Tag: আলিপুর আবহাওয়া দফতর

  • Weather Update: অন্ধকারে ঢাকছে বাংলা! তাপমাত্রা মাইনাসে ? বৃষ্টির সঙ্গে বরফ পড়বে কোথায় জানুন

    Weather Update: অন্ধকারে ঢাকছে বাংলা! তাপমাত্রা মাইনাসে ? বৃষ্টির সঙ্গে বরফ পড়বে কোথায় জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: বাংলার আকাশ ঢাকছে অন্ধকারে! শৈত্যপ্রবাহের চক্রব্যূহে আটকে কোন কোন জেলা? ডেডলাইন শেষ, জাঁকিয়ে শীতের আগেই পড়বে বরফ? কবে থেকে মাইনাসে নামবে টেম্পারেচার? রাতের তাপমাত্রায় ম্যাসিভ পরিবর্তন, এতো বছরে যা ঘটেনি, সেই অভিজ্ঞতাই দেখাবে এবারের শীত? বৃষ্টির খেল খতম। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহের ঝোড়ো ব্যাটিং সামাল দেবে কি করে বাংলা? এটাই এখন লাখ, থুরি, কোটি টাকার প্রশ্ন।জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগেই তুষারপাত হবে কোন কোন জেলায়? বাঁকুড়া পুরুলিয়ার ঠান্ডাটা কিন্তু মারাত্মক।রাতের বেলা এই জেলাগুলোতে কি ঘটবে এবার শীতে?

    বৃষ্টির ধাক্কা এখনো ভালো করে সামাল দিতে পারল না। বৃষ্টিতে কার্যত ডুবে গিয়েছে দুই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ধান ও আলুর জমি। এর মাঝেই হুড়মুড়িয়ে পারদপতন। রোদ ভুলে যান, ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। শুক্র, শনিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার প্রকোপ দেখা যাবে। তখন তাপমাত্রার পারদ আরও নামার সম্ভাবনা থাকছে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে বাড়ির বাইরে বের হওয়াই দায় হবে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসটা ভালো করে জেনে নিন। কবে থেকে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা? জানিয়ে দিল দিনক্ষণ?

    যা শোনালো আইএমডি তা খুব একটা সুখকর নয়। পশ্চিমবঙ্গে পারদ পতনের ক্ষেত্রে যা কাঁটা ছিল, সব সরে গিয়েছে। শুক্রবার থেকেই পারদ পতন শুরু রাজ্যে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৩ দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় উত্তর ও দক্ষিণে রাতের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি কমবে। তার পরের দু’দিনে তাপমাত্রার তেমন কোনো হেরফের হবে না।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে। আগামী দু’দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি বাড়বে। তবে দিনের তাপমাত্রা চড়চড়িয়ে বাড়বে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, শীতের শুরুর দিকে যে ঠান্ডার আমেজ থাকে, সেটাই ব্যাক করবে এবার। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার রোদ ওঠার পর থেকেই শীত মালুম হবে।

    আবহবিদদের মতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা এখনই পড়বেনা। আর উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ছাড়া কোথায় কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিঙে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে হালকা তুষারপাতেরও সম্ভাবনাও রয়েছে। মনে রাখবেন চলতি শীতের মরশুমে কার্যত ফিকে হবে ঠান্ডা। আইএমডির পূর্বাভাস বলছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি, ৩ মাসের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা যেমন কম থাকবে, তেমনই ওই তিন মাসে ঠান্ডা খুবই হালকা থাকবে। আইএমডি বলছে, এই শীতের মরশুমে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশির দিকে থাকবে বহু এলাকায়। দেশের বহু প্রান্তে চলতি বছরের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে।

    মধ্য ও উত্তর পশ্চিম ভারত বাদে এই পরিস্থিতি তৈরি হবে। মধ্য ও উত্তর পশ্চিম ভারতে শীতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচেই থাকবে বলছে পূর্বাভাস। এর আগে ২০২২ সালেও উষ্ণতর শীতের পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। সেইবার স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি দেখা গিয়েছিল শীতের তাপমাত্রা। তাহলে কি এবারেও তার রিপিটেশন? এখন থেকেই কিছু বলা যাচ্ছে না। জানুয়ারি মাসের পর সঠিকভাবে প্রেডিক্ট করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বর্ষার দাপটে তছনছ এল নিনো! বাংলাদেশের এফেক্ট দঃবঙ্গে, দুর্যোগের কবলে কোন কোন জেলা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের জন্য ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ? এল নিনো কে ভেঙে দিল বর্ষা। বঙ্গোপসাগর এবং ওপার বাংলা, জোড়া ঘূর্ণাবতের এফেক্ট। দুর্যোগ বাড়ার চান্স প্রবল। উঠবে ঝড়, ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণ এর কোন কোন জেলা? আপনার জেলায় ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট জারি হয়েছে? তাপমাত্রায় বড়সড় পরিবর্তন? উত্তরবঙ্গে কোথায় ভারী বৃষ্টি? প্রায় সারাটা দিন আকাশ মেঘলা থাকার কারণটা কী? বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মাথায় রাখবেন। এল নিনোর কোমর ভেঙে দিল অগাস্টের বর্ষা। জুলাই মাস পর্যন্ত দেশে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ছিল ৫ শতাংশ কিন্তু, অগাস্ট মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশ। ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এমনটাই জানিয়েছে IMD। সতর্ক থাকুন দুর্যোগ বাড়বে, বলছে আবহাওয়া দপ্তর। বুধবার থেকেই বড় পরিবর্তন।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের এফেক্ট যাবে কোথায়? যে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গোপসাগরে। শুধুই কি তাই? সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখাও। আর তাতেই এবার ভাসতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। অলরেডি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। বুধবার থেকে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা। চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, পূর্ব মেদিনীপুর মানে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টির চান্স রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের আশঙ্কাও থাকছে। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস বৃহস্পতিবার। বাকি জেলাগুলোতে শুক্রবার হাল্কা বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, দক্ষিণ বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। তার ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে আকাশ মেঘলা থাকছে। বেশি থাকছে আর্দ্রতা তাছাড়া, তাপমাত্রারও বিশেষ পরিবর্তন হবে না। যেমন তাপমাত্রা আছে, সেরকমই‌ থাকবে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বজায় থাকবে। আর উত্তর? হিমালয় পাদদেশের উপরে রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা! মালদার উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত। এর জেরে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। তিস্তা সহ একাধিক নদীর জলস্তর বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগস্টে বর্ষার মারাত্মক রুপ। বিশেষজ্ঞদের কথায়, মূলত এল নিনোর কারণেই এই পরিণতি। নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে বর্ষা।

    প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ১৯ শতাংশ বৃষ্টির খামতি রয়েছে পূর্ব এবং উত্তর পূর্ব ভারতে। অন্যদিকে, ১৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে উত্তর পশ্চিম ভারত, দুই শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মধ্য ভারতে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২৯ শতাংশ বৃষ্টিপাতের ঘাটতি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ৩৭ শতাংশ, বিহারে ২৮ শতাংশ এবং নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরাতে যথাক্রমে ২৪ শতাংশ, কেরালাতে বৃষ্টির ঘাটতি ৪২ শতাংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version