Tag: water

  • Reduce Period Pain : পিরিয়ডের তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই? এই খাবারগুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন

    Reduce Period Pain : পিরিয়ডের তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই? এই খাবারগুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Reduce Period Pain : পিরিয়ডের সময় অনেক মহিলারাই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হন। পেটে ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, শারীরিক অস্বস্তি এমনকি পেট ফাঁপা এই ধরনের সমস্যা গুলিও দেখা দেয়। অনেকেই এই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বাজার চলতি ওষুধ খান। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই জানাচ্ছেন, প্রত্যেক মাসে ব্যাথা থেকে মুক্তি পেতে এই ওষুধ খাওয়া আপনার শরীরের ক্ষতি করতে পারে। এই ওষুধগুলির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে আপনার উপরে। তবে সাধারণ কিছু খাবার রয়েছে যেগুলি এড়িয়ে চললে পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে কিছুটা হলেও নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।

    * তীব্র যন্ত্রণা কমাতে কোন খাবারকে বলবেন ‘না’ ?

    ১. এই সময় ময়দার তৈরি খাবার যেমন পিংজা, পাস্তা, বিস্কুট, ব্রেড এগুলি না খাওয়াই ভালো। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম এমনকি রক্তে শর্করার ভারসাম্যে পর্যন্ত গণ্ডগোল হয়ে যেতে পারে।

    ২. অনেকেই পিরিয়ডের সময় মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময় মিষ্টি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এমনকি চিনি যুক্ত কোন সফ্ট ড্রিংকস পর্যন্ত না খাওয়া উচিত। এতে আপনার শরীরের রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩. এই সময় এমনিতেই বদহজম দেখা দেয়। তাই তৈলাক্ত যেকোনো ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন।

    ৪. ফ্রিজে রাখা খাবার এছাড়াও প্রিজার্ভ করা কোন খাবার এই সময় অন্ততপক্ষে না খাওয়াই ভালো।

    ৫. লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন এই পাঁচ দিন। যে কোন ধরনের প্রসেসিং চিপস এমনকি জাঙ্ক ফুডেও সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এই ধরনের খাবার না খাওয়াই ভালো।

    ৬. চর্বিযুক্ত কোন খাবার খাবেন না। প্রচুর পরিমাণে চা কিংবা কফিও পান করা উচিত নয়। পরিবর্তে ব্ল্যাক টি কিংবা ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন।

    * ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে যা খেলে

    ১. প্রচুর পরিমাণে জল খান। এমন ধরনের খাবার খান যা জল সমৃদ্ধ।

    ২. সবুজ শাকসবজি, বাদাম এই ধরনের খাবার খেতে পারেন।

    ৩. এই পাঁচদিন একেবারেই ঘরোয়া খাবার খান। আর তার সঙ্গে মাঝেমাঝে খেতে থাকুন বিভিন্ন ধরনের ফল।

    ৪. যেহেতু পিরিয়ডের সময় মুড সুইং খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। তাই নিজের মন নিজেকেই ভালো রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। এই সময়ে ইচ্ছে হলে ডার্ক চকলেট খেতেই পারেন।

    উপরে উল্লেখিত টিপস গুলি মেনে চললে ব্যথা থেকে কিছুটা হলেও আরাম মিলবে। তবে তারপরেও যদি ব্যথা ক্রমশ অসহনীয় হয়ে ওঠে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সকলের শরীর যেহেতু এক ধাঁচের হয় না তাই সব ঘরোয়া উপকরণ সকলের উপরে সমানভাবে কাজ করবে এমনটাও হয় না। এই জন্য ভালো থাকতে, নিজের শরীরকে ভালো রাখতে অবশ্যই মেনে চলুন কিছু নিয়ম। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Success Story Of Bisleri: গোটা ভারত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিসলেরি! কোন জাদুতে এই কোম্পানি এত সফল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Success Story Of Bisleri: চোখ বন্ধ করে মিনারেল ওয়াটার বললেই মাথায় আসে বিসলেরির কথা। বছর গেলে কোটি কোটি টাকা মুনাফা, সেই লাভজনক ব্যবসা নিয়ে নিচ্ছে টাটা গ্রুপ। আমার আপনার সবার পছন্দের বিসলেরি জলে এখন টাটার স্বাদ। প্রায় সাত হাজার কোটি টাকায় টাটা কিনে নেবে বিসলেরি। কোম্পানির মালিক রমেশ চৌহান কেন বিক্রি করছেন? এক সময় বিসলেরি দিয়ে কাটত মদের নেশা! কোন জাদুতে এই কোম্পানি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভারতে?

    ভারতের প্যাকেটজাত জলের জগতে রীতিমত দাপটে ব্যবসা করছে বিসলেরি। এবার সেই বিসলেরি হাত বদল হয়ে চলে আসবে টাটা গ্রুপে। যদিও এখনো পর্যন্ত টাটা কনজিউমার প্রোডাক্টস এবং বিসলেরির তরফ থেকে অফিসিয়াল কোন তথ্য প্রকাশ হয়নি। বিসলেরি ইন্টারন্যাশনালেরর চেয়ারম্যান রমেশ চৌহান জানিয়েছেন , আপাতত কোম্পানি তুলে দেওয়া হবে টাটা গ্রুপের হাতে। যদিও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি। ভারতীয় জলের বাজারের অর্ধেক দখল করে রেখেছে শুধুমাত্র বিসলেরি। অপরদিকে রমরমিয়ে চলছে টাটা গ্রুপের জলের ব্যবসা, তবে তা বিসলেরিকে টেক্কা দিতে পারেনি। ইতিমধ্যেই টাটা গ্রুপের হাতে রয়েছে হিমালয়ান ব্র্যান্ডের আওতায় টাটা কপার প্লাস ওয়াটার এবং টাটা গ্লুকো।

    রমেশ চৌহান এর আগেও থামস আপ,গোল্ড স্পট এবং লিমকার মত সংস্থা কোকাকোলার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। বিসলেরির চাহিদা দর যে খুব একটা খারাপ এমনটা নয়। Techci নামক বাজার গবেষক সংস্থার রিসার্চ রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ২০২১ আর্থিক বছরে প্যাকেটজাত জলের বাজার ছিল প্রায় ১৯৩১৫ কোটি টাকার। অনুমান করা হচ্ছে ২০২৩ সাল নাগাদ বিসলেরি প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা করবে, যার মধ্যে মুনাফা হবে প্রায় ২২০ কোটি টাকা। ২০২১ সালে এই কোম্পানি প্রায় ৯৫ কোটি টাকা লাভ করেছে। ২০২০ সালে লাভ করেছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

    কেন বিক্রি করছেন?

    রমেশ চৌহান এমন এক ব্যক্তি যার হাত ধরে ভারতে মিনারেল ব্র্যান্ড বিসলেরি জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। বর্তমানে শিল্পপতি রমেশ চৌহানের বয়স প্রায় ৮২ বছর। শরীরও খুব একটা ভালো নয়। এত বড় জলের ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতে তার কোন যোগ্য উত্তরসূরী নেই। একমাত্র মেয়ে জয়ন্তী চৌহানের বাবার ব্যবসায় খুব একটা আগ্রহ নেই। এর মাঝে টাটা গ্রুপ বিসলেরি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, চারিদিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে রমেশ টাটা গ্রুপের হাতে বিসলেরি তুলে দিচ্ছেন। রমেশ চৌহানের কাছে বিসলেরি সংস্থা বিক্রির সিদ্ধান্ত বেশ কঠিন। তবে তিনি মনে করেন, টাটা গ্রুপ এই সংস্থাকে আগের থেকে অনেক ভালো লাগবে। তিনি টাকার জন্য বিসলেরি বিক্রি করছেন না। তিনি চান তার সংস্থার খুব ভালোভাবে দেখাশোনা হোক। কারণ তিনি এতদিন এই ব্যবসাকে আবেগের সঙ্গে পরিচালনা করেছেন। সমানভাবে আবেগ এবং উৎসাহ নিয়ে কাজ করেছে তার কর্মীরা। তিনি টাটা সংস্কৃতি পছন্দ করেন তাই অন্যান্য ক্রেতা থাকা সত্ত্বেও টাটাকেই বেছে নিয়েছেন। আপাতত রমেশ চৌহানের লক্ষ্য বিসলেরি বিক্রির পর সেই টাকা নিয়ে পরিবেশ রক্ষা, জনসেবামূলক কাজ যোগদান করবেন। এছাড়াও প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার, দরিদ্রদের চিকিৎসা, জল সংরক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ক কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    বিসলেরির ইতিহাস

    একজন ইতালি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৯৬৯ সালে রমেশ বিসলেরি কিনেছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা ১৮ বছর পর এর যাত্রা শুরু হলেও ইতিহাস বহু পুরনো। একদম শুরুটা হয়েছিল, ১৮৫১ সালে ইতালির ভেরোলানুভা নামক ছোট্ট শহরে। প্রতিষ্ঠাতা ইতালির রসায়নবিদ ফেলিস বিসলেরির নামে কোম্পানির নাম রাখা হয়। তবে এখানেই রয়েছে আসল টুইস্ট। বিসলেরি সংস্থা যখন তৈরি হয় তখন এর উদ্দেশ্য পরিশ্রুত জল তৈরি ছিল না। তিনি মূলত সিঙ্কোনা আর আয়রন সমৃদ্ধ নুন দিয়ে এক ধরনের আয়ুর্বেদিক পানীয় তৈরি করেছিলেন। এই পানীয় মদের নেশা ছাড়াতে কাজে লাগত। পরবর্তীকালে এই জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে সারা বিশ্ব জুড়ে রপ্তানি শুরু হয়। এটি তৈরি করতে বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক উপাদান যেত ভারত থেকে। আর সেই সূত্রেই ১৯৫৩ সালে ভারতে আসেন কোম্পানির তৎকালীন মালিক সিজার রোসি এবং তার স্ত্রী ফিয়ামেট্টা। স্বাধীনতার পর ভারতের বাজারে মিনারেল ওয়াটারের ঠিক কতটা চাহিদা তা নিমেষে বুঝেছিলেন রোসি। বিশেষ করে বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কাছে মুম্বাইয়ের জল খুব একটা পছন্দের ছিল না। তখন হোটেলের মধ্যে জল ফুটিয়ে পরিশ্রুত করে দেওয়া হত। এই সুযোগকে মোক্ষম কাজে লাগান রোসি। যদিও সেই সময় তাকে অনেকেই পাগল তকমা দিয়েছিল। অনেকে হাসাহাসি করে বলেছিল, দাম দিয়ে কে আবার জল খাবে? তখন সত্যিই অনেকে ভাবতে পারেননি বর্তমানে মানুষ টাকা দিয়ে এত পরিমাণে জল কিনতে পারেন। রোসির কাছ থেকে চার লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই সংস্থা ১৯৬৯ সালে কিনে নেন রমেশ চৌহান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Lettuce: হার্ট থাকবে সুস্থ, মন হবে তরতাজা! বাড়ির টবে রাখুন এই সামান্য শাক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Lettuce: শীত পড়তেই রঙ বেরঙের সবজিতে ভরে উঠছে বাজার। এই সময়ে বাজারে বেশ দর হাঁকায় লেটুস শাক। শীত প্রধান দেশগুলিতে সারা বছরই লেটুস শাক পাওয়া যায়। এই শাকের উপকার সম্পর্কে যদি বলা হয়, তাহলে সেই তালিকা একটু লম্বা হবে। বিশেষ করে স্যালাড কিংবা খাবারের প্লেট সাজাতে এর জুড়ি মেলা ভার। বাজারে এর দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই কিনতে গিয়ে দুবার ভাবেন। লেটুস যদি ছোট্ট টবেই পাওয়া যেত, তাহলে মন্দ হত না। লেটুস শাক চাষে খরচ এবং পরিশ্রম দুটোই কম।

    • চাষের সময়

    শীতপ্রধান দেশে প্রায় সারা বছর ধরে লেটুস শাক পাওয়া যায়। আমাদের দেশে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত আপনি এই শাক পাবেন। এছাড়াও স্টোরের শাক সারা বছরের জন্য রয়েছে। তবে এই শাক চাষের উপযুক্ত সময় হল অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত।

    মাটি তৈরি

    •প্রথমেই দরকার ভালোভাবে মাটি তৈরি করে নেওয়া। আপনি চাইলে সরাসরি মাটিতে বীজ ছড়াতে পারেন আবার চারাও বপন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে একটি চারা থেকে অপর একটি চারার দূরত্ব রাখতে হবে কমপক্ষে ৮ ইঞ্চি । বীজ ছড়ানোর ক্ষেত্রে বিস্তার পরিসরের প্রয়োজন, ছোট্ট টবে আপনি ভালভাবে শুধুমাত্র একটি লেটুসের চারা বপন করতে পারবেন।

    •লেটুসের বীজ খুব ছোট ছোট হয়। তাই সরাসরি বীজ মাটিতে না ফেলে, তার সাথে মাটি বা ছাই মিশিয়ে নেবেন।

    •লেটুসের বিভিন্ন জাত রয়েছে যেমন কিং ক্রাউন, কুইন ক্রাউন,ডার্ক ,হোয়াইট বোস্টন প্রভৃতি। আপনি যেকোনো ভালো নার্সারিতে এই শাকের বীজ বা চারা পেয়ে যাবেন। অনেক জায়গায় চারা পিস দরে বিক্রি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে বীজ কিনলে বেশি লাভবান হবেন। চারা বপন করতে হবে পড়ন্ত বিকেলে।

    •লেটুস শাকের জন্য উর্বর , ঝুরঝুরে এবং হালকা মাটির প্রয়োজন। খেয়াল রাখবেন, টবে জল শুকিয়ে যাওয়ার পরে মাটি যেন ফেটে না যায়।

    •বেলে দোআঁশ মাটির সাথে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। যদি একান্তই বেলে দোআঁশ মাটি না পান তাহলে এঁটেল মাটির সাথে শুধুমাত্র জৈব সারের পরিমাণটা একটু বাড়িয়ে দিলেই যথেষ্ট। জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন সরিষার খোল আর গোবর সার।

    পরিচর্যা

    •শাকের গোড়া সর্বদা আগাছামুক্ত রাখতে হবে। যথাযথ জল নিকাশির ব্যবস্থা করবেন। একদিকে যেমন জল জমতে দেওয়া যাবে না অপরদিকে এই শাকের জলের প্রয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    •গাছ একটু বড় হওয়ার সাথে সাথেই গাছের গোড়ায় ভালোভাবে মাটি দিতে হবে।

    •লেটুস শাকের যম হলো ছাতা রোগ। যদি দেখেন গাছের পাতার অগ্রভাগ কোন কারণে ঝলসে গেছে বা নুইয়ে পড়েছে তৎক্ষণাৎ সেই অংশ কেটে ফেলে দিতে হবে। চারা লাগানোর মাত্র এক মাস পর থেকেই আপনি লেটুস পাতা খেতে পারবেন।

    লেটুস শাকের বহুবিধ উপকারিতা

    •দৈনন্দিন খাবারের প্লেটে একটু করে লেটুস শাক রাখলে , ব্রেন সেল গুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে।

    •লেটুস শাক শরীরে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় ফলে হার্ট সুস্থ থাকে।

    •যাদের অনিদ্রাজনিত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য লেটুস শাক বন্ধুর মত।

    •মানব শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর ঘাটতি পূরণ করে লেটুস শাক। এছাড়াও শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিক বের করে দেওয়ার কাজে লেটুস শাকের জুড়ি মেলা ভার।

    •লেটুস শাক আমাদের স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি কমাতে সাহায্য করে। কোন কিছু নিয়ে খুব দুশ্চিন্তা হলে লেটুস শাক ফোটানো জল খেতে পারেন। ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version