Tag: India

  • INDIA MEETING: বুধে দিল্লিতে INDIA জোটের বৈঠক, আলোচনায় গুরুত্ব পাবে কোন বিষয়গুলি ?

    INDIA MEETING: বুধে দিল্লিতে INDIA জোটের বৈঠক, আলোচনায় গুরুত্ব পাবে কোন বিষয়গুলি ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    INDIA MEETING: রবিবাসরীয় সকালে চার রাজ্যের বিধানসভার ফলাফলে যখনই ইঙ্গিত মিলেছিল যে গো-বলয়ে কংগ্রেসের ভরাডুবি হচ্ছে, ঠিক তখনই জোটের বৈঠক ডেকে বসলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন ঘাড়গে। চার রাজ্যের মধ্যে তিনটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। ফলাফলের প্রবণতা সামনে আসতেই দ্রুত জোট রাজনীতির অস্ত্রে শান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস। ২৮টি বিরোধী দল লোকসভা নির্বাচনকে পাখির নজরে রেখেই একজোট হয়েছিল। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পৌরহিত্ব্যে ইন্ডিয়া জোটের প্রথম বৈঠক বসেছিল পাটনায়। এরপর দ্বিতীয় বৈঠক হয় বেঙ্গালুরুতে। জোটের নাম ঠিক হয় সেই বৈঠকে। এর পরের মুম্বইয়ের বৈঠকে ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন কমিটি গঠন হয়। কিন্তু ইন্ডিয়া জোট এরপরই কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিল। নিত্যদিন একে অপরকে আক্রমণও করছে শরিকি কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি জল্পনা শুরু হয় ইন্ডিয়া জোটের ভাঙন নিয়ে। তার মাঝেই এবার বৈঠকের ডাক দিল কংগ্রেস। আগামী ৬ ডিসেম্বর জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) এ দিন সকালেই ইন্ডিয়া জোটের পরবর্তী বৈঠকের ডাক দেন। ইতিমধ্যেই ডিএমকে, তৃণমূল-সহ জোটের বাকি দলগুলির নেতাদের ফোন করেছিলেন খাড়গে।

    কী এই জোট ?

    কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একটি জোট হল INDIA। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য গঠিত হয়েছে এই জোট ।

    বিরোধী জোটের দলগুলি কোনগুলি ?

    বিরোধী জোটের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, DMK, AAP, JDU, RJD, JMM, NCP (শারদ পাওয়ার), আপনা দল (কামারবাদী), ফরওয়ার্ড ব্লক, আইইউএমএল, সিপিআই-এমএল (লিবারেশন), শিবসেনা (UBT), SP, National Conference, PDP, CPI(M) ), সিপিআই, আরএলডি, এমডিএমকে, কোঙ্গুনাডু মাক্কাল দেশিয়া কাচি (কেএমডিকে), ভিসিকে, আরএসপি, কেরালা কংগ্রেস (জোসেফ), কেরালা কংগ্রেস (মানি) এবং মানিথানেয়া মক্কাল কাচি (এমএমকে)

    বৈঠকে কোন কোন বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারত জোটের এই বৈঠকে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। ‘ইন্ডিয়া’ জোট কোন পদ্ধতিতে লোকসভায় লড়বে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে সমণ্বয়ের যে খামতি আছে, তা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামীকাল থেকে রয়েছে শীতকালীন অধিবেশন। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে এই বৈঠক হতে পারে বলে খবর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Space station: মহাকাশে বাড়ি বানাবে ভারত, থাকা খাওয়ার নিয়ম জানেন ? গোটা বিশ্বের ভরসা ইসরো

    Space station: মহাকাশে বাড়ি বানাবে ভারত, থাকা খাওয়ার নিয়ম জানেন ? গোটা বিশ্বের ভরসা ইসরো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Space station: মহাকাশেই ফুটবল মাঠ? গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে কি বানাচ্ছে ভারত? লোহা লক্কর দিয়েই তৈরি হবে মহাকাশ স্টেশন? উড়ে যাবে আপনার মাথার উপর দিয়েই। মহাকাশের ঝুলন্ত স্পেস স্টেশনে কাদের পাঠাবে ভারত? বড় সিক্রেট ফাঁস! চীনকে টেক্কা দিতে গোটা মহাকাশটাই কিনে নিলেন মোদী? ইসরোই ভরসা। নাসার মক্সদ পূরণে মহাকাশে কোটি কোটি টাকা ঢালছে আমরিকা। মহাকাশ স্টেশন, মহাকাশে এবার নভোচারীদের বাড়ি বানাবে ভারত। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কথা কমবেশি সকলেই শুনেছেন। যেটা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। তখন থেকেই এটি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে এবার কি তারই ডিটো কপি বানাবে ভারত? হ্যাঁ মহাকাশে ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন হবে। অর্থাৎ এবার থেকে মহাকাশে ভারতীয় মহাকাশচারীরা নিজেদের স্পেস স্টেশনেই থাকবে।

    ভারতীয় মহাকাশ স্টেশনটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের তুলনায় অনেক ছোট হবে। এই মহাকাশ স্টেশনটিকে মাইক্রোগ্র্যাভিটি পরীক্ষা চালানোর জন্য ব্যবহার করা হবে। মহাকাশ স্টেশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা হল মহাকাশচারীদের ২০ দিনের জন্য মহাকাশে রাখা। মহাকাশ স্টেশনটি পৃথিবীর উপরে ৪০০ কিলোমিটার কক্ষপথে তৈরি করা হবে। এই মহাকাশ স্টেশনে ১৫ থেকে ২০ দিন থাকতে পারবেন নভোশ্চররা। মিশন গগনযান সম্পূর্ণ হওয়ার পরে এই পদ্ধতিগুলি তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি মানব মিশনের পরিকল্পনাও রয়েছে ইসরোর। ভারতের বুকের ছাতি আরও চওড়া হবে। এবারের গগনযান মিশন সফল হয় তবে ভারতও আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের সারিতে যোগ দেবে। এই দেশগুলি এখনও পর্যন্ত মহাকাশে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। জানিয়ে রাখি, প্রথম আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারীরা থাকতে গিয়েছিলেন ২০০০ সালে। তারপর থেকে ২০টি দেশের আড়াইশো’রও বেশি লোক ওখানে গিয়ে থেকেছেন।

    এখন এর যন্ত্রপাতিগুলোর অধিকাংশই কয়েক দশকের পুরোনো হয়ে গেছে। তাই নাসা এই আইএসএসকে ডি অরবিট করে সাগরে আছড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এরমধ্যেই ভারতের গ্র্যান্ড প্ল্যানিং ফাঁস। জানা যাচ্ছে ভারতের মহাকাশ স্টেশন রোবোটিক অপারেশনের মাধ্যমে চালু করতে হবে। ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স এবং স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন বুঝিয়ে দিয়েছেন মহাকাশ জয়ের দৌড়ে ভারতের বেনিফিট অনেক। নাসা আইএসএসকে কক্ষপথ থেকে নামিয়ে আনার কাজটা শুরু করবে ২০২৬ সাল থেকে। ২০৩১ সালে এটাকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার আগে আমেরিকা এবং ভারত আগামী বছর মানে ২০২৪ এর শেষে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে একজন ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠাবে। আর সেই মহাকাশচারী নির্বাচন করবে ISRO, নাসা নয় অতএব চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্যের পর আরও একটা বড় সুযোগ ভারতের হাতে।

    ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স এবং স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন সদ্য ভারত সফরে এসেছেন। বেশ কতগুলো কমিটমেন্ট করেছেন। আপাতত এখন সেদিকেই নজর গোটা বিশ্বের। নেলসনই মনে করেন, ভারত ২০৪০ সালের মধ্যে নিজস্ব কমার্সিয়াল মহাকাশ স্টেশন তৈরি করে ফেলবে। যে নভোচারীদের বাড়ি বানাতে ভারত কে সাহায্য করতে তৈরি যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু আমেরিকা কেন সাহায্য করবে? স্বার্থ টা কী? বুঝতে হবে মহাকাশ নিয়ে বিশ্বের পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। ভারত সেদিক থেকে বাকিদেরকে পেছনে ফেলে তরতরিয়ে এগোনোর রাস্তা পরিষ্কার করছে। শুধু ভারত নয়, বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলির নজর মহাকাশের দিকে। যেখানে আমেরিকার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে চীন। তাই আমেরিকা চাইছে, যাতে সমস্ত শক্তিশালী দেশগুলো একজোট হয়ে চীনের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারে। সেই অঙ্কে চীনকে পেছনে ফেলতে ইসরো কে সাপোর্ট করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের। আর ভারতের এই জার্নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য ভারতকে তার লক্ষ্যপূরণে অনেকখানি এগিয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    অতএব বেনিফিট কিন্তু দুপক্ষেরই আছে। আর, মহাকাশে একটা পোক্ত জায়গা গড়ার দৌড়ে ভারত এখন গোটা বিশ্বের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। জানেন আমেরিকার বোয়িং, ব্লু অরিজিন, এলএলসি, ভয়েজার স্পেস হোল্ডিংস-এর আধিকারিকরাও ISRO-র সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসতে চাইছে। চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্য ভারতের আকর্ষণ ক্ষমতা বাড়িয়েছে। যে সাফল্যের কারিগর ইসরো আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অলরেডি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরোর সঙ্গে কথা বলে ২০৩৫ সালের মধ্যে ইন্ডিয়ান স্পেস স্টেশন তৈরির ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন ভারতীয় মহাকাশচারী কীভাবে পাঠানো যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানাতে বলেছেন। এখন দেখার এই স্বপ্নকে ছুঁতে, কোন পথ ধরে হাঁটবে ভারত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Border Security: বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া মন্ত্র ভারতের, ব্রহ্মাস্ত্রের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান! মাস্টারস্ট্রোক শাহর

    Border Security: বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া মন্ত্র ভারতের, ব্রহ্মাস্ত্রের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান! মাস্টারস্ট্রোক শাহর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Border Security: ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে শাহের মাস্টারস্ট্রোক। কোন মন্ত্রে প্রতিবেশীদের পেছনে ফেলে এতোটা এগিয়ে ভারত? বর্ডারের জঙ্গল, নদী, পাহাড় মানবে না এই ব্রহ্মাস্ত্র, তিষ্টতে পারবেনা পাকিস্তান। ভারতের মাটিতে ফাঁকফোকর গলে ঢুকছে কোন শত্রু? বর্ডারের এই কড়া সিস্টেমেই কুপোকাত হবে অনুপ্রবেশকারী। স্ট্র্যাটেজির সঙ্গেই বাঁধা ডেডলাইন। বাজপেয়ী টু মোদী, কেন একই অস্ত্রে বারংবার শান দেয় ১৪০ কোটির ভারতবর্ষ? বর্ডারে লোহার বর্ম বানাচ্ছে ভারত। শাহের পাওয়ারেই হবে শত্রু নিকেশ। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা ভারতের সম্পূর্ণ বর্ডার এরিয়া বেঁধে দেওয়া হচ্ছে ১০০ ভাগ। দুটো ফ্রন্ট বরাবর প্রায় ৬০ কিলোমিটার প্রসারিত ফাঁকগুলো বন্ধ করার কাজ চলছে জোরকদমে।

    এর মধ্যেই এলো ভারতের নেক্সট প্রো প্ল্যানিং। শুরুটা হয়েছে অনেক আগেই। নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ ও ভারত-পাকিস্তান বর্ডারের প্রায় ৫৬০ কিলোমিটারের মধ্যে বেড়া দেওয়া হয়েছে, ফাঁকগুলো বন্ধ করা হয়েছে। আর এবার বেড়ার উপর ভরসা না রেখে ব্রহ্মাস্ত্র নামাচ্ছে ভারত। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ৪০৯৬ কিলোমিটার এবং ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ২২৯০ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ নদী, পাহাড়ি এলাকা, জলাভূমি। সেখানে বেড়া তৈরি করা কঠিন। তাই এসব এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে উন্নত প্রযুক্তির গ্যাজেট ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

    কোনো ফাঁকফোকর থাকবে না বর্ডারে। বর্ডার থাকবে কড়া নিরাপত্তায় বাঁধা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৪৫২ টি নতুন সীমান্ত চৌকি ও ৫১০টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে। ৬৩৭টি সীমান্ত পোস্টে বিদ্যুৎ কানেকশন দেওয়া হয়েছে। গত ৯ বছরে বিভিন্ন ফ্রন্টে পাইপযুক্ত জলের সঙ্গে এই ধরনের ৫০০টি ফেসিলিটি অ্যাড করা হয়েছে। আর ঠিক আগামী ২ বছরের মধ্যে ওই সব সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অমিত শাহ। ্ভারত মনে করে, বর্ডার সুরক্ষিত না থাকলে একটি দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি হয় না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার সেই কাজও করে দেখাবে বলে কনফিডেন্ট শাহ। সেই পরিকল্পনার কথাই উঠে এলো বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের ৫৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনে। একই সঙ্গে সাহ পরিস্কার ভাবে জানিয়ে দিলেন কোন টোটকায় এতটা এগিয়ে ১৪০ কোটির দেশ ভারত।

    মোদী সরকারের শাসনামলে জম্মু ও কাশ্মীরের ‘হটস্পট’ যুদ্ধে ভারত জয়ী হতে পেরেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী ওই অঞ্চলটায় তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। চন্দ্রযান মিশনের মাধ্যমে দেশকে চাঁদে নিয়ে গেছে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। অর্থনীতিকে ১১তম থেকে পঞ্চম স্থানে নিয়ে এসেছে। সব সম্ভব হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফের মতো বাহিনী মোতায়েনের কারণে বলছেন অমিত শাহ। যখনই কোনো বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে, অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকার থেকে মোদী সরকার পর্যন্ত, সীমান্ত সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাজপেয়ী সরকার সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য একটি ‘সমন্বিত’ পন্থা নিয়ে এসেছিল, রাস্তা দেখিয়েছিল। মোদী সরকার শক্তিশালী অবকাঠামো এবং ফ্রন্টে বসবাসকারী স্থানীয় মানুষের জন্য কল্যাণমূলক পদক্ষেপে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    নিরাপত্তা, উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমানভাবে নজর দিয়েছে। আর এই টেকনিকেই বাকিদেরকে পেছনে ফেলে ভারত তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে।ভরসা রাখছে বর্ডারে, বিএসএফে। ১৯৬৫ সালের ১ লা ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত ভারতের যে সীমান্ত বাহিনীতে প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার সদস্য রয়েছে। জার্নি শুরুর পর এই বাহিনীকে প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ৬ হাজার ৩৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারতীয় ফ্রন্ট পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর সময়ের সাথে সাথে আজ তারাই ভারতের সবথেকে বড় ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে উন্নতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশকে নিজেদের বুক দিয়ে আগলাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amit Shah: ভারতকে ছোঁয়া আরো দুঃসাধ্য, কড়া ঘেরাটোপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে! শাহের বড় ঘোষণা

    Amit Shah: ভারতকে ছোঁয়া আরো দুঃসাধ্য, কড়া ঘেরাটোপে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে! শাহের বড় ঘোষণা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Amit Shah: বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (BSF) ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করা হল। সেই উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ থেকে অভিবাদন গ্রহণের পর বক্তব্য পেশ করেন অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়ে দেন , “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দুটি প্রধান সীমান্ত আগামী দু বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করা হবে।” নরেন্দ্র মোদী সরকার ভারত-পাকিস্তান এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ৫৬০ কিলোমিটার এলাকা একেবারে ঘিরে দেবে। এই কাজকে করতে সমস্ত ধরনের পরিকল্পনা করে ফেলা হয়েছে। ভারতের পূর্ব এবং পশ্চিম দিকের এই দুই দেশের সীমান্ত যাতে সুরক্ষিত থাকে সেজন্যেই এই ব্যবস্থা।

    অমিত শাহ আরও বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষিত না হলে, একটি দেশ কখনই উন্নত ও সমৃদ্ধ হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রেই এগিয়েছে। তা সেটি জি-২০-র সফল আয়োজন হোক অথবা চন্দ্রযান-৩, এই সবই সম্ভব কারণ আপনাদের ত্যাগ ও তপস্যায় দেশের সীমান্ত নিরাপদ। বিএসএফ এ দেশের উন্নয়নের মূল।” পাশাপাশি মাওবাদী সমস্যা দমনের প্রশ্নে মোদী সরকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বলেও এ দিন দাবি করেন শাহ।

    উল্লেখ্য, বেড়া তৈরি করা যেখানে খুব কঠিন ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে, সেখানে ব্যবহার করা হবে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে গ্যাজেট। ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সীমান্ত ২২৯০ কিলোমিটার এবং ও ভারত-পাকিস্তানের (India-Pakistan) মধ্যে ৪০৯৬ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ নদী, পাহাড়ি এলাকা, জলাভূমি। সেখানে বেড়া তৈরি করা কঠিন। তাই এসব এলাকায় ব্যবহার করা হবে উন্নত প্রযুক্তির গ্যাজেট (Gadget) ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • 16 Super Rapid Gun Mount: চীনের বুকে ১২ কেজির বুলেট ফায়ার! ইন্ডিয়ান নেভি দাপিয়ে বেড়াল সাগরে

    16 Super Rapid Gun Mount: চীনের বুকে ১২ কেজির বুলেট ফায়ার! ইন্ডিয়ান নেভি দাপিয়ে বেড়াল সাগরে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    16 Super Rapid Gun Mount: চীনের বুকে চার্জ হবে সাড়ে ১২ কেজির গুলি। পাকিস্তানের পরিকল্পনা চলে যাবে ব্যাকফুটে। ইন্ডিয়ান নেভির হাতে ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিচ্ছে মোদী। ৩০০০ কোটির ধাক্কা চীন নিতে পারবে না। সুপার গান দিয়ে ঝাঁঝরা হবে শত্রু উপর থেকে নীচে। এই খবর শোনার পর পাকিস্তান কি আর অনুপ্রবেশের সাহস পাবে? চীন যা চক্রান্ত করেছিল এবার পিছিয়ে যেতে বাধ্য হবেই হবে। তেজস আর প্রচন্ডর সঙ্গে সঙ্গেই ইন্ডিয়ান নেভির হাতে যা তুলে দেওয়া হচ্ছে তার ব্যাপার না শুনলে আর এটা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না আপনি। এর মানে জলপথে চীনকে বড়সড় ওয়ার্নিং ভারতের জিনপিংয়ের চোখে চোখ রাখলেন মোদী আর বুঝিয়ে দিলেন হাম কিসি সে কম নেহি। খুব শীঘ্রই ভারতীয় নৌসেনা পেতে চলেছে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী সুপার র‌্যাপিড গান মাউন্ট (SRGM) বিধ্বংসী মানে ঠিক কতটা দম আছে এই র‌্যাপিড গানের। গান মানে তো বন্দুক তাহলে সমুদ্রের বুকে এর ঠিক কাজ কী? সমুদ্রের বুকে বন্দুকের কাজ ঠিক কী? সাবমেরিন, নাকি জাহাজ কি ধ্বংস করতে পারে এই সুপার র‌্যাপিড গান মাউন্ট?

    এই সুপার গানের ওজন সাড়ে ৭ টন এর ব্যারেল ৬২ ক্যালিবার এবং ১৮৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। এই বন্দুকের গুলির আকার ৭৬x৬৩৬এমএমআর তবে যেটা শুনলে অবাক হতে হয় সুপার গানের এক একটি গুলির ওজন সাড়ে ১২ কেজি। আর গুলির খোলের ওজন ৬ কেজি ৩০০ গ্রাম। এবার জানুন এর আসল কামাল কমপ্যাক্ট মোডে এই বন্দুক থেকে মিনিটে ৮৫ রাউন্ড গুলি বেরোয়। সুপার র‌্যাপিড মোডে মিনিটে ১২০ রাউন্ড গুলি বেরোয় ্গুলির গতিবেগ সেকেন্ডে ৩ হাজার ফুট। ফলে চোখের পলকে লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। ১৬-৪০ কিলোমিটার দূরের টার্গেটকেও ধ্বংস করতে সক্ষম এই সুপার গান। বন্দুকের নল মাইনাস ১৫ ডিগ্রি থেকে ৮৫ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরতে পারে। ফলে লক্ষ্যবস্তু যে কোণেই থাকুক না কেন দক্ষতার সঙ্গে হামলা করতে পারে।

    এই সুপার গানের নকশা এবং একে প্রথম বানিয়েছিল ইটালির সংস্থা ওটিও মেলারা এটি এমন এক ধরনের বন্দুক যেটিকে অ্যান্টি মিসাইল পয়েন্ট ডিফেন্স, অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট, অ্যান্টি সারফেস অ্যান্ড গ্রাউন্ড সাপোর্ট হিসাবেও ব্যবহার করা হয়। এই বন্দুকে এক রকম নয় বিভিন্ন রকমের গুলি ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে রয়েছে, আর্মর পিয়ার্সিং, ইনসেনডেয়ারি, ডায়রেক্টেড ফ্র্যাগমেন্টেশন এফেক্টস আর এবার নৌসেনার হাতে ১৬টি এই ধরনের সুপার গান তুলে দেওয়া হবে। নৌসেনার নতুন রণতরীগুলিতে এই সুপার গান মোতায়েন করা হতে পারে বলে সেনা সূত্রের খবর। তাহলে ভারত মহাসাগর হোক বা বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াবে এবার ইন্ডিয়ান নেভি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদীর সিক্রেট চেম্বারে ৩ লক্ষ কোটির ডিফেন্স ডিল! চীন সাবধান, যুদ্ধের বড় প্রস্তুতি

    মোদীর সিক্রেট চেম্বারে ৩ লক্ষ কোটির ডিফেন্স ডিল! চীন সাবধান, যুদ্ধের বড় প্রস্তুতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত অস্ত্রের সংখ্যা বাড়াচ্ছে কেন হঠাৎ? মোদীর সিক্রেট চেম্বারে ৩ লক্ষ কোটির অস্ত্রের ডিল। চীন একেবারে চুপ, কোন অশনি সংকেত সামনে? ২০২৪ এ নতুন কোনও যুদ্ধ শুরু? দুম করে একদিন হামলা বা অরুনাচল নিয়ে কোনও বড় স্টেপ! চীনের মতিগতি ইদানিং বোঝা যাচ্ছে না। ভারতের নতুন করে ব্যাপক পরিমাণ অস্ত্র কেনা যুদ্ধের আগাম প্রস্তুতি না তো? কোন সিক্রেট খবর ফাঁস হতে দিচ্ছে না রাজনাথ সিংয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। রাশিয়া, ফ্রান্স আমেরিকার ওপর পুরোপুরি ভরসা করা আগে ছেড়ে দিয়েছে ভারত। তাই এখন দিল্লি অস্ত্রের ট্রেলার দেখায় আর বাকীরা দেখে। অতিরিক্ত ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমান ১৫৬টি হামলাকারী প্রচন্ড হেলিকপ্টার কিনছে ভারত ছাড়পত্র দিল ডিফেন্স অ্যাক্যুইজিশন কাউন্সিল। এখানেই শেষ নয় লিস্ট আরও বড় কিন্তু বছরের শেষে হঠায় কোনও কারণ ছাড়া তো আর এত বড় ডিল ফাইনাল হতে পারে না প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।

    তার মাঝেই বড় খবর দ্য ওয়ারের প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হচ্ছে ভারত ও চীনের মধ্যে হয়ে গেছে ২৮ তম কূটনৈতিক আলোচনা। আর তার ফলাফলই ভয়ঙ্কর কিছু? পূর্ব লাদাখ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ার কোনও আভাস? সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি একগুচ্ছ অস্ত্রের অনুমোদন ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য ‘প্রচণ্ড’ লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার। ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তেজস যুদ্ধবিমান কেনা হচ্ছে। দুটি এয়ারক্র্যাফ্টই তৈরি করে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল (HAL)। দেশিয়ভাবে তৈরি সুখোই-২০ এমকেআই বিমানগুলি হবে আপগ্রেড। এছাড়া, দুই ধরনের অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক অস্ত্র সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলি ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে পারে। ভারতীয় ফিল্ড গানগুলি প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি অত্যাধুনিক টোয়েড গান সিস্টেম সংগ্রহের প্রস্তাবও মঞ্জুর করা হয়েছে। ভারতীয় সেনার গোলন্দাজ বাহিনীর প্রধান অস্ত্র হবে এই কামান।

    এর পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ১৫৫ মিমি আর্টিলারি বন্দুকে ব্যবহারের জন্য উন্নত মানের গুলি কেনার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে টি-৯০ ট্যাঙ্কগুলির জন্য স্বয়ংক্রিয় নিশানা ট্র্যাকার এবং ডিজিটাল ব্যাসাল্টিক কম্পিউটার সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে পরিষদ। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য থাকছে মাঝারি পাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল। ৯৮ শতাংশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামই হবে দেশীয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সম্প্রতি দিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে আলোচনায় পূর্ব লাদাখ সমস্যা হোক বা সীমান্ত সমস্যা বড় অগ্রগতির কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর মানে সোজা কথায় নো সলিউশন। সেখানে এর পরবর্তীতে কী পরিস্থিতি আসতে চলেছে কেউ জানে না হয়ত সেজন্যই বড় প্রিকশন নিচ্ছে নয়া দিল্লি।

    বলা হচ্ছে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে এত বড় বরাত এর আগে পায়নি দেশীয় সংস্থাগুলি। সবে অনুমোদন মিলেছে যদিও উত্‍পাদনকারীদের সঙ্গে Acceptance of Necessity চুক্তি এছাড়াও দাম নিয়ে দরাদরি বাকি রয়েছে এখনও। তাতে বেশ কিছুটা সময়ও লাগবে যদিও কেন্দ্রের একটি সূত্র জানাচ্ছে বিদেশ থেকে কিনতে গেলে আরও সময় লাগত, এত সময় ভারতের হাতে নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Anju: পাকিস্তানের নয়া গুপ্তচর সেই অঞ্জু! চাঞ্চল্যকর তথ্য জেরায়, গ্রেফতার হতে পারেন ?

    Anju: পাকিস্তানের নয়া গুপ্তচর সেই অঞ্জু! চাঞ্চল্যকর তথ্য জেরায়, গ্রেফতার হতে পারেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Anju: পাকিস্তান থেকে ফেরা অঞ্জু হতে পারেন গ্রেফতার? ISI এর নতুন এজেন্ট কি অঞ্জু? কী তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে? পাকিস্তানে পালিয়ে বিয়ে করে ভারতে কেন হঠাৎ? অঞ্জুকে কোন ট্রেনিং দিয়ে ভারত পাঠাল পাকিস্তান? জেরা করতেই সব উগলে দিলেন নাকি এটা অভিনয়? অঞ্জুকে কোন মিশনে ভারতে পাঠাল ISI? মিথ্যে গল্প ফেঁদে নিজের ইচ্ছাতেই পাকিস্তানে পালিয়েছিলেন রাজস্থানের গৃহবধূ অঞ্জু। সেখানে গিয়ে প্রকাশ্যে বিয়ে নাসারুল্লাকে কিন্তু গোপনে কোন কার্যকলাপ করেছিলেন অঞ্জু? বিয়ের মাত্র পাঁচ মাস কেটেছে হঠাৎ ভারতে কেন ফিরে এলেন তিনি? তাহলে কি এবার দ্বিতীয় বর নাসারুল্লাকেও ছেড়ে দিলেন নাকি? বিয়ের কোনও কাগজপত্র কেন নেই অঞ্জুর কাছে? কোনও আগাম আভাস না দিয়েই ভারতে কেন?

    পাকিস্তান থেকে ভারতে ফিরতেই গোয়েন্দাদের জেরার মুখে পড়েন রাজস্থানের গৃহবূধ অঞ্জু। আটারি বাঘা বর্ডার দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন অঞ্জু। সেখানে বিএসএফের ক্যাম্পে জেরা করা হয় তাকে। তারপর দিল্লি আসার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ভারতের গোয়েন্দাদের হাতে পড়তেই কি জেরাতেই সব কথা উগলে দিলেন তিনি। অঞ্জু যা স্বীকার করেছেন সেইসব কথায় সত্যতা কতটা তা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ রয়েছে। যদি আপনি জেনে না থাকেন কে এই অঞ্জু তাহলে বলে রাখি, গত ২১ জুলাই রাজস্থান থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দেন অঞ্জু। রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা ওই মহিলা বয়স ৩৪ বছর। জানতে পারা যায় পাকিস্তান ঘুরতে গিয়েছেন অঞ্জু। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল পড়ে যায় তার পরপরই প্রেমিক নাসরুল্লার সঙ্গে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল জানতে পার যায় অঞ্জু ধর্ম পরিবর্তন করে নাসরুল্লাকে বিয়ে করেছেন যদিও অঞ্জু সেই তথ্যকে বার বারই অস্বীকার করেছেন কিন্তু নাসরুল্লা দাবি করেছিলেন অঞ্জুকে তিনি বিয়ে করেছেন।

    টাইমস নাওয়ের খবর অনুসারে জানা গিয়েছে অঞ্জু গোয়েন্দাদেরকে জানিয়েছেন তিনি তাঁর ভারতীয় স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য এসেছেন। এরপর তিনি বাচ্চাদের নিয়ে পাকিস্তানে যেতে চান। তিনি জানিয়েছেন খ্রীষ্টান ধর্ম থেকে তিনি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। নাসরুল্লাহকে বিয়ে করেছেন। যতটা জানা যাচ্ছে তাতে মোটামুটি এটাই হল অঞ্জুর ভারতে আসার মূল কারণ। অঞ্জুর ওপর যে ভারত নজর রাখবে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। অঞ্জুর প্রথম স্বামীকে এনিয়ে প্রশ্ন করেছিল সংবাদ মাধ্যম। তিনি অঞ্জুর নাম শুনলেই রেগে যাচ্ছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, অঞ্জু কী করবেন কী করবেন না তা নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অঞ্জু নাকি জানিয়েছেন প্রথম বরকে ডিভোর্স দিয়ে তিনি বাচ্চাদের নিয়ে পাকিস্তানে ফিরতে চান। তবে তার আসল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও ? এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল কোথায়, ভাইটাল ৪৮ ঘন্টা

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও ? এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল কোথায়, ভাইটাল ৪৮ ঘন্টা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের ধাক্কা এপার বাংলাতেও? বাংলাদেশ রেডি তো? কতটা রিস্কে অন্ধ্র ওড়িশা? লাস্ট মিনিটে ঘুরবে খেলা? বাংলাদেশ নাকি এপার বাংলা, এক্স্যাক্টলি ল্যান্ডফল হবে কোথায়? কোথায় কোথায় মিগজাউমের এফেক্টে বন্যা, ভূমিধসের আশঙ্কা? কি ঘটবে ভাইটাল ৪৮ ঘন্টায়? কিভাবে তৈরি হবে বাংলাদেশ? ইলেভেন্থ আওয়ারে বিগড়ে যাচ্ছে আবহাওয়া? বদলে যাচ্ছে নাকি ল্যান্ডফলের অভিমুখ? মিগজাউম এর আসল ভয় টা কোথায় জানেন? আবহবিদরা কিন্তু এখনও নির্দিষ্ট ভাবে ধরতে পারছেন না কোন দিকে ধেয়ে আসছে মিগজাউম।এপার বাংলাতেও চাপা অস্বস্তি। সিস্টেমটা তৈরি হয়ে গেছে অলরেডি। সামনের ভাইটাল সময়টাতে নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। ডিসেম্বরের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে এর নাম হবে মিগজাউম।

    ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম ঘিরে ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গে টেনশন বাড়ছে। ক্ষতি এড়াতে আগে থেকেই সতর্কতা জারি সাত সাতটা জেলায়। ওড়িশা সরকার নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সাতটি উপকূলীয় জেলাকে সতর্ক করেছে। বালাসোর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগৎসিনপুর, পুরী, খুড়দা এবং গঞ্জামের জেলাশাসকদের কাছে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে ২রা ডিসেম্বরের মধ্যে নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ-গিলগিট-বালতিস্তান-মুজফফরাবাদে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ছিলই। পরবর্তী দুদিনেও হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতল এলাকায়। আগামী দুদিনে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং বিদর্ভ এলাকায়।

    হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, মধ্য মহারাষ্ট্র, মারাঠাওয়াড়াতেও। আগামী পাঁচ দিন বিস্তীর্ণ এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকাল, কেরল ও মাহেতে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কড়াইকালে। কেরল ও মাহেতেও একই পরিস্থিতি হওয়ার চান্স। আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টা ডিসেম্বর মাসের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের উপকূল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মধ্যবর্তী কোনো এলাকার উপকূলে আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু, কিছু আবহাওয়ার মডেল জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম অন্ধপ্রদেশ উপকূলে বিজয়ওয়াড়া অথবা ওড়িশা উপকূলের ভুবনেশ্বরের মাঝামাঝি কোথাও ল্যান্ডফল করতে পারে।

    অতএব কোথায় আছড়ে পড়বে মিগজাউম সেটা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ রয়েছে। এর জন্য বাংলা জুড়ে ঠিক কি এফেক্ট পড়বে? আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার বদল হবে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। পুরোপুরি মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ কিছু জেলাতে! রাতের তাপমাত্রা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলোতে। পশ্চিমের জেলায় শীতের আমেজ একটু বেশি থাকবে। আর, কলকাতায় আপাতত আংশিক মেঘলা আকাশ, রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। কমবে দিনের তাপমাত্রা। সকাল সন্ধ্যা শীতের হালকা আমেজ থাকলেও বেলার দিকে গরম। সপ্তাহের শেষে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে।শীতের আমেজ কমে বাড়বে উষ্ণতা। মেঘলা আকাশ ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা।

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে পার্বত্য এলাকা ছাড়া আপাতত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উইকেন্ডে দার্জিলিং কালিম্পং এ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের। আগামী তিন চার দিনে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে একই রকম পরিবেশ শুকনো আবহাওয়া থাকবে আরও চার-পাঁচ দিন। মিগজাউমের গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টাতেই ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। দুই বাংলাই উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছে। মিগজাউম কোথায় কবে ল্যান্ডফল হবে এখন সুনিশ্চিতভাবে সেটাই জানার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-China: ভারত চীন হাতে হাত! হাঁ হয়ে দেখল বিশ্ব, উন্নতি না অবনতি ?

    India-China: ভারত চীন হাতে হাত! হাঁ হয়ে দেখল বিশ্ব, উন্নতি না অবনতি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-China: একইপথে একসঙ্গে হাঁটল বেজিং ও দিল্লি। হ্যাঁ  এটাই সত্যি। চীনও মাথা নত করে মেনে নিল কোনও ভুল হয়নি। ইজরায়েলকে নিয়ে যত গন্ডগোল, দুবার ভাবেনি ভারত। ভারত চীন দুই প্রতিদ্বন্দীকে তাহলে মিলিয়ে দিতে পারল ইজরায়েল। আমেরিকার বিরুদ্ধে গিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ভারত ও চীনের। ভারতের সিদ্ধান্তে চোখ বন্ধ করে সিলমোহর দিয়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ। এমন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ভারত তাহলে আর নেতানইয়াহুর সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও আপস করবে না? এতে চীনের ইনফ্লুয়েন্সই বা কতটা?

    ইজরায়েল শুধু প্যালেস্টাইনের জমি দখল করেছে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। সিরিয়াতে ইজরায়েলের কত বড় দখলদারির প্রভাব রয়েছে জানেন? ভারত যে ইজরালেয়ের একটা দখলের নীতিও সমর্থন করে না সেটা খাতায় কলমে বিশ্বের সামনে প্রমাণ হয়ে গেল আবারও। একটু পরিস্কার করি ছবিটা আপনাদের কাছে। ১৯৬৭ সাল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার গোলান হাইটস অঞ্চলটি ইজরায়েলি সেনার দখলে রয়েছে। এর আগেও এই ভূখণ্ডে ইজরায়েলের পদক্ষেপ নিয়ে নিন্দা প্রস্তাব পেশ হয়েছে রাষ্ট্রসংঘে। সেই সময়েও গোলান হাইটসে ইজরায়েলি সেনার দখলের বিরোধিতা করে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ভারত কিন্তু এখানে চীন এল কোথা থেকে? চীনের ভূমিকা কী? মঙ্গলবার ইজরায়েলের এই দখলদারির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ হয় রাষ্ট্রসংঘে। সেখানে বলা হয় নিরাপত্তা পরিষদের নিয়ম লঙ্ঘন করছে ইজরায়েল। সিরিয়ান গোলান হাইটস এলাকায় নিজেদের আইন ও প্রশাসন চাপিয়ে দিয়েছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। ফলে ওই এলাকার শান্তি নষ্ট হচ্ছে সেইজন্য ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিতে হবে ইজরায়েলকে।

    আর এই প্রস্তাবের সমর্থনে গিয়েও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গিয়ে ভোট দেয় ভারত। শুনলে অবাক হতে পারেন ভারতের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছে চীনও। সবমিলিয়ে মোট ৯১টি দেশ এই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। ভারত ও চীন ছাড়াও ইরান, ইরাক, লেবানন-সহ ৯১টি দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ও ইজরায়েলর পক্ষে ভোট দিয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডার মতো দেশগুলো। এর মানে আমেরিকা মনে করে না সিরিয়ার গোলান হাইটসে। ইজরায়েলের সেনার দখলকারি কোনও বেআইনি ঘটনা নয়। অবশ্যে এক্ষেত্রে ওয়াকিবহাল মহলের দাবি আমেরিকা ইজরায়েলের বিরুদ্ধে টেকনিক্যালি যাবে না এটাই স্বাভাবিক। আর চীনও প্রথম থেকে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। তাই ভারতের পাশাপাশি চীনও ভোট দিয়েছে। এতে ভারত চীন সম্পর্কের বরফ গলবে এমন মনে করার কোনও কারণ নেই।

    বলে রাখা ভালো এক্ষেত্রে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপুঞ্জে মিশর এনেছিল এমন এই প্রস্তাব স্বভাবতই বিরোধিতা করেছে ইজরায়েল ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, ইউক্রেনের মতো দেশগুলো। ভোটদানে বিরত থেকে ভারত বুঝিয়ে দিল নিজেদের অবস্থান আগেও যা ছিল তার থেকে এক চুলও নড়েনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bullet Train in India: ভারতে জলের তলা দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! কোন পথে কবে চালু হবে?

    Bullet Train in India: ভারতে জলের তলা দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! কোন পথে কবে চালু হবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bullet Train in India: অপেক্ষার অবসান। দ্রুত ভারতের বুকে ছুটতে চলেছে বুলেট ট্রেন। বিদেশের বুলেট ট্রেন দেখে অনেকেই স্বপ্ন দেখতেন, কবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে মোড়া ট্রেন আসবে নিজেদের দেশে। সেই স্বপ্ন সত্যিই হওয়ার পথে শিলমোহর দিলেন ভারতের রেলমন্ত্রী। আর বেশি দিনের অপেক্ষা নয়। আর মাত্র বছর দুয়েকের মধ্যেই ভারতে চালু হয়ে যাবে বুলেট ট্রেন।

    যেদিন ভারতের বুকে বুলেট ট্রেন ছুটবে, সেদিনই ভারতীয় রেলের ইতিহাসের শুরু হবে নতুন অধ্যায়। একের পর এক বন্দে ভারত আসছে, দেশে বুলেট ট্রেন কবে ছুটবে তা নিয়ে অধীর অপেক্ষায় গোটা দেশ। কাজ থেমে নেই, চলছে দ্রুত গতিতে। অতীতের তালিকায় তখন নাম লেখাবে শতাব্দী, বন্দে ভারত! ইতিমধ্যেই কাজ শেষ হয়েছে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের প্রায় ৬১ কিলোমিটার দীর্ঘ পথের। দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন চলবে সুরাট থেকে বিলিমোরার মধ্যে। প্রকল্পে রয়েছে গুজরাটের আমেদাবাদ থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বাই পর্যন্ত প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ। যেখানে মোট স্টেশন সংখ্যা ১২ টি। এর মধ্যে ৩৫২ কিলোমিটার রয়েছে গুজরাটে। আপাতত পরিকল্পনা অনুযায়ী, বুলেট ট্রেনের গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘন্টায় ৩২০ কিলোমিটার। আমেদাবাদ থেকে মুম্বাই যেতে এখন সময় লাগে ৬ ঘন্টা। বুলেট ট্রেন চালু হয়ে গেলে যাতায়াতের সময় অর্ধেক হয়ে যাবে।

    দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনটি মুড়ে ফেলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিতে। মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে থাকছে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা। দুর্ঘটনার সংকেত পেলেই মুহুর্তে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে চালকের কাছে। মূলত বালেশ্বরের ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এমন উদ্যোগ। বিষয়টা এখানেই থেমে নেই। বুলেট ট্রেনে থাকছে গজরাজ টেকনিক অর্থাৎ যদি কোন হাতি বা গরু লাইন পারাপার করে তখন দুর্ঘটনা আটকে দেবে গজরাজ প্রযুক্তি।

    আজ থেকে প্রায় ছয় বছর আগেই ২০১৭ সালে গুজরাটের সবরমতি স্টেশনে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। তখন বলা হয়েছিল, ভারতে এই প্রকল্পে খরচ হবে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার কোটি টাকা। তৈরি হবে তিনটি ডিপো। যার মধ্যে দুটি থাকবে গুজরাটে আর একটি মহারাষ্ট্রে। আরেকটা আশ্চর্যের বিষয় হল, থানেতে প্রায় ২১ কিলোমিটারের পথ যাবে জলের তলা দিয়ে অর্থাৎ বুলেট ট্রেন ছুটবে জলের নিচে দিয়ে। নাম মুম্বাই আমেদাবাদ হাইস্পিড রেল করিডোর। বুলেট ট্রেন যারা পরিচালনা করবেন তারা প্রযুক্তির সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন জাপান থেকে। জাপানে কিন্তু বুলেট ট্রেনের কোন দুর্ঘটনা খবর আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম