• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home দেশ

দু’বার ছাড়তে চেয়েছিলেন মন্ত্রিত্ব, শেষ পর্যন্ত কেন পদত্যাগ করলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান?

News Desk by News Desk
July 26, 2026
in দেশ
0
Dharmendra Pradhan Resignation after student protests and NEET paper leak controversy
63
SHARES
100
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

Dharmendra Pradhan Resignation: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জল্পনা। কারণ, প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় তিনি নাকি দু’বার পদ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। বরং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধানে তাঁকেই দায়িত্বে থাকার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় আন্দোলনের দ্বিতীয় দফার উত্তেজনা, নতুন করে বৃহৎ প্রতিবাদের হুমকি, প্রতিবাদে আহত শিক্ষার্থী এবং সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনকে ঘিরে নানা তৎপরতার রিপোর্ট সামনে আসার পর। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ গ্রহণ করা হয় এবং শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রহ্লাদ যোশীকে। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই—যে পদত্যাগ আগে দু’বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত কেন গ্রহণ করা হল?

ADVERTISEMENT

দু’বার পদত্যাগের প্রস্তাব, কিন্তু কেন গ্রহণ করেনি সরকার?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান অন্তত দু’বার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব তখন তাঁর প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। বরং নেতৃত্বের অবস্থান ছিল, কোনও মন্ত্রীর পদত্যাগ সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে, কিন্তু তাতে মূল সমস্যার সমাধান হয় না।

সরকারের অভ্যন্তরীণ অবস্থান হিসেবে যে বক্তব্য সামনে এসেছে, তার সারকথা ছিল—দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া নয়, বরং সমস্যার সমাধান করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, পরীক্ষার স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের দিকে নজর রেখে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়িত্বে থাকার জন্য বলা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

অর্থাৎ, প্রথম পর্যায়ে পদত্যাগকে সরকার কোনও সমাধান হিসেবে দেখতে চায়নি। বরং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকট—এই বৃহত্তর সমস্যাগুলোর মোকাবিলাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

২০ জুলাইয়ের বৈঠকের পরেও বদলায়নি সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০ জুলাই শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও ধর্মেন্দ্র প্রধান আবার পদত্যাগের প্রস্তাব দেন। কিন্তু সেই সময়ও নেতৃত্ব তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করেনি। তাঁকে শিক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বেই থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি।

এখানেই ঘটনাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ, একই সময়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমশ বড় আকার নিচ্ছিল। প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনাও চলছিল। ফলে সরকারের সামনে তখন দুটি পথ ছিল—একদিকে মন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ করে রাজনৈতিক চাপ কমানো, অন্যদিকে তাঁকে দায়িত্বে রেখে শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যার মোকাবিলা করা।

প্রথমে দ্বিতীয় পথই বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে নতুন করে বৃহৎ আন্দোলনের আশঙ্কা এবং রাজপথে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা সরকারের অবস্থান পুনর্বিবেচনার কারণ হয়ে থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

নতুন করে আন্দোলনের হুমকিই কি মোড় ঘুরিয়ে দিল?

ঘটনার মোড় ঘোরার অন্যতম কারণ হিসেবে সামনে এসেছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে নতুন করে বড় কর্মসূচির সম্ভাবনা। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার পর আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আরও একটি বড় মিছিলের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে ২০ জুলাইয়ের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল। পুলিশের পদক্ষেপে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনাও সরকারের উদ্বেগ বাড়িয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থলকে কেন্দ্র করে আরও বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি।

এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে বিষয়টি আর শুধুমাত্র একজন মন্ত্রীর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং জনশৃঙ্খলা, আন্দোলনের বিস্তার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ফলে যে পদত্যাগ আগে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সমতুল্য হিসেবে দেখা হয়েছিল, পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর সেটিই হয়তো উত্তেজনা প্রশমনের একটি সম্ভাব্য উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলন নিয়ে নতুন উদ্বেগ

প্রতিবেদনটিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করা হয়েছে। সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ডিজিটাল নজরদারিতে ৪০০-র বেশি সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ শনাক্ত করা হয়েছিল, যেগুলো শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দিচ্ছিল বলে অভিযোগ।

এর মধ্যে প্রায় ১০০টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে সন্দেহ করা হয়েছিল—এমন দাবিও প্রতিবেদনে রয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা বা সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে কারা যুক্ত, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

প্রাথমিক বিশ্লেষণে কিছু অ্যাকাউন্টের আগের কার্যকলাপ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলোর কয়েকটি আগে ‘অপারেশন সিঁদুর’ ঘিরে ভারতবিরোধী প্রচার, ভুল তথ্য বা নিরাপত্তা বাহিনীকে নিশানা করা প্রচারে সক্রিয় ছিল বলে সন্দেহ করা হয়েছিল।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সামাজিক মাধ্যমের কোনও অ্যাকাউন্টের অবস্থান বা অতীত কার্যকলাপের ভিত্তিতে সরাসরি কোনও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। এসব দাবি তদন্ত ও যাচাইসাপেক্ষ। ফলে এই অংশকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে নয়, বরং প্রতিবেদনে উত্থাপিত সরকারি সূত্রের দাবি হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

প্রতিবাদস্থলে অপরাধের অভিযোগও কি সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে জন্তর মন্তরের আশপাশে প্রায় ৪০০ জন এমন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধের রেকর্ড রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে ২০ জুলাইয়ের ভাঙচুরের ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে বলেও সূত্রের দাবি।

এই তথ্য সামনে আসার পর সরকার আন্দোলনের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আরও সতর্ক হয়ে ওঠে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রত্যেক ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে দেখার কোনও সুযোগ নেই—এ বিষয়টিও মনে রাখা জরুরি। কোনও প্রতিবাদে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার দায় পুরো আন্দোলনের ওপর চাপানো যায় না।

তবুও প্রশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে যদি প্রতিবাদের পরিসর দ্রুত বাড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা তৈরি হয়, তাহলে সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব পড়তেই পারে।

শেষ পর্যন্ত কেন পদত্যাগ গ্রহণ করা হল?

সব মিলিয়ে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের নেপথ্যে একক কোনও কারণ কাজ করেছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে যে ছবি পাওয়া যাচ্ছে, তাতে পরিস্থিতির ক্রমাগত পরিবর্তনই সবচেয়ে বড় কারণ বলে মনে হচ্ছে।

প্রথমে সরকার মনে করেছিল, মন্ত্রীর পদত্যাগ সমস্যার সমাধান নয়। এরপরও ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের প্রস্তাব দিলে তাঁকে দায়িত্বে থাকার জন্য বলা হয়। কিন্তু পরে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচির সম্ভাবনা, আগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আহত হওয়ার ঘটনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনের বিস্তার নিয়ে সরকারি রিপোর্ট সামনে আসে।

এই পরিস্থিতিতে সরকার সম্ভবত বুঝতে পারে, রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর জন্য নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। এরপরই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর পদত্যাগ গ্রহণ করেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এর কয়েক ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলে এখন সামনে নতুন প্রশ্ন—নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কীভাবে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সামলাবেন এবং প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে তৈরি হওয়া আস্থার সংকট কাটাবেন?

কারণ, একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে রাজনৈতিক বার্তা তৈরি হতে পারে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের মূল উদ্বেগ যদি হয় পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, তাহলে সেই সমস্যার সমাধানই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ তাই হয়তো একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি, কিন্তু শিক্ষাক্ষেত্রে আস্থার সংকট কাটানোর আসল পরীক্ষা এখন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্বের সামনে।

Tags: Dharmendra PradhanDharmendra Pradhan ResignationEducation Minister ResignationEducation MinistryIndia PoliticsNEET Paper LeakStudent protest
Previous Post

অখিলেশকে ওয়াইসির খোলা ডাক, ভোটের আগে কি বদলাবে উত্তরপ্রদেশের সমীকরণ?

News Desk

News Desk

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version