Sheikh Hasina Virtual Address:২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে দেশ ছাড়ার পর প্রায় দুই বছর কেটে গেছে। সেই সময় থেকেই নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে প্রথমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন তিনি। প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। নয়াদিল্লি থেকে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি এবং নিজের দেশে ফেরার ইচ্ছা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত ছিল না; বরং এর পেছনে ছিল সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও গোপন নির্দেশনা। ভাষণের শেষ অংশে আবেগঘন সুরে শেখ হাসিনা জানান, ক্ষমতার জন্য নয়, বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা, উন্নয়ন, শান্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি দেশে ফিরতে চান। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনর্বহাল এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবিও জানান।
এই ভার্চুয়াল অধিবেশনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এবং প্রাক্তন মন্ত্রীরাও অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ সরাসরি উপস্থিত থেকে, আবার কেউ ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজেদের বক্তব্য রাখবেন।
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর ভার্চুয়াল ভাষণে ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, পরবর্তী সহিংসতা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তৃত বক্তব্য রাখেন।
শেখ হাসিনার দাবি, ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত দাবির ভিত্তিতেই কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালে হাইকোর্ট সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করলে সরকার ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, কারণ সরকার কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে চেয়েছিল।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগও সরকারই নিয়েছিল। তাঁর দাবি, তিনি ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীদের গণভবনে আমন্ত্রণ জানান এবং তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তিনজন মন্ত্রীও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন।
তাঁর অভিযোগ, কোটা সংস্কারের দাবিকে পরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর পদত্যাগের এক দফা আন্দোলনে রূপান্তরিত করা হয়। তিনি বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়ো প্রচার চালানো হয়েছিল। প্রকৃত শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করা হয় এবং সংগঠিত কিছু গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহ কোনও স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন ছিল না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও একসময় এই আন্দোলনকে “অত্যন্ত সুপরিকল্পিত” এবং “একজন মূল পরিকল্পনাকারীর নেতৃত্বে পরিচালিত” বলে উল্লেখ করেছিলেন। শেখ হাসিনার দাবি, এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে আন্দোলনের পেছনে সুসংগঠিত পরিকল্পনা ছিল।
তিনি বলেন, আন্দোলনের কোনও দৃশ্যমান বা দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ছিল না। বরং আড়াল থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল এবং পুরো আন্দোলনকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিবর্তে ক্ষমতায় পৌঁছানোর একটি পথ তৈরির উদ্দেশ্যেই আন্দোলনকে ব্যবহার করা হয়েছিল।
শেখ হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, ১৫ জুলাইয়ের পর আন্দোলনের চরিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি দাবি করেন, এরপর থেকেই হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট এবং সংগঠিত সহিংসতা শুরু হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের ভবনসহ একাধিক সরকারি স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। তাঁর দাবি, সাতভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই টিকাকরণ কর্মসূচির ভবন, ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশন, উড়ালপুল, মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, জাতীয় তথ্যভান্ডার কেন্দ্র, কোভিড-১৯ বিশেষায়িত হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসিক হোটেল, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা হামলার শিকার হয়।
এছাড়াও তিনি দাবি করেন, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলার কারাগারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং সেখান থেকে সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের মুক্ত করে দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার অভিযোগ, সারা দেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর আক্রমণ, হত্যা, তাঁদের বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ নেতার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমও এই সহিংসতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০টি সংবাদমাধ্যম, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রের কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং কয়েকজন সাংবাদিকও নিহত হন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের ওপরও সংগঠিত হামলা চালানো হয়। তাঁর দাবি, বহু পুলিশ সদস্য ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হন এবং কয়েকজনের মরদেহ উড়ালপুলে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় ৪৬০টি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা বা অগ্নিসংযোগ করা হয়। কোথাও কোথাও পুলিশ সদস্যরা ভবনের ভিতর আটকা পড়ে জীবন্ত দগ্ধ হন বলেও তিনি দাবি করেন। অস্ত্র লুট করা হয় এবং অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে তাঁর বক্তব্য।
শেখ হাসিনা বলেন, নির্যাতিত পুলিশ সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী অন্তত তিন হাজার পুলিশ সদস্য নিহত, আক্রান্ত, নির্যাতিত অথবা গুরুতর সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব কী?” তাঁর মতে, যখন থানা জ্বলছে, সরকারি ভবনে হামলা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে, পুলিশ সদস্য নিহত হচ্ছেন এবং অস্ত্র লুট হচ্ছে, তখন রাষ্ট্রের নাগরিক ও সম্পদ রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরই বর্তায়।
তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ নাগরিক, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং নিজেদের জীবন রক্ষা করা। এটি কোনও অপরাধ নয়, বরং আইন তাঁদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, সেটিই পালন করা।
শেখ হাসিনা আরও জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা, প্রতিটি সহিংসতার অভিযোগ এবং প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা।
তিনি বলেন, তিনি নিজে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন এবং নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যাতে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি ন্যায়বিচার পায়। তিনি টানা ছয় বছর নির্বাসনে ছিলেন। দেশে ফিরে সামরিক শাসন, একনায়কতন্ত্র এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক জীবনে ১৯ বার তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাও তাঁকে থামাতে পারেনি।
তিনি বলেন, “আমি আমার নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত নই। আমি চিন্তিত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে।”
শেখ হাসিনার কথায়, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান কারণ দেশের মানুষ নিরাপত্তা, উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং শান্তির অধিকারী। তাঁর মতে, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অর্থনীতি তাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং গণতন্ত্র তাদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁর দেশে ফেরা বা আওয়ামী লীগের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরে আসার লক্ষ্য ক্ষমতা দখল নয়। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং স্থিতিশীলতার পথে দেশকে আবার ফিরিয়ে আনাই তাঁদের উদ্দেশ্য।
শেখ হাসিনা বলেন, “আমি বাংলাদেশে ফিরতে চাই একটাই উদ্দেশ্যে—মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের জীবন আরও উন্নত করতে।”
তিনি বলেন, জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। তিনি দেশের মানুষের ওপর বিশ্বাস করেন, তাঁদের আস্থা রাখেন এবং তাঁদের ভালোবাসেন। সেই কারণেই তিনি আবার দেশের মানুষের কাছেই ফিরে যেতে চান।
বক্তব্যের শেষে শেখ হাসিনা “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দিয়ে নিজের ভাষণ শেষ করেন এবং দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যম ও উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজর থাকলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি।
তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যের শেষ অংশে আবেগঘন বার্তা দেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উতরাই, নির্বাসন, একাধিক হত্যাচেষ্টার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, তাঁর ব্যক্তিগত ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই; বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়েই তিনি বেশি চিন্তিত।
জয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় আসার পর অন্তর্বর্তী সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করে, যা পরে আইনে পরিণত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই আইনের মাধ্যমে আন্দোলনে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক দায়মুক্তি (ইনডেমনিটি) দেওয়া হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এই দায়মুক্তির আওতায় শুধু আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাই নয়, সাধারণ নাগরিক, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং পুলিশ সদস্যদের হত্যার ঘটনাতেও অভিযুক্তদের বিচার করা যাবে না।
জয় প্রশ্ন তোলেন, “হত্যা কি গ্রহণযোগ্য? একজন পুলিশকর্মীকে হত্যা করা, সাধারণ মানুষকে হত্যা করা বা রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যা করার পরও যদি অভিযুক্তদের সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে আইনের শাসন কোথায়?”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে কতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন, সেই প্রকৃত সংখ্যাও এখনও স্পষ্ট নয়। অথচ এই আইন কার্যকর হওয়ার ফলে সেই ঘটনাগুলির বিচার প্রক্রিয়াই কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের দাবি, এই দায়মুক্তির বিষয়টি নজিরবিহীন, এবং আন্তর্জাতিক মহলের এ বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিয়ে নজর দেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, কোনও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এমন আইন, যা নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে সব ধরনের অপরাধ থেকে একসঙ্গে দায়মুক্তি দেয়, তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।
তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার আহ্বান জানান এবং প্রশ্ন তোলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কাউকে রাখা হলে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কীভাবে বজায় থাকবে?”
“যদি এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে এবং দেশটি একটি নিয়ন্ত্রণহীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।”
#SheikhHasina #Bangladesh #AwamiLeague #VirtualAddress #BangladeshPolitics #BreakingNews #NewsUpdate #SouthAsia
