Hilsa Export to Bangladesh: ভারত থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে গিয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের। কিন্তু এই মাছ কি সত্যিই বাংলাদেশের মানুষের চাহিদা মেটাতে যাচ্ছে? প্রথম কলকাতার হাতে আসা মাছ ব্যবসায়ীর বক্তব্য বলছে, গল্পের আসল অংশটি মাছের পেটে—ইলিশের ডিমে। বিশেষ কলমে— সুব্রত আচার্য
বাংলাদেশের মানুষের ইলিশের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে মাছ যাচ্ছে—এই একটি লাইনের উপর ভরসা করেই যদি কেউ বিতর্কে নেমে পড়েন, তাহলে তাঁর আগে পুরো তথ্যটি জানা দরকার।
কারণ খবরটি মিথ্যা নয়। ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ যাচ্ছে। গুজরাটের ভারুচ থেকে সেই মাছ প্রথমে আসছে হাওড়ার পাইকারি বাজারে। সেখান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে পৌঁছচ্ছে বাংলাদেশে।
কিন্তু কেন যাচ্ছে? (Hilsa Export to Bangladesh)
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পাতে দেওয়ার জন্য? দেশের বাজারে ইলিশের ঘাটতি মেটানোর জন্য? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য একটি ব্যবসা?
সামাজিক মাধ্যমে প্রথম প্রশ্নটির উত্তর অনেকেই দিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয় প্রশ্নটি তোলার প্রয়োজন বোধ করেননি। অথচ প্রথম কলকাতার হাতে আসা বাংলাদেশের এক মাছ ব্যবসায়ীর বক্তব্য গোটা ঘটনাটিকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে।
৫০০ টন ইলিশের হিসাবটি কার? (Hilsa Export to Bangladesh)
হাওড়া হোলসেল ফিশ মার্কেট অ্যাসোসিয়েশন এবং ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদের দাবি, গত দুই থেকে তিন মাসে ভারত থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর বরাত রয়েছে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা-কে আনোয়ার মাকসুদ জানিয়েছেন, গুজরাটের ভারুচ এবং হাওড়ার পাইকারি মাছবাজার থেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই মাছ কিনছেন।
বেনাপোলের মৎস্য কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আহসাদুল আলমও বৈধ প্রক্রিয়ায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কত টন ইলিশ ঢুকেছে, সেই সরকারি হিসাব তিনি দিতে পারেননি।
অতএব দুটি তথ্যকে আলাদা রাখতে হবে। ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ যাচ্ছে—এটি নিশ্চিত। প্রায় ৫০০ টন যাওয়ার হিসাবটি এসেছে ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের কাছ থেকে।

গল্পের আসল অংশটি ইলিশের ডিমে
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, বাংলাদেশের বাজারে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা রয়েছে। গুজরাটের ইলিশে ডিমের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এই পর্যন্ত খবরটি বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে।
কিন্তু প্রথম কলকাতার হাতে আসা বাংলাদেশের মাছ ব্যবসায়ীর বক্তব্যে আরও একটি তথ্য সামনে এসেছে।
তাঁর দাবি, বাংলাদেশের যে ব্যবসায়ীরা গুজরাটের ইলিশ আমদানি করছেন, তাঁদের বড় লক্ষ্য মাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করা। সেই ডিম প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে। ওই সব দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইলিশের ডিমের চাহিদা রয়েছে। একই চাহিদা রয়েছে ভারতীয় বাঙালিদের মধ্যেও।
ডিম বার করে নেওয়ার পরে মাছের বাকি অংশও নষ্ট হচ্ছে না। সেটি লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কোনও অংশ শুকিয়ে কিংবা অন্যভাবে প্রক্রিয়াজাত করেও বিদেশের বাজারে পাঠানো হচ্ছে।
তাহলে কি বাংলাদেশের বাজারে গুজরাটের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে না? নিশ্চয়ই কিছু মাছ স্থানীয় বাজারেও যাচ্ছে। চট্টগ্রাম এবং সিলেটে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদার কথা ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বলেছেন।
কিন্তু সমস্ত মাছ বাংলাদেশের মানুষের ইলিশের ঘাটতি মেটাতে আমদানি করা হয়েছে—এই প্রচারটির সঙ্গে ব্যবসার পুরো হিসাব মিলছে না। আমদানির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইলিশের ডিম বিদেশে রপ্তানি।
এই জায়গাটি বাদ দিলেই সত্যিটা অর্ধেক হয়ে যায়।
গুজরাটের ইলিশ খেতে কেমন? (Hilsa Export to Bangladesh)
ভারতীয় রপ্তানিকারকের বক্তব্যেই উঠে এসেছে, স্বাদের বিচারে গুজরাটের ইলিশ পদ্মা কিংবা মেঘনার ইলিশের সমান নয়। এই মাছের আকর্ষণ অন্য জায়গায়—এর পেটে ডিম বেশি থাকে এবং দাম তুলনামূলক কম।
ভারতে এখন গুজরাটের ইলিশ প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ী সংগঠন জানিয়েছে। জোগান বেড়ে গেলে দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকাতেও নেমে আসে। বাংলাদেশের আমদানিকারকদের কাছে পরিবহণ খরচ বাদ দিয়ে গড়ে প্রায় ৬০০ টাকায় মাছ বিক্রি করার দাবি করেছেন আনোয়ার মাকসুদ।
সুতরাং এই ব্যবসায় স্বাদের চেয়ে লাভের অঙ্কই বড়। কম দামে ডিমওয়ালা মাছ কিনে ডিম এবং মাছের প্রক্রিয়াজাত অংশ আলাদা বাজারে বিক্রি করা গেলে আমদানিকারকের সামনে লাভের একাধিক দরজা খুলে যায়।
ইলিশ এখানে শুধু মাছ নয়। একই মাছ থেকে তৈরি হচ্ছে দুটি আলাদা পণ্য—ডিম এবং প্রক্রিয়াজাত মাছ।
একই ব্যবসায়ী আবার পদ্মার ইলিশ চাইছেন
ঘটনার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিকটি এবার আসছে।
যে ভারতীয় মাছ ব্যবসায়ী গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর কথা বলছেন, তিনিই আবার পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের জন্য বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ চাইছেন।
দুর্গাপুজোর আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে।
প্রথম আলোর ১১ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন বলছে, ভারতের আবেদনের পাশাপাশি বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠানও ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে।
বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, মতামত পেলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিবাচক মতামত আসবে বলেই তিনি আশা করছেন।
এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে—ভারত যদি বাংলাদেশে ইলিশ পাঠাতেই পারে, তাহলে আবার বাংলাদেশের ইলিশ চাইছে কেন?
উত্তর খুব কঠিন নয়।
গুজরাটের ইলিশ যাচ্ছে ডিম, কম দাম এবং প্রক্রিয়াকরণ ব্যবসার চাহিদায়। আর পশ্চিমবঙ্গের বাজার চাইছে পদ্মা–মেঘনার ইলিশ, তার পরিচিত স্বাদ এবং পুজোর আবেগের জন্য। একদিকে কারখানার হিসাব। অন্যদিকে হেঁসেলের চাহিদা। দুটি বাজার এক নয়।
‘পুজোর উপহার’ আসলে কী ছিল? (Hilsa Export to Bangladesh)
শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে দুর্গাপুজোর আগে ভারতে ইলিশ পাঠানোকে নিয়মিত ‘পুজোর উপহার’ বলা হতো। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের একটি অংশও একই ভাষা ব্যবহার করত।
২০১৯ সালের কথাই ধরা যাক। প্রায় সাত বছর বন্ধ থাকার পরে দুর্গাপুজোর আগে বিশেষ অনুমতিতে ভারতে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির দরজা খুলে দিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই সিদ্ধান্তকে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরেছিল।
কিন্তু মাছগুলি বিনামূল্যে আসেনি। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা মাছ বিক্রি করেছেন। ভারতের আমদানিকারকেরা তার দাম মিটিয়েছেন। উপহার ছিল রপ্তানির বিশেষ অনুমতি। মাছের চালানটি ছিল বাণিজ্যিক।
শেখ হাসিনার সরকারের সমালোচনা এখানেই হওয়া উচিত। একটি বাণিজ্যিক লেনদেনকে এমনভাবে ‘উপহার’ বলা হয়েছিল, যাতে সাধারণ মানুষের মনে অন্য ধারণা তৈরি হয়। বাংলাদেশ যেন নিজের মানুষের মুখের ইলিশ তুলে বিনামূল্যে ভারতকে দিয়ে দিচ্ছে—রাজনৈতিক বিরোধীরা সেই ভাষাটিই পরে ব্যবহার করেছেন।
সরকার যদি তখন পরিষ্কার করে বলত, এটি পুজোর আগে বিশেষ রপ্তানি-অনুমতি এবং মাছের দাম ভারতীয় ব্যবসায়ীরাই দিচ্ছেন, তাহলে এত ভুল বোঝাবুঝির জায়গা থাকত না।
অনুমোদনের অঙ্ক আর বাস্তব রপ্তানি এক নয়
ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া মানেই সেই পরিমাণ মাছ সীমান্ত পার হবে—এমনও নয়।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছেছিল মাত্র ৫৭৭ টন। ২০২৫ সালে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ১ হাজার ২০০ টন। রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ১৫০ টন।
বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের বক্তব্য, মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের অনুমতির মধ্যে ঋণপত্র খোলা, মাছ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন। তাই তাঁরা এবার অন্তত দুই মাস, সম্ভব হলে সারা বছর ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চাইছেন।
এর অর্থ, পদ্মার ইলিশ রপ্তানির দাবিটি শুধু ভারতের নয়। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদেরও এতে সরাসরি বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে।
শীতল সম্পর্ক, কমছে বাণিজ্য—তবু ইলিশ যাচ্ছে দুই দিকেই
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন আগের জায়গায় নেই। রবিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ঢাকা ভারতের সঙ্গে একটি ‘নতুন ও কার্যকর সম্পর্ক’ তৈরি করতে চায়। বহুপাক্ষিক কোনও সম্মেলনের পাশে নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে।
তিনি ইলিশ নিয়ে কিছু বলেননি। কিন্তু তাঁর বক্তব্য দুই দেশের বর্তমান সম্পর্কের অবস্থাটি বুঝিয়ে দেয়—পুরনো সম্পর্কের কাঠামো আর আগের মতো চলছে না। ঢাকা নতুন সমীকরণ চাইছে।
বাণিজ্যের অঙ্কেও তার ছাপ রয়েছে। প্রথম আলোর ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ বছর পরে বাংলাদেশে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে ভারতকে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ কমেছে। ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ।
২০২৫–২৬ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট পণ্য বাণিজ্য হয়েছে ১ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার। ভারতের সঙ্গে হয়েছে ১ হাজার ৭২ কোটি ডলার। ব্যবধান ১৯৫ কোটি ডলার।
অশুল্ক বাধা, পাল্টাপাল্টি বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন—সবই এই পতনের পিছনে কাজ করেছে বলে ব্যবসায়ী এবং অর্থনীতিবিদেরা মনে করছেন।
এই বড় ছবির মধ্যে ইলিশের ছোট ছবিটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক সম্পর্ক শীতল। সামগ্রিক বাণিজ্য কমছে। অথচ বাজারের প্রয়োজনেই ভারতের ইলিশ বাংলাদেশে যাচ্ছে, আবার বাংলাদেশের ইলিশের জন্য আবেদন করছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা।
তাহলে সত্যিটা কী? (Hilsa Export to Bangladesh)
বাংলাদেশ ভারতের কাছে নিজের মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য ইলিশ চাইছে—এই কথাটি পুরো সত্য নয়।
ভারত থেকে বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যবসায়ীরা ইলিশ আমদানি করছেন। বৈধ পথেই মাছ আসছে। ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০ টন মাছ গিয়েছে। কিন্তু সেই মাছের একটি বড় বাণিজ্যিক আকর্ষণ তার ডিম। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডিম এবং প্রক্রিয়াজাত মাছের লক্ষ্য বিদেশের বাজার।
ঠিক একই সময়ে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান পদ্মার ইলিশ ভারতে রপ্তানি করতে চাইছে। ভারতের ব্যবসায়ীরাও অনুমতি চেয়েছেন। কারণ পশ্চিমবঙ্গের বাজারে পদ্মার ইলিশের স্বাদ এবং পুজোর চাহিদা আলাদা।
ফলে এটি ভারত জিতল না বাংলাদেশ হারল—সেই গল্প নয়। এটি দুই ধরনের ইলিশ, দুই ধরনের ক্রেতা এবং দুই ধরনের বাজারের গল্প।
সম্পর্কের জল যতই ঘোলা হোক, ব্যবসায়ী কিন্তু মাছের পেটের হিসাবটাই আগে বোঝেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই হিসাবটি বাদ পড়ে যায়। আর তখনই অর্ধসত্য গোটা সত্যের জায়গা দখল করে নেয়।
#hilsaexporttobangladesh #hilsaexport #hilsafish #hilsaroe #indiabangladeshtrade #hilsamarket #bengalihilsa #Bangladesh #India
বিস্তারিত জানতে অবশ্যই দেখুন প্রথম কলকাতা (PROTHOM KOLKATA) youtube চ্যানেল
আরও পড়ুন : শেখ সেলিমকে সামনে আনছে কারা? কলকাতার বৈঠকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ক্ষোভ













