Tag: Sky

  • Geminids meteor shower 2023: আকাশে আশ্চর্য ঘটনা, একনাগাড়ে হবে উল্কা বৃষ্টি! কবে দেখা মিলবে?

    Geminids meteor shower 2023: আকাশে আশ্চর্য ঘটনা, একনাগাড়ে হবে উল্কা বৃষ্টি! কবে দেখা মিলবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Geminids meteor shower 2023: রাতের আকাশে দেখা যাবে এক আশ্চর্য ঘটনা। মনে হবে, যেন দীপাবলির রাত। এই কাণ্ডকারখানা কোন আর্টিফিশিয়াল ঘটনা নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে ঘটতে চলেছে। আকাশ থেকে একনাগাড়ে হবে উল্কাবৃষ্টি। চলতি মাসের অর্থাৎ ডিসেম্বরের রাতে আকাশে কিছু বিশেষ ঘটনা ঘটবে। রাতের আকাশে আলোকিত উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত উল্কা তৈরি করবে দীপাবলির দৃশ্য। বলা হচ্ছে জেমিনিড উল্কাপাতের কথা। যার কারণে আকাশে দেখা যাবে তারার বৃষ্টি। ১৪ ডিসেম্বর রাতে এর সবচেয়ে দর্শনীয় দৃশ্য দেখা যাবে।

    প্রাণবন্ত প্রদর্শনের জন্য পরিচিত, জেমিনিডগুলিকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং সক্রিয় উল্কাবৃষ্টি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। প্রথমদিকে প্রতি ঘন্টায় ১০ থেকে ২০ উল্কা বৃষ্টি ছিল, যা এখন কিছু পরিস্থিতিতে প্রতি ঘন্টায় ১২০ উল্কা পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর মানে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ টিরও বেশি তারা খসাকে আকাশে পড়তে দেখা যাবে। ১৪ ডিসেম্বর যখন জেমিনিড ঝরনা তার শীর্ষে থাকবে, তখন খুব সহজেই এটি আকাশে দৃশ্যমান হবে। এগুলো দেখতে বিশেষ কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে না। তাদের উজ্জ্বলতা, উচ্চ গতি এবং স্বতন্ত্র হলুদ রঙের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, উল্কা আকাশে একটি মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করে।

    নাসার ভাষ্যমতে, এই দৃশ্যটি যদি রাতের বেলা এবং ভোরের আগে দেখা যায় তবে একটি আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখা যাবে। এটা আকাশের দক্ষিণ দিকে হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। আর্থ স্কাই অনুসারে, নক্ষত্রের এই ঝরনাটি ১৯ নভেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আকাশে ঘটবে, তবে এটা সর্বোচ্চ দেখা যায় ১৩-১৪ ডিসেম্বর। ১৩ই ডিসেম্বরেও ভাল দৃশ্য দেখা গেলেও, এটি ১৪ ডিসেম্বর রাতে শীর্ষ অবস্থানে থাকবে। আকাশে তারার বৃষ্টির এই দৃশ্য সারা বিশ্বে দেখা যাবে। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে এবং কুয়াশা না থাকলে ভারতেও এই উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। উল্কাপাত দেখার সেরা সময় হল দুপুর ১টার পর এবং সকাল ৬টার আগে। আমেরিকান স্পেস এজেন্সি নাসা অনুসারে, জেমিনিড উল্কা ঝরনার নামটি জেমিনি নক্ষত্রমণ্ডল থেকে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই শুরু হয়। জেমিনিডস উল্কা ঝরনা প্রতি বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এটি সেরা এবং সবচেয়ে ধারাবাহিকভাবে দৃশ্যমান উল্কা ঝরনা বলে বিবেচনা করা হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হাইওয়ে ধরেই ওড়ে বিমান! কী দিয়ে তৈরি অদৃশ্য আকাশপথ? জেট স্ট্রিমেই লুকিয়ে বড় রহস্য, ফর্মুলা ভুললে ঘোর বিপদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আকাশেও হাইওয়ে আছে! জানেন আকাশের হাইওয়ে কে, কিভাবে আবিষ্কার করেছে? কেন গোটা আকাশ ফাঁকা রেখে নির্দিষ্ট পথে চলাফেরা করে বিমানগুলো? জেট স্ট্রিমেই লুকিয়ে আসল রহস্য, সবটাই আসলে হাওয়ার খেলা। ফর্মুলা মেনে চলতে হয় আকাশে। কিভাবে জেট স্ট্রিম ফ্লাইটকে প্রভাবিত করে? শুনলে ভাববেন, এভাবেও সম্ভব? বিমানগুলো আকাশে একে অপরের থেকে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাচল করে। এমনকি একটা বিমানের সঙ্গে অন্য বিমানের মাঝে বেশ খানিকটা উচ্চতারও তফাৎ থাকে। এখন প্রশ্ন হল ওই একটা নির্দিষ্ট পথেই কেন যাতায়াত করে বিমানগুলো?

    উদাহরণ দিয়ে বোঝালে সুবিধা হবে। যেমন ধরুন প্রতিদিন আমেরিকা থেকে ইউরোপে যায় প্রায় দেড় হাজার বিমান। আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর বিমানগুলোকে সবসময় একটা নির্দিষ্ট পথেই চলাচল করতে দেখা যায়। এটা বিমানের জন্য এক রকম অদৃশ্য হাইওয়ের মতো। যে অদৃশ্য পথ আজ থেকে ১০০ বছর আগে আবিষ্কার করা হয়। আবিষ্কারক ছিলেন একজন জাপানি বিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ ওয়াসিবোরো ওয়েসি।

    আসলে, ১৯২০ র দশকে তিনি বেলুন ব্যবহার করে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান। সেইসময়, ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭ মাইল ওপরে ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ মাইলের তীব্র বায়ুপ্রবাহ দেখতে পান। যে বায়ুপ্রবাহ বেলুনকে পূর্ব দিকে ঠেলতে থাকে। তার ২৫ বছর পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওই বৈজ্ঞানিকের এই আবিষ্কার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৪৫ সাল। যুক্তরাষ্ট্রের দশ হাজার কিলোমিটার দূরের দেশ জাপান থেকে কিছু বেলুন বোমা ছাড়া হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান ৯০০০ বেলুন বোমা নিক্ষেপ করে, যার মধ্যে মাত্র ৩০০ টি জাপানের সেট করা গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের পৌঁছে যায় তীব্র বায়ুপ্রবাহের দৌলতে।

    জানা যায়, সেই সময় জাপান ওয়াসিবোরো ওয়েসির আবিষ্কার করা বায়ুপ্রবাহকেই ব্যবহার করে ছিল। যে জেট বায়ু পশ্চিম থেকে পূর্বেই প্রবাহিত হয়। কিন্তু কেন? আমাদের পৃথিবী ঘড়ির কাটার বিপরীতে ঘুরছে অর্থাৎ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির কারণে জেড স্ট্রিম পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। আর ঠিক সেই সুবিধা কাজে লাগাতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপগামী বিমানগুলোকে পাইলটরা তীব্র গতির জেট প্রবাহে মাঝে নিয়ে যান, যা বিমান কে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। অনেকটা স্রোতের অনুকূলে নৌকা চালানোর মতো। এর ফলে বিমানের গতি বেড়ে যায়, জ্বালানির সাশ্রয় হয়। আর পশ্চিম দিকে উড়তে হলে অবশ্যই সমান শক্তিশালী হেড উইন্ডের সাথে লড়তে হয়।

    বিপরীত দিকে ফ্লাইট ওড়ার ক্ষেত্রে সময় নষ্ট হয়, জেট স্ট্রীম উৎপন্ন হেড উইন্ডে উড়ে আরও বেশি জ্বালানী খরচ হয়। পাইলটরা সাধারণত এগুলো এড়িয়ে চলতে ওড়ার উচ্চতা ব্যালেন্স করেন। জেট স্ট্রিমগুলোর অবস্থান, তীব্রতা এবং আকারের প্রতিদিনের ওঠানামা হয়। তাই ফ্লাইট ওড়ার আগে কখনও কখনও শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা পরিবর্তনেরও প্রয়োজন হয়।জানিয়ে রাখি, মেরু এবং নিরক্ষরেখার মধ্যে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এগুলো তৈরি হয় এবং উভয় গোলার্ধেই এগুলো বিদ্যমান, তবে উত্তর গোলার্ধে বেশি শক্তিশালী। এই অদৃশ্য হাইওয়ে খুঁজে বের করা হয় রাডারের সাহায্যে। বাণিজ্যিক এয়ারলাইন পাইলটরা ১৯৫২ সাল থেকে জেট স্ট্রিম ব্যবহার করছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version