Tag: United States

  • Cluster Bombs: চরম সর্বনাশ রাশিয়ার, বিষাক্ত ক্লাস্টার ছড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! ইউক্রেনকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে যুক্তরাষ্ট্র

    Cluster Bombs: চরম সর্বনাশ রাশিয়ার, বিষাক্ত ক্লাস্টার ছড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! ইউক্রেনকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে যুক্তরাষ্ট্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cluster Bombs: ইউক্রেনে কেন নিষিদ্ধ ক্লাস্টার বোমা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড়। ক্লাস্টার বোমা জীবাণু অস্ত্র ছড়িয়ে দিতে পারে। রাসায়নিক অস্ত্র ছড়িয়ে গেলেও রিস্ক আছে। বাইডেনের বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত, এবার কোন পথে হাঁটবেন পুতিন? কি প্রমাণ করতে চাইছে? যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই সবকিছুর ঊর্ধ্বে? ক্লাস্টার বোমার ক্ষমতা জানেন? কতটা বিধ্বংসী বাইডেনের এই ক্লাস্টার বোমা? কেন ক্লাস্টার বোমা নিয়ে এতো বেশি বিতর্ক? এর আগে কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হয়েছে ক্লাস্টার বোমা? রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ জোরদার হচ্ছে। খেলা ঘোরানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের? পেন্টাগনের দাবিই কি সত্যি হবে? সত্যিই কি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বড় ব্যবধান করে দেবে এই নিষিদ্ধ ক্লাসটার বোমা?

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ক্লাস্টার বোমার আবিষ্কার। ১০টি অথবা তার বেশি ক্লাস্টার বোমা একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করতে পারে। বৈদ্যুতিক পাওয়ার ট্রান্সমিশন, যুদ্ধবিমানের রানওয়েও সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে পারে এই ক্লাস্টার বোমা। এই বোমার সাহায্যে রাসায়নিক বা জীবাণু অস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। ল্যান্ডমাইন ধ্বংস করতে এই বোমা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পরিকাঠামোর পাশাপাশি মানুষ হত্যাও করা যায় এই বোমার মাধ্যমে।

    কিভাবে কাজ করে ক্লাস্টার বোমা?

    ছোড়ার পর লক্ষ্যবস্তুর ওপর নির্ভর করে এর ক্যানিস্টারগুলো একটা নির্ধারিত উচ্চতায় খুলে যায়। এরপর এই বোমা থেকে শত শত ছোট ছোট বোমা বেরিয়ে মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভূমির কাছাকাছি অথবা ভূমিতেই যেন বিস্ফোরণ ঘটে সেই লক্ষ্যে বোমা বিস্ফোরণে টাইমার ব্যবহার করা হয়। তবে, এগুলো মাটিতে পড়ে না ফাটলেও বহুদিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকে যা পরবর্তীতে রিস্ক বাড়ায়।

    ২০০৮ সালে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য জাতিসংঘের কনভেনশনে সই করেছে ১২০ টা দেশ। যদিও যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, রাশিয়া সহ ৭১টি দেশ তাতে যোগ দেয়নি। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এবার, ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১৫৫ মিলিমিটারের হাউইৎজার কামান থেকে ছুড়তে সক্ষম ক্লাস্টার গোলাবারুদ সহ যুদ্ধাস্ত্রের একটা প্যাকেজ ঘোষণা করতে চলেছে, যার ব্যবহার রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বড় পরিবর্তন এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ক্ষেপণাস্ত্র থেকে উৎক্ষেপণের পাশাপাশি বিমান, আর্টিলারি, নৌ বন্দুক অথবা রকেট লঞ্চার থেকেও নিক্ষেপ করা যেতে পারে এই গুচ্ছ বোমা। কিন্তু, মানবিক উদ্বেগ সত্ত্বেও, গণবিধ্বংসী হওয়ার পরেও যুক্তরাষ্ট্র কেন ইউক্রেনকে এই বোমা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই নিয়ে হলুস্থুল পড়ে গেছে জানিয়ে রাখি, ক্লাস্টার অস্ত্রগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পর্যন্ত তিন ডজনেরও বেশি সংঘর্ষে ব্যবহৃত হয়েছে। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে সর্বশেষ এই অস্ত্রগুলোর ব্যবহার করে। এমনকি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর উভয় দেশই ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে। তবে, আতঙ্কের বিষয় হলো এই বোমার কারণে সৈন্য ছাড়াও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ। যা, যে কোনও যুদ্ধাস্ত্র থেকে ক্লাস্টার বোমাকে বিতর্কের ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা এগিয়ে রেখেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নজর, যাবে ৩ প্রতিনিধি দল! ভীষণ চাপে সরকার

    Bangladesh: বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নজর, যাবে ৩ প্রতিনিধি দল! ভীষণ চাপে সরকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বাংলাদেশের নির্বাচনে কড়া নজর যুক্তরাষ্ট্রের। জুলাই জুড়ে কূটনৈতিক চাপ, অস্থির রাজনীতি। কিভাবে সামাল দেবে দেশটা? এই মাসটা ভীষণ ভীষণ ভাইটাল। পাল্টে যেতে পারে রাজনীতির সমস্ত ছক। বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের বহু প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন এত মাথাব্যথা? নির্বাচন দেশটার অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, কিন্তু সেখানে কেন হস্তক্ষেপ করছে যুক্তরাষ্ট্র? উদ্দেশ্যটা কি?

    যুক্তরাষ্ট্র মুখে বলছে, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামানোর লক্ষ্য, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়। শুধুই কি রাজনৈতিক সমঝোতা? নাকি যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চাইছে? আর তাই অযথা স্নায়ুচাপ বাড়াচ্ছে দেশটার উপর। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ যেন একটু বেশি। সামনেই নির্বাচন। গোটা দেশজুড়ে এখন টানটান উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার পারদ বাড়াতে বাংলাদেশ আসতে পারে তিনটে বিশেষ দল। বাংলাদেশের সরকার অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ঠিক কতটা আয়োজন করেছে তা জানতে ঢাকায় আসবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নাগরিক নিরাপত্তা মানবাধিকার এবং গণতন্ত্র বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জিয়া। নির্বাচনের আয়োজন যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে কিনা সেই বিষয়টা যাচাই করতে আসবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল। পাশাপাশি জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আসতে পারেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোর।

    তাই বলা যেতেই পারে, জুলাই মাস বাংলাদেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট। বাংলাদেশ নিয়ে বিদেশী রাষ্ট্রের মাথা ব্যাথার আরেকটা কারণ আছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে শ্রমিকদের অবস্থা কিংবা তাদের অধিকার বৈশ্বিক সূচকে একদম নিচে। শ্রমিকদের অধিকার, উন্নয়ন কিভাবে করা যায় এই নিয়ে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। যেখানে গুরুত্ব পাবে শ্রম পরিস্থিতি সহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বাংলাদেশের শ্রম অধিকার এবং পরিবেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ বহুদিনের। সমস্যাগুলো কিভাবে সমাধান করা যাবে সে বিষয়েও ভাবছে বাংলাদেশ সরকার, তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কিছুটা অসন্তুষ্ট যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানের দু পক্ষের অর্থাৎ বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে উত্তপ্ত হতে পারে রাজনীতির ময়দান।

    এমত পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের বহু রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন , রাজনৈতিক সমস্যার নামে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিনিধির দল পাঠাচ্ছে তা ভূরাজনৈতিক কৌশল ছাড়া অন্য কিছু নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ার প্রবেশ করা। যেখানে জড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ। টার্গেটে রয়েছে এশিয়ার কৌশলগত অবস্থান, বাণিজ্যপথ, বাজার, নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে মূল্যবান সম্পদ। সম্প্রতি বাংলাদেশের নাগরিকদের নতুন জন্য যে নতুন মার্কিন ভিসা নীতি তা কিন্তু নির্বাচনকে টার্গেট করেই। এমনটাও মনে করছেন অনেকে। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের ৬ কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। একটু খেয়াল করে দেখবেন, বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আমেরিকার যতটা তৎপর অন্য কোন দেশ কিন্তু ততটা তৎপর নয়। যুক্তরাষ্ট্র নীতিগত অবস্থান থেকে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার বিষয়গুলো নিয়ে সবসময় তৎপর থাকে এবং সেই বিষয়ে বার্ষিক রিপোর্টও দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই উৎসাহ যেন অনেকটা বেশি। তাই জুলাই মাসটা গেলে বোঝাই যাবে বাংলাদেশের ময়দানে রাজনৈতিক চাপানউতোরের জল ঠিক কতটা। এটা বৈশ্বিক হতে পারে, আবার অভ্যন্তরীণও হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মার্কিনমুক্ত পারস্য উপসাগর? যুক্তরাষ্ট্রকে জব্দ করতে ইরান সৌদির জবরদস্ত প্ল্যান, মাস্টারমাইন্ড চীন

    মার্কিনমুক্ত পারস্য উপসাগর? যুক্তরাষ্ট্রকে জব্দ করতে ইরান সৌদির জবরদস্ত প্ল্যান, মাস্টারমাইন্ড চীন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পারস্য উপসাগর থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে তাড়াতে, জাঁকিয়ে বসার স্ট্র্যাটেজি সৌদি, ইরানের। ভারত কে নিয়ে বড় প্ল্যানিং ইরানের। রিস্ক বাড়ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। অশান্তির আগুন জ্বালাচ্ছে সেই তেল। পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ফায়ার পাওয়ারের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে তো সৌদি, ইরান? চীনের হাত ধরে সদ্য জোড়া লাগা সৌদি ইরানের সম্পর্ক নিয়ে কোন ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র? হালকা চালে দেখলে বড় ভুল হবে। পারস্য উপসাগর থেকে কী যুক্তরাষ্ট্রের পাততাড়ি গোটানোর সময় হয়ে এসেছে? মুনাফা লুটবে চীন। ইরান আর সৌদির হাত শক্ত করছে বেইজিং। একাট্টা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, কী আছে যুক্তরাষ্ট্রের কপালে। যৌথ নৌবাহিনী গঠন করতে যাচ্ছে ইরান, সৌদি আরব। সঙ্গ দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, ওমান সহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী নেওয়া হয়ে গেছে? কী জানা যাচ্ছে?

    সব থেকে বড় কথা ইরান, সৌদি যা ঘটাতে চলেছে তাতে নাকি পৃষ্ঠপোষকতা করছে চীন। আর, এই বাহিনী গঠনের লক্ষ্য একটাই পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা জোরদার করা। পুরো ব্যাপারটা থেকে একটা জীনিস পরিষ্কার। এক, ইরান আর সৌদির বন্ধুত্ব গভীর ও গাঢ় হচ্ছে দুই, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আর সহ্য করতে পারছে না। তাই, ভাবতে হচ্ছে‌ যদি সত্যিই ইরান, সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার মিলে এই যৌথ নৌবাহিনী গঠন করে তাহলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে? এই পারস্য উপসাগরীয় তীরবর্তী দেশগুলোই পৃথিবীর প্রধান জ্বালানি তেল উত্তোলক দেশ। আর পারস্য উপসাগর হলো বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহের মেইন রুট। কিন্তু, প্রশ্ন হলো ইরান, সৌদিদের নিজস্ব যৌথ প্রতিরক্ষা জোট যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা রিস্ক ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এখনও পর্যন্ত পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সবথেকে শক্তিশালী নৌশক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরব ইরান। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে পশ্চিমারা একাধিক নিষেধাজ্ঞায় ইরানকে জর্জরিত করেছে। সুযোগ বুঝে ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গলা তুলছে। ইরান স্পষ্টভাবে বলেই দিয়েছে যৌথ নৌবাহিনী গঠন হলে তারা পারস্য উপসাগরে আর কোন বিদেশী শক্তিকে সহ্য করবে না, আর কোন বিদেশি শক্তির উপস্থিতি মেনেই নেবে না। এই যৌথ প্রয়াসে ভারত, ইরাক সহ পাকিস্তানকেও সঙ্গে নিতে চাইছে ইরান। অলরেডি প্ল্যান সাজানো হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পরিস্থিতি মোটেই সুবিধার ঠেকছে না। জানিয়ে রাখি, এই রুটে ইরানের তেলবাহী জাহাজ মার্কিনিরা জব্দ করে নিষেধাজ্ঞার দোহাই দিয়ে। একইভাবে জবাব দেয় ইরান। সেক্ষেত্রে যৌথ নৌবাহিনী গঠনের বিষয়টা এখনো আলোচনার টেবিলে থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের ঘুম ছুটে গেছে। কারণ বিপরীত দিকে শুধু ইরান দাঁড়িয়ে নেই সঙ্গে রয়েছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যাদের সঙ্গে খুব একটা ভালো সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্রের। তবে এখানে একটা কথা বলতেই হচ্ছে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একারই যে পরিমাণ সামরিক শক্তি, তার ধারে কাছেও পারস্য উপসাগরীয় তীরবর্তী দেশগুলোর সম্মিলিত শক্তি পৌঁছতে পারেনি। তবে এটাও ভাবার বিষয় যে সম্প্রতি চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব এবং ইরানের মধ্যেকার সম্পর্ক জোড়া লেগেছে। ৪০ বছরের শত্রুতা ভুলে একে অপরের কাছে আসা শুরু করেছে। দুটো দেশের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।

    সেক্ষেত্রে যৌথ নৌবাহিনী যে গঠন হওয়ার চান্স বাড়ছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি অনেকটাই কমে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, পরিস্থিতি যদি এভাবেই এগোতে থাকে সেক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরীয় তীরবর্তী দেশগুলোর যৌথ নৌ বাহিনী গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্রের পরিণতি কী হবে? যুক্তরাষ্ট্রকে কি ওই রুট ছেড়ে নৌবহর নিয়ে চলে যেতে হবে? এটাই যেন এখন কোটি টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ নয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরে জ্বালানি তেল সরবরাহের রুটে মাতব্বরি চালিয়ে আসছে। যে তেলের একটা বড় অংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রেই। তাহলে কি এবার দেশটার সুখের দিন শেষ হয়ে এলো? আসলে হিসাবটা বুঝতে হবে, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর খুব বেশি তেল কেনে না। পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর এখন মূল ক্রেতা চীন। সেক্ষেত্রে চিনে তেল যাওয়ায় বাধা দিতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী আটকে দিতেই পারে। যেটা চীনের জন্য মোটেই ভালো হবেনা। ফলে ইরান, সৌদি যৌথ নৌবাহিনী গঠন করলে আর যুক্তরাষ্ট্রকে পারস্য উপসাগর থেকে তাড়াতে পারলে সব থেকে বেশি লাভবান হবে বেইজিং। তাই নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে, আপাতত ইরান আর সৌদির হাত শক্ত করছে চীন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা মেনে নিতে যে রাজি হয়েছে, তাতেই স্পষ্ট ওই অঞ্চলে আমেরিকার ক্ষয়িষ্ণু প্রভাবের বিপরীতে দিন দিন বাড়ছে চীনা প্রভাব। তাই, ৪০ বছরের ও বেশি সময় ধরে পারস্য উপসাগর থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের যে দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান, দেশটা এবার তাতে সফল হলেও হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Pakistan: পাকিস্তানের নাকের ডগায় ছড়ি ঘোরাচ্ছে ভারত, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান। ঝোঁকের বশে শাসাল যুক্তরাষ্ট্রকে

    India Pakistan: পাকিস্তানের নাকের ডগায় ছড়ি ঘোরাচ্ছে ভারত, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান। ঝোঁকের বশে শাসাল যুক্তরাষ্ট্রকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Pakistan: ভারত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নিজেদের বিপদ দেখছে পাকিস্তান। ভারত কি সত্যিই সুপার পাওয়ার? নাহলে কেন নয়াদিল্লির ভয়ে কাঁটা ইসলামাবাদ? পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে আমেরিকাকে দিল থ্রেট। পালিয়ে বাঁচার পথ নেই। কিন্তু, কীসের আশঙ্কায় ভুগছে পাকিস্তান? আপত্তি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কি বলল ইসলামাবাদ? আমেরিকা থেকে ভারত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেলে পাকিস্তান এর জন্য সেটা কতটা রিস্ক ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে? প্রতিরক্ষা খাতে কতটা জোরালো হচ্ছে ভারত যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক? এই প্রথম নয়, এর আগেও এমন নমুনা দেখিয়েছে ইসলামাবাদ। আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কে মাইলফলক ভারতের, আর গাত্রদাহ পাকিস্তান এর। ভারত আমেরিকার প্রতিরক্ষা চুক্তি পাক-ভারত সম্পর্ককে যে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না, এরমধ্যেই তেমন ইঙ্গিত মিলেওছে।

    এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিরক্ষা বিষয়ক একাধিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তির পর আরও মজবুত হতে চলেছে ভারত আমেরিকার সম্পর্ক। আর এটাই পাকিস্তানের জন্য মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার এই প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক নিয়ে অলরেডি যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে পাকিস্তানের। পাকিস্তানের দাবি আমেরিকা যে ভাবে ভারতকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছে বা করবে বলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তা পাকিস্তান এর জন্য খুবই চিন্তার বিষয়। এই ভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভারতে পৌঁছলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে দাবি ইসলামাবাদের। এটা একেবারে স্পষ্ট, পাকিস্তানের প্যালপিটিশন বেড়ে গেছে। আর তাই ঝোঁকের বশে বাইডেন প্রশাসনকে এটা কী বলে ফেললো পাকিস্তান?

    জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ করা হয় আমেরিকার সঙ্গে। পাকিস্তানের দাবি ভারত ইচ্ছে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যাতে, ইসলামাবাদ ভয় পায়। ভারতের এই সিদ্ধান্ত এশিয়া মহাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতাকে মারাত্মক ভাবে আঘাত হেনেছে। পাকিস্তান বলছে, আমেরিকা থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেয়ে ভারত যুদ্ধের জন্য উৎসাহী হয়ে উঠতে পারে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে পাকিস্তানের উপর, ইসলামাবাদের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা, নিরাপত্তা প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়ে যেতে পারে। অসম্ভব হয়ে যাবে ভারতকে শান্ত রাখা, দাবি পাকিস্তানের। বোঝা যাচ্ছে, ভয় পেয়েছে ইসলামাবাদ। আসলে বুঝতে হবে হিসেবটা।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিভিন্ন ধরণের সামরিক ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিষয়ক দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবারের বৈঠকে। সামরিক পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে আমেরিকা রীতিমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আর ঠিক এই কারণেই টেনশনে ভুগছে পাকিস্তান। কারণ বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন ভারত যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্কে মোদীর এই সফর মাইলফলক হয়ে থাকবে। আর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তির দিকে ভারতের ঝুঁকে পড়ার অর্থ হল এবার পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুঝতে হবে। মানে, পাকিস্তানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। যদিও ভারত শান্তিপ্রিয় দেশ। আঘাতের জবাব দেয় মাত্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia President Vladimir Putin: নিশ্চিহ্ন হবে যুক্তরাষ্ট্র? ওপেন চ্যালেঞ্জ, একাই একশো পুতিন! এবার হবে শেয়ানে শেয়ানে টক্কর

    Russia President Vladimir Putin: নিশ্চিহ্ন হবে যুক্তরাষ্ট্র? ওপেন চ্যালেঞ্জ, একাই একশো পুতিন! এবার হবে শেয়ানে শেয়ানে টক্কর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia President Vladimir Putin: একেবারে ওপেন হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন। পশ্চিমাদের একচেটিয়া আধিপত্যকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার থ্রেট। যত বড় শক্তিই হোক, পুতিনের চোখরাঙানির সামনে টিকতে পারবে তো? পশ্চিমের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে তৈরি রাশিয়া। যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার উপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা সত্যিই কি ব্যর্থ হয়েছে? কি বলছেন পুতিন? তবে কি যুক্তরাষ্ট্রের প্ল্যান ডাহা ফেল করলো? কিভাবে যুদ্ধের এফেক্ট কাটিয়ে উঠবে রাশিয়া? তলে তলে জাল বুনছে মস্কো। পশ্চিমাদের মনবল ভেঙে দিতে মরিয়া রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। কি চাইছেন পুতিন? টার্গেটই বা কী? দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পূর্বাভাস স্পষ্ট হচ্ছে।

    এবার একেবারে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন পুতিন। জানিয়ে দিলেন বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের যে একচেটিয়া আধিপত্য, তা শেষ করতে প্রতিযোগিতায় নামতে রাশিয়া সম্পূর্ণভাবে তৈরি। এদিনে পুতিনকে যথেষ্টই কনফিডেন্ট শুনিয়েছে। বুঝিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র যা চেয়েছিল তাতে তারা সফল হতে পারেনি। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু পুতিন বলছেন, এর জেরে রুশ কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঠিকই, তবে গত দেড় বছরে সেই এফেক্ট কাটিয়ে ওঠা অনেকটাই সম্ভব হয়েছে। কতটা ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র? পুতিন বলছেন রাশিয়ার ওপর যেসব নিষেধজ্ঞা পশ্চিমারা দিয়েছে, তা রুশ অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলতে পারেনি, এটা প্রমাণিত। বরং রাশিয়া যে নিষেধাজ্ঞার আঘাত কাটিয়ে উঠছে তা তাদের বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো প্রমাণ করে দিয়েছে, দিচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে যুদ্ধের এফেক্ট আরো কাটাতে কি করবে রাশিয়া, সেই প্ল্যানও সাজিয়ে ফেলেছে ইতিমধ্যেই।

    পুতিন বলেছেন, তাঁরা ধাপে ধাপে এগোনোর প্ল্যান করছেন। প্রথম ধাপে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন খাতে পশ্চিমা কোম্পানি ও ব্যবসায়ীদের প্রভাব কমাতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে এগোতে হবে বৈশ্বিক অর্থনীতির দিকে। প্রাথমিকভাবে কমনওয়েলথ জোট, সংহাই করপোরেশন ও ব্রিকস জোটে তাঁদের যেসব বন্ধু রাষ্ট্র রয়েছে, তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং বিনিয়োগের হার বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। আর এতেই তাঁদের সফল হতে হবে। পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে পুতিন একাই একশো, এটা বুঝিয়ে দিতে মস্কোর এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে পুতিন বলেছেন বিশ্বে কোনো প্রকার একচেটিয়া আধিপত্য চিরস্থায়ী নয়। আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য চলছে। এমনকি রাশিয়ার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাতেও এসব কোম্পানি এখন পর্যন্ত বেশ শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। তবে তাদের এই আধিপত্য আর খুব বেশিদিন টিকে থাকবে না।

    জানিয়ে রাখি, পশ্চিমের বিরুদ্ধে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার নায়ক হিসেবে নিজেকে বারবার তুলে ধরেছেন পুতিন। একাই, পশ্চিমা প্রভাবের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষমতা রাখেন, সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। পুতিনের এসব চক্রান্তের লক্ষ্য যতটা না অর্থনৈতিক, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক! পুতিন বিশ্বাস করেন, তাঁর জয়ের একমাত্র পথ হলো পশ্চিমাদের মনোবল ভেঙে দেওয়া। সেক্ষেত্রে যেভাবে চালের উপর পাল্টা চাল দেওয়া শুরু হয়েছে রাশিয়া এবং পশ্চিমাদের ষ মধ্যে, তাতে এই যুদ্ধ শিগগির থামবে, এমনটা মনে করা কঠিন হয়ে উঠছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • টাকার লোভে এতো ঘৃণ্য কাজ করছে ইউক্রেন? ইরানের মাস্টারস্ট্রোক, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় বিপদে ইসরাইল

    টাকার লোভে এতো ঘৃণ্য কাজ করছে ইউক্রেন? ইরানের মাস্টারস্ট্রোক, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় বিপদে ইসরাইল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিপদের বন্ধুর বিরুদ্ধে মুখ খোলা সহজ কথা নয়, তারপরেও সেই সাহস দেখাচ্ছে ইসরাইল। ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো মার্কিন অস্ত্র তলে তলে পাচার হয়ে যাচ্ছে ইরানে। অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাচ্ছে ইসরাইল। আরও এক নতুন সংঘাতের আশঙ্কা দৃঢ় হচ্ছে। ইরান যা করছে তাতে যখন তখন আগুন জ্বলে যেতে পারে ইসরাইলে। তাহলে, ভয় পেয়েই কী সুর চড়াচ্ছে ইসরাইল? সত্যিই কী ইউক্রেনের যোদ্ধারা দুর্নীতিগ্রস্ত? টাকার লোভে পড়ে সত্যিই কি মার্কিন অস্ত্র পাচার করে দিচ্ছে ইউক্রেন? অনেক বড় অভিযোগ। কোথায় কতদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই অস্ত্র পাচার? কীসের ভিত্তিতে এতো বড় অভিযোগ করছে ইসরাইল? হাতেনাতে প্রমাণ। বন্ধুর বিপদে গা ঝেড়ে দায় এড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইউক্রেন? আসল ফ্যাক্টটা জানেন তো? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইসরাইলের মুখ খুলতে পারে বলে দুঃস্বপ্নেও ভাবা যায় না, সেই ইসরায়েল কিনা বিপদের বন্ধুর দিকেই আঙ্গুল তুলছে। তুলতে বাধ্য হচ্ছে। ভয় পেয়েই ইউক্রেন যুদ্ধে মার্কিন জোটের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে সুর চড়িয়েছে ইসরাইল। এনেছে ভয়াবহ অভিযোগ। কারণ, পরিস্থিতি দেশটাকে অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দিতে পারে। ইসরাইল বলছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র ও অপর পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্র তলে তলে দিব্যি পাচার হয়ে যাচ্ছে ইরানে। আর মধ্যপ্রাচ্যের সিংহ ইরান সেইসব অত্যাধুনিক মার্কিন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে ইসরায়েলের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ এবং গোষ্ঠীগুলোর হাতে। তাতেই বিপদ বাড়ছে ইসরাইলের। উদ্বেগ বাড়ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস এর। এই মার্কিন অস্ত্র পাচার ইতিহাসে আরেকটা সংঘাতের জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।কারণ এখন, পশ্চিমা বিশ্ব পূর্ব ইউরোপে চলমান সংঘাতের দিকে কনসেন্ট্রেট করছে। আর, সেই ফাঁকেই ঘটে যেতে পারে বিপদ। জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো ট্যাংক বিধ্বংসী জ্যাভেলিন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে উভয়পক্ষের আধা সামরিক বাহিনী ব্যবহার করছে।

    এই প্রসঙ্গে ইসরাইলি সেনা কর্মকর্তা বলছেন রুশ বাহিনী মার্কিন অস্ত্র জব্দের পর অন্যত্র পাঠাতে আগ্রহী। মস্কো ও তেহরানের ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্কের কারণেই মূলত এটা করা হয়। কিন্তু, ইউক্রেনের আধা-সামরিক বাহিনী মূলত অস্ত্র পাচার করে অর্থ উপার্জন করতে চাইছে বলে দাবি করেছেন তিনি। আর, টাকার লোভেই কৃষ্ণ সাগর হয়ে ভূমধ্যসাগর দিয়ে এসব অস্ত্র পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ ইসরায়েল বলছে, এই পরিস্থিতি তাদের জন্য খুব বিপজ্জনক, কারণ ইরান এসব অস্ত্র নিয়ে গবেষণা চালিয়ে তৈরির পদ্ধতি শিখে নিতে পারে। তাছাড়া যদি এসব অত্যাধুনিক অস্ত্র হিজবুল্লাহ, হামাসের হাতে চলে যায় তাহলে আর দেখতে হচ্ছে না। আর, কত সংখ্যক অস্ত্র পাচার হচ্ছে তা নিরূপণ করা কঠিন। কারণ আইডিএফ একাই মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র পরিবহনে নজর রাখে। কিন্তু অনুমান করা হচ্ছে এই অস্ত্র ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ইঙ্গিত পেয়েছে ইসরাইল। আর এমন একটা সময় এই বিষয়টা সামনে এলো যখন কিনা ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। উভয় দেশ নিয়মিত একে অপরকে হুমকি দিচ্ছে। এসব দেখে শুনে যুক্তরাষ্ট্র কী বলছে? ইরানের হাতে মার্কিন অস্ত্র চলে যাওয়ার ফলে উদ্বেগ রয়েছে একথা স্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তারা এমন কিছু ঘটছে বলে মানতে নারাজ। বলছে, ওয়াশিংটন ও কিয়েভ পদক্ষেপ করছে যার ফলে অস্ত্রের বেআইনি পাচার বন্ধ রাখার ক্ষেত্রে। সফলতাও এসেছে। কিন্তু, তারপরেও শান্তিতে নেই ইসরাইল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: নির্বাচনের আগে চার দেশ সফর, মনোমালিন্য মিটবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক শেখ হাসিনার

    Bangladesh: নির্বাচনের আগে চার দেশ সফর, মনোমালিন্য মিটবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে! মাস্টারস্ট্রোক শেখ হাসিনার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: সামনেই বাংলাদেশের নির্বাচন। টানটান উত্তেজনা। এরই মাঝে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন শেখ হাসিনা! এখন আন্তর্জাতিক ময়দানে যে দেশের খবরগুলো একটু বেশি ঘুরছে, যেমন ইউক্রেন রাশিয়া তাইওয়ান চীন যুক্তরাষ্ট্র পাশাপাশি বারংবার চলে আসছে বাংলাদেশের নাম। দেশটা গণতান্ত্রিক। নির্বাচনও তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিন্তু এই নির্বাচন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? নেপথ্যে কাজ করছে, বিশ্ব ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনা। নির্বাচনের আগে তিন মাসে চার দেশ সফর করতে চলেছেন শেখ হাসিনা। এটা তাঁর মাস্টার প্ল্যান নয় তো? তাহলে কি নির্বাচনের আগে দেশটা নিজেদের ঘুঁটি মজবুত করতে চাইছে? যুক্তরাষ্ট্র সফরে কি মিটে যাবে সব মনোমালিন্য?

    বাংলাদেশের কাছে জুলাই আগস্ট আর সেপ্টেম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত আর যুক্তরাষ্ট্র সফরে শেখ হাসিনার গেম প্ল্যান কেমন হবে? আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন, কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রীতিমত ভিসা ইস্যুতে জোর গলায় বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে না গেলে কিচ্ছু যায় আসে না। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফরের তুমুল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিন্তু কেন? তাহলে কি তিনি সম্পর্ক মেরামত করতে চাইছেন? নির্বাচনের আগে চার দেশের সফর ভীষণ ভীষণ ভাইটাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র ভারত আর চীনের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। শেখ হাসিনা দেখা করতে পারেন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার সরকার প্রধানের সঙ্গে।

    যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইতে ইতালির ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনে একটা কনফারেন্স হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে যোগ দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত চীন সহ জাতিসংঘের বহু সদস্য রাষ্ট্র। আর আগস্টের শেষের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। এক টেবিলে বসতে পারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ,চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সহ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন । তাহলে বুঝতেই পারছেন, এই সময়ে শেখ হাসিনার বিদেশ সফর ঠিক কতটা ইম্পর্ট্যান্ট । সোজা কোথায়, তার এই সফর বৈদেশিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার সমান। এখানেই বিষয়টা থেমে নেই। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে রয়েছে ভারতের জি-টোয়েন্টি সম্মেলন। সেখানে যোগ দেয়ার পর তৃতীয় সপ্তাহে রয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন। তখন শেখ হাসিনা যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। এই যে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সরকার প্রধানদের সাক্ষাৎ হবে, সেখানে কোন কোন বিষয়ের স্থান পেতে পারে? এই নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। তবে অবশ্যই দেশটির জাতীয় স্বার্থ আগে থাকবে।

    একটু খেয়াল করে দেখবেন, বিনিয়োগ থেকে শুরু করে দ্বিপাক্ষিক নানান সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ মজবুত। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের একটু অবনতি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সম্পর্কে ফাটল ধরার কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে জো বাইডেন আর নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তান আফগানিস্তান মিয়ানমার গুরুত্ব পেলেও বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে কোন খবর পাওয়া যায়নি। আশ্চর্যের বিষয়। আঞ্চলিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে অথচ সেখানে বাংলাদেশ নেই। কেন বলুন তো? নাকি দুই রাষ্ট্র এই নিয়ে কোন কথাই বলতে চাইছে না? যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে বাংলাদেশের এত গুরুত্ব। এখানে যেমন প্রশ্ন রয়েছে, তেমনি ধারণা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশ নিয়ে ভারত আর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি আলাদা। সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নীতি ঘোষণা করলেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অটুট রেখেছে। তাই আগামী দিনে শেখ হাসিনার সফরে বেশ কিছু সুফল মিললেও মিলতে পারে। নতুন সম্ভবনা রয়েছে বাংলাদেশের জন্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Dollar Politics: ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে ডলার অস্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনঠাসা করতে মরিয়া গোটা বিশ্ব!

    Dollar Politics: ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে ডলার অস্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনঠাসা করতে মরিয়া গোটা বিশ্ব!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dollar Politics: কোণঠাসা যুক্তরাষ্ট্র, ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে ডলার অস্ত্র। ডলারের উপর আর ভরসা নেই! মাস্টার প্ল্যান কষছে চীন, সাথে আছে ভারত, বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক অর্থনীতির সিংহাসনে বসে থাকা ডলারের আধিপত্য তাহলে কি শেষ হতে চলেছে? গোটা বিশ্ব একজোট হচ্ছে ডলারের বিরুদ্ধে। এবার কি করবে যুক্তরাষ্ট্র? দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাবে না তো? এই ডলারের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের এত জোর।

    বিশ্বব্যাপী ডলারের দাম বাড়া আর তার বিপরীতে মুদ্রার দরপতন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ভারত বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো দেশগুলোতে এমনটা অহরহ ঘটছে। আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কগুলোতে মার্কিন ডলারের পরিমাণ প্রায় ৬৪ শতাংশের বেশি। আজ যে যুক্তরাষ্ট্রের এত কদর দেখছেন, এর পেছনে অন্যতম কারণ এই ডলার। আন্তর্জাতিক ময়দানে ৮৫ শতাংশ বাণিজ্য এবং ৪০ শতাংশ ঋণ অনুমোদিত হয় ডলারের মাধ্যমে। এক কথায়, ডলার যুক্তরাষ্ট্রের আত্মবিশ্বাস। মোক্ষম ধারালো অস্ত্র। যা দিয়ে গোটা বিশ্বকে দমিয়ে রেখেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই ডলারের রাজত্ব আর কতদিন? ডলার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে একের পর এক দেশ। এই যে বিশ্বের বহু দেশ একজোট হয়ে ডলারের বিরুদ্ধে যাচ্ছে, তারা কি ডলারের ক্ষমতা কে ঘায়েল করতে পারবে? উত্তরটা কিছুটা হলেও হ্যাঁ, তবে সময় সাপেক্ষ। ডলারের কাছে ইউরোপের ইউরো, সৌদির রিয়াল, কুয়েতের দিনার, জাপানের ইয়েন আর চীনের ইউয়ান মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু পারেনি। যার অন্যতম কারণ পেট্রোল। বিশ্ব বাজারে পেট্রোল কিনতে গেলে ডলারের মাধ্যমে লেনদেন করতে হবে। আর এভাবেই একটা দেশের মুদ্রা আজ আন্তর্জাতিক মুদ্রায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিপদে পড়েছে বাকি দেশ। তাইতো ডলার অস্ত্রকে ভোঁতা করতে উঠে পড়ে লেগেছে সবাই। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কিন্তু কীভাবে ? পুরোটাই সমঝোতার ব্যাপার। চীন আর রাশিয়া তাদের বাণিজ্যিক লেনদেন করছে ইউয়ান আর রুবেলের মাধ্যমে। একই ভাবে চীনের সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করতে রাজি হয়েছে ব্রাজিল, সৌদি আরব আর মালয়েশিয়া। আফ্রিকার বেশ কিছু দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজের মহাদেশের অভ্যন্তরের বাণিজ্যের জন্য ডলারের উপর নির্ভর করবে না। ডলার বিমুখতা দেখা দিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকাতেও। এক সুরে তাল মেলাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। ডলারের পরিবর্তে ব্যবহার করছে সোনার মুদ্রা। ভারত আর বাংলাদেশও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তারা ডলার নয়, নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করবে। ইতিমধ্যেই ভারত বিশ্বের ১৮ টি দেশের সঙ্গে স্পেশাল রুপি ভস্ত্রো অ্যাকাউন্ট খোলার সংকেত পাঠিয়েছে। যার মাধ্যমে ভারতীয় টাকায় বাণিজ্য করা যাবে। এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে ইসরায়েল, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ব্রিটেন সহ বহু রাষ্ট্র। সোজা কোথায়, গোটা বিশ্বজুড়ে ডি-ডলারাইজেশনের ঝড় উঠেছে। এই ঝড় কিভাবে সামাল দেবে যুক্তরাষ্ট্র? এর উত্তর এখনো জানা নেই।

    মার্কিন ডলার যে বড় বিপদের দিকে তা আঁচ করাই যায়। বেশ কিছু রিপোর্টের দাবি, ২০০৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে গ্লোবাল রিজার্ভ মুদ্রায় ডলারের প্রকৃত শেয়ার ৬৬ শতাংশ থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। শুধুমাত্র ২০২২ সালে এক ধাক্কায় সেই শেয়ার নেমে আসে ৪৭ শতাংশে, যা আগে কখনো হয়নি। ডলারের একছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার মত কিন্তু এখনও কোনো স্ট্রং মুদ্রা বিশ্ব বাজারে আসেনি। এমনকি ইউরো পর্যন্ত নয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই শক্ত হাতে হাল না ধরে তাহলে এমন একটা দিন আসবে, যখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ডলার ব্যবহার করতে চাইবে না। বিশ্বের এই দেশগুলো যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা চাইছে, এমনটা ভাবা সম্পূর্ণ ভুল। আসলে মুক্তি চাইছে ডলারের চাপ থেকে। যদি সবদেশ একজোট হয়ে ঠিক করে নেয়, তারা নিজেদের মুদ্রাতেই বাণিজ্য করবে, তখন কি হবে? এমত পরিস্থিতিতে ডলারের মর্যাদা হানি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। ডলারকে বাদ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কতটা স্ট্রং? এই রিপোর্ট শোনার পর আপনার কি মনে হয়? কমেন্টে জানাতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia India: ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্ব রিস্কে! মোদীর সফরে পুতিনের দাবি কি? অতীত বলবে শেষ কথা

    Russia India: ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্ব রিস্কে! মোদীর সফরে পুতিনের দাবি কি? অতীত বলবে শেষ কথা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia India: ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্ব রিস্কে! চির ধরিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র? পুতিন কী বললেন মোদীর যুক্তরাষ্ট্রর সফর নিয়ে? মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ মস্কো এবার চিনের সঙ্গে খেলতে পারে বড় খেলা। ভারতের ড্যামেজ কন্ট্রোলের দরকার নেই অতীতের খেলাই কামাল করবে। রাশিয়া ভারতের তেলের ডিলের ওপর কোপ ফেলতে পারে? সবথেকে বড় প্রশ্ন এখন এটাই। আমেরিকা আপ্রাণ চেষ্টা করল৷ কিন্তু পারল কি? মোদী ভারতে ফিরলেই কি রাশিয়া চিনের যৌথ খেলা শুরু হবে? ভারত আমেরিকা থেকে কি কি পেল কোন কোন সেক্টরে বাণিজ্য এল দিল্লি আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মস্কোকে নিয়ে কি অবস্থান রাখলেন বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই সবটাই সুক্ষ্মভাবে ওয়াচ করা হচ্ছিল ক্রেমলিন থেকে। কিন্তু রাশিয়া বাড়াবাড়ি করতে গেলেই তো টান পড়বে পেটে মনে আছে তো সেকথা? একেই পুতিনের ঘনিষ্ঠ ওয়াগেনার আর্মি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে শতযুদ্ধ ও ইউক্রেনের ওপর হামলা গতি বাড়তে থাকলেও মোদীর এই সফর মারাত্মক গুরুত্ব রেখেছিল মস্কোর জন্য।

    ভারতের একটা ভুল বা একটা মন্তব্য ঘেঁটে দিতে পারে অনেক ইকুয়েশন। যার সর্বাত্মক চেষ্টা যে তলায় তলায় করেছিল আমেরিকা এমনটা দাবি বহু কূটনীতিবিদদের। রাশিয়া সংবাদমাধ্যমের বিস্ফোরক মন্তব্য ভারতকে নিয়ে, মোদীকে নিয়ে। দিল্লি-মস্কোর সম্পর্কে একটা হালকা চির, বড় ফায়দা লোটার জন্য দাঁড়িয়েই রয়েছে ড্রাগনের দেশ। আমেরিকা কি সফল হল খেলা পাল্টে দিতে৷ জবাব না, হল না। ভারত রুখে দিল তাদের জবরদস্ত কূটনীতি দিয়। দুনিয়ার কাছে আগেই সাফাই গেয়ে ওয়াশিংটন বলে রেখেছিল মোদীর এই সফরের সঙ্গে চিন বা রাশিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু এসব তো বলার কথা। মোদী কথা বললেন যুদ্ধ নিয়ে। মস্কোর সংবাদসংস্থা স্পুটনিক বিশেষজ্ঞদের রায় নিয়ে দাবি করেছে আজ থেকে নয় গত ৫০ বছর ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বাইডেনের রণনীতিই হল ভারতকে রাশিয়ার থেকে দূরে করা। মোদী কিন্তু দুটো দেশকে রীতিমত টার্গেট করলেন চিন এবং পাকিস্তান। রাশিয়া নিউজ দাবি করল।

    তারা বোঝে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চিনের প্রভাব রুখতেই আমেরিকার এতটা কাছাকাছি রয়েছে দিল্লি, স্ট্র্যাটেজিক পাটনারশিপ গড়ে উঠছে। কিন্তু কূটনৈতিক মহল বলছে মস্কো এতটা বোঝার পিছনে রয়েছে অন্য চাল। মনে করে দেখুন মার্চ মাসে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গেছিলেন রাশিয়া সফরে। তখন ভারতের কি প্রতিক্রিয়া ছিল সেটা ভোলেনি মস্কো কারণ ভুলে গেলে তাদেরই বিপত্তি বাড়বে। সেসময় ভারতের তরফ থেকে পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল চিন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ভারতে কোনও প্রভাব ফেলবে না। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছিলেন দিল্লির সঙ্গে মস্কোর বন্ধুত্ব অনেক গাঢ়।
    সেখানে চিনকে বিপত্তি বলে মনে করে না ভারত। কূটনীতিবিদদের অনেকেই বলছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত প্রচেষ্টাই কিন্তু ছিল বা আগামীতেও থাকবে। ভারতের মুখ থেকে এমন কোনও মন্তব্য করানো যাতে মস্কো চটে যায়। প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার নাম না করে যুদ্ধ নিয়ে স্পষ্ট জানালেন এটা যুদ্ধ করার সময় নয় সংলাপ ও কূটনীতির সময় প্রায় আড়াই ঘন্টা বৈঠক করার পর তবেই ভারত ও আমেরিকা যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়।

    ভারত চিনের নাম না নিলেও নমো চরম তোপ দাগলেন। প্রগতির জন্য অস্বাভাবিক পর্যায়ে ঋণগ্রস্ত হতে হবে না কোনও দেশ যেখানে সংযোগের বিনিময়ে কারও কৌশলগত দাসত্ব মেনে নিতে হবে না। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলিকেই ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কেন্দ্রে রাখতে হবে এমন একটি অঞ্চল এখানে গড়ে তোলা প্রয়োজনযে খানে সব রাষ্ট্র নির্ভয়ে নিজেদের পছন্দ জানাতে পারবে। সবথেকে অবাক বিষয় আমেরিকার প্রেসিডেন্টের নিশানা চিন থাকলেও, মস্কো কিন্তু একেবারেই ছিল না। এর মানে কি রাশিয়ার বিশ্বস্ত বন্ধু ভারতের উপস্থিতির জন্য রাশিয়াকে আক্রমণ করতে গিয়েও থেমে গেল আমেরিকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মস্কো ভারতের ওপর গর্ববোধ করা উচিত৷ হয়ত গোপনে অনেক খেলাই ঘুরিয়ে দিল ভারত৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ukraine: অকেজো অস্ত্র পাঠিয়ে ইউক্রেনকে টুপি পরাচ্ছে পশ্চিমারা? এই ভয়ে চেপে গেছে কিয়েভ, সিক্রেট ফাঁস

    Ukraine: অকেজো অস্ত্র পাঠিয়ে ইউক্রেনকে টুপি পরাচ্ছে পশ্চিমারা? এই ভয়ে চেপে গেছে কিয়েভ, সিক্রেট ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ukraine: সাহায্যের নামে কি ইউক্রেনকে এভাবেই ঠকাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? সত্যিই কি বিকল অস্ত্রগুলো ইউক্রেনে পাঠাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব? চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল শুরু। টাকা দিয়েও অস্ত্র পাচ্ছে না ইউক্রেন। কোন সংকটের মুখোমুখি জেলেনেস্কি? কেন পশ্চিমাদের পাঠানো অস্ত্র মেরামত করে চালাতে হচ্ছে ইউক্রেনকে? বন্ধুত্বের চির ধরাতে পারে এই ধরনের অভিযোগ। মুখ খুলতে নারাজ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, গোলাবারুদের গুদাম, আর্টিলারি ইউনিটে আঘাত করেছে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র, কামানের গোলা। দিনের পর দিন যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে। ঠিক এমন সময় সামনে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মিত্র দেশগুলোর তরফে নিরাপত্তা সহযোগিতার নামে পাঠানো সমরাস্ত্রগুলো শুধু অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ হিসেবে ব্যবহারের যোগ্য। সেভাবে বলতে গেলে যুদ্ধের কাজে লাগছে না।

    পশ্চিমা মিত্রদের পাঠানো নিরাপত্তা সহযোগিতায় আধুনিক অস্ত্র ছিল মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যা রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে মিত্রদের পাঠানোর অস্ত্র ব্যাপকভাবে মেরামতের প্রয়োজন পড়েছে। অদ্ভুত শোনালেও এটাই বাস্তব। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের সময় এরকম হলে খুব বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। এমনও হয়েছে, বিকল অস্ত্র পাঠানো হয়েছে মেরামত করতে। ইউক্রেন সরকারের নথিতে দেখা গেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অস্ত্র বিক্রেতাকে ১৯.৮ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে ৩৩ টা হাউইটজার মেরামতের জন্য। জানুয়ারির মধ্যে ১৩টি ইউক্রেনে পাঠানো হয়। কিন্তু, অভিযোগ ওঠে সেগুলো যুদ্ধে ব্যবহারের উপযোগী ছিল না। এরপর, কিয়েভের কর্মকর্তারা ওই মার্কিন কোম্পানির বিরুদ্ধে ঠিকঠাক মেরামত করতে না পারায় ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছেন। যদিও, ওই কোম্পানি পাল্টা দাবি করে যখন ওগুলো পাঠানো হয়েছিল মেরামতের পর, তখন সবগুলো কাজ করছিল। কিন্তু, ইউক্রেন উপযুক্ত ভাবে হাউইটজার রক্ষণাবেক্ষণ করেনি।

    ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা বেশিরভাগ সময় ভঙ্গুর বা বিকল সরঞ্জাম নিয়ে অভিযোগ করতে চাননি, কারণ ওগুলো উপহার। আর এতে অস্ত্রদাতারা বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু, তারপরেও বিষয়টা সামনে এসেছে। খবর পাওয়া যাচ্ছে ইউক্রেন সরকার ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে। কারণ, পর্যাপ্ত পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে বলা হলেও এগুলোর অধিকাংশ খারাপ বা ব্যবহার অনুপযোগী। লড়াইয়ে ব্যবহার করা যায়নি, যন্ত্রাংশ হিসেবে কাজে লাগাতে হয়েছে কিন্তু, ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য অস্ত্র কিনতে কম টাকা তো খরচ করেনি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া আক্রমণ শুরুর পর অস্ত্র কিনতে ঠিকাদারদের ৮০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা দিয়েছে। কিন্তু চুক্তি অনুসারে সম্পূর্ণ বা আংশিক অস্ত্রও পায়নি দেশটা। কিয়েভে অস্ত্র কেনার সঙ্গে জড়িত দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুরুতে না পাওয়া অনেক অস্ত্র শেষ পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী টাকা ফেরত দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বসন্তের শুরু পর্যন্ত কয়েক শ’ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিও রয়েছে। অথচ, কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। হ্যাঁ, ভেতরের খবর। টাকা দিয়ে অস্ত্র না পাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে ইউক্রেনের সাথে। অলরেডি, জটিলতা তৈরি করা ঠিকাদারদের বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও, যুদ্ধে রাশিয়ার সামনে ইউক্রেন টিকে আছে। যে সমস্ত চাঞ্চল্যকর বিষয়গুলোর সামনে উঠে আসছে সেগুলো যথেষ্ট সেনসিটিভ। তাই, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম