Rahul Gandhi Election Commission allegations: ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের মধ্যে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাহুল গান্ধী বলেন, “ভোট চুরি” থেকেই শুরু হয় “আইন চুরি”। কারণ যদি ভোট চুরি হয়ে যায়, তবে আইনি কাঠামো নষ্ট হয়। আর আইন চুরি হলে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলি চুরি হয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, চুরি হওয়া ভোটের ওপর ভিত্তি করে কোনো সংসদ সদস্য যদি সংসদে বসে থাকেন, তবে তাঁদের তৈরি করা যেকোনো আইন সম্পূর্ণ বেআইনি।
তিনি অভিযোগ করেন যে দেশের প্রতিটি নির্বাচনকে প্রভাবিত ও কারচুপি করা হচ্ছে। এমনকি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর “আবকি বার, ৪০০ পার” স্লোগানের কথা উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী বলেন যে, সরকারবিরোধী হাওয়া থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের আত্মবিশ্বাস কীভাবে সম্ভব।
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাহুল গান্ধী বলেন, যেকোনো সরকারের ক্ষেত্রেই জনগণের মধ্যে সরকারবিরোধী হাওয়া তৈরি হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা ভারতীয় জনতা পার্টির ক্ষেত্রে কোনো এক অজানা কারণে তা দেখা যায় না। এই প্রসঙ্গে তিনি সাদ্দাম হোসেনের ইরাক বা কিম জং উনের উত্তর কোরিয়ার উদাহরণ টেনে বলেন, একমাত্র সেখানে কোনো সরকারবিরোধী আন্দোলন বা হাওয়া থাকে না।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের দুজন কমিশনার বুদ্ধিমানের মতো কাজ করেছেন। পাশাপাশি রাহুল গান্ধী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান যে, যা-ই ঘটুক না কেন, এই অপরাধের প্রতিবাদ না করে তাঁরা ছেড়ে দেবেন না।
#RahulGandhi #ElectionCommission #PMModi #AmitShah #Congress #IndianPolitics #VoteChori #SIRRow













