Tag: Spain

  • FIFA World Cup 2022: স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভির প্রেমে মজেছেন স্পেনের রাজকন্যা!

    FIFA World Cup 2022: স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভির প্রেমে মজেছেন স্পেনের রাজকন্যা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় কম বয়সী গোল স্কোরার হিসেবে নাম তুলেছেন পাবলো মার্টিন পায়েজ গাভিরা। বিশ্বফুটবলে তিনি গাভি নামেই পরিচিত। কোস্টারিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের অভিযানে মাঠে নেমেই ইতিহাস গড়েন গাভি। ১৮ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ ফুটবলারের প্রতিভায় মুগ্ধ সকলেই। সে বার্সেলোনার জার্সিতে হোক বা স্পেনের জার্সিতে। খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বফুটবলে সুনাম অর্জন করেছেন এই মিডফিল্ডার।

     

    মাঠের ভিতরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও অব্যাহত গাভির জাদু। স্পেনের একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবী অনুযায়ী গাভির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন স্পেনের বর্তমান রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের কন্যা প্রিন্সেস লিওনর! ১৭ বছর বয়সী স্প্যানিশ রাজকন্যার স্বয়নে-স্বপনে এখন শুধুই গাভি। বর্তমানে ওয়েলসের আটলান্টিক স্কুলে পড়াশোনা করেন লিওনর। বিভিন্ন দেশের রাজ পরিবারের সদস্যরা এই স্কুলেই পড়াশোনা করেন। সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি অনুযায়ী গাভির প্রতি লিওনরের শুধু ভালো লাগাই নয় রয়েছে প্রেমের সুবাস।

     

    স্পেনের রাজকন্যার গাভির প্রতি ভালোলাগার বিষয়টি সামনে আসে স্পেন-কোস্টারিকা ম্যাচের পর। স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সোজা চলে যান স্পেনের ড্রেসিংরুমে। সেখানে জাতীয় দলের নয় নম্বর জার্সিতে গাভিকে দিয়ে সই করাচ্ছেন রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ। বর্তমানে স্পেনের নয় নম্বর জার্সি পড়েন গাভি। যে ছবিটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি দেখে এটা স্পষ্ট মেয়ে লিওনরের জন্যই জার্সিতে গাভির সই নিচ্ছেন রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ।

    তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ছবিতে অনেকেই ভিন্ন মত পোষণ করছেন। কেউ বলছেন রাজা নিজের জন্য জার্সিতে সই করাচ্ছেন। আবার অনেকে বলছেন রাজা যদি নিজেই গাভির সই নেবেন তো ওতো ছোট জার্সি কেন আনলেন। প্রশ্ন অনেক থাকলেও প্রেমের গন্ধ যে আছে, তা মানছেন অনেকেই। এর আগেও বহুবার ফুটবল মাঠে দেখা গেছে লিওনরকে। বার্সেলোনার জার্সিতেও গাভির খেলা দেখেছেন স্পেনের রাজকন্যা। রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের পর লিওনরই বসবেন স্পেনের সর্বোচ্চ মসনদে। দুই জনেরই বয়স এখন খুব কম। তবে ভবিষ্যতে তাদের প্রেমের অনুরাগ পূর্ণতা পায় কিনা সেটাই এখন দেখার।

  • Russia-Ukraine war: রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে লাগাতার ফায়দা লুটছে কোন দেশ? চরম ক্ষতি মুখে ইউরোপ

    Russia-Ukraine war: রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে লাগাতার ফায়দা লুটছে কোন দেশ? চরম ক্ষতি মুখে ইউরোপ

    ৷৷প্রথম কলকাতা৷৷

    Russia-Ukraine war: ইউক্রেনের দেশভক্তিকে কাজে লাগিয়ে মারাত্মক ফায়দা লুটছে দেশটা৷ ইউরোপের শিল্পকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে একটু একটু করে৷ এসবে কিন্তু চিন বা রাশিয়ার কোনও হাত নেই৷ সমস্ত গেম যেন এখন একটা দেশের হাতেই৷ ইউক্রেন যত শেষ হবে ততই যেন লাভ এবার৷ যুদ্ধ থামানোর কোনও দরকারই তো নেই৷ যুদ্ধ যত চলবে ততই লাভ হবে৷ হ্যাঁ আসলে গোপন কূটনীতি এটাই৷ এই ভাবনাটা কিন্তু রাশিয়ার নয় অন্য আরেক দেশের৷ মস্কো যত আগ্রাসন বাড়াবে ইউক্রেন যত তাতে রুখবে লাভ হবে তাতেই৷ পর্যবেক্ষকরা বলছেন, হঠাত করে একটা যুদ্ধ৷ অনেক দেশই ভেবে উঠতে বা ভবিষ্যতে এমনটা হলে কি পরিকল্পনা নিতে হবে সেটা ভাবতে পারেনি৷ যুদ্ধ লাগল আর শুরু হল জ্বালানি সংকট, মুদ্রাস্ফীতিসহ নানা সমস্যায়৷ কিন্তু ঠিক তখন এ সংকটকে পুঁজি করেই ব্যবসা করে যাচ্ছে একটা দেশ৷

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধীরে ধীরে কার্যত ধ্বংস হওয়ার মুখে ইউরোপের শিল্প৷ বা এভাবেও বলা যেতে পারে যে ইচ্ছা করেই ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে৷ সংবাদমাধ্যম সময় নিউজের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম পলিটিকোতে দেয়া সাক্ষাৎকারে শীর্ষ একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলেন, গভীরভাবে দেখলেই বোঝা যায় এ যুদ্ধ থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে তাহলে কেন? কিভাবে? আমেরিকা তো ইউক্রেনকে সাহায্য করছে তাতে নাকি তাদের প্রতিরক্ষায় অস্ত্রের ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে৷ আমেরিকা ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা বলছে তাহলে এগুলো কি সব মুখোশের খেলা? ইউরোপ কি ধরে ফেলতে পারল মার্কিনদের চালাকি?

    সংবাদমাধ্যম পলিটিকোতে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলছেন, আমেরিকা এই সুযোগে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছে৷ একইসঙ্গে তারা বেশি বেশি অস্ত্রও বিক্রি করছে৷ তারা এটাও বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অতি মুনাফা হওয়ার লালসাই কিন্তু ইউরোপের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে দিনদিন৷ কারণ তারা মনে করছেন, ইউরোপীয় শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে আমেরিকার এই সুপ্ত ইচ্ছা৷ কূটনৈতিক মহলের দাবি, এখানে একটা সরু বিভেদের পথ কিন্তু তৈরি হচ্ছে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে৷ আর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার পশ্চিমা মিত্রদের এমন বিভেদ স্বাভাবিকভাবেই খুশি করছে রাশিয়াকে। কিভাবে আমেরিকা ইউরোপকে জালে জড়ালো সেটা শুনুন এবার৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ ইউরোপীয় অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিয়েছে৷ রাশিয়ান জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস আমদানির দিকে ঝুঁকেছে৷ কিন্তু এজন্য তাদের খরচ হয়ে যাচ্ছে প্রায় চারগুণ বেশি৷

    আর আমেরিকা পুরো দমে এর ফায়দা লুটছে৷ তবে ইউরোপের সব দেশ কিন্তু রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমায়নি৷ এটাও একটা পয়েন্ট৷ পাইপলাইন বন্ধ হওয়ায় বিকল্প হিসেবে সমুদ্রপথে রাশিয়ার গ্যাস আমদানি করছে নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও স্পেনের মতো দেশগুলো৷ ফিনান্সিয়াল টাইমসের রিপোর্ট বলছে, রাশিয়ার গ্যাস আমদানিতে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে ইউরোপের এই দেশগুলো৷ এর মানে একটু বেশি আমদানিই করে রাখতে চাইছে তারা৷ নয়ত সেই হাত পাততে হবে আমেরিকার কাছে৷ কূটনৈতিক মহল বলছেন, এছাড়াও আরেকটা দিক রয়েছে, ইউক্রেনকে লাগাতার অস্ত্র সহায়তা দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে ইউরোপীয় সেনাবাহিনী৷ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের জন্য তাদের এখন নির্ভর করতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। কিন্তু মিত্র বলে কিন্তু সেখানেও ব্যবসা করতে ছাড়ছে না আমেরিকা৷

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেই দিয়েছেন, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ আচরণ নয়৷ তবে ইউরোপ যতই অভিযোগের আঙুল তুলুক না কেন আমেরিকা বলছে, ও এসব কিছুই নয়৷ আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র বলেছেন, ইউক্রেনে পুতিনের আগ্রাসন এছাড়াও ইউরোপের বিরুদ্ধে পুতিনের ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ কারণেই এ অঞ্চলে গ্যাসের দাম বেড়েছে৷ আমেরিকার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের রফতানি আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে, যা ইউরোপকে রাশিয়া নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করছে। কিন্তু এ সুযোগে আমেরিকা কত লাভ করেছে তা নিয়ে কার্যত স্পিকটি নট ওয়াশিংটন৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • FIFA World Cup 2022 : স্পেনের সঙ্গে ড্র করে শেষ ষোলোর আশা বাঁচিয়ে রাখল জার্মানি

    FIFA World Cup 2022 : স্পেনের সঙ্গে ড্র করে শেষ ষোলোর আশা বাঁচিয়ে রাখল জার্মানি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    প্রথম ম্যাচে জাপানের কাছে হার। দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরু থেকে ছন্নছাড়া ছাড়া ফুটবল। ম্যাচ হারলেই বিশ্বকাপে বিদায় ঘণ্টা বেজে যেত জার্মানির। এমন পরিস্থিতিতে গোল খেয়ে আরও কোনঠাসা হয়ে পড়ে জার্মানি। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াল হান্স ফ্লিকের দল। নিকোলাস ফুলকরাগের গোলে সমতায় ফিরল ২০১৪ চ্যাম্পিয়নরা। সেই সঙ্গে শেষ ষোলোর আশা বাঁচিয়ে রাখল জার্মানি।

    কাতারের আল বায়েত স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন। প্রথম ম্যাচে জাপানের অপ্রত্যাশিত হারে এই ম্যাচ জার্মানির কাছে ছিল মরণ-বাঁচন ম্যাচ। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৭ গোল দেওয়া স্পেন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করে । তবে খোলস ছেড়ে বেড়াতে সময় লাগলো জার্মানির। তবে পাল্টা আক্রমণে সেইভাবে সুযোগ আদায় করতে পারেনি ২০১৪ চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ যত এগিয়েছে ততই গতি হারিয়েছে দুই দলের খেলায়। ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে দুই দলই। ৪০ মিনিটে কিমিচের ফ্রিকিক থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেছিলেন রুডিগার। উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন। কিন্তু অফসাইডের জন্য বাতিল হয় গোল। গোলশূন্য ভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

    দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় জার্মানি। সুযোগও তৈরি করে কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ ২০১৪ চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে ফেরান টরেসকে তুলে মোরাতাকে নামান স্প্যানিশ কোচ লুইস এনরিক। আর তাতেই সুফল মেলে স্প্যানিশ আর্মাডার। ৬২ মিনিটে জর্দি আলবার পাশ থেকে আলতো টোকায় ম্যানুয়েল নুয়েরকে ফাঁকি দিয়ে গোল করে যান মোরাতা। এরপরই সমতায় ফিরতে তেড়েফুঁড়ে লাগে জার্মানি। স্পেনের রক্ষণে হানা দিয়ে একের পর এক আক্রমণের ঢেউ তুলে আনতে থাকে চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৮২ মিনিটে সমতায় ফেরে জার্মানি। জোরালো শটে দলকে সমতায় ফেরান পরিবর্ত নামা নিকোলাস ফুলকরাগ। এরপর বেশ কয়েকটি সুযোগ গড়ে তোলে জার্মানি তবে আর গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত ড্র করেই মাঠ ছাড়ে হান্স ফ্লিকের দল।

  • FIFA World Cup 2022 : বিশ্বকাপের অভিযানেই দাপট! কোস্টারিকাকে ৭ গোল দিল স্পেন

    FIFA World Cup 2022 : বিশ্বকাপের অভিযানেই দাপট! কোস্টারিকাকে ৭ গোল দিল স্পেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    প্রথম ম্যাচেই ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের দাপট। কোস্টারিকাকে সাত গোলের মালা পরাল মোরাতা-সোলেররা। বিশ্বকাপের অভিযানটা স্মরণীয় করে রাখার মতোই করল স্পেন। স্প্যানিশদের হয়ে জোড়া গোল করেন ফেরান তোরেস। একটি করে দানি ওলমো, মার্কো আসেনসিও, গাভি, কার্লোস সলের ও মোরাতা। বিশ্বকাপের মঞ্চে এটাই স্পেনের সবচেয়ে বড় জয়। সেই সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপেও। এর আগে ১৯৯৮ সালে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ৬-১ ব্যবধানে জিতেছিল স্পেন। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়ে বিশ্বকাপে ৭ গোল দিল স্পেন।

    ২০১০ সালে স্পেনের সেই তিকিতাকা ফুটবল ফুটবল প্রেমীদের মনে আজও বিদ্যমান। সেই তিকিতাকা ছন্দেই বাজিমাত করেছিল স্প্যানিশ আর্মাডা। ইকের কাসিয়াস, সের্জিও রামোস, ইনিয়েস্তা, জাভিদের সেই সোনালী অতীত এখন আর নেই। ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে সেইভাবে দাগ কাটতে পারেনি স্পেন। তবে চলতি বিশ্বকাপে ফিরল সেই সোনালী অতীত। আবারও গাভী- মোরাতা-সোলেরদের হাত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে স্প্যানিশরা। যার শুরুটাও করল দুর্দান্ত।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে কোস্টারিকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে স্পেন। প্রথমার্ধেই তুলে নেয় তিনগোল। বাকি চারটি গোল আসে দ্বিতীয়ার্ধে। বল দখলেও একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে কেইলর নাভাসদের নিয়ে কার্যত ছিনিমিনি খেললো স্প্যানিশ ব্রিগেড। ইউরো কাপে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও বুঝিয়ে দিয়েছে সঠিক পথে এগোচ্ছে দল। লুইস এনরিকের দলের এই অনবদ্য পারফরম্যান্স বুঝিয়ে দিল তারা অনেকদূর যেতে চলেছে।