PM Modi Forgive Students: দিল্লির জন্তর-মন্তরে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে বলেন, যেসব ছাত্রছাত্রী তাঁকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে কটূক্তি করেছে, তাঁদের তিনি ক্ষমা করতে চান। তাঁর মতে, শাস্তি বা প্রতিশোধ নয়, বরং ভুল পথে চলে যাওয়া তরুণদের সঠিক পথ দেখানোই সমাজের দায়িত্ব।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জন্তর-মন্তরে যা ঘটেছে, তা শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্ব দেখেছে। তিনি দাবি করেন, সেখানে কিছু তরুণ তাঁর বিরুদ্ধে এবং তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধেও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেছে। তবে তিনি মনে করেন, গালিগালাজ কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে না।
মোদির কথায়, “আমি সেই সন্তানদের ক্ষমা করতে চাই। তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। তাদের আদালতে টেনে নিয়ে যাওয়া বা সমাজে হেনস্তা করলে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হবে না। বরং তাদের বোঝানো এবং সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমাদের সবার।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ক্ষোভকে ঘৃণায় পরিণত না করে, নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক দিশা দেখানোই উচিত। তিনি শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দেন এবং বলেন, ভুল করলে তা শুধরে নেওয়ার সুযোগও থাকতে হবে।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ একাধিক ইস্যুতে ছাত্রদের বিক্ষোভের সময় জন্তর-মন্তরে কিছু বিক্ষোভকারীর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।
এদিকে, প্রতিবাদে অংশ নেওয়া এক কিশোরীর ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওও সামনে এসেছে। ওই ভিডিওতে সে নিজের মন্তব্যের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দিল্লি পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়াও শুরু করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। কেউ তাঁর ক্ষমার বার্তাকে ইতিবাচক বলে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার বিরোধী শিবিরের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে—শুধু ক্ষমার বার্তা নয়, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।
#PMModi #NarendraModi #StudentProtest #JantarMantar #IndiaNews #PoliticalNews #Delhi #BreakingNews #LatestNews

