাটের কর্মসূচির দিকে রওনা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে। তবে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান বা সমর্থন সম্পর্কে নিশ্চিত মন্তব্য করার আগে তাঁর নিজের বক্তব্য জানা জরুরি।

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি নিয়ে দলীয় শিবিরের তরফে জোরালো দাবি করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও দুই সভার ছবি ও ভিডিও নিয়ে নানা আলোচনা দেখা যায়। তবে সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বা লাইক-সংখ্যাকে সরাসরি জনসমর্থনের নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি হিসেবে দেখা যায় না। বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি বিচার করতে মাঠের উপস্থিতি, সাংগঠনিক ক্ষমতা, নির্বাচনী ফলাফল এবং মানুষের মতামত—সবকিছুকেই বিবেচনা করতে হয়।

তবে এটুকু স্পষ্ট, এবারের একুশে জুলাই তৃণমূলের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলাদা অধ্যায় তৈরি করেছে। কারণ, একই রাজনৈতিক পরিচয়কে সামনে রেখে দুই মঞ্চ থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য শোনা গিয়েছে। আর সেই কারণেই এবারের শহিদ দিবসের রাজনৈতিক তাৎপর্য অন্য বছরের তুলনায় আরও বেশি আলোচনায় এসেছে।

মমতার বার্তা, “বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই আরও জোরদার করার ঘোষণা। বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি আইনি লড়াইয়ের কথাও বলেছেন। আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে হকার উচ্ছেদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইস্যু।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেছেন, তাঁর সরকার কর্মীদের স্বার্থে কাজ করেছে এবং তাঁর আমলেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রাপ্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপের সামনে তৃণমূল পিছিয়ে যাবে না। কোনও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি বা রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রয়োজন হলে সেই লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে।

বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য ছিল আরও কড়া। তিনি বলেন, গায়ের জোরে কোনও কিছু করা হলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি দলের কর্মীদেরও আত্মবিশ্বাসী থাকার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, আগামী দিনে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগীদের নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যাঁরা বিজেপিতে যেতে চান, তাঁরা যেতে পারেন। তাঁদের চলে যাওয়ায় দলের সাংগঠনিক শক্তি শেষ হয়ে যাবে না। কারণ, দলের ছাত্র ও যুব সংগঠনের মধ্যে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করার মতো কর্মী রয়েছে।

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, ব্যক্তি নির্ভর রাজনীতির পরিবর্তে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই তাঁর লক্ষ্য। যাঁরা দল ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক শিবিরে গিয়েছেন, তাঁদের জায়গা নতুন প্রজন্মের কর্মীরা পূরণ করতে পারেন—এমনটাই ছিল তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম।

“চোরেরা বিজেপিতে চলে গেছে”—দলত্যাগীদের নিয়ে কড়া অবস্থান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে দলত্যাগী নেতাদের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি দাবি করেন, যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দল পরিবর্তন করেছেন। এই প্রসঙ্গেই তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তাঁদের আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।

এখানে মমতার বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দলত্যাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। একুশে জুলাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ থেকে দলত্যাগীদের উদ্দেশে এই বার্তা দিয়ে তিনি মূলত দলের বর্তমান কর্মীদের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, অতীতে যারা দলের সঙ্গে ছিল, কিন্তু এখন অন্য রাজনৈতিক শিবিরে রয়েছে, তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও দল নজর রাখছে। তাঁর বক্তব্যে জেলার পর জেলায় যাওয়ার এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিতও পাওয়া গিয়েছে।

অর্থাৎ, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা ছিল শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ নয়। একইসঙ্গে তিনি দলের ভিতরে নতুন নেতৃত্ব তৈরি, সংগঠনকে সক্রিয় রাখা এবং দলত্যাগের পর তৈরি হওয়া শূন্যস্থান পূরণের কথাও বলেছেন।

ঋতব্রত শিবিরের পাল্টা প্রশ্ন, একুশে জুলাইয়ের ইতিহাস নিয়েও আক্রমণ

অন্যদিকে ময়ো রোডের সভা থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে। বক্তব্যে একুশে জুলাইয়ের অতীত ইতিহাস, শহিদ মঞ্চের রাজনৈতিক চরিত্র এবং তৃণমূলের পুরনো কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি নাচ-গান এবং তারকাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁর দাবি, শহিদদের স্মরণে আয়োজিত মঞ্চের চরিত্র কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে রাজনৈতিকভাবে জবাবদিহি প্রয়োজন।

এছাড়াও ১৯৯৩ সালের ঘটনা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, কমিশনের রিপোর্টের কী হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে।

তবে এই অভিযোগগুলির প্রতিটি অংশই রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখা উচিত এবং সংশ্লিষ্ট নথি বা সরকারি রিপোর্ট দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ১৯৯৩ সালের ঘটনা ও তদন্ত-সংক্রান্ত দাবির ক্ষেত্রে প্রামাণ্য নথি ছাড়া কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।

দুই সভার সামাজিক মাধ্যমের ছবি কী বলছে?

এবারের একুশে জুলাইয়ের পর সামাজিক মাধ্যমেও দুই সভার ছবি ও ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন পোস্টে দুই শিবিরের সভার উপস্থিতি, মঞ্চের ছবি এবং বক্তব্যের ভিডিও তুলনা করা হয়েছে। কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার দৃশ্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, আবার কেউ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার রাজনৈতিক বার্তাকে সামনে এনেছেন।

সামাজিক মাধ্যমের লাইক, শেয়ার বা মন্তব্যের সংখ্যাও এই আলোচনার অংশ হয়েছে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, একটি ভিডিও কত লাইক পেল বা একটি পোস্ট কতবার শেয়ার হল, তার ভিত্তিতে কোনও রাজনৈতিক সভার প্রকৃত জনসমর্থন নির্ধারণ করা যায় না। সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম, অনুসারীর সংখ্যা এবং পোস্টের সময়—সবকিছুই এই সংখ্যাকে প্রভাবিত করে।

তবে সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—এবারের একুশে জুলাই নিয়ে মানুষের আগ্রহ যথেষ্ট। দুই শিবিরের বক্তব্যই নিজেদের সমর্থকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক লড়াইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল পরিসরেও তৈরি হয়েছে এক ধরনের সমান্তরাল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা।

শহিদ দিবসের দুই সভা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ছবিই তুলনামূলকভাবে বেশি নজর কেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট, ছবি ও ভিডিওতে মমতার সভায় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি এবং জনসমাগমের দৃশ্য বেশি করে সামনে এসেছে। একইসঙ্গে তাঁর সভার বিভিন্ন ভিডিও ও পোস্টে লাইক, শেয়ার এবং অন্যান্য প্রতিক্রিয়ার সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চের ছবি ও ভিডিওতে সেই তুলনায় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অনেকটাই কম বলে দাবি উঠেছে। ফলে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনায় একুশে জুলাইয়ের এই দুই মঞ্চের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাই কার্যত এগিয়ে এবং ঋতব্রত শিবিরের সভা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে—এমনই ছবি উঠে আসছে। যদিও সামাজিক মাধ্যমের লাইক বা শেয়ারের সংখ্যা সরাসরি জনসমর্থনের চূড়ান্ত মাপকাঠি নয়, তবু ডিজিটাল পরিসরে দুই সভার প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য যে রাজনৈতিক আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে, তা বলাই যায়।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই দুই মঞ্চের রাজনৈতিক সংঘাত আগামী দিনে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন এবং সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার বার্তা দিয়েছেন, তখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

শেষ পর্যন্ত মানুষের রায়ই যে কোনও রাজনৈতিক দাবির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। মঞ্চের ভিড়, সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া কিংবা তীব্র রাজনৈতিক বক্তব্য—সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে নির্বাচনী ফলাফল এবং মানুষের মতামতই ঠিক করবে কোন রাজনৈতিক অবস্থান কতটা শক্তিশালী। এবারের একুশে জুলাই সেই লড়াইয়ের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

#mamata vsritabrata #mamatabanerjee #ritabratabanerjee #shaheeddiwas #ekusheyjuly #21julyrally #trinamoolcongress #tmc #westbengalpolitics #kolkatapolitics

Tags: 21 July RallyBengal PoliticsEkushey JulyKolkata Political Rallymamata banerjeeMamata vs RitabrataPolitical Rally CrowdRitabrata BanerjeeShaheed DiwasTMCTrinamool CongressWest Bengal Politics
Previous Post

একুশে জুলাই শহরে একাধিক রাজনৈতিক সভা, তার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা! আগামী কয়েক ঘণ্টায় কখন নামবে বৃষ্টি, জেনে সতর্ক থাকুন

Next Post

পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে জোর, ৫০টি নতুন এসি বাসের সূচনা

News Desk

News Desk

Next Post
West Bengal Transport Minister announces 435 new buses across the state and proposes new tram services in Kolkata

পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে জোর, ৫০টি নতুন এসি বাসের সূচনা

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version