Tag: Trump

  • শান্তি নাকি যুদ্ধ? ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের বড় বার্তা

    শান্তি নাকি যুদ্ধ? ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের বড় বার্তা

    Trump Iran New Strikes: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ এখনও রয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    ট্রাম্পের কথায়, “আমরা শুধু জিততে চাই।” তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য দীর্ঘ যুদ্ধ নয়, বরং এমন একটি ফলাফল নিশ্চিত করা যাতে তাদের কৌশলগত উদ্দেশ্য সফল হয়।

    তিনি আরও জানান, পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি মিত্র দেশের অনুরোধে আপাতত সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই দেশগুলি চায়, শেষবারের মতো আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধানের চেষ্টা করা হোক। তাই নতুন হামলার আগে কূটনৈতিক উদ্যোগকে কিছুটা সময় দেওয়া হচ্ছে।

    সম্ভাব্য সমঝোতার আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়া, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে স্থায়ী সমাধান এবং যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়গুলি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    অন্যদিকে, ইরানও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন করে কোনও সামরিক হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছেন।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং সমুদ্রপথ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির উপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইসরায়েলও সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যদিও এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক সম্মতি বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    ফলে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর কূটনৈতিক আলোচনার দিকেই। আলোচনা সফল হলে নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব হতে পারে, আর তা ব্যর্থ হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ায় আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

    #Trump #Iran #MiddleEast #USIranConflict #WorldNews #BreakingNews #MilitaryAction #GlobalPolitics

  • হরমুজ ঘিরে নতুন হামলার কাউন্টডাউন! ইরানকে শেষ সতর্কবার্তা, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    Trump Iran Threat: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরান আলোচনার টেবিলে না এলে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর বড় ধরনের হামলা চালাবে মার্কিন সেনা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে মার্কিন অবস্থান নিয়েও নতুন করে নাটকীয় মোড় এসেছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি ইরানের জন্য আরও ভয়াবহ হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে আমাদের লক্ষ্য, সেতুগুলিও ধ্বংস করা হবে। তারা যদি আলোচনায় না আসে, তাহলে অভিযান চলতেই থাকবে।” তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, “আমি না বলা পর্যন্ত মার্কিন হামলা বন্ধ হবে না।”

    ইতিমধ্যেই টানা চতুর্থ দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। একইসঙ্গে ইরানের বন্দরগুলির উপর আবারও নৌ অবরোধ কার্যকর করার পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। ফলে গত ১৭ জুন হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়।

    এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলির কাছ থেকে তাদের পণ্যমূল্যের ২০ শতাংশ সমপরিমাণ নিরাপত্তা ফি নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়।

    তবে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অবস্থান থেকে খানিকটা সরে আসেন ট্রাম্প। তিনি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক রাজা, আমির ও শীর্ষ নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাঁদের প্রস্তাব, জাহাজের উপর অতিরিক্ত ফি আরোপের পরিবর্তে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে বহু বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

    ট্রাম্প বলেন, “তাঁরা আমাকে বলেছেন, অন্য একটি পথে এগোনোই ভালো হবে। তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল বিনিয়োগ করতে চান। আমারও মনে হয়, হরমুজ প্রণালী ব্যবহারের জন্য কাউকে আলাদা করে ফি দিতে বাধ্য করা উচিত নয়।”

    যদিও জাহাজের উপর ২০ শতাংশ নিরাপত্তা ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে এসেছেন তিনি, তবুও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ পুনরায় কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে বলে মার্কিন প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে।

    এদিকে মার্কিন হামলা এবং ইরানের পাল্টা আক্রমণে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজার, সমুদ্রপথে বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের উপরও বড় প্রভাব পড়তে পারে। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে পড়ছে এবং গোটা বিশ্বের নজর এখন হরমুজ প্রণালী ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

    #Trump #Iran #USIranConflict #HormuzStrait #MiddleEast #WorldNews #GlobalOilMarket #Airstrikes #DonaldTrump #BreakingNews

  • Donald Trump: মুখ বন্ধ রাখতে পর্ন তারকাকে ঘুষ ট্রাম্পের! কঠিন হতে পারে নির্বাচনী লড়াই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Donald Trump: সামনেই হোয়াইট হাউসের নির্বাচনী লড়াই। সেখানে ট্রাম্প (Trump) তাঁর নিজের গদি ফিরে পেতে নতুন রূপে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন। এসবের মাঝেই তাঁর বিরুদ্ধে উঠল ঘোরতর অভিযোগ। তিনি নাকি পর্ন তারকার মুখ বন্ধ রাখতে মোটা টাকার ঘুষ দিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় যুক্তরাষ্ট্র (U.S)। এই প্রথম কোন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (President) আদালতে অভিযুক্ত হলেন। তাঁর বিরুদ্ধে উঠল অপরাধমূলক অভিযোগ। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে ঠিক কতটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    ডেমোক্রেটিক দলের সদস্য তথা অ্যান্টনি অ্যালভিন ব্র্যাগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কার্যালয় তরফ থেকে নাকি ট্রাম্পের আইনজীবীদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার যোগাযোগ করা হয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রয়েছে একগুচ্ছ অভিযোগ। খুব শীঘ্রই যা প্রকাশ্যে আনা হবে। তার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প যাতে দ্রুত আত্মসমর্পণ করেন। যদিও এক্ষেত্রে ট্রাম্পকে জেলে যেতে হবে কিনা সেই বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।

    শোনা যায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্ক ছিল পর্ন তারকা স্টরমির। পরবর্তীকালে সেই সম্পর্ক ভাঙলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তিনি প্রচুর অভিযোগ আনেন। তখন ট্রাম্প নাকি তার মুখ বন্ধ রাখতে আইনজীবীকে দিয়ে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার পাঠিয়েছিলেন। স্টরমি জানিয়েছিলেন, যদি ট্রাম্প গ্রেফতার হন তাহলে তিনি বিষয়টি বেশ মহানন্দের সঙ্গে সেলিব্রেট করবেন। ট্রাম্পকে জেলে পাঠানো হলে তিনি রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার পরিবর্তে নেচে নেচে যাবেন।

    এই সমস্ত অভিযোগকে রীতিমত পাত্তা দেননি ট্রাম্প। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতের বিরুদ্ধে বেশ ক্ষেপেছেন। ম্যানহাটন আদালতের প্রধান সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে জানান, তিনি যাতে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে না পারেন তাই দুর্নীতিগ্রস্ত এবং রাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্ট সচিবালয় ষড়যন্ত্র করছে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, যদি এই অভিযোগ সত্যি হয় তাহলে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে নির্বাচনের লড়াইয়ের ময়দান খুব একটা সহজ হবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version