Tag: Spain

  • মেসিকে নিয়ে শাকিরার বার্তা মুহূর্তে ভাইরাল, মেসির স্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় সরগরম অনুরাগীরা

    মেসিকে নিয়ে শাকিরার বার্তা মুহূর্তে ভাইরাল, মেসির স্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় সরগরম অনুরাগীরা

    Shakira Lionel Messi Instagram Story: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা শাকিরা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি। শুধু তাই নয়, মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোও সেই পোস্টটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে প্রতিক্রিয়া জানান। মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় শাকিরার এই বার্তা।

    স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে নাটকীয়ভাবে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। প্রথমে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে এনজো ফার্নান্দেজের সমতা ফেরানো গোল এবং অতিরিক্ত সময়ে লাউতারো মার্টিনেজের জয়সূচক গোলে ফাইনালের টিকিট পায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    মেসিকে নিয়ে কী লিখলেন শাকিরা?

    ইনস্টাগ্রামে লিওনেল মেসির একটি ছবি পোস্ট করে শাকিরা লেখেন,

    “লিও মেসি যা করছেন, তা সত্যিই অসাধারণ। তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন, একজন মানুষের পরিচয় তার বয়স নয়, বরং তার শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা এবং নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মানসিকতা।”

    শাকিরা আরও বলেন, মেসির এই সাফল্যের পেছনে তাঁর স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোর বড় ভূমিকা রয়েছে।

    তিনি লেখেন,

    “আমি জানি, আন্তোনেলার মতো একজন জীবনসঙ্গী পাশে থাকায় মেসি প্রতিদিন আরও শক্তি ও অনুপ্রেরণা পান।”

    স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    শাকিরার এই প্রশংসাসূচক বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই আন্তোনেলা রোকুজ্জো সেটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পুনরায় শেয়ার করেন। ফলে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিষয়টি আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

    মেসি ও আন্তোনেলা ছোটবেলার বন্ধু। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁদের তিন সন্তান রয়েছে।

    গোল্ডেন বুটের দৌড়েও মেসি

    বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়েও রয়েছেন লিওনেল মেসি। ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে তাঁর লড়াই চলছে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের জন্য।

    সমালোচকদের জবাব দিলেন মেসি

    বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নাকি রেফারিদের বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন অনেক সমালোচক। তবে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর সেই সমালোচনার কড়া জবাব দেন মেসি।

    তিনি বলেন,

    “গত চার বছরে আমরাই সেরা দল। এটা কারও ভালো লাগুক বা না লাগুক, সত্যিটা বদলাবে না। আমরা আবারও বিশ্বের সেরা দুই দলের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি। এতে প্রমাণ হয়, আমাদের সাফল্য কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং কেউ আমাদের কিছু উপহারও দেয়নি।”

    বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে শাকিরার আবেগঘন শুভেচ্ছা এবং মেসির আত্মবিশ্বাসী বার্তা এখন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

    #Shakira #LionelMessi #AntonelaRoccuzzo #FIFAWorldCup2026 #Argentina #Spain #InstagramStory #Football #WorldCupFinal #ViralNews

  • চীনে সিক্রেট অপারেশন! ভারতে আসছে সমু্দ্রের ব্রহ্মাস্ত্র, স্পেনের হাতে বড় সুযোগ

    চীনে সিক্রেট অপারেশন! ভারতে আসছে সমু্দ্রের ব্রহ্মাস্ত্র, স্পেনের হাতে বড় সুযোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    স্পেনের ব্রহ্মাস্ত্র হাতিয়ে নিচ্ছে ভারত। চীনের ওপর কি হতে চলেছে সিক্রেট অপারেশন? স্পেন থেকে কাতারে কাতারে এ কী ঢুকতে যাচ্ছে ভারতে? অতল সাগরে কোন ফাঁদ পাততে চলেছে ইন্ডিয়ান নেভি? ভারতেও তৈরি হবে ড্রাগন বধের অস্ত্র। স্পেন থেকে সি২৯৫ সামরিক পরিবহন বিমানের ফার্স্ট ব্যাচ অলরেডি ভারতের হাতে চলে এসেছে। আর এবার ইন্ডিয়ান নেভির জন্য ৬ টা খতরনাক সাবমেরিন তৈরি করবে স্পেন। শুধু তাই নয়, স্পেন প্রযুক্তি হস্তান্তরেও রাজি।

    প্রতিরক্ষা ছাড়াও বাণিজ্য-সহ একাধিক বিষয়ে ভারতকে পারফেক্ট পার্টনার বলে মনে করে স্পেন। স্পেন ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স এর হাতে অলরেডি যুদ্ধবিমান তুলে দিয়েছে। আর এবার ইন্ডিয়ান নেভি হবে আরও পাওয়ারফুল। প্রাণ শোকাচ্ছে চীনের। তবে, বিদেশ থেকে অস্ত্র কিনলেও ভারতের মাটিতে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরিতে জোর দিয়েছে মোদী সরকার। মেক ইন ইন্ডিয়া হবে এবার আরও সমৃদ্ধ। জানিয়ে রাখি, ২০২১ সালেই স্পেন থকে ৫৬টি সামরিক পরিবহণ বিমান কেনার ডিল হয় ভারতের। ঠিক হয় ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স এর জন্য স্পেনের সিএএসএ সংস্থার তৈরি ৫৬টি সি-২৯৫ সামরিক পরিবহণ বিমান কেনা হবে। ডিল হওয়ার ৪৮ মাসের মধ্যে ১৬টি বিমান স্পেন থেকে উড়িয়ে আনা হয়।
    আর ৪০টি বিমান তৈরি করা হবে ভারতে।

    এতে একটা বিষয় পরিষ্কার, বিপদ বাড়ছে চীনের। চাপে পড়ে যাচ্ছে একের পর এক শত্রুদেশ। হবে নাই বা কেন?
    প্রতিবেশী চীনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের অস্ত্রের আধুনিকায়ন ঘটাচ্ছে ভারত। নতুন নতুন অস্ত্রও মজুদ করা হচ্ছে ভারতের অস্ত্রভান্ডারে। দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টসের, বলছে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট। মোদ্দা কথা, বেইজিংকে বলে বলে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ভারত। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী রেকর্ড পরিমাণ প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করছে ভারত, যা দিয়ে আরও প্রায় ১৩৮-২১২টি পরমাণু অস্ত্র বানানো সম্ভব। তলে তলে অনেকদূর এগিয়ে গেছে ভারত। বর্তমানে ভারতের ১৬০টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, আর চীনের ৩৫০টি।

    তাহলে কী দুই দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে যখন তখন? চান্স কতটা? দুটো দেশই যুদ্ধে জড়াতে চায়না। কারণ যুদ্ধ হলে ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক হবে। ভারত চীনকে ছেড়ে কথা বলবে না। কাজেই দুই দেশই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাইছে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কিন্তু, ভারত-চীন ইস্যউতএ দিনে দিনে যেভাবে টেনশন বাড়ছে তাতে আগামী দিনে এই জল কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • The history of chocolate: ডার্ক থেকে মিল্ক! একটা গাছের বীজ থেকে চকোলেট কীভাবে তৈরি হয়?

    The history of chocolate: ডার্ক থেকে মিল্ক! একটা গাছের বীজ থেকে চকোলেট কীভাবে তৈরি হয়?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    The history of chocolate: চকোলেট (Chocolate) নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। তেতো পানীয় আবার কখনও রান্নার মশলা সুদূর স্পেন থেকে আপনার প্রিয় মিষ্টি (Sweets),কীভাবে হয়ে উঠল জানেন?একটা গাছের বীজ থেকে চকোলেট কীভাবে তৈরি হয়!
    ক্যান্সার থেকে বাঁচতেও চকোলেট (Chocolates)।আবার আনন্দে থাকতেও এটি ভীষণ কাজের।কিন্তু এই চকোলেট কীভাবে তৈরি হয়?কোনও রাসায়নিক( chemical) দিয়ে তৈরি ?নাকি সম্পূর্ণ অর্গানিক (Organic)?আম, জামের মতনই আচ্ছা চকোলেট কি গাছে ফলে?

    লাতিন আমেরিকার (Latin America) স্কোকোলেট থেকেই চকোলেট।এই চকোলেট প্রথম দিকে পানীয় হিসাবেই ব্যবহার করা হত। অনেকে আবার ব্যবহার করতেন রান্নার মশলা হিসেবেও।

    কোনও ফলের আকারে নয়! কীভাবে গাছের বীজ থেকে চকোলেট তৈরি হয়? দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন উপত্যকার কোকো গাছ (Cocoa Tree)।এখন অন্যান্য দেশেও যার দেখা পাওয়া যায়।গাছ বেশি বড় হয় না বড়জোর ২৫ ফুট উঁচু হতে পারে।সব মিলিয়ে প্রায় ৩০টির মতো বীজ থাকে প্রতিটি ফলে। পাকলে কোনো জাতের ফলের রং হয় লাল আবার কোনোটার গাঢ় হলুদ।পাকা ফলের ভেতরের বীজ বের করে শুকিয়ে তাকে ফারমেনটেশন বা গাঁজাতে হয়। তারপর তাকে রোস্ট করে গুঁড়ো ।এর পাউডার থেকেই চকোলেট তৈরি হয়।বছরে দুবার ফল সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।তবে এই গাছ খুব বেশি শীত ও গরম হাওয়া কোনোটাই সহ্য করতে পারে না।কোকো গাছ ভীষণই শৌখিন।

    চকোলেটের প্রথম কারখানা গড়ে ওঠে স্পেনে (Spain)।শোনা যায়, ১৯০৫ সালে জর্জ ক্যাডবেরি জুনিয়র স্পেন থেকে ক্যাডবেরি বারের রেসিপিটি শিখে এসে প্রথম এটি তৈরি করেন।ক্যাডবেরি কোম্পানির প্রথম সদস্য হিসাবে ধরা হয় জন ক্যাডবেরিকেই।এর আগে বার্মিংহামের বুলস্ট্রীটে তিনি একটি চায়ের দোকান চালাতেন।বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার দেশ যেমন, ঘানা নাইজেরিয়া, কঙ্গো, সিয়েরা লিওন থেকে উন্নতমানের কোকো বীজ আমদানি করে ক্যাডবেরি তৈরি করা হয়। বর্তমানে পৃথিবীর ৪৩ শতাংশ কোকোয়া উৎপাদন হয় আইভরিকোস্ট থেকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Menstrual leaves: স্পেনে চালু হল মহিলাদের পিরিয়ড লিভ, ভারতেও রয়েছে এই সুবিধা!

    Menstrual leaves: স্পেনে চালু হল মহিলাদের পিরিয়ড লিভ, ভারতেও রয়েছে এই সুবিধা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Menstrual leaves: গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা স্পেনের। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখালেই মহিলা কর্মীরা পাবেন পিরিয়ড লিভ। গত বৃহস্পতিবার ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে স্পেনের পার্লামেন্টে একটি আইন পাস করানো হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী পিরিয়ড লিভ বা ঋতুকালীন ছুটি পাওয়া যাবে। ১৮৫টি ভোটের মধ্যে ১৫৪ ভোটে জয়ী হয়ে পাস হয়েছে এই ঐতিহাসিক আইন। যদিও শুধু স্পেন নয়, বিশ্বের বহু দেশে এই নিয়ম চালু রয়েছে। ভারতেও নানান বেসরকারি সংস্থা মহিলা কর্মীদের এই ছুটি দিয়ে থাকে।

    কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য মাসিক ছুটি কার্যকর করার জন্য বিশ্বজুড়ে দীর্ঘকাল ধরেই বিতর্ক চলছে। পিরিয়ড লিভ বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের ছুটি যেখানে মহিলাদের মাসিকের সময় তাদের কর্মক্ষেত্র থেকে বেতন বা অবৈতনিক ছুটি নেওয়ার বিকল্প থাকতে পারে। পিরিয়ড মানেই গুরুতর অস্বস্তি ভাব, ব্যথা, মানসিক সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। এমত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মসংস্থান নারীদের অফিসে কাজ না করে বাড়িতে আরামদায়কভাবে থাকার অধিকার দেয়। তৃতীয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই মাসিকের ছুটির বিষয়টি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। অপরদিকেই ইন্দোনেশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কিছু দেশে মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি দেওয়া হয়।

    ইন্দোনেশিয়া মাসিকের সময় মহিলা কর্মীদের দুই দিনের ছুটির অধিকার দিলেও তা অতিরিক্ত ছুটি নয়। জাপানে এই আইন কার্যকর হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। ১৯৪৭ সালের শ্রম স্ট্যান্ডার্ড আইনের ৬৮নং ধারা অনুযায়ী যদি কোন মহিলা মাসিকের সময় বিশেষভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে তিনি ছুটির অনুরোধ করতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় কোন মহিলা কর্মচারী মাসিকের সময় ছুটি না নিলে অতিরিক্ত বেতন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাইওয়ান কর্মসংস্থানে লিঙ্গ সমতা আইনের অধীনে মহিলাদের প্রতি বছর তিন দিনের পিরিয়ড ছুটি দিয়ে থাকে। জাম্বিয়াতে কোন মহিলা কর্মী মাসিক ছুটির নীতির অধীনে প্রতি মাসে একটি করে ছুটি নিতে পারেন, যা ‘মা দিবস’ হিসেবে পরিচিত। যদি কোন সংস্থা এই ছুটি প্রত্যাখ্যান করে তাহলে নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অধিকার রয়েছে। ২০১৬ সালে ইতালিও এই মাসিক ছুটির ধারণা নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছিল। আইন প্রণেতারা সেই বিষয়ে একটি বিলের প্রস্তাব করেন, যেখানে কর্মীদের চিকিৎসা শংসাপত্র বিচার করে সম্পূর্ণ বেতনের তিন দিনের ছুটির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। যদিও পরবর্তীকালে আইনটি পাস হয়নি।

    ভারতে পিরিয়ড লিভ

    ভারতের মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি নেওয়ার কোন আইনি অবকাঠামো না থাকলেও বেশ কিছু বেসরকারি কোম্পানি মহিলা কর্মীদের এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। ভারতের যে সমস্ত বেসরকারি সংস্থা মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি দিয়ে থাকে সেগুলি হল-

    ১. সুইগি (Swiggy)
    ২. কালচার মেশিন (Culture Machine)
    ৩. মাথ্রুভূমি (Mathrubhumi)
    ৪. ম্যাগজেটর (Magzter)
    ৫. ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই (Wet and Dry)
    ৬. ইন্ডাস্ট্রি এআরসি (IndustryARC)
    ৭. জম্যাটো (Zomato)
    ৮. আইবিপণন (IVIPANAN)
    ৯. গোজুপ (Gozoop Online Pvt Ltd)
    ১০. হর্সেস স্টেবেল নিউজ (Horses Stable News)
    ১১. ফ্লাইমাইবিজ (FlyMyBiz)
    ১২. বাইজুস (Byju’s)

    প্রায় ১০০ বছর মানুষের মধ্যে পিরিয়ড নিয়ে সাংঘাতিক ট্যাবু ছিল, তখন কেরালা এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যা সত্যি প্রশংসনীয়। সেই ১৯১২ সাল থেকে এরনাকুলামের ত্রিপুনিতুরার সরকারি একটি স্কুলে পিরিয়ডের সময় ছাত্রীদের ছুটি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এমনকি ছাত্রীরা বার্ষিক পরীক্ষার সময়ও পিরিয়ডের ছুটি নিতে পারে। মাঝে কেটে গিয়েছে প্রায় শত বছরের বেশি। সম্প্রতি ২০২৩ এর শুরুতেই কেরালা সরকারের উচ্চশিক্ষা দফরের অন্তর্গত সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের পিরিয়ডের ছুটি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার সঙ্গে জড়িত ছাত্রীরা মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধাও পাবেন। কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য পিরিয়ডের ছুটির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে বিশ্বের বহু করেছে। পিরিয়ডের সময় মহিলাদের প্রচন্ড যন্ত্রণা এবং অস্বস্তি ভাব কাজ করে। এমনকি বারংবার মুড সুইং হতে থাকে। এমত পরিস্থিতিতে শান্ত মনে অফিসের চেয়ারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে কাজ করা সম্ভব নয়। শারীরিক অবস্থা বুঝে এই ছুটির দরকার রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Kolkata International Book Fair: কলকাতার আন্তর্জাতিক বইমেলায় কড়া নিরাপত্তা, নজরদারি চলবে CCTV-তে

    Kolkata International Book Fair: কলকাতার আন্তর্জাতিক বইমেলায় কড়া নিরাপত্তা, নজরদারি চলবে CCTV-তে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Kolkata International Book Fair: চলতি মাসের একেবারে শেষ দিকে শুরু হতে চলেছে ২০২৩ এর কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা (Kolkata International Book Fair 2023)। ৩০ জানুয়ারি থেকে এই বই মেলা চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবছরে ৪৬ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলা নিয়ে সোমবার আলোচনায় বসলেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গিল্ডের প্রতিনিধি সহ বিধান নগর পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা, বিদ্যুৎ দফতর, পুরসভা, দমকল দফতর এবং অন্যান্য দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। চলতি বছরে বইমেলার নিরাপত্তার উপর বিশেষ নজর দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন গিল্ডের সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়।

    জানা যায়, এই দিনের বৈঠকে আলোচনা করা হয় বইমেলার নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যবস্থা নিয়ে। এই বছরের বইমেলা প্রাঙ্গণে পূর্বের তুলনায় আরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা (CCTV Camera) বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সব দিক থেকে নজরদারি রাখার জন্য ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হবে। সেই ওয়াচ টাওয়ারের (Watch Tower) মাধ্যমে গোটা বইমেলা চত্বরে পুলিশের নজরদারি চলবে। যারা বইমেলায় আসবেন সেই সকল বইপ্রেমীদের যাতে যাতায়াতে কোনো রকম অসুবিধা না হয় তার জন্য আলাদা বাস টার্মিনাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও পুরসভার সহযোগিতায় জল সরবরাহ এবং বায়ো টয়লেটের ব্যবস্থা রাখা হবে।

    ৪৬ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । জানা গিয়েছে , তিনি ৩০ জানুয়ারি দুপুর ২ টো নাগাদ এই বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হবেন। এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার থিম (Theme) হল স্পেন (Spain)। করোনার কারণে বিগত বছরে এই বইমেলাকে কেন্দ্র করেও একাধিক বিধি-নিষেধের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এই বছরে আর করোনার দাপট নেই। সেই কারণে বিধি-নিষেধের কড়াকড়িও নেই। বইমেলায় যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা যায় সেই দায়িত্ব নেবে কলকাতা পুলিশ । অন্যদিকে বইমেলাকে ঘিরে অন্যান্য বছরের মত এই বছরেও বইপোকাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উন্মাদনা।

    তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • New Year Celebrations: আঙুর স্পেনীয়দের সৌভাগ্য বয়ে আনে! বিশ্বজুড়ে নববর্ষ পালনের কী রীতি রয়েছে?

    New Year Celebrations: আঙুর স্পেনীয়দের সৌভাগ্য বয়ে আনে! বিশ্বজুড়ে নববর্ষ পালনের কী রীতি রয়েছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    New Year Celebrations: নববর্ষের দিনটি প্রত্যেক মানুষের জন্য স্পেশাল। সেটা বাংলা নববর্ষ হোক কিংবা ইংরেজি, মানুষের মধ্যে উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে। এবারে নতুন বছর (New Year) শুরু হচ্ছে ছুটির দিন দিয়ে। তাই মানুষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেশি। বিশ্বের নানা জায়গায় এই নতুন বছরকে গ্র্যান্ডভাবে ওয়েলকাম করা হয়। যে দেশে যেমন রীতি, সে দেশে তেমনভাবে স্বাগত জানানো হয় নববর্ষকে। বিভিন্ন জায়গার রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্য। যেমন-

    যুক্তরাষ্ট্র (United States)-

    প্রত্যেক বছর হাজার হাজার মানুষ নিউ ইয়র্ক সিটির টাইম স্কোয়ারে জড়ো হয় গ্লিটার বল মাটিতে পড়া দেখার জন্য। প্রত্যেক বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সেখানে এইভাবে নিউ ইয়ার সেলিব্রেট হয়ে থাকে। ‘MONEYCONTROL NEWS’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এটা সেখানকার প্রথা। যা ১৯০৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে।

    গ্রীস (Greece)-

    গ্রীকরা তাঁদের দরজায় পেঁয়াজ ঝুলিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। পেঁয়াজ বৃদ্ধি, পুনর্জন্ম এবং উর্বরতার প্রতীক। তাই আপনি যদি নববর্ষের দিনে গ্রীসে থাকেন, তবে দরজায় বুনো পেঁয়াজ ঝুলতে দেখলে অবাক হবেন না।

    স্পেন (Spain)-

    প্রায় সব উৎসবেই খাদ্য একটা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। যেমন- গ্রীকরা পেঁয়াজ পছন্দ করে, তেমন স্পানিয়ার্ডরা ১২টি আঙুর খেয়ে নতুন বছর শুরু করে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁদের বিশ্বাস এটি আসন্ন বছরে সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে। এই আচারটি ১৯ শতক থেকে চলে আসছে।

    ডেনমার্ক (Denmark)-

    এখানকার মানুষরা নতুন বছর উদযাপন করে একেবারে অন্যরকমভাবে। ফোবর্সের মতে, ডেনমার্কের লোকেরা মধ্যরাতে আসবাবপত্র থেকে লাফ দিয়ে আক্ষরিক অর্থে একটি নতুন বছরে লাফ দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি একটি প্রথা। যাকে তাঁরা তাঁদের ভাষায় “hoppe ind i det nye år” বলে। সেইসঙ্গে আরেকটি ডেনিশ প্রথা হল বাজে আত্মাদের তাড়ানোর জন্য কাটলারি ভাঙা।

    মেক্সিকো (Mexico)-

    মেক্সিকোতে নববর্ষের আগের দিনটি একটি বড় উপলক্ষ এবং রীতিনীতি মেনে পালন করা হয়। স্পেনের মতো মেক্সিকোতেও আঙুর খাওয়ার রীতি রয়েছে। সেইসঙ্গে অন্যান্য আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারকে বাড়িতে তৈরি তামালে উপহার দেওয়া। পাশাপাশি পুরনো জিনিস পরিষ্কার করার জন্য মধ্যরাতে দরজা খুলে রাখা এবং সমৃদ্ধি ও সাফল্যের জন্য লাল অন্তর্বাস পরার রীতি রয়েছে।

    ফিলিপাইন (Philippines)-

    এখানে নববর্ষের দিনে ফিলিপিনোরা বিশ্বাস করে যে, পোলকা ডটের পোশাক পরা উচিত। সেইসঙ্গে ফিলিপাইনের লোকেরা রাতের খাবারের টেবিলে গোল ফল রাখার বিষয়টিও মাথায় রাখে।

    এক কথায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ঐতিহ্য রয়েছে নববর্ষের। আর সমস্তটাই বিশ্বাসের থেকে। ঠিক যেমন বলা হয়, বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু। সেরকমই যেভাবে হয়ে আসছে, সেভাবে এক একটি জায়গায় নববর্ষ পালিত হয়ে থাকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Sergio Busquets: বিশ্বকাপ থেকে স্পেনের বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন সার্জিও বুস্কেটস

    Sergio Busquets: বিশ্বকাপ থেকে স্পেনের বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন সার্জিও বুস্কেটস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে স্পেন রাউন্ড অফ ১৬ পর্বে বিদায় নেওয়ার পর শুক্রবার স্পেন মিডফিল্ডার সার্জিও বুস্কেটস আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা করলেন। বুস্কেটস তাঁর ক্যারিয়ারে স্প্যানিশ দলের মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এসেছেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ১৪৩টি ম্যাচ খেলেছেন বুস্কেটস। মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

    ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্টে, বুস্কেটস ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছেন এবং বছরের পর বছর ধরে তার সমস্ত কোচ এবং সতীর্থদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বার্সালোনা মিডফিল্ডার সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে বছরের পর বছর ধরে দলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তিনি খুব গর্বিত।

    এদিন পোস্টে বলেন, “আমি ঘোষণা করতে চাই যে প্রায় 15 বছর এবং ১৪৩ ম্যাচের পরে, জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে।” আমি এই দীর্ঘ পথে আমার সঙ্গে থাকা সমস্ত মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। ভিসেন্তে দেল বস্ক থেকে যারা আমাকে শুরু করার সুযোগ দিয়েছেন, লুইস এনরিককে শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত আমাকে উপভোগ করার জন্য। এছাড়াও জুলেন লোপেতেগুই-এর আত্মবিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানাই। ফার্নান্দো হিয়েরো এবং রবার্ট মোরেনো, সেইসঙ্গে তাদের সমস্ত কর্মীদের ধন্যবাদ।”

    “আমি অভিযানের কোনো সদস্যকে ভুলতে চাই না, যারা পটভূমিতে থাকা সমান গুরুত্বপূর্ণ (চিকিৎসক, ডাক্তার, সরঞ্জাম, প্রতিনিধি, পুষ্টিবিদ, কর্মী, প্রেস, নিরাপত্তা, ভ্রমণ, ইত্যাদি…) এবং সকলের কাছে মানুষ এবং কর্মীরা যারা আমার পথ অতিক্রম করেছে এবং এটিকে বিশেষ করে তুলেছে। এছাড়াও রাষ্ট্রপতি, পরিচালক, ক্রীড়া পরিচালক এবং যারা কোন না কোন উপায়ে ফেডারেশনের অংশ ছিলেন। সকল অনুগামীদের জন্য, প্রতিদিনের প্রাপ্ত সমর্থনের জন্য এবং বিশেষ করে যখন জিনিসগুলি আশানুরূপ হয়নি। তখনই যখন আপনার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় এবং আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ!”

    “এবং অবশ্যই, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমার পরিবার। প্রতিটি মুহুর্তে এবং আমার সমস্ত সিদ্ধান্তে আমাকে সমর্থন করার জন্য এবং অনেক দিন ধরে দূরে থাকার পথটি ভাগ করে নেওয়ার জন্য এবং আমাকে সর্বদা আমার সেরা দেওয়ার জন্য।” বুস্কেটস বলেন, “আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং এটিকে সর্বোচ্চে নিয়ে যাওয়া, বিশ্ব ও ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, ক্যাপ্টেন হওয়া এবং অনেক গেম খেলা, কম বা বেশি সাফল্যের সাথে সর্বদা এটি দেওয়া এবং আমার বালির দানা নিয়ে আসা সম্মানের বিষয়। সবকিছুই যথাসাধ্য সম্ভব এবং প্রত্যেকেই অনুভব করেছিল যে তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সবাইকে সাহায্য করা এবং একই লক্ষ্যের জন্য লড়াই করা, অনন্য, অবিস্মরণীয় এবং ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা।”

  • FIFA World Cup 2022: বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের জের! লুইস এনরিককে সরিয়ে স্পেনের নয়া কোচ হলেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে

    FIFA World Cup 2022: বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের জের! লুইস এনরিককে সরিয়ে স্পেনের নয়া কোচ হলেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শেষ ষোলোর মঞ্চে মরক্কোর কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার কোচ লুইস এনরিককে বরখাস্ত করল স্পেন। দ্রুত তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অনূর্ধ্ব ২১ দলের কোচ বস লুইস দে লা ফুয়েন্তে। কোস্টারিকাকে ৭-০ গোলে হারিয়ে স্পেন কাতারে তাদের অভিযান শুরু করে এবং জাপানের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হলেও নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। মরক্কোর বিপক্ষে তাদের শেষ ষোলোর ম্যাচে শক্তিশালী ফেভারিট হিসেবে শুরু করলেও অতিরিক্ত সময়ে খেলা গোলশূন্য শেষ হওয়ার পর পেনাল্টিতে হেরে বিদায় নিতে হয় ২০১০ চ্যাম্পিয়নদের।

    স্পেন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, “প্রেসিডেন্ট লুইস রুবিয়ালেস এবং স্পোর্টিং ডিরেক্টর হোসে ফ্রান্সিসকো মোলিনা দুজনেই কোচকে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।” জানানো হয়েছে যে তারা লুইস এনরিক এবং তার কর্মীদের তাদের কাজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একটি “নতুন প্রকল্প” শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরেই ফেডারেশন ঘোষণা করে যে গত বছরের অলিম্পিকে স্পেনের পুরুষদের দলকে রৌপ্য পদক জেতানো দে লা ফুয়েন্তে স্পেনের কোচ হচ্ছেন।  মঙ্গলবার মরক্কোর কাছে হারের পর কোচ হিসেবে থাকতে চান বলে জানিয়েছিলেন লুইস এনরিক।

    লুইস এনরিক বলেন, “যদি এটা আমার উপর নির্ভর করে আমি সারাজীবন থাকতাম, কিন্তু ব্যাপারটা এমন নয়। আমাকে শান্তভাবে ভাবতে হবে যে আমার জন্য এবং জাতীয় দলের জন্য সেরাটা কী।” রাশিয়া বিশ্বকাপে স্পেনের হতাশাজনক প্রদর্শনের পর ২০১৮ সালে লুইস এনরিক দায়িত্ব নেন এবং লা রোজাকে ইউরো ২০২০-এর সেমিফাইনালে নিয়ে যান। যেখানে ইতালির কাছে পেনাল্টিতে পরাজিত হয় স্পেন।

    আরএফইএফ লুইস এনরিকের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে দে লা ফুয়েন্তেকে ঘোষণা করেছে এবং ফেডারেশনের পরিচালনা পর্ষদ পরের সপ্তাহে তার নিয়োগ অনুমোদন করবে। আরএফইএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “নতুন কোচ মার্চে ইউরো ২০২৪ বাছাইপর্বের ম্যাচে অভিষেক করবেন। নরওয়ে এবং স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর প্রথম খেলার দায়িত্ব নেবেন। গত বছর দে লা ফুয়েন্তে লিথুয়ানিয়ার বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে স্পেন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন।

  • FIFA World Cup 2022 : টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো

    FIFA World Cup 2022 : টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    টাইব্রেকারে স্পেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ আটে মরক্কো। চলতি বিশ্বকাপের মঞ্চে আরও একটি অঘটনের সাক্ষী থাকল বিশ্ব ফুটবল। ১২০ মিনিট পর্যন্ত গোল না হওয়ায় খেলার নিষ্পত্তি ঘটল টাইব্রেকারে। আর সেখানেই বাজিমাত করল আফ্রিকার দেশটি। ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বাড়ি পাঠিয়ে ইতিহাস গড়ল মরক্কো। এর আগে গ্রুপ পর্যায়ে বেলজিয়ামকে বাড়ি পাঠিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউটে পা রেখেছিল আফ্রিকান দেশটি। ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার তাঁরা শেষ ষোলোয় পা রাখে। সেইবার জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় মরক্কো।

     

    এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। তবে প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশ্যে একটি মাত্র শট নিতে পারল ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ মরক্কোও। গ্রুপ পর্যায়ে জাপানের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে হারের পর এদিন পাঁচটি পরিবর্তন করে স্পেন। তবুও মরক্কোর ডেডলক ভাঙতে পারল না গাভি-টোরেসরা। গোলশূন্য ভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধে মোরাতা-উইলিয়ামস নামতেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াল স্পেনের। সুযোগও তৈরি করল তাঁরা। কিন্তু কাঙ্খিত গোলের দেখা পেল না প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিরতির পরও বল দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখলেও, গোলের উদ্দেশ্যে একটিও শট রাখতে পারল না স্পেন। সুযোগ পেল মরক্কোও। কাজ লাগাতে ব্যর্থ হল আফ্রিকার দেশটি। গোলশূন্য থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

     

    অতিরিক্ত সময়ে মরক্কো রক্ষণে আক্রমণের ঢেউ তুললো স্পেন। একের পর এক আক্রমণে বিধ্বস্ত করল তাঁরা। কিন্তু মরক্কোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারল না তাঁরা। অবশেষে ম্যাচের নিষ্পত্তি গেল টাইব্রেকারে। চলতি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় টাইব্রেকার ম্যাচে ৩-০ গোলে জয় পেল মরক্কো। সেই সঙ্গে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাল আফ্রিকার দেশটি। টাইব্রেকারে একটি শটও গোলে রাখতে পারল না স্পেন। প্রথমে সারাবিয়ার শট বারে লেগে প্রতিহত হওয়ার পর কার্লোস সোলের ও সের্জিও বুস্কেটসের শট রুখে দেয় মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। অন্যদিকে মাত্র একটি শট গোলে রাখতে ব্যর্থ হয় মরক্কো। তবে হাকিম জিয়াশ ও আশরাফ হাকিমি বল জালে পাঠিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল মরক্কো। তাও এবার প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে। এর চেয়ে বড় দিন মরক্কোর ফুটবল ইতিহাসে কোনদিন আসেনি।

  • FIFA World Cup 2022: স্পেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জাপান, গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় জার্মানির

    FIFA World Cup 2022: স্পেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জাপান, গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় জার্মানির

    অঘটনের বিশ্বকাপে আবারও একটি অঘটন ঘটাল জাপান। জার্মানিকে হারানোর পর এবার স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল এশিয়ার দেশটি। খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে এদিন স্পেনকে ২-১ গোলে পরাজিত করে জাপান। অন্যদিকে কোস্টরিকাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করলেও শেষ ষোলোয় পৌঁছাতে পারল না জার্মানি। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হল ২০১৪ চ্যাম্পিয়নদের।

    ম্যাচের শুরু থেকে ফর্মে থাকা স্পেনের সঙ্গে পেরে উঠলো না জাপান। অষ্টম মিনিটে একটা ভালো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারল না এশিয়ান দলটি। এরপরই আক্রমণের পসরা সাজায় স্পেন। ১১ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন আলভারো মোরাতা। আসপিলিকুয়েতার ক্রসে হেডে গোলটি করেন আতলেতিকো মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। বল দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে জাপান রক্ষণে একের পর আক্রমণ তুলে আনে স্পেন। প্রথমার্ধে সেইভাবে খুঁজে পাওয়া গেল না জাপানকে। ৮৩ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য পাঁচটি শট নেয় স্পেন, যার মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে।

    বিরতির পর দুর্দান্তভাবে কামব্যাক করে জাপান। তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে এগিয়ে যায় এশিয়ান দলটি। ৪৮ মিনিটে জাপানকে সমতায় ফেরান রিতসু দোয়ান। ইতোর পাস থেকে স্পেন গোলরক্ষক সিমোনকে ফাঁকি দিয়ে জোরালো শটে গোল করেন দোয়ান। ৫১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান তানাকা। শুরুতে অবশ্য গোল দেননি রেফারি। পরে ভিআরের সাহায্য নিয়ে গোলের বাঁশি বাজান। ৭০ মিনিটে একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করে তাকুমা আসানো। নাহলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো।

    গ্রুপের অন্য ম্যাচে আল বাইত স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে কোস্টারিকাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করলেও শেষ ষোলোয় পৌঁছাতে পারল না জার্মানি। প্রথম ম্যাচে জাপানের কাছে পরাজিত হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে স্পেনের সঙ্গে ড্র করে ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নরা। স্পেনের সঙ্গে সমসংখ্যক পয়েন্ট হলেও গোল পার্থক্যে নক আউটের টিকিট পায় স্পেন। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল জার্মানি। রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হেরে ছিটকে গিয়েছিল তাঁরা। এবারেও হতাশা নিয়েই ফিরতে হলো তাদের।