CM Inaugurated Ayushman Yojana: পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিধি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সঙ্গে একাধিক নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে উঠে এল স্বাস্থ্যবিমা, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ সুবিধা, চোখের চিকিৎসা, কম দামে ওষুধ এবং জটিল অস্ত্রোপচারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় থাকা পরিবারগুলি এবার শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আয়ুষ্মান ভারতের আওতার বাইরে থাকা স্বাস্থ্যসাথী-অন্তর্ভুক্ত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলির জন্য চালু করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার এবং প্রায় ৬ কোটি মানুষ যুক্ত হচ্ছেন। এর বাইরে আরও ৮০ লক্ষ পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনার আওতায় আনার কথা জানানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে হাঁটু ও কোমরের প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসাও এই ব্যবস্থার আওতায় পাওয়ার বিষয়টি। পাশাপাশি ৭০ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বয়োবন্দনা প্রকল্প, চোখের চিকিৎসার জন্য সুদৃষ্টি কর্মসূচি এবং সাশ্রয়ী দামে ওষুধের জন্য অমৃত ফার্মেসি ও প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।
আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার, সুবিধা মিলবে দেশজুড়ে
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এর আওতায় থাকা মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। এতদিন রাজ্যের নিজস্ব স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থার মধ্যে যে সুবিধাগুলি পাওয়া যেত, আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে সেই পরিষেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি দাবি করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পায় চিকিৎসার ভৌগোলিক পরিধি। তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমার মধ্যে আটকে থাকবে না। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আয়ুষ্মান ভারতের আওতাভুক্ত মানুষ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ মুম্বই, দিল্লি, চেন্নাই কিংবা দেশের অন্য কোনও প্রান্তে চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও প্রকল্পের আওতায় থাকা রোগীরা সুবিধা নিতে পারবেন বলে তিনি জানান।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা মূলত পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারতের মাধ্যমে সেই পরিধি দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়বে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আগের ব্যবস্থায় যে সংখ্যক চিকিৎসা পরিষেবা ছিল, তার সঙ্গে আরও পরিষেবা যুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসার তালিকায় আগে থাকা পরিষেবার সঙ্গে আরও ২৫০টি পরিষেবা যোগ হয়ে মোট ১,৯৫০টি চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই তালিকার মধ্যেই হাঁটু ও কোমরের প্রতিস্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবার কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
“হাঁটু, কোমরের প্রতিস্থাপনও আয়ুষ্মান ভারত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনাতে পাবেন।”
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। কারণ হাঁটু বা কোমরের প্রতিস্থাপন দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার মধ্যে পড়ে। এই ধরনের চিকিৎসা প্রকল্পের আওতায় আসার কথা জানানো হলে তা সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাদের জন্য বড় আর্থিক স্বস্তি আনতে পারে।
আয়ুষ্মান ভারতে না থাকলেও ৮০ লক্ষ পরিবার পাবে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা
আয়ুষ্মান ভারতের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যে পরিবারগুলি আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় নেই কিন্তু স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া, তাদের এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পে প্রায় ৮০ লক্ষ পরিবার সুবিধা পাবে। বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নগদহীন চিকিৎসা পরিষেবার সুবিধার কথা জানানো হয়েছে। ফলে আয়ুষ্মান ভারতের আওতার বাইরে থাকা একটি বড় অংশের মানুষের জন্যও স্বাস্থ্যবিমার সুরক্ষা তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ সাধারণ পরিবারের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার কিংবা গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে হাসপাতালের খরচ অনেক সময় পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতিকে কঠিন করে তোলে। সেই জায়গায় বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুযোগের ঘোষণা সাধারণ মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবার থেকে নির্দিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের বিস্তৃত পরিকাঠামোর মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তাঁর বক্তব্যে ১,২৪০টি বেসরকারি এবং ৬২৭টি সরকারি হাসপাতালের কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের মোট ৩৮,৬০৪টি হাসপাতালে সুবিধা পাওয়ার কথাও তিনি জানান।
অর্থাৎ অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করা নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও উপভোক্তাদের পাশে থাকা।
৭০ বছরের বেশি নাগরিকদের জন্য বয়োবন্দনা, চোখের চিকিৎসায় সুদৃষ্টি
স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বয়োবন্দনা প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে। জানানো হয়, ৭০ বছরের বেশি বয়স্ক নাগরিকরা তাঁদের আর্থসামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে আসে যে, ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে হওয়াটাই এই সুবিধার প্রধান যোগ্যতা। অর্থাৎ প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে অন্য কোনও আর্থসামাজিক শ্রেণির বাধা থাকবে না বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। মঞ্চে এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।
একই সঙ্গে চোখের চিকিৎসাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য সুদৃষ্টি কর্মসূচির কথা জানানো হয়। গ্রাম থেকে শহর—রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চোখের চিকিৎসা, ছানি অস্ত্রোপচার, চশমা বিতরণ এবং অন্যান্য চোখের সমস্যার চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা সামনে এসেছে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ছোট শিশুদের চোখের পরিচর্যার ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ছয় বছরের নিচের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চশমা দেওয়ার উদ্যোগ এবং প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েতে বছরে দুবার চোখের শিবির করার পরিকল্পনার কথাও বক্তব্যে উঠে আসে।
ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার এই নতুন উদ্যোগ শুধু হাসপাতালকেন্দ্রিক নয়—প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের সমস্যা শনাক্ত করা, চিকিৎসা করা এবং প্রয়োজনে চশমা দেওয়ার মতো পরিষেবাকেও এর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
অমৃত ফার্মেসিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়
স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি ওষুধের খরচ কমানোর উদ্যোগও অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। অমৃত ফার্মেসি চালুর কথা জানানো হয়, যেখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওষুধ, সাধারণ ওষুধ, হৃদরোগ ও ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামেও ছাড় পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অমৃত ফার্মেসির মাধ্যমে ওষুধ ও বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামে বাজারদরের তুলনায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যেতে পারে। হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেন্ট, পেসমেকার, চোখের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কৃত্রিম লেন্স এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিস্থাপন-সামগ্রীও এই ব্যবস্থার আওতায় থাকার কথা বলা হয়েছে।
রাজ্যে মোট ১০০টি অমৃত ফার্মেসি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। হাসপাতালকেন্দ্রিক এই পরিষেবা চালুর ফলে রোগী ও তাঁদের পরিবারের ওষুধের খরচ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে ওষুধের খরচ একটি বড় আর্থিক বোঝা। ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ক্যানসারের মতো রোগে নিয়মিত ওষুধের প্রয়োজন হয়। সেই জায়গায় ছাড়ে ওষুধ পাওয়ার ব্যবস্থা রোগীর পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র ও দুটি সমঝোতাপত্র, স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও বিস্তারের বার্তা
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের কথাও উঠে আসে। বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যে ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্যও ওষুধকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা এবং তুলনামূলক কম দামে ওষুধ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা।
এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে দুটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরের কথাও জানানো হয়। একটি অমৃত ফার্মেসি পরিষেবাকে ঘিরে এবং অন্যটি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই সমঝোতাপত্র বিনিময়ের কথাও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
অমৃত ফার্মেসির ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং জেলা হাসপাতালগুলিকে পরিষেবার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। ফলে চিকিৎসার পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সংগ্রহের ক্ষেত্রেও রোগীদের সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে যে চিত্রটি উঠে এসেছে, তাতে আয়ুষ্মান ভারতকে কেন্দ্র করে একাধিক স্বাস্থ্য প্রকল্পকে একই পরিসরে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একদিকে আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনার মাধ্যমে চিকিৎসার আর্থিক সুরক্ষা, অন্যদিকে বয়োবন্দনা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সুদৃষ্টির মাধ্যমে চোখের চিকিৎসা এবং অমৃত ফার্মেসি ও প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে ওষুধের খরচ কমানোর উদ্যোগ—সবকটিকেই একই স্বাস্থ্যপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সামনে আনা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে চিকিৎসার সুযোগ যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়। তাঁর ঘোষণাগুলির মধ্যে হাঁটু ও কোমরের প্রতিস্থাপনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসার সুবিধা এবং ৮০ লক্ষ পরিবারের জন্য পৃথক স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা তাই বিশেষ নজর কেড়েছে।
অনুষ্ঠানের ঘোষণাগুলি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, কোন হাসপাতাল ও কোন চিকিৎসা পরিষেবা কোন প্রকল্পের আওতায় থাকবে এবং উপভোক্তারা কীভাবে সুবিধা পাবেন—তা বাস্তবায়নের পরিকাঠামো ও সরকারি নির্দেশিকার ওপর নির্ভর করবে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আয়ুষ্মান ভারত চালুর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্যসুরক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করার একাধিক উদ্যোগ একই সঙ্গে সামনে এসেছে।
#AyushmanWeek #AyushmanWeek2026 #WestBengalHealth #HealthCamp #HealthServices #BloodDonation #FreeHealthCheckup #MaternalHealth #SeniorCitizenHealth #TBScreening #ChildHealth #AyushmanBharat
