• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home দেশ

মোদী সরকারের ২০৪৭-এর রোডম্যাপ, পরিকল্পনার চেয়ে বাস্তবায়ন কি বড় চ্যালেঞ্জ?

News Desk by News Desk
August 22, 2026
in দেশ
0
Viksit Bharat 2047 Roadmap and Modi Government’s implementation strategy
64
SHARES
101
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

Viksit Bharat 2047 Roadmap: ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য এবার শুধু সরকারি দফতরের পরিকল্পনা বা প্রশাসনিক নথির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশনায় সামনে এসেছে এমন এক বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা, যেখানে উন্নত ভারতের স্বপ্নকে সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি দফতরের আলাদা আলাদা কাজের বদলে একাধিক দফতরকে একই লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্ম, বিদ্যালয়ের পড়ুয়া, কারিগরি শিক্ষার্থী, কৃষক, শিল্পক্ষেত্র, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং প্রবীণ নাগরিকদেরও এই বৃহত্তর যাত্রার অংশ করার ভাবনা রয়েছে।

ADVERTISEMENT

এই পরিকল্পনার গুরুত্ব এখানেই যে, ২০৪৭-এর ভারতকে কেবল অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ হিসেবে নয়, দক্ষতা, ক্রীড়া, কৃষি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক দক্ষতার সমন্বয়ে একটি উন্নত সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবদের বৈঠক থেকে উঠে আসা বিষয়গুলিকে পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিস্তারিতভাবে বিভিন্ন সচিবের কাছে পাঠিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ক্রীড়া থেকে কৃষি, কারিগরি শিক্ষা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ওষুধশিল্প থেকে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা, বিদেশে কর্মসংস্থান থেকে প্রশাসনিক সংস্কার—বহু ক্ষেত্রকে একই বৃহত্তর পরিকল্পনার মধ্যে আনা হয়েছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হল, উন্নত ভারত গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। এটি নাগরিকদের অংশগ্রহণের একটি বৃহত্তর আন্দোলনে পরিণত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় যেমন সাধারণ মানুষকে বৃহত্তর জাতীয় লক্ষ্যে যুক্ত করা হয়েছিল, তেমনই একটি গণসম্পৃক্ততার পরিবেশ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়কেন্দ্রিক তরুণ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজকে এই লক্ষ্যপূরণের সঙ্গে যুক্ত করার ভাবনাও সামনে এসেছে।

উন্নত ভারত ২০৪৭ | দফতরের দেওয়াল ভেঙে একসঙ্গে কাজের নতুন ভাবনা

প্রশাসনের দীর্ঘদিনের একটি বৈশিষ্ট্য হল, প্রত্যেক দফতরের নিজস্ব দায়িত্ব, নিয়ম এবং কাজের ক্ষেত্র থাকে। কিন্তু বাস্তব জীবনের বহু সমস্যাই একক কোনও দফতরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ক্রীড়ার উন্নতির সঙ্গে যেমন বিদ্যালয়, পর্যটন, প্রযুক্তি, শিল্প ও পরিকাঠামোর সম্পর্ক রয়েছে, তেমনই দক্ষ কর্মী তৈরির সঙ্গে শিক্ষা, শিল্প এবং কর্মসংস্থানের সম্পর্ক রয়েছে। কৃষির উন্নতির সঙ্গে আবার জল, শক্তি, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বাজারের বিষয় জড়িয়ে থাকে।

এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী সরকারি কাজের ক্ষেত্রে দফতরকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনার বদলে সমন্বিত পদ্ধতির উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। লক্ষ্য হল, একটি মন্ত্রক নিজের কাজ শেষ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে—এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একাধিক মন্ত্রক ও সরকারি সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করানো।

এই ভাবনার সঙ্গে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের ভূমিকারও পরিবর্তন চাওয়া হয়েছে। সচিবদের শুধু নিজেদের দফতরের স্বার্থ রক্ষা করা নয়, বরং জনস্বার্থের বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, দেশীয় পণ্য ও উদ্যোগের প্রসার, অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং কিছু অপরাধমূলক বিধান সরল করার মতো বিষয়েও একাধিক দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সামনে কোনও প্রস্তাব পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে আরও বেশি আলোচনা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে। এর উদ্দেশ্য হল, কোনও সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হওয়ার পরে বাস্তবায়নের সময় যেন নতুন করে প্রশাসনিক বাধা তৈরি না হয়।

এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে সরকারের কাজের পদ্ধতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বদল আসতে পারে। কোনও সমস্যাকে একটি দফতরের সমস্যা হিসেবে না দেখে জাতীয় উন্নয়নের একটি অংশ হিসেবে দেখা হবে। অর্থাৎ কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, প্রযুক্তি বা কর্মসংস্থান—প্রত্যেকটি বিষয়কে বৃহত্তর উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা হবে।

২০৩৬ সালের অলিম্পিক | আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ক্রীড়া তারকা

উন্নত ভারতের এই পরিকল্পনায় ক্রীড়াকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা। ২০৩৬ সালের অলিম্পিকে ভারতের হয়ে যে সমস্ত তরুণ খেলোয়াড় অংশ নিতে পারেন, তাঁদের অনেকেই এখন শিশু। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে সাফল্যের প্রস্তুতি শেষ মুহূর্তে শুরু করলে চলবে না; প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাকে ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

এই কারণে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় এবং ছোট বয়সের শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্তরে তাদের সাফল্য তুলে ধরার কথাও বলা হয়েছে। লক্ষ্য শুধু কয়েকজন তারকা খেলোয়াড় তৈরি করা নয়। বরং ছোটবেলা থেকেই দেশের মধ্যে খেলাধুলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

এখানে আবার সেই সমন্বিত প্রশাসনিক ভাবনার প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। ক্রীড়ার উন্নয়নকে শুধু ক্রীড়া মন্ত্রকের দায়িত্ব হিসেবে না দেখে পর্যটন, প্রযুক্তি, শিল্প এবং নতুন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। ক্রীড়া ও পর্যটনকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ক্রীড়া পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়ানো যেতে পারে। ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সংস্থা এবং অন্যান্য শিল্পগোষ্ঠীকেও ক্রীড়া উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার ভাবনা রয়েছে।

কর্মক্ষেত্রেও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে দলগত মনোভাব তৈরি করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাসও বাড়ানো সম্ভব হতে পারে।

এই পরিকল্পনার গভীরে রয়েছে একটি বড় পরিবর্তনের চিন্তা। খেলোয়াড় হওয়া মানেই শুধু মাঠে নামা নয়। প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া চিকিৎসা, ক্রীড়া পুষ্টি, সরঞ্জাম তৈরি, প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা, পর্যটন এবং প্রশিক্ষক তৈরির মতো বহু ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই ক্রীড়াকে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্র হিসেবে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিদ্যালয় থেকেই কারিগরি শিক্ষা | শিল্পের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলবে পড়াশোনা

উন্নত ভারতের পথে সবচেয়ে বড় সম্পদ হল দক্ষ মানুষ। তাই স্কুলের পাঠ্যক্রমের মধ্যেই কারিগরি দক্ষতা শেখানোর সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীরা যেন শুধুমাত্র পরীক্ষাভিত্তিক জ্ঞান অর্জন না করে বাস্তব কর্মজগতের প্রয়োজনীয় দক্ষতাও ধীরে ধীরে অর্জন করতে পারে।

শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলির পাঠ্যক্রমও নতুন করে পর্যালোচনা করার কথা বলা হয়েছে। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনও বদলাচ্ছে। ফলে বহু বছর আগের কর্মসংস্থানের কাঠামোর উপর নির্ভর করে প্রশিক্ষণ দিলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক কাজের বাজারে কতটা উপযোগী হবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

এই কারণেই শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণকে আরও কর্মসংস্থানমুখী করার কথা বলা হয়েছে। দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়েছে।

এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ভাবনা হল, শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ডিপ্লোমা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে যাতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পথ খুলে দেওয়া যায়, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা। এর ফলে কারিগরি শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার মধ্যে থাকা প্রচলিত দূরত্ব কিছুটা কমতে পারে।

শুধু দেশের চাকরির বাজার নয়, বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গেও ভারতীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বের কোন দেশে কোন ধরনের দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে, তার একটি বিস্তৃত মানচিত্র তৈরির ভাবনা রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে দেশের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সাজানোর চেষ্টা করা হবে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের দক্ষ কর্মীদের জাপানের মতো দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদাহরণও দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশে কাজের জন্য শুধু কারিগরি দক্ষতা যথেষ্ট নয়। যোগাযোগের দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রের আচরণ, ডিজিটাল জ্ঞান এবং অন্যান্য সামাজিক দক্ষতার উপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এই পরিকল্পনার ফলে দক্ষতা উন্নয়নের ধারণাটি আরও বাস্তবমুখী হতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষ করে শুধু শংসাপত্র হাতে পাওয়াই লক্ষ্য নয়; সেই দক্ষতার বাস্তব চাহিদা কোথায় এবং কীভাবে প্রশিক্ষিত মানুষকে সেই সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করা যায়—সেটিই হয়ে উঠতে পারে মূল প্রশ্ন।

কৃষিতে নতুন ভাবনা | ফসলের বৈচিত্র্য, সেচ এবং সৌরশক্তিতে বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা

উন্নত ভারতের পরিকল্পনায় কৃষিকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং কৃষি শিক্ষা এবং কৃষকের আয়—দুই ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জলবায়ু, মাটি, জলসম্পদ এবং কৃষির ধরন এক নয়। অথচ বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষি শিক্ষার পাঠ্যক্রম কতটা স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পাঠ্যক্রম সংশ্লিষ্ট এলাকার বাস্তব কৃষি পরিস্থিতির সঙ্গে কতটা মানানসই, সেটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব রয়েছে।

ফসলের বৈচিত্র্য বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সেচের সুযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হলেও একই সঙ্গে বেশি জল প্রয়োজন এমন ফসলের চাষ এড়িয়ে চলার বিষয়টি বিবেচনায় রাখার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে একদিকে কৃষকের জন্য নতুন ফসলের সুযোগ তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে জলসম্পদের উপর চাপও কমানো সম্ভব হতে পারে।

কৃষি শিক্ষার্থীদের সৌরশক্তিনির্ভর উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত করার ভাবনা রয়েছে। জমির সীমানা বরাবর সৌর প্যানেল স্থাপনের মতো প্রকল্পে তাঁদের প্রশিক্ষিত করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে কৃষিজমির ব্যবহার বজায় রেখেই শক্তি উৎপাদনের একটি অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং কৃষকের জন্য বাড়তি আয়ের পথও খুলতে পারে।

এই ভাবনাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কৃষির ভবিষ্যৎ শুধু বেশি উৎপাদনের উপর নির্ভর করবে না। জলবায়ু পরিবর্তন, জলসংকট, শক্তির খরচ এবং কৃষকের আয়—সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। ফলে কৃষিকে শক্তি, প্রযুক্তি এবং শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার এই ধারণা ভবিষ্যতের কৃষি ব্যবস্থার জন্য নতুন দিক খুলতে পারে।

দেশীয় প্রযুক্তি থেকে ওষুধশিল্প | প্রযুক্তি ও শিল্পনীতিতেও বদলের ইঙ্গিত

সরকারি কাজে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ভারতীয় ডিজিটাল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বার্তা আদানপ্রদানের পরিষেবা ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কয়েকটি দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর পিছনে মূল ভাবনা হল, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো। দেশের নিজস্ব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যত বেশি শক্তিশালী হবে, ততই দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা বাড়ানো সম্ভব হতে পারে।

ওষুধশিল্পকেও এই সংস্কার পরিকল্পনার অংশ করা হয়েছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈজ্ঞানিক পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মকানুন এবং কাজের পদ্ধতিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য হল, নতুন বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিকে দ্রুত শিল্পক্ষেত্রে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করা।

এর পাশাপাশি ভারী ও জটিল যন্ত্রপাতি তৈরির দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। জটিল পরিকাঠামো নির্মাণে সক্ষম আরও বেশি ভারতীয় নির্মাণ সংস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার কথাও বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম যেন প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের পরিবর্তিত প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়, সেই লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যা পড়ানো হচ্ছে এবং শিল্পক্ষেত্রে যে দক্ষতার প্রয়োজন—এই দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের যোগ আরও সরাসরি হতে পারে।

প্রবীণরাও হবেন উন্নয়নের অংশ | অভিজ্ঞতাকে নতুন প্রজন্মের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা

এই বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনার সবচেয়ে ব্যতিক্রমী দিকগুলির একটি হল প্রবীণ নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবা। সাধারণত উন্নয়নের আলোচনায় তরুণদের সামনে রাখা হয়। কিন্তু এখানে বহু বছরের অভিজ্ঞতা অর্জন করা পেশাজীবী এবং প্রবীণ নাগরিকদেরও দেশের দক্ষতা গঠনের কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রবীণ নাগরিকদের পরামর্শদাতা হিসেবে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতির অধীনে প্রচলিত বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকদের ধারণার মতো ব্যবস্থায় তাঁদের সম্মানী দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে।
এর ফলে দীর্ঘ কর্মজীবনে অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা তরুণ কারিগরি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছতে পারে। বই থেকে পাওয়া জ্ঞান এবং বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে এলে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর হতে পারে।

অন্যদিকে প্রকৌশল শিক্ষার শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও দুই থেকে তিন মাস শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাঁদেরও সম্মানী দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এখানে দুই প্রজন্মের জ্ঞানের মিলন ঘটানোর একটি সুন্দর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবীণদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তরুণদের নতুন প্রযুক্তিগত জ্ঞান যুক্ত হলে কারিগরি শিক্ষার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হতে পারে।

প্রশাসনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের আত্মনির্ভরতার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দরপত্র তৈরি, আইন প্রণয়নের খসড়া তৈরি, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং অন্যান্য বিশেষায়িত কাজের ক্ষেত্রে সরকারি আধিকারিকদের নিজস্ব দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। সব ধরনের বিশেষজ্ঞ কাজের জন্য নিয়মিতভাবে বেসরকারি পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে।

সরকারি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি অনলাইন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ প্রশাসনের ভিতরেই প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

উন্নত ভারত ২০৪৭ | সরকারি প্রকল্প নয়, মানুষের অংশগ্রহণের আন্দোলন

এই পুরো কর্মপরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে একটি বড় প্রশ্ন—২০৪৭ সালের উন্নত ভারত কি শুধুই সরকারের প্রকল্প হয়ে থাকবে, নাকি সাধারণ মানুষও তার অংশীদার হবেন?

সরকারের ভাবনা দ্বিতীয় পথেই এগোতে চাইছে। উন্নত ভারতকে একটি গণআন্দোলনে পরিণত করার কথা বলা হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় যে ধরনের ব্যাপক সামাজিক অংশগ্রহণ দেখা গিয়েছিল, তার আদলে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যেও সাধারণ মানুষকে যুক্ত করার ভাবনা রয়েছে।

এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে যুবসমাজ। বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহাবিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে একটি বৃহত্তর জাতীয় উন্নয়নমুখী আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। তরুণদের স্বেচ্ছাসেবা, নেতৃত্ব, দক্ষতা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে।

মাদকাসক্তির মতো সামাজিক সমস্যার মোকাবিলাতেও তরুণদের সম্পৃক্ত করার ভাবনা সামনে এসেছে। তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রাখা এবং উৎসাহব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের নেশা থেকে দূরে রাখার মতো উদ্যোগের সম্ভাবনাও আলোচিত হয়েছে।

এখানে উন্নত ভারতের ধারণাটি আরও মানবিক হয়ে ওঠে। কারণ একটি উন্নত দেশ শুধু বড় সড়ক, উঁচু ভবন বা বড় অর্থনীতির দেশ নয়। সেখানে দক্ষ তরুণ থাকবে, সুস্থ ও সক্রিয় শিশু থাকবে, কৃষকের আয়ের নতুন সুযোগ থাকবে, প্রবীণদের অভিজ্ঞতার মূল্য থাকবে, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার থাকবে এবং প্রশাসন মানুষের সমস্যার সমাধানে আরও দ্রুত ও সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা | পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়নের পথ কতটা সহজ?

২৩ দফার এই বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা নিঃসন্দেহে অনেক ক্ষেত্রকে একসঙ্গে ছুঁয়েছে। কিন্তু এর সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের উপর। দফতরগুলির মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা, দায়িত্ব ভাগ করা, অর্থ বরাদ্দ করা, নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করা এবং কাজের ফলাফল পরিমাপ করা—সবকিছুই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

একটি বিদ্যালয়ের ছোট্ট শিশুকে ভবিষ্যতের অলিম্পিক খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি করতে হলে শুধু প্রতিযোগিতা আয়োজন করলেই হবে না। প্রয়োজন প্রশিক্ষক, মাঠ, সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পুষ্টি, পরিবারকে সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ।

একইভাবে শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম বদলালেই দক্ষ কর্মী তৈরি হবে না। শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণ শেষে বাস্তব কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করতে হবে।

কৃষিতে ফসলের বৈচিত্র্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাজার, সেচ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং কৃষকের ঝুঁকি বিবেচনায় রাখতে হবে। বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা তৈরির ক্ষেত্রেও ভাষা, সামাজিক দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক কর্মপরিবেশের সঙ্গে পরিচিতি প্রয়োজন হবে।

তাই এই পরিকল্পনার আসল সাফল্য তখনই বোঝা যাবে, যখন ঘোষণাগুলি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনবে।

একটি শিশু যখন নিজের গ্রামের মাঠে খেলতে খেলতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় পৌঁছবে, কোনও তরুণ যখন কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশ-বিদেশে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, কোনও কৃষক যখন জমির পাশাপাশি সৌরশক্তি থেকে অতিরিক্ত আয় করবেন, কোনও প্রবীণ যখন নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেবেন—তখনই উন্নত ভারতের ধারণা বাস্তব জীবনের গল্প হয়ে উঠবে।

শেষ পর্যন্ত এই ২৩ দফা কর্মপরিকল্পনার সবচেয়ে বড় বার্তা হল, ২০৪৭ সালের ভারত গড়ার কাজ কোনও একক মন্ত্রক, কোনও একক প্রতিষ্ঠান কিংবা শুধু সরকারের হাতে নেই। আজকের শিশু, আগামী দিনের তরুণ, বর্তমানের কৃষক, দক্ষ কর্মী, শিল্পপতি, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ এবং প্রবীণ নাগরিক—প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও অংশগ্রহণকে এক সুতোয় বাঁধার চেষ্টা করা হচ্ছে।

#ViksitBharat2047 #NarendraModi #ModiGovernment #India2047 #ViksitBharat #IndiaDevelopment #GovernmentRoadmap #2047Vision

Tags: 2047 Development PlanGovernment ImplementationGovernment RoadmapIndia 2047 VisionIndia DevelopmentModi GovernmentModi Government Plansnarendra modiViksit Bharat 2047Viksit Bharat 2047 Roadmap
Previous Post

হোটেলপাড়ায় একের পর এক নোটিস, প্রশাসনের কড়া নজরদারি? সামনে এল বড় তথ্য!

Next Post

মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলের মালিক গ্রেফতার

News Desk

News Desk

Next Post
Shikha Inn Hotel Fire as Kolkata Police arrest hotel owner Birveshwar Mitra in connection with the deadly fire

মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলের মালিক গ্রেফতার

Stay Connected test

  • 24k Followers
  • 99 Subscribers
  • Trending
  • Comments
  • Latest
BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

February 8, 2023
WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

November 30, 2022
মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

December 6, 2022
5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

December 16, 2022
জমকালো রঙে হাজির হল Bajaj Pulsar 125-এর নতুন কার্বন ফাইবার এডিশন

জমকালো রঙে হাজির হল Bajaj Pulsar 125-এর নতুন কার্বন ফাইবার এডিশন

1
CGO Complex: ডেঙ্গির আতঙ্ক এবার সিজিও কমপ্লেক্সেও! তড়িঘড়ি লোক পাঠাল পুরনিগম

CGO Complex: ডেঙ্গির আতঙ্ক এবার সিজিও কমপ্লেক্সেও! তড়িঘড়ি লোক পাঠাল পুরনিগম

0
Uttar pradesh New Rule: পোষ্য কামড়ালেই দিতে হবে জরিমানা! শীঘ্রই আসছে নয়া নিয়ম

Uttar pradesh New Rule: পোষ্য কামড়ালেই দিতে হবে জরিমানা! শীঘ্রই আসছে নয়া নিয়ম

0

World Kindness Day: আজ বিশ্ব সহানুভূতি দিবস, জানেন কেন এই দিন পালন করা হয়?

0
Chicken's Neck Security through triangular security grid across the Siliguri Corridor. দার্জিলিং পাহাড়ে Permanent Political Solution-এর বড় বার্তা, অমিত শাহের বৈঠকের পর গঠিত বিশেষ কমিটি

দার্জিলিং পাহাড়ে এবার কি মিটবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জট? অমিত শাহের বড় ঘোষণা

August 22, 2026
Shikha Inn Hotel Fire as Kolkata Police arrest hotel owner Birveshwar Mitra in connection with the deadly fire

মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলের মালিক গ্রেফতার

August 22, 2026
Viksit Bharat 2047 Roadmap and Modi Government’s implementation strategy

মোদী সরকারের ২০৪৭-এর রোডম্যাপ, পরিকল্পনার চেয়ে বাস্তবায়ন কি বড় চ্যালেঞ্জ?

August 22, 2026
Kolkata Hotel Safety inspection at hotels and guest houses following fire safety concerns

হোটেলপাড়ায় একের পর এক নোটিস, প্রশাসনের কড়া নজরদারি? সামনে এল বড় তথ্য!

August 22, 2026

Recent News

Chicken's Neck Security through triangular security grid across the Siliguri Corridor. দার্জিলিং পাহাড়ে Permanent Political Solution-এর বড় বার্তা, অমিত শাহের বৈঠকের পর গঠিত বিশেষ কমিটি

দার্জিলিং পাহাড়ে এবার কি মিটবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জট? অমিত শাহের বড় ঘোষণা

August 22, 2026
Shikha Inn Hotel Fire as Kolkata Police arrest hotel owner Birveshwar Mitra in connection with the deadly fire

মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলের মালিক গ্রেফতার

August 22, 2026
Viksit Bharat 2047 Roadmap and Modi Government’s implementation strategy

মোদী সরকারের ২০৪৭-এর রোডম্যাপ, পরিকল্পনার চেয়ে বাস্তবায়ন কি বড় চ্যালেঞ্জ?

August 22, 2026
Kolkata Hotel Safety inspection at hotels and guest houses following fire safety concerns

হোটেলপাড়ায় একের পর এক নোটিস, প্রশাসনের কড়া নজরদারি? সামনে এল বড় তথ্য!

August 22, 2026
বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

সুব্রত আচার্য

প্রকাশক ও সম্পাদক

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version