Tag: India

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখে বড় চমক ইন্ডিয়ার! BJP হেসেখেলে গোল দেবে ? চেনেন এনাকে

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে বড় চমক ইন্ডিয়ার! BJP হেসেখেলে গোল দেবে ? চেনেন এনাকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইন্ডিয়া জোটের প্রধানমন্ত্রীর মুখ লালু প্রসাদ যাদব! ঠিক হয়ে গেল অঙ্ক। রাহুল গান্ধী -মমতা ব্যানার্জীরা লিস্ট থেকে বাদ কেন? সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল নয় জোর অশান্তি হবে অন্য ২ দলে। বিহারের বাইরে এখনও অন্য অঙ্ক কষছেন লালুপ্রসাদ। লালুপ্রসাদ যাদব ৭৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার স্বপ্ন দেখছেন? একটা ইস্যুতেই ভেঙে খান খান হতে পারে বিরোধীদের জোটের স্বপ্ন সেটা বলছেন বেশিরভাগ বিশ্লেষকেরা। পিওকে-তে যা হামলা হচ্ছে তার জন্য অমিত শাহ দায়ী। শাহ কিছুই খোঁজ রাখেন না এসবের। কখনও এমন বেফাঁস মন্তব্য তো কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর গলায় এই জোট ফাঁস হয়ে উঠবে এমন ধরণের অ্যাটাকিং কথা। দেশের শাসক দলকে এধরণের অ্যাটাক ইন্ডিয়া জোট তৈরির পর সেভাবে কোনও দলের নেতাকে করতে শোনা যায়নি, কিন্তু আরজেডির প্রধান লালু প্রসাদ যাদব যেন এখন পুরো ফর্মে খেলছেন।

    তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ না দেওয়া হলে কী করতে পারেন লালু প্রসাদ যাদব। বিশ্বাস করা যায় আরজেডি প্রধানকে? বিশ্বেষজ্ঞরা বলছেন বিশ্বাস তো এমূহুর্তে নীতিশ কুমার ও তার দলকে করা যাচ্ছে না কেন জানেন? দীর্ঘ জেলযাপন ও রোগভোগে জজ্জরিত হওয়ার পর জড়িয়ে জড়িয়ে এখন কথা বললেও দম যেন শেষ হয়নি বিহারের লালুর কিন্তু লালু্প্রসাদ যাদবকে সাইডে রাখুন আরজেডি থেকে কাউকে (তেজস্বী) প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে বেছে নেওয়া হয় সত্যিই কি তাহলে সেটা মেনে নেবে নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড? কারণ নীতিশ কুমার তো বিহারের মসনদে বসে দেখছেন আরেক স্বপ্ন। পিএম ফেস নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের ভিতরের অবস্থাটা বলি আপনাদের।

    JDU-র পক্ষ থেকে নীতীশ কুমারকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে হয়ত সেই স্বপ্ন দেখেই জোট গড়ে তুলতে প্রথমে এতটা স্পিডে দৌড়চ্ছিলেন নীতিশ, কিন্তু এই টার্গেটে তো বাধা অনেক রাহুল গান্ধীর হয়ে জোরাল সওয়াল করছেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। দিল্লির অর্থমন্ত্রী আতিশি সাফ জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় নেই।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নরেন্দ্র মোদীর যোগ্য বিরোধী প্রার্থী হিসেবে দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস। মানে আবারও মোদী বনাম দিদি লড়াইয়ের ডাক উঠছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মেনে নেওয়া হবে কি না এ প্রসঙ্গে কোনও মতামত দিতে রাজি হয়নি তৃণমূল কংগ্রেসও। নালন্দার হরনাউত এলাকার বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। ১৯৮৫ সালে সেই এলাকা থেকেই প্রথমবার জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হন নীতীশ কুমার‌। সেই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েই JDU নেতা তথা মুঙ্গেসের সাংসদ রাজীব রঞ্জন সিং তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রজেক্ট করলেন। সেখানে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ভারতের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব শুধু জোটের হয়ে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবেন নিজের দল থেকে কোনওধরণের প্রধানমন্ত্রীর মুখ উঠে আসতে দেবেন না এমনটাও কি হয় নাকি? ইন্ডিয়া জোটে আসলে একেবারে হযবরল অবস্থা বলছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আর আরজেডি থেকে কাউকে বাছা হলে নীতিশ কুমার চুপ থাকবেন নাকি এই দুই দলই তো কাফি গোটা জোটকে ভন্ডুল করে দিতে। এদিকে নীতিশ কুমারের ফের এনডিএ জোটে ফিরে যাওয়ার জল্পনাও রীতিমত চাউর হয়ে গিয়েছে চারিদিকে। সেখানে এখন থেকেই একটা অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে জোট ইন্ডিয়ায় এই তো দেখুন না ৩ রাজ্যে বিজেপি জেতার পরই হুট করে জোটের বৈঠক ডেকে নিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাতে কার্যত রুষ্টই হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী থেকে শুরু করে বাকী দলের নেতারা তখন সবটা সামাল দিতে এগিয়ে এসেছিলেন একা লালুই। সবপক্ষকেই সামাল দিয়ে তিনি ১৭ ডিসেম্বর বৈঠক ডেকেছিলেনৎপরে যদিওবা সেই সময় বদলে ১৯ ডিসেম্বর করা হয়।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি হয়ত প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন দেখছেন না বরিষ্ঠ রাজনীতিবিদ লালু প্রসাদ কিন্তু বড় কোনও স্ট্র্যাটেজি তো অবশ্যই রয়েছে তার। ভারতীয় জনতা পার্টি অবশ্য এক্ষেত্রে দাবি করছে ছেলে তেজস্বীকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী করতে মরিয়া লালু প্রসাদ। আর তার জন্য জাতীয় রাজনীতিতে লালু নিজেকে তুলে ধরতে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ বিজেপির।এক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ এমকে স্ট্যালিনরা যতই প্রধানমন্ত্রী মুখ কে হবে এই বক্তব্যকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, AICC মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাতে বলেছিলেন ‘প্রধানমন্ত্রী মুখ বেছে নেওয়া আমাদের অ্যাজেন্ডায় সবচেয়ে শেষে রয়েছে। তার মানে মুখ ঠিক না করে তো লড়াই নামবে না জোট ইন্ডিয়া৷ তারপর যে মুখ নরেন্দ্র মোদীকে কীভাবে টক্কর দেয় বা আদৌ টক্কর দেওয়ার অবস্থায় থাকে কিনা তা নিয়ে আলাদা আলোচনা হতেই পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Parliament Security: আরো কড়া সংসদের নিরাপত্তা, হামলা রুখতে কোন প্ল্যানিং?

    Parliament Security: আরো কড়া সংসদের নিরাপত্তা, হামলা রুখতে কোন প্ল্যানিং?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Parliament Security: ১৩ই ডিসেম্বর লোকসভায় হঠাৎ রংবোমা নিয়ে হানা দেয় ২ যুবক। যার জেরে গোটা দেশ জুড়ে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। সমালোচক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে। এবার সেই সংসদের নিরাপত্তা জোরদার করতে নেওয়া হচ্ছে নতুন সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এমনভাবে সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যেখানে অপরিচিত সন্দেহজনক কেউ এলে সহজেই শনাক্ত করা যাবে। তালিকায় রয়েছে বডি স্ক্যানার থেকে শুরু করে কাঁচের পর্দা। ইতিমধ্যেই অধিবেশন চলাকালীন দর্শকদের বেপরোয়া আচরণ আটকাতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা রক্ষীর সংখ্যা।

    লোকসভায় হঠাৎ ওই দুই যুবকের হানাদারির ঘটনা সত্যিই অস্বাভাবিক। কিভাবে যে মার্শালদের নজরদারি এড়িয়ে ওই দুই ব্যক্তি অত সহজে একেবারে লোকসভার দর্শন আসনে গিয়ে বসলেন, তারপর ফ্লোরের ঝাঁপ দিলেন তার তদন্ত চলছে। পুরো ঘটনাই যেন সিনেমার মতো। তারপর গ্যাস ভরা রং বোমা নিয়ে নিরাপত্তা বলয় টপকে ঢুকে পড়ে অধিবেশন কক্ষে। স্বাভাবিকভাবেই এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। এই ঘটনার পর বুধবার দুপুরে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে তড়িঘড়ি সর্বদলীয় একটি বৈঠক ডাকা হয়। সেখানেই নিরাপত্তা আরো কড়া করতে দেওয়া হয় একগুচ্ছ প্রস্তাব। সেই তালিকায় রয়েছে-

    • সাংসদ, সংসদ কর্মী, সাংবাদিক এবং দর্শকদের সংসদে প্রবেশের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা প্রবেশ পথ থাকবে।

    •সংসদে প্রবেশকারীদের খানাতল্লাশির জন্য বসানো হবে বডি স্ক্যানার।

    •অধিবেশন চলাকালীন যাতে কোন সমস্যা না হয়, তাই আরো বাড়ানো হবে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা।

    •সংসদে প্রবেশের জন্য চালু করা হতে পারে দ্রুত স্মার্ট কার্ড।

    •দর্শক আসন থেকে যাতে কেউ রাজ্যসভা বা লোকসভার ফ্লোরে গিয়ে ঝাঁপ না মারতে পারে তার জন্য মূল অধিবেশন কক্ষ আর দর্শক আসনের মধ্যে বসানো হবে কাঁচের দেয়াল।

    নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতদিন না কার্যকর হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত দর্শকদের জন্য বন্ধ থাকবে সংসদ ভবন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Parliament Security Breach: সংসদে হামলায় অভিযুক্ত পঞ্চম জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ, চলছে ষষ্ঠের খোঁজ

    Parliament Security Breach: সংসদে হামলায় অভিযুক্ত পঞ্চম জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ, চলছে ষষ্ঠের খোঁজ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Parliament Security Breach: বুধবার রাতে হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে সংসদের ভিতরে রঙ বোমা নিয়ে হামলা চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মাকে। গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। বিশালের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, সংসদে ‘স্মোক ক্র্যাকার’ নিয়ে ঢুকে পড়া দু’জন এবং বাইরে স্লোগান দেওয়া আরও দু’জনকে তিনি আশ্রয় দিয়েছিলেন। তবে গোটা ঘটনায় ছ’জনের যুক্ত থাকার প্রমাণ মিললেও পুলিশ এখনও ষষ্ঠ জনকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

    পুলিশ দাবি করে যে, ছ’জন আলোচনা করে ঠিক করেন, সংসদের ভিতরে ঢুকে দু’জন ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি করবেন। তারপরই লোকসভার অন্দরে ‘স্মোক ক্র্যাকার’ চলাকালীনই সংসদ ভবনের বাইরে দুই বিক্ষোভকারী ‘তানাশাহি নেহি চলেগা’ স্লোগান তোলেন। ঘটনার পর ঘন হলুদ ধোঁয়ায় ঢেকে যায় লোকসভার মূল অধিবেশন কক্ষের একাংশ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাংসদেরা।

    জানা গেছে, গতকাল সংসদের অঁদ্রে আচমকাই সেখানে ঢুকে পড়ে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তাদের কাছে গ্যাস ছোড়ার সরঞ্জাম ছিল বলে অভিযোগ। যে দুজনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে, জানা গেছে তাদের পরিচয়ও। একজনের নাম অমল শিন্ডে। তাঁর বাড়ি মহারাষ্ট্রে। অন্য আরএকজনের নাম নীলম সিংহ। তিনি হরিয়ানার বাসিন্দা। সাংসদরা এবং নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে ধরে ফেলে। সাংসদদের মধ্যে এক জন আরএলপি এবং আর এক জন বিএসপির সাংসদ বলে খবর।

    প্রসঙ্গত, সংসদ টিভির ভিজ্যুয়াল এ দেখা গেছে, নীল জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তিকে হাউসে বেঞ্চের উপর লাফ দেয়। তাদের হাতে ক্যানিস্টার ছিল। এই ক্যানিস্টারগুলি থেকে হলুদ ধোঁয়া বেরোতে থাকে। তাদের মধ্যে একজন স্পিকারের চেয়ারের দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। অধিবেশন চলাকালীন এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে লোকসভা কক্ষে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গীতাপাঠ দিয়েই লোকসভা ভোটের রেকি ? টেস্টিং গ্রাউন্ড ব্রিগেড, মোদী মন্ত্রেই রহস্য

    গীতাপাঠ দিয়েই লোকসভা ভোটের রেকি ? টেস্টিং গ্রাউন্ড ব্রিগেড, মোদী মন্ত্রেই রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    লোকসভা ভোটের রেইকি, ভারতকে কোন মন্ত্রে বাঁধছেন মোদী? ‘গীতাপাঠ’ এই লুকিয়ে আসল রহস্য। পৃথিবী নয়, মন ছোঁবে রামলালা। “টেস্টিং গ্রাউন্ড” থেকেই জল মাপবে বিজেপি? স্টেপ বাই স্টেপ ছক, বাঙালি আবেগে শান দেওয়ার প্ল্যানিং। কোথায় বসে ছক সাজাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী? রেজাল্ট দেখাবে ব্রিগেড ভারতের বুকে নতুন যুগ।২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার অধিষ্ঠান ঘটবে। গীতাপাঠে মুখরিত হবে বাংলা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এসবের দৌলতে তৃতীয়বার দিল্লির মসনদ দখল যেন সহজ হয়, সম্ভব হয় সেটাই কনফার্ম করতে চাইছে মোদী সরকার।

    আর এতেই প্যালপিটিশন বাড়ছে বিরোধীদের। উঃ প্রদেশের অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন, একটা গ্র্যান্ড ইভেন্ট, ভিভিআইপিদের থিকথিকে ভিড় এসব দেখে শুনে এমনিতেই হজম করতে অসুবিধা হচ্ছে বিরোধীদের। এরইমধ্যে গোঁদের উপর বিষফোঁড়া বাংলার বুকে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন। কিন্তু মোদীর লক্ষ্য স্থির। ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের ‘প্রধান পুরোহিত’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এখন প্রশ্ন হল এটা কি সাধারণ কোন গীতাপাঠের অনুষ্ঠান? বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে মাস তিনেক পরই লোকসভা নির্বাচন, তার আগে মানুষের মন পড়ে নেওয়ার ‘টেস্টিং গ্রাউন্ড’ ব্রিগেডে গীতপাঠ। তার মানে এই গীতাপাঠ কি বিজেপির রেকি? অনেকেই বলছেন রামমন্দির উদ্বোধনের প্রভাব বাংলায় লোকসভা ভোটে কতটা পড়বে, তার রেকি করে নিতে চাইছে বিজেপি। পরিষ্কার কথা জল মাপতে চাইছে পদ্মশিবির।

    এটা তো নতুন করে বলার দরকার পড়ে না, যে বিজেপি নেতৃত্বের কাছে ২৪ এর নির্বাচনে রামমন্দিরই তাদের তুরুপের তাস। তাই পরিকল্পনা মাফিক ছকে চলছে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে ভেবেচিন্তেই নির্বাচনের মুখে ঠিক করা হয়েছে অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধনের দিন। রামমন্দিরকে ঘিরে চলছে দেশজুড়ে জোরদার প্রচার। মানুষের মধ্যে কাজ করছে একটা অন্য উন্মাদনা। জড়িয়ে গেছে আবেগ। নেওয়া হয়েছে বাড়ি বাড়ি রামলালার ছবি ও প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যে রামমন্দির নিয়ে বিরাট সাড়া মিলেছে। কিন্তু বাংলা? রাম মন্দির উদ্বোধনের নিমন্ত্রণ থেকে শুরু করে বাড়িতে বাড়িতে হলুদ চাল, বঞ্চিত হয়নি পশ্চিমবঙ্গ ও।বরং বিশেষ গুরুত্ব দিতে স্পেশাল ট্রিটমেন্টে বাংলা কে রাখতে চাইছে বিজেপি।

    বাংলায় দিল্লির নেতাদের ডেলি প্যাসেঞ্জারিটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। সেটাও কিনা একেবারে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে। যেটা শুরু হচ্ছে ব্রিগেড দিয়ে। মোদ্দা কথা লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ধামাকা বাংলার মাটিতে। যেখান থেকে এটা বোঝা যাবে রামমন্দির দাওয়াই এই রাজ্যে কতটা কাজ করলো? কতটা এফেক্ট ফেললো? মনে করিয়ে দিই, একুশের নির্বাচনের আগেও ব্রিগেডে সভা করেছিলেন মোদি। বাঙালি আবেগ কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে মিঠুন চক্রবর্তীকে তোলা হয়েছিল মঞ্চে। আর এবার? ভেবে দেখুন এমন সব সংগঠন সামনে আছে, যাদের কিছু নিজস্ব অনুগামী বা ভক্ত আছে। যারা ফ্রন্টলাইনে থেকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলার বুকে ধর্মীয় আবেগ অনুভূতি প্রকাশের একটা মঞ্চ তৈরি করছে। সেই রামমন্দির স্ট্র্যাটেজি?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে রামমন্দির নির্মাণ ও তার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে হিন্দুত্বের প্রচারকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বিজেপি এবং আরএসএসের যাতে তার দৌলতে দিল্লির মসনদে পৌঁছনোর রাস্তা পরিষ্কার হয়। বুঝতে হবে বাংলাতেও ধর্মকেন্দ্রিক রাজনীতির ট্রেন্ড ঊর্ধ্বমুখী। তাহলে সেটাকেই কি এনক্যাশ করতে চাইছে পদ্মশিবির? এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ কতটা? উদ্যোক্তা থেকে বিজেপি নেতৃত্ব একযোগে দাবি করছে, ব্রিগেডের গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই, না থাকারই কথা। কারণ পবিত্র গীতাও ফলের আশা না করে কর্ম করার উপদেশ দিয়েছে। কিন্তু, ধর্মের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সেন্টিমেন্ট। সেটাকে অস্বীকার এর কোনো জায়গা নেই।‌এটা ফ্যাক্ট। ফলে, লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্রিগেডে ঘটা করে গীতাপাঠ বিজেপিকে মানুষের মন জয়ের ক্ষেত্রে এক্সট্রা মাইলেজ দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলায় চীন অ্যাটাক করবে! ভুটানে ঘন জঙ্গলে এ কী নামালো বেজিং ?

    বাংলায় চীন অ্যাটাক করবে! ভুটানে ঘন জঙ্গলে এ কী নামালো বেজিং ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলায় চীন হামলা করবে যখন তখন ঢুকে! ভুটানের ঘন জঙ্গলে এ কী নামাল বেজিং? ভারতের হাতে আসা স্যাটেলাইট ছবি চাঞ্চল্যকর। চিকেন নেকে বড় বিপদ কীভাবে প্রটেক্ট করবে ইন্ডিয়ান আর্মি? চীনের টার্গেট সিফট লাদাখ থেকে সোজা বাংলায় এবার সোজা ভুটানকে কুকীর্তিতে ব্যবহার করছে বেজিং। ভারত প্রমাণ পেল হাতেনাতে তাই বদলা হতে পারে মারাত্মক। ভুটানই কি দিল্লিকে জানিয়ে দিলেন চীনের প্ল্যানিং আসলে কী? কিন্তু ভুটান দিয়ে বাংলায় অ্যাটাকের চেষ্টা কেন? পশ্চিমবঙ্গের কোন এলাকাকে টার্গেট করছে পিএলএ আর্মি ভুটানের যে অংশে চীন পৌঁছে গিয়েছে সেখান থেকে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে। দীর্ঘদিন সীমান্তের আগ্রাসন নিয়ে চুপচাপ? এতদিন কী প্ল্যান করা হচ্ছিল বেজিংয় সত্যি ফাঁস।

    গোটা বাংলা নয় চীনের টার্গেট শিলিগুড়ি আরও পরিস্কারভাবে বললে শিলিগুড়ির চিকেন নেক সেই চিকেন নেককেই হাতানোর বড় চেষ্টা জিনপিংয়ের আর হাতিয়ার করা হচ্ছে ভুটানের ঘন জঙ্গলকে এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে সম্প্রতি ভুটানের জাকারলুং উপত্যকার বেশ কিছু উপগ্রহচিত্র প্রকাশ্যে এসেছে ভারতে। আর তাতে দেখা গিয়েছে বিস্তর পরিবর্তন। ব্রিটিশ থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘চ্যাথাম হাউজ’-এর রিপোর্ট বলছে ভুটানের ভূখণ্ডে নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে বেজিং। ২০২১ সালেও জাকারলুং উপত্যকার যে যে অংশ ফাঁকা ছিল ২০২৩ সালে সেখানে গড়ে উঠেছে ইমারত। কাদের হাতে তৈরি সেসব ইমারত? পিএলএ? জাকারলুং উপত্যকার থেকে শিলিগুড়ির চিকেন নেকই বা কতটা দূরে?

    মালদ্বীপে মতো কি তাহলে ভুটানকেও ক্যাপচার করে ফেলছে বেজিং? ভারতকে তো চরম লেভেলে কূটনীতির খেলা খেলত হবে তাহলে। ২০১৭ সালে ডোকলামে চীনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনার সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই এলাকায় চীনের অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল ভারত। ভুটান কিন্তু সেই সময় জানিয়েছিল ভারত এবং চিন উভয়পক্ষকেই খুশি করে এমন সিদ্ধান্ত নেবে ভুটান। কিন্তু কোথায় গেল সেসব প্রমিস? আসলে চীনকে রোখার মতো ক্ষমতা ভুটানের নেই এটাও অস্বীকার করা যায় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন চীনের ছায়ায় ভুটান ঢেকে গিয়েছে ক’দিন আগেই চীন এবং ভুটান- দু’তরফেই বার্তা মিলেছিল সীমান্ত সমস্যা শীঘ্র কথা বলে মিটিয়ে নিতে চাইছে তারা। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টাও চলছে। তার মধ্যে ভুটানের জমি দখলদারির চেষ্টা চিনের?

    কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের সঙ্গে ডোকলামে সংঘর্ষের পরেও চীন অন্তত তিনটি গ্রাম ওই অঞ্চলে গঠন করে ফেলেছে। ভুটানের জমি ধরে চিন দক্ষিণে আর একটু অগ্রসর হলেই শিলিগুড়ি করিডরের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলবে বেজিং। ওই করিডরের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে ভারতের বাকি অংশের যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে একাধিক বার সতর্কতা জারি করেছে ভারতীয় সেনা। এ ব্যাপারে ভুটানের কোনও প্রতিক্রিয়া না মিললেও ভারত যে পাল্টা স্টেপ নেবেই নেবে সেটা বোধহয় বলে বোঝানোর দরকার পড়বে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India E-commerce Market: চীন আমেরিকাকে পিছনে ফেলবে ভারত! ফুলেফেঁপে উঠছে ই-কমার্স বাজার

    India E-commerce Market: চীন আমেরিকাকে পিছনে ফেলবে ভারত! ফুলেফেঁপে উঠছে ই-কমার্স বাজার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India E-commerce Market: ভারতে দ্রুত হারে বাড়ছে অনলাইন কেনাকাটার হার। মানুষ বাজারে গিয়ে শপিং করার থেকে বেশি পছন্দ করছেন ঘরে বসে শপিং করা। তাতেই ফুলেফেঁপে উঠছে ই-কমার্স বাজার। ভারতের ই-কমার্স বাজার যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা থেকে মনে করা হচ্ছে ২০২৮ সালের মধ্যে এটি ১৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৩ সালে দেশে অনলাইন কেনাকাটার বাজার আনুমানিক ৫৭ থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলার। এই অঙ্কটাই বছরের পর বছর বাড়তে থাকবে। পরবর্তী ৫ বছরে ছাড়িয়ে যাবে ১৬০ বিলিয়ন ডলারে।

    বেইন অ্যান্ড কোম্পানির ‘দ্য হাউ ইন্ডিয়া শপস অনলাইন’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে বলেছে, ভারতে অনলাইন শপিংয়ে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই পরিসংখ্যানে পৌঁছানো কোনো ব্যাপারই নয়। দেশে অনলাইন খুচরো কেনাকাটার বাজার প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রায় ৮ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে ডেটা বেইন অ্যান্ড কোম্পানির অনলাইন রিপোর্ট অনুসারে, ২০২০ সাল থেকে, ভারতের অনলাইন খুচরা বাজার প্রতি বছর ক্রমাগত ৮ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কোম্পানি ই-কমার্স জায়ান্ট ফ্লিপকার্টের সাথে একটি যৌথ প্রতিবেদনে বলেছে যে, ভারতীয় অনলাইন শপিং বাজার এক বছর আগের তুলনায় ২০২৩ সালে ১৭ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তুলনামূলকভাবে, এটি একটি ধীর গতি কিন্তু উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিও এর পিছনে একটা বড় কারণ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড -১৯মহামারীর সময়টা বিশ্বব্যাপী ই-রিটেল গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল। সেই কোভিড সংকটের স্মৃতি কিন্তু এখনও তাজা। মহামারীর কারণে সমস্ত বাজারে বিভিন্ন স্তরে অনলাইন কেনাকাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অপরদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মতো উন্নত বাজারে, ই-রিটেল এন্ট্রির বার্ষিক বৃদ্ধি প্রাক-মহামারী স্তরের তুলনায় সামান্য কম। অনলাইন কেনাকাটার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা সত্ত্বেও, ভারতে মোট খুচরা ব্যয়ে ই-কমার্সের অংশ মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ। ভারতের তুলনায় অর্থনৈতিক শক্তিঘর আমেরিকায়, মোট খুচরা ব্যয়ের ২৩-২৪ শতাংশ এবং চীনে ৩৫ শতাংশের বেশি। যদি শতাংশের দিক থেকে দেখা যায়, ভারতের ই-কমার্স বাজারের বৃদ্ধি আগামী ৫ বছরে ১৬৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এর কারণটা কী? আসলে অনেক বড় ই-কমার্স কোম্পানি ভারতে ক্রমবর্ধমান ব্যবসার সুযোগের সুবিধা নিতে এখানে অনলাইন শপিং ইকোসিস্টেমে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। যেখানে আমাজন, ওয়ালমার্ট-সমর্থিত ফ্লিপকার্টের পাশাপাশি রিলায়েন্স রিটেলের আজিও-এর মতো বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এই বছরের শুরুতে, অ্যামাজন ২০৩০ সালের মধ্যে বাজারে অতিরিক্ত ১৫ বিলিয়ন ডলার ইনজেক্ট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরপর ভারতে কোম্পানিটির মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬ বিলিয়ন ডলার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel–Hamas war: হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, ভারতের সিদ্ধান্ত কোন দিকে? কার পাশে দাঁড়াল?

    Israel–Hamas war: হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, ভারতের সিদ্ধান্ত কোন দিকে? কার পাশে দাঁড়াল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel–Hamas war: সময় বয়ে গেলেও জারি রয়েছে ইসরায়েল আর হামাসের দ্বন্দ্ব। যা গোটা বিশ্বের কাছে এখন হট টপিক। নিহত হচ্ছে প্রচুর নিরীহ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বিশাল। বারংবার যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গ এলেও, এখনো পর্যন্ত দুই পক্ষ কোন সুষ্ঠু সমাধানে আসেনি। সম্প্রতি এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যেখানে কিছু দেশ সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কেউ বিপক্ষে আবার কেউবা থেকেছে নিরপেক্ষ অবস্থানে। এমত অবস্থায় ভারত কোন দিকে?

    ‘আজতাক'(হিন্দি) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে যা ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি সমস্ত জিম্মিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছিল। ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মঙ্গলবার একটি জরুরি বিশেষ অধিবেশনে মিশর কর্তৃক উপস্থাপিত খসড়া প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। জাতিসংঘের ১৫৩টি সদস্য দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ২৩টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল এবং ১০টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।

    আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ফিলিস্তিন এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। দেশ গুলো গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া দেশগুলির মধ্যে ছিল আমেরিকা, অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, গুয়াতেমালা, ইসরায়েল, লাইবেরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পাপুয়া নিউ গিনি এবং প্যারাগুয়ে। রেজোলিউশনে সমস্ত জিম্মিদের অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তির পাশাপাশি মানবিক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সমস্ত পক্ষকে তাদের বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে গুরত্ব দেওয়া হয়েছে, নাগরিকদের নিরাপত্তায়।

    ভারত অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের সমর্থনে ভোট দিয়েছে। তবে প্রস্তাবে হামাসের নাম ছিল না। ভারত অক্টোবরে সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাবে ভোটদানে অনুপস্থিত ছিল যা ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতি এবং গাজা উপত্যকায় বাধাহীন মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানিয়েছিল। জর্ডান কর্তৃক প্রণীত রেজোলিউশনে গাজা উপত্যকা জুড়ে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অবিলম্বে, অবিচ্ছিন্ন, পর্যাপ্ত এবং নিরবচ্ছিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবা সরবরাহের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি প্রাণ হারিয়েছে। গত ৭ অক্টোবর হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি কিছু গোষ্ঠীগুলির দ্বারা পরিচালিত হামলায় ৩৩ শিশু সহ ১২০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। অপরদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুসারে, গাজায় এ পর্যন্ত অন্তত ১৮,২০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ৪৯,৬৪৫ জন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-Pakistan War: ভারত-পাকিস্তানের সুপারসনিক অ্যাকশন, কেঁপে উঠেছিল আকাশ! ৫২ বছর আগে কী এমন ঘটেছিল?

    India-Pakistan War: ভারত-পাকিস্তানের সুপারসনিক অ্যাকশন, কেঁপে উঠেছিল আকাশ! ৫২ বছর আগে কী এমন ঘটেছিল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Pakistan War: ৫২বছর হতে চলেছে ১৯৭১ এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এটি ছিল সেই যুদ্ধ যা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন উভয় দেশের সামরিক সক্ষমতা। সেদিনই বোঝা গিয়েছিল কার দৌড় কতটা বেশি। এই যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) ভূমিকা ছিল স্মরণীয়।

    ১৯৭১, এটি সেই বছর যা পাকিস্তান তার ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চায়। সে বছর ডিসেম্বরের ঠান্ডা মৌসুমে পাকিস্তানে তাপমাত্রা বেশি ছিল। যেখানে প্রায় এক লাখ পাকিস্তানি সৈন্য ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশে। ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধে পরাজয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। এই যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) তৎপরতা আজও পাকিস্তানকে রাতে শান্তিতে ঘুমাতে দেয় না। এমন এক সময়ে যখন ভারতের কাছে খুব একটা উন্নত প্রযুক্তি ছিল না, তখনও পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের (PAF) জেট ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তান কিন্তু তখন আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সমর্থন পেয়েছিল। কিন্তু লাভ হয়নি।

    ১৯৭১, ১২ ডিসেম্বর, পাকিস্তান বিমান বাহিনী গুজরাটের জামনগরে একটি আইএএফ ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করে। সেদিন দুপুর ২টোর দিকে আকাশে দুই শত্রুর মধ্যে শুরু হয় যুদ্ধ। এটি ছিল একটি সংঘাত যা বিমান সেক্টরে ঐতিহাসিক বলে বিবেচিত হয়। ভারতের MiG-21 FL গুলি করে নামায় পাকিস্তানের F-104A স্টার ফাইটারকে। আজও এটিকে বিশ্বের সেরা সুপারসনিক অ্যাকশন বলে মনে করা হয়। ভারত ভূষণ সোনি ব্ল্যাক আর্চার নামে পরিচিত বিমানবাহিনীর ৪৭ নং স্কোয়াড্রনের অংশ ছিলেন। সোনি সেদিন ছিলেন কমব্যাট এয়ার টহলে। হামলার ঘটনা ঘটলেই তারা হামলা বন্ধের নির্দেশ পায়। সোনি স্টার ফাইটারদের একজনকে টার্গেট করেছিলেন এবং এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল দিয়ে আক্রমণ করেন। তবে তার একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাদ পড়ে। কিন্তু আতঙ্কিত না হয়ে, নিজের বন্দুক দিয়ে কাথিয়াওয়ার উপকূলে পাকিস্তানি জেটকে গুলি করে নামিয়ে দেন। পরবর্তীকালে সোনি বীর চক্রে ভূষিত হন।

    শোনা যায়, সেদিনের যুদ্ধে শত্রু পাইলটকে হাঙর-আক্রান্ত জলে প্রাণ দিতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এয়ার এবং সি রেসকিউ পরে তাকে সনাক্ত করতে পারেনি। পাকিস্তানি বিমানটি তাদের অন্যতম সেরা পাইলট উইং কমান্ডার মারভিন লেসলি মিডলকোট পরিচালনা করছিলেন। হামলার পর তিনি উড়াল দেন। সোনি তাকে প্যারাসুট থেকে বেরিয়ে আসতে এবং আরব সাগরে পড়ে যেতে দেখেছেন। কথিত আছে, আরব সাগরে যে জায়গায় তার প্যারাসুট পড়েছিল সেখানে হাঙর ছিল। সোনিও একটি উদ্ধারকারী দল পাঠানোর জন্য আইএএফ-এর সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু দেহাবশেষ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পাকিস্তান সরকার এখনও তাকে নিখোঁজদের তালিকায় রেখে দিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হচ্ছে শীগগিরই! ২০২৪ এই বড় চমক না তো ? একসুরে মোদী-যোগী-শাহ

    ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হচ্ছে শীগগিরই! ২০২৪ এই বড় চমক না তো ? একসুরে মোদী-যোগী-শাহ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণা করার তারিখ রেডি হচ্ছে?
    যোগীকে আনা হবে ফ্রন্টফুটে কারণ আছে বড়সড়। আরএসএস কঠোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে বিজেপিকে?
    ২০২৪ এ বিজেপি সরকার কেন্দ্র ক্ষমতায় এলেই কি হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণার চরম স্টেপ? কতদূর এগোলো কাজ? ইউনিফর্ম সিভিল কোড এখানে বড় ম্যাটার। হিন্দুস্থান মানে হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্র আর এটাই ধ্রুব সত্য। নাগপুরে দাঁড়িয়ে জোর গলায় ঠিক এটাই কয়েক মাস আগে ঘোষণা করেছিলেন। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত
    তার অনেক আগে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ এবার সেই পথেই ধীরে ধীরে এগোচ্ছে নাকি দেশ? ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের ঠিক হাতে গোনা কটা মাস আগে ভাগবতের এধরণের বক্তব্যের কী কোনও গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল নাকি?

    ২০২৪ এর আগে নাকি বিজেপি ফের কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দিকে দ্রুত এগোবে আরএসএস? হায়দরাবাদের বিজেপি এমএলএ টি. রাজা সিংয়ের দাবি ছিল ‘হিন্দুরা দেশটিকে ‘অখন্ড হিন্দু রাষ্ট্র’ করার দাবি করছে। যদি ৫০টির বেশি ইসলামিক দেশ এবং ১৫০টিরও বেশি খ্রিস্টান দেশ থাকতে পারে তবে কেন ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা যাবে না যেখানে হিন্দুরা তার ১০০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ?’ কিন্তু নরেন্দ্র মোদী বা শাহের মুখে কেন শোনা যায় না ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার কথা? নাকি তারা মুখে নয় কাজে করে দেখাতে চান আসলটা? তবে হিন্দু রাষ্ট্র নিয়ে সরাসরি কোনও কথা না বললেও ইউনিফর্ম সিভিল কোড ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী আর সেখানেই বিশেষজ্ঞদের দাবি ছিল
    একবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড দেশে লাগু হলেই ভারতরে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করায় আর কোনও বাধা কোনও বিপত্তি থাকবে না। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি মানে সব ধর্মের জন্য সমান আইন একটাই আইন
    শিখ, মুসলিম, খ্রীস্টান সকলকেই মানতে হবে একটাই আইন। সেখানে কোনও শরিয়তি বা অন্য আইন চলবে না।

    এখানেই সবথেকে বড় পয়েন্ট রয়েছে যেটা মিস করবেন না অযোধ্যায় রামমন্দির ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের মতোই দেশে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু পরিকল্পনা বিজেপির ইস্তেহারে রয়েছে। তাই আজ নয় হোক কাল বিজেপির সরকার থাকলে এটা হবেই হবে। বিশেষজ্ঞদের দাবি ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করার সিগন্যালটা এই আবহে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথ। ২০১৭ সালে যোগী প্রথম বলেছিলেন যদি এধরণের সিদ্ধান্তে দেশের জনগনের ও দেশের ভালো হয় তাহলে এধরণের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এরপর ২০২৩ ১৫ ফেব্রুয়ারি একটা টুইটে যোগী লেখেন ভারত হিন্দুরাষ্ট্র কারণ ভারতের সব নাগরিক হিন্দুই। ভারত হিন্দুরাষ্ট্র ছিল আর আগামীতেও থাকবে।

    অনেকেই বলেছিলেন এমনি এমনি নিশ্চয় এধরণের কথা বলবেন না যোগী? নেপথ্যে কোনও কারণ তো থাকবেই। নরেন্দ্র মোদী নয়া সংসদ ভবনে যখন পুজোর পর সেঙ্গলকে স্থাপন করেন তখনও বেশ কিছু মহলের দাবি ছিল এই তো ধীরে ধীরে হিন্দুরাষ্ট্রের গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে ভারত। বিজেপি ও সঙ্ঘের তাবড় তাবড় নেতাদের মতে একবার ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হয়ে যেতে পারলে হিন্দুরাষ্ট্রের ইস্যু যে পিকআপ নেবে তাতে সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। যখন নেপালের পর ভারত হবে সবথেকে বড় হিন্দু রাষ্ট্র। কবে ইউসিসি লাগু হওয়ার কাজ শুরু হয় সেটাই দেখার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • INDIA Bloc Next Meeting: ১৯ ডিসেম্বর ইন্ডিয়া জোটের ‘চতুর্থ’ বৈঠক, নয়া স্লোগান ‘ম্যাঁয় নহি হাম’!

    INDIA Bloc Next Meeting: ১৯ ডিসেম্বর ইন্ডিয়া জোটের ‘চতুর্থ’ বৈঠক, নয়া স্লোগান ‘ম্যাঁয় নহি হাম’!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    INDIA Bloc Next Meeting: নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর হতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটের ‘চতুর্থ’ বৈঠক। ইন্ডিয়া জোটের পক্ষ থেকে রবিবার এই বৈঠকের দিন ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ। হাতে আর বেশি সময় নেই, এপ্রিল অথবা মে মাসে লোকসভা নির্বাচন হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। সদ্য শেষ হওয়া ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দি বলয়ে ভরাডুবি হয়েছে কংগ্রেসের। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তীসগড় এই তিন রাজ্যেই বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে হাত শিবির। ভোটের ফল ঘোষণার দিনেই ইন্ডিয়া জোটের পরবর্তী বৈঠকের তারিখ ঘোষণা করেছিল কংগ্রেস। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীতিশ কুমার, হেমন্ত সোরেনরা ৬ ডিসেম্বরের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। সেই কারণে শেষমেশ বৈঠক স্থগিত করে দেয় কংগ্রেস। সেই স্থগিতের পর ফের ১৯ তারিখ দিন ধার্য করা হয়েছে।

    মধ্যপ্রদেশে আসন রফার প্যাঁচে পড়েই ভরাডুবি হয়েছে কংগ্রেসের। এনিয়ে বিস্তর অভিযোগ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই কথাটাই বহুদিন ধরে বলে আসছেন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কোথায় কে লড়াই করবে, কে কোথায় সিট ছাড়বে তা আলোচনা করা । ফলে লোকসভা ভোটের আগে আসনরফার বিষয়টি প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। যৌথ ন্যূনতম কর্মসূচি বা ‘কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম’ নিয়েও আলোচনা হবে।

    কিছু শরিক নেতার মধ্যে প্রাথমিক আলোচনায় ঠিক হয়েছে, ইন্ডিয়া জোটের নয়া স্লোগান হবে ‘ম্যাঁয় নহি হাম’ কথাটি। দুয়ারে কড়া নাড়ছে লোকসভা নির্বাচন। পাশাপাশি গেরুয়া শিবিরকে ৫ রাজ্যে ভোটের ফল বাড়তি আক্সিজেন যুগিয়েছে। তাই আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত বৈঠকে বসছে চলেছে ইন্ডিয়া জোট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম