Dollar Alternative Currency: ব্রিকসের মঞ্চে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষমতা বদলের কথা বললেন পুতিন। বাণিজ্যের দেওয়াল ভেঙে নতুন অর্থনৈতিক সেতু গড়ার ডাক দিলেন মোদি। কিন্তু ডলার সরিয়ে নতুন ব্রিকস মুদ্রা চালুর প্রশ্নে দিল্লি হাঁটছে নিজের পথে। কেন? বিশেষ কলমে সুব্রত আচার্য
একদিকে আমেরিকার হুঁশিয়ারি। অন্যদিকে চিন ও রাশিয়ার চাপ। মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভারত।
প্রশ্নটা তাই সরাসরি। ব্রিকস সম্মেলন আয়োজন করে ভারত কি ডলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে?
উত্তর—না।
বরং দিল্লি এমন একটি রাস্তা খুঁজছে, যেখানে ডলারও থাকবে, স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যও বাড়বে। রাশিয়ার তেল কেনাও চলবে। চিনের সঙ্গে ব্যবসাও হবে। আবার ব্রিকসের আর্থিক ব্যবস্থার চাবি পুরোপুরি বেজিংয়ের হাতে যাবে না।
এই কঠিন ভারসাম্যই এবারের দিল্লি সম্মেলনে ভারতের আসল পরীক্ষা।
মোদির বক্তব্যে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্ট (Dollar Alternative Currency)
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। তার আগের দিন ব্রিকস বিজনেস ফোরামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে ভারতের লক্ষ্য অনেকটাই পরিষ্কার।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর প্রকাশিত পূর্ণ বক্তব্য অনুযায়ী, মোদি বলেছেন—বিশ্বজুড়ে যখন বাণিজ্যের বাধা বাড়ছে, ভারত তখন অর্থনৈতিক সেতু তৈরি করছে।
ব্রিকস দেশগুলিতে বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের বাস। বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ২৫ শতাংশের বেশি এই দেশগুলির হাতে। গত দুই দশকে বিশ্ব অর্থনীতি প্রায় আড়াই গুণ হয়েছে। একই সময়ে ব্রিকস দেশগুলির সম্মিলিত অর্থনীতি বেড়েছে প্রায় সাড়ে চার গুণ।
কিন্তু শুধু বড় বড় হিসাব শুনিয়ে থামেননি মোদি।
ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে প্রধান দশটি বাণিজ্যিক বাধা চিহ্নিত করার কথা বলেছেন। প্রতি বছর একশোটি নতুন সংস্থাকে অন্য ব্রিকস দেশের বাজারে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। সদস্য দেশগুলির ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক হাজার নতুন অংশীদারি তৈরির লক্ষ্যও সামনে রেখেছেন।
আমার মনে হচ্ছে, ভারতের নজর এখন ব্রিকসের স্লোগানের চেয়ে তার বাজারের দিকে বেশি। দিল্লি দেখতে চাইছে—ভারতীয় পণ্য, প্রযুক্তি, ডিজিটাল লেনদেন এবং নতুন সংস্থাগুলি এই বিশাল বাজার থেকে কতটা লাভ তুলতে পারে।
মোদির সমুদ্রপথের বার্তা হঠাৎ নয় (Dollar Alternative Currency)
মোদি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তখনই এগোতে পারে, যখন সমুদ্রপথ নিরাপদ থাকবে, পণ্য পরিবহণের রাস্তা খোলা থাকবে এবং নাবিকেরা নিরাপদ থাকবেন।
এই বক্তব্যের সময়টি লক্ষ্য করার মতো।
ইরানকে ঘিরে সংঘাত এখনও থামেনি। হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতা তেল পরিবহণে চাপ তৈরি করেছে। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের সংঘাতেও বাণিজ্যিক জাহাজ ও ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন সস্তা তেল। প্রয়োজন খোলা সমুদ্রপথ। প্রয়োজন এমন সরবরাহ ব্যবস্থা, যা যুদ্ধ কিংবা নিষেধাজ্ঞার কারণে বারবার আটকে যাবে না।
ফলে দিল্লির কাছে ব্রিকস শুধু আমেরিকাকে বার্তা দেওয়ার মঞ্চ নয়। ভারতের কারখানা, বাজার এবং জ্বালানি নিরাপদ রাখারও মঞ্চ।
পুতিনের কথায় পশ্চিমকে খোঁচা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বক্তব্য ছিল আরও রাজনৈতিক।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ১১ সেপ্টেম্বর রাতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিন বলেছেন—বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর পরিবর্তন চলছে। বিংশ শতাব্দীর পুরনো শক্তিকেন্দ্রগুলির জায়গা নিচ্ছে নতুন অর্থনৈতিক শক্তি।
এই ‘পুরনো শক্তিকেন্দ্র’ বলতে পুতিন কাদের বুঝিয়েছেন, তা বোঝা কঠিন নয়।
তিনি পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা এবং আর্থিক বিধিনিষেধেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন। তবে একই সঙ্গে বলেছেন, রাশিয়া নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় না। গোটা বিশ্বের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
পুতিন আর্কটিক পরিবহণ করিডর এবং উত্তর–দক্ষিণ পরিবহণ করিডরের কথা বলেছেন। এর পিছনের হিসাবও পরিষ্কার। পশ্চিমের নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যপথ ও আর্থিক ব্যবস্থার উপর রাশিয়ার নির্ভরতা কমাতে হবে।
অর্থাৎ পুতিনের কাছে ব্রিকস পশ্চিমি চাপ থেকে বেরিয়ে আসার রাস্তা। মোদির কাছে ব্রিকস সব পক্ষের সঙ্গে দরকষাকষি করার মঞ্চ।
এই দুই অবস্থানের মধ্যে ফারাক রয়েছে।
মোদি–পুতিন বৈঠকে কী হল? (Dollar Alternative Currency)
মোদি ও পুতিন প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক করেছেন। পরে তাঁরা একই গাড়িতে রাশিয়ার শিল্প প্রদর্শনী ‘ইনোপ্রম ইন্ডিয়া’ দেখতে যান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিবৃতি বলছে, বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি এবং দক্ষ কর্মীদের যাতায়াত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দুই দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে চায়। এখন সেই বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ডলার।
মোদি আবারও বলেছেন, যুদ্ধের সমাধান আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই সম্ভব। পশ্চিম এশিয়া ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে শান্তির উদ্যোগে সাহায্য করতেও ভারত প্রস্তুত।
পুতিন মোদিকে রাশিয়ায় ২৪তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোদি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
আমেরিকার চাপের মধ্যেও ভারত–রাশিয়া সম্পর্ক যে থামছে না, দিল্লির বৈঠক তার স্পষ্ট প্রমাণ।
তাহলে ডলার নিয়ে ভারত কী করবে? (Dollar Alternative Currency)
চিন ও রাশিয়া ডলারের উপর নির্ভরতা দ্রুত কমাতে চায়। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলাও বিকল্প মুদ্রার (Dollar Alternative Currency) পক্ষে সরব।
কিন্তু ভারত নতুন অভিন্ন ব্রিকস মুদ্রার (Dollar Alternative Currency) পক্ষে এগোচ্ছে না।
NDTV-র ১১ সেপ্টেম্বরের বিশ্লেষণ মনে করিয়ে দিয়েছে, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ওয়াশিংটনের কার্নেগি এনডাওমেন্টে বলেছিলেন—ডলারকে লক্ষ্যবস্তু করা ভারতের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অথবা কৌশলগত নীতির অংশ নয়।
তাহলে ভারত কী চাইছে?
ভারত চাইছে ব্রিকস দেশগুলির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রাগুলিকে (Dollar Alternative Currency) পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করতে। এতে বাণিজ্য ও পর্যটনের টাকা দ্রুত পাঠানো যাবে। খরচও কমবে।
সহজ করে বললে, দিল্লি এখনই জল বদলাতে চাইছে না। জল যাওয়ার পাইপটি দ্রুত এবং সস্তা করতে চাইছে।
ভারতের সামনে ২২৬ বিলিয়ন ডলারের দেয়াল
ব্রিকসের অন্য দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যঘাটতি ২২৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ভারত ওই দেশগুলি থেকে যত পণ্য কেনে, তার তুলনায় অনেক কম পণ্য বিক্রি করে।
রাশিয়ার সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য করতে গিয়ে সমস্যাটি সামনে এসেছে। ভারতের তেল কেনার ফলে রাশিয়ার হাতে বিপুল রুপি জমেছিল। কিন্তু সেই রুপি দিয়ে কেনার মতো পর্যাপ্ত ভারতীয় পণ্য মস্কোর সামনে ছিল না।
তাই ডলারের বদলে রুপি বসিয়ে দিলেই বাণিজ্যঘাটতি কমে না। শুধু দেনাপাওনার হিসাবটি অন্য মুদ্রায় লেখা হয়।
আরও একটি বড় প্রশ্ন রয়েছে। ব্রিকস মুদ্রা হলে তার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে?
চিনের অর্থনীতি গোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের তুলনায় অনেক বড়। ফলে নতুন ব্যবস্থায় ইউয়ানের প্রভাব বাড়ার সম্ভাবনাও বেশি। ভারত ডলারের আধিপত্য সরিয়ে ইউয়ানের আধিপত্য বসাতে চাইবে কেন?
আমার বিশ্লেষণে, এখানেই ভারতের আপত্তির আসল কারণ। দিল্লি ডলারের উপর নির্ভরতা কমাতে চায়। কিন্তু চিনা মুদ্রার উপর নতুন নির্ভরতা তৈরি করতে চায় না।
শি জিনপিংয়ের সফরে হিসাব বদলাবে?
শি জিনপিং সাত বছর পরে ভারতে আসছেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পরে এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর।
NDTV-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে ভারত–চিন বাণিজ্য ১৫১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু চিনের সঙ্গে ভারতের ঘাটতিই ১১২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার।
চিন ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। আবার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যঘাটতির উৎসও চিন।
মোদি–শি বৈঠক হলে সীমান্তে শান্তি, চিনা বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে কথা হবে। দুই দেশই সম্পর্কের উত্তাপ কমাতে চায়। তবে বন্ধুত্বের জন্য নয়। প্রয়োজনের জন্য।
চিন ভারতের বাজার ছাড়তে চায় না। ভারতও চিনের কাঁচামাল ও প্রযুক্তির সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ করতে পারবে না। এই নির্ভরতাই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে আবার আলোচনার টেবিলে বসাচ্ছে।
ট্রাম্প কি ভারতকে শাস্তি দিতে পারবেন? (Dollar Alternative Currency)
ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিকসকে ‘আমেরিকাবিরোধী’ বলে আক্রমণ করেছেন। ডলারের বিকল্প তৈরির চেষ্টা করা দেশগুলির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্কের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
কিন্তু ভারতের প্রশ্নটি আলাদা।
ভারত কোয়াডের সদস্য। ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের প্রভাব ঠেকাতে ওয়াশিংটনের কাছে দিল্লি প্রয়োজনীয়। ভারতকে বেশি চাপ দিয়ে চিন ও রাশিয়ার দিকে ঠেলে দেওয়াও আমেরিকার পক্ষে বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
দিল্লি এই জায়গাটিই কাজে লাগাচ্ছে। ব্রিকসে থেকেও ডলারের বিরুদ্ধে যাচ্ছে না। আবার ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে বিকল্প অর্থপ্রদানের আলোচনা থেকে পিছিয়েও আসছে না।
বাংলাদেশ না যাওয়ায় ধাক্কা খেল কে?
বাংলাদেশ ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য নয়। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না যাওয়ায় সম্মেলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনও পরিবর্তন হবে না।
কিন্তু ঢাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ ছেড়ে দিল। একই সফরে নরেন্দ্র মোদি, শি জিনপিং এবং অন্য নেতাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ তৈরি হতে পারত। ভিসা, সীমান্ত, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ এবং জলবণ্টনের বিষয়ও ভারতের সামনে সরাসরি তোলা যেত।
ভারতেরও ক্ষতি রয়েছে। তারেক রহমানকে দিল্লিতে পাশে বসাতে পারলে মোদি দেখাতে পারতেন—বাংলাদেশে সরকার বদলালেও দুই দেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।
আমার মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ ভারতকে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছে ঠিকই। তবে সেই বার্তা দিতে গিয়ে নিজের জন্য একটি দরজাও বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ভারতও বুঝেছে, শুধু বহুপাক্ষিক সম্মেলনের আমন্ত্রণে ঢাকা–দিল্লির জমে থাকা সমস্যা মিটবে না।
শেষ পর্যন্ত লাভ কার?
ভারত কি আমেরিকা, চিন এবং রাশিয়ার চাপে রয়েছে? অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু সেই চাপেই দিল্লি কোণঠাসা হয়ে পড়েছে—এমন ছবি এখনও দেখা যাচ্ছে না।
বরং ভারত তিন পক্ষের প্রয়োজনকে নিজের শক্তিতে বদলানোর চেষ্টা করছে।
আমেরিকার চিনকে আটকাতে ভারত প্রয়োজন। রাশিয়ার তেল ও বাজারের জন্য ভারত প্রয়োজন। চিনেরও ভারতের বিশাল বাজার প্রয়োজন। আর ভারত চাইছে—সবার সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু কারও নিয়ন্ত্রণে যেতে হবে না।
এবারের ব্রিকস সম্মেলনের আসল প্রশ্ন তাই ডলার হারবে কি না নয়। প্রশ্ন হল, দিল্লি কি চিনের পাশে দাঁড়িয়েও চিনের নেতৃত্ব ঠেকাতে পারবে? রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রেখেও আমেরিকার সঙ্গে অংশীদারি বাঁচাতে পারবে? আর প্রতিবেশী বাংলাদেশকে বাইরে রেখেও দক্ষিণ এশিয়ায় নিজের নেতৃত্ব অটুট দেখাতে পারবে?
এই তিন প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করবে—দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন শুধু বড় আয়োজন হয়ে থাকবে, না ভারতের ভবিষ্যৎ কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে উঠবে।
লেখক প্রথম কলকাতার সম্পাদক ও প্রকাশক। ‘প্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ’ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও বিশ্লেষক।
#BRICSCurrency #BRICSDollarAlternative #NarendraModi #SJaishankar #VladimirPutin #BRICSSummit2026 #USDollar #IndiaBRICS














