Category: প্রথম বাংলা

A state where tradition unite with modernity

  • Bank Robbery: শাটার কেটে ভয়াবহ চুরি, সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে উধাও লক্ষাধিক টাকা

    Bank Robbery: শাটার কেটে ভয়াবহ চুরি, সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে উধাও লক্ষাধিক টাকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bank Robbery: রাতের অন্ধকারে দুঃসাহসিক চুরি রাজ্য সরকারের সমবায় ব্যাঙ্কে। শাটারের তালা কেটে ভয়াবহ চুরির ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ালো শিমুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে আতঙ্ক বাসা বেঁধেছে। বৃহস্পতিবার এই ভয়াবহ চুরির বিষয়টি সামনে আসায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় সেখানে। খবর দেওয়া হয় গোপালনগর থানার পুলিশকে। শুরু হয় তদন্ত।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোপালনগর থানার শিমুলিয়া নিশ্চিন্তপুর এলাকায় রাজ্য সরকারের সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার তালা খুলতে এসে দেখেন তালা ভেঙে শাটার কেটেছে কেউ। শুধু তাই নয় । ভেতরে ঢুকে আলমারি ড্রয়ার ভেঙে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে সেখানে থাকা সমস্ত টাকা। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায় সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যন্ত নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, ওই সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কটি থেকে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা চুরি করা হয়েছে। গ্যাস কাটার দিয়ে শাটার কাটা হলেও তাঁর কোন শব্দ স্থানীয় বাসিন্দারা শুনতে পাননি বলে জানা গিয়েছে। কাজেই বিষয়টি বর্তমানে গোপালনগর থানার তদন্তাধীনে রয়েছে। কারা এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। আশেপাশে এলাকায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে । গতকাল রাতে ওই এলাকায় কোন সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা হয়েছিল নাকি তাও খতিয়ে দেখছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Elephants corridor: অবাক কাণ্ড! ভুটানে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে জলপাইগুড়ির এই হাতির দল

    Elephants corridor: অবাক কাণ্ড! ভুটানে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে জলপাইগুড়ির এই হাতির দল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Elephants corridor: হঠাৎই যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেল জাতীয় সড়কে। তখন জাতীয় সড়ক পার হচ্ছে হাতির দল। তার জেরেই সার দিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পন্যবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী গাড়ি। বলা তো যায় না, রেগে গিয়ে কখন ঘুরে এসে হামলা চালায় তারা! বৃহস্পতিবার দুপুরে জলপাইগুড়ির নাগরকাটার ধরনিপুর চাবাগানের কাছে এই ছবি ধরা পড়ল।

    অন্তত বাইশ তেইশটি হাতির একটি দল। তার মধ্যে শিশু ও কিশোর হাতির সংখ্যাই বেশি। এক ছুটে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হয়ে ডায়না জঙ্গলে ঢুকে পড়ল তারা। তবে তাদের দলপতি যে দাঁতাল তার চালচলনই আলাদা। সে থাকলো এক্কেবারে শেষে। বলা তো যায় না দলের কোন শিশু কখন পিছিয়ে পড়ে আলাদা হয়ে যায়।তাই সে সবার পেছনে। জাতীয় সড়কের দু পাশের গাড়িগুলির দিকে তাচ্ছিল্য ভাবে তাকিয়ে জঙ্গলে ঢুকে পড়লো সে। ততক্ষণে মোবাইল ক্যামেরায় ছবি উঠছে। একবার তা দেখে নিয়ে জঙ্গলের আড়াল খুঁজে নিল সে।

    অবাক হওয়ার আরও ব্যাপার রয়েছে। এই হাতির দল প্রতিদিনই বিদেশ ভ্রমণ করে। এদিন তেমনই ভুটান থেকে ফিরছিল হাতির দলটি। এই হাতির দলটি বুধবার সন্ধ্যায় ভুটানে চলে গিয়েছিল। এদিন দুপুর দুটো নাগাদ ভুটান থেকে ফিরে আসার সময় হাতির দলটি কে ধরনিপুর চাবাগান থেকে বের করে  ৩১নং জাতীয় সড়ক পার করে  ডায়না জঙ্গলে ঢুকিয়ে দেয় বনকর্মীরা। বন দফতরের বিট অফিসার স্বপন সেনের নেতৃত্বে এই হাতির দলটিকে   ডায়না রেঞ্জের জঙ্গলে ঢোকানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেঞ্জার অশেষ পাল বলেন, এই হাতির দলটি প্রতিদিনই ভুটানে চলে যায়। পর দিন ফিরে আসে। সেসময় আমরা সেই হাতির দলটিকে ডায়না জঙ্গলে ঢুকিয়ে দিই। এদিন দুপুরেও আমরা ডায়না জঙ্গলে ঢুকিয়ে দিয়েছি হাতির দলটিকে ।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Visva Bharati University: উপাচার্যের বাড়ির বাইরে আন্দোলন মঞ্চ, ক্রমশ বাড়ছে পড়ুয়াদের ক্ষোভ

    Visva Bharati University: উপাচার্যের বাড়ির বাইরে আন্দোলন মঞ্চ, ক্রমশ বাড়ছে পড়ুয়াদের ক্ষোভ

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Visva Bharati University: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ আন্দোলন । পড়ুয়াদের একাংশ গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত উপাচার্যকে ঘেরাও করে রাখার পর ফের বৃহস্পতিবার নতুন করে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নেন। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির বাইরে আন্দোলনের জন্য মঞ্চ বাধার কাজ হতে দেখা যায়। পড়ুয়াদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়াকে কেন্দ্র করে বারবার এই আন্দোলনের জেরে স্বাভাবিকভাবেই পারদ চড়েছে বিশ্বভারতী চত্বরে।

    বুধবার বিকেলের দিক থেকেই বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা আন্দোলন শুরু করেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অফিসের বাইরে । তাকে প্রায় ১০ ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয় । পরবর্তীতে মধ্যরাতে নিরাপত্তা রক্ষীদের সহযোগিতায় জোর করে আন্দোলন সরিয়ে দিয়ে উপাচার্য বাসভবনে পৌঁছতে সক্ষম হন। যাতে কোন বড় ধরনের অশান্তি না সৃষ্টি হয় তার জন্য উপাচার্যের বাসভবনের নিরাপত্তায় আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । তবে বৃহস্পতিবার উপাচার্যের বাড়ির সামনেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের।

    এই বিক্ষোভ এই আন্দোলনের মূল কারণ হিসেবে পড়ুয়াদের অভিযোগ, বিগত পাঁচ বছর ধরে একনায়কতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন উপাচার্য। যখন খুশি তখন যে কোন কাউকে শোকজ করা থেকে শুরু করে সাসপেন্ড করা, বদলি করা এমনকি কর্মীদের বেতন পর্যন্ত আটকে রেখে দেওয়ার মত চরম অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। তাঁর এই স্বেচ্ছাচারিতার কবলে পড়তে হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদেরকেও। যার কারণে বহুদিন ধরে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্রমশ ক্ষোভ সঞ্চিত হচ্ছে পড়ুয়াদের মনে। বুধবার থেকে এই আন্দোলন বিক্ষোভ তারই বহিঃপ্রকাশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Tourism: ট্যুরিজমে শীর্ষ স্থানে নাম পশ্চিমবঙ্গের, কতটা উন্নত বাংলার পর্যটন শিল্প ?

    Tourism: ট্যুরিজমে শীর্ষ স্থানে নাম পশ্চিমবঙ্গের, কতটা উন্নত বাংলার পর্যটন শিল্প ?

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Tourism: ভ্রমণপ্রেমী মানুষদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের বুকে গড়ে উঠেছে একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। রাজ্যের পর্যটন শিল্প ক্রমশক উন্নত হয়েছে। বিগত প্রায় ১০-১১ বছরে দক্ষিণবঙ্গ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পর্যটন কেন্দ্র গুলি আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। ইউনাইটেড নেশন ফোরাম বাংলাকে পর্যটন গন্তব্য হিসেবে পুরস্কৃত করেছে। সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বের মধ্যে একেবারে শীর্ষে রয়েছে বাংলার নাম। পর্যটনের দিক থেকে রাজ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, এমনটাই দাবি করেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভাতে রাজ্যের পর্যটন শিল্প নিয়ে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্পের উন্নতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন , উত্তরবঙ্গে মাত্র ১১ বছর আগে তেমন কিছুই ছিল না । কিন্তু বর্তমানে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে সমৃদ্ধ উত্তরবঙ্গ। সেখানে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫টি কটেজ । তৈরি করা হয়েছে রায়গঞ্জের পাখিরালয় । এছাড়াও রয়েছে সেখানে হেলিপ্যাড। উত্তরবঙ্গ বলতেই পশ্চিমবঙ্গবাসীর মাথায় নাম আসে দার্জিলিং , কালিম্পং, কার্শিয়াং প্রভৃতির নাম। প্রত্যেক বছর ছুটির মরশুমে এই সমস্ত জায়গাগুলিতে পর্যটকদের ভিড় চোখে পড়ার মতো থাকে। হিমালয় পর্বতের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ভ্রমণপিপাসু মানুষেরা সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন।

    পূর্বে পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা একটা বড় প্রশ্নের জায়গা ছিল। কিন্তু এখন সে বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক সরকার । পর্যটকদের নিরাপত্তাকে বর্তমানে সুনিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের সহযোগিতার জন্য পাহাড়ের বুকে গড়ে উঠেছে বহু ক্যাম্প । এছাড়াও সেখানে থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। দার্জিলিং এর কফি হাউজের কথা এখানে না বললেই নয়। পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য কলকাতার মতো দার্জিলিঙেও গড়ে উঠেছে কফি হাউস। সেই কফি হাউস উদ্বোধন করে খোদ সেখানে বসে কফির পেয়ালা হাতে পাহাড়ে সৌন্দর্য উপভোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীও।

    উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গকে যুক্ত করার জন্য প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। যুক্তি অনুযায়ী দেখতে গেলে বর্তমানে দক্ষিণবঙ্গের যে কোন প্রান্ত থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার জন্য রয়েছে সরকারি বাস। যা যথেষ্ট পকেট ফ্রেন্ডলি । এছাড়াও রয়েছে সুষ্ঠু রেল পরিষেবা। খুব সহজেই রেলপথে যে কোন মানুষ পাড়ি দিতে পারেন উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য।

    শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের পর্যটন কেন্দ্রগুলি নিয়ে কথা বললেই হবে না। কারণ দক্ষিণবঙ্গের নতুন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে ঝাড়গ্রাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ কথা দিয়েছিলেন যে তিনি জঙ্গলমহলকে পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করবেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে বিশেষ নজরদারি ছিল তাঁর। আর বলাই বাহুল্য বর্তমানে সত্যিই জঙ্গলমহল ঘুরতে যাওয়ার মত একটি জায়গায় পরিণত হয়েছে। সেখানে প্রায় ছ’টি নতুন সড়ক তৈরি হয়েছে। এছাড়াও তৈরি হয়েছে বহু রিসোর্ট। যেখানে পর্যটকরা চাইলে দু একদিন স্বাচ্ছন্দ্যে কাটাতে পারবেন।

    জঙ্গলমহলের কথা যখন উঠল তখন ঝাড়গ্রামের নয়া পর্যটন কেন্দ্রের কথা বলতেই হয় । জঙ্গল রানীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মগ্ন হওয়ার পাশাপাশি রেল পথে ঝাড়গ্রাম থেকে গিধনি যাওয়ার পথে পড়বে আরও এক অপরূপ দৃশ্য। ঝাড়াগেরিয়ার কংসাবতী ক্যানেল। এখানে পর্যটকরা দেখতে পাবেন নীচ দিয়ে চলছে ট্রেন এবং ওপর দিয়ে ক্যানেলের মাধ্যমে জল বয়ে যাচ্ছে। সাধারণত এই ধরনের দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। সারা দেশে মাত্র দুটি জায়গায় রয়েছে এই রকম ব্যবস্থা। তার মধ্যে নাম আসে ঝাড়গ্রামেরও।

    এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রায়গঞ্জের পাখিরালয়ের কথা উল্লেখ করেন। এটি পর্যটকদের কাছে সত্যিই আকর্ষণের অন্যতম জায়গা । ১৯৭০ সাল নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকেই এই অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেখানে কদম ,শিশু ,জারুল , ইউক্যালিপটাস ইত্যাদি বিভিন্ন পর্ণমোচী গাছ লাগানো হয়। ধীরে ধীরে সেই অরণ্যে আসতে থাকে এশীয় শামুকখোলের মতো অন্যান্য পরিযায়ী পাখির দল। পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের আমলে রায়গঞ্জ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যকে আরও সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য এই জায়গাকে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। এই সমস্ত স্থান গুলির জন্যেই পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্প ক্রমশ প্রচারিত হচ্ছে লোকমুখে। বিদেশি পর্যটকরা যাতে আরও বেশি পশ্চিমবঙ্গে আসেন তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই করবে সরকার , এমনটাই জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Modi-Mamata Meeting: ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, মূল উদ্দেশ্য কী ?

    Modi-Mamata Meeting: ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, মূল উদ্দেশ্য কী ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Modi-Mamata Meeting: ফের দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ৫ ডিসেম্বর দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন । বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য, G-20 সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা। তাই স্বাভাবিক ভাবেই ডাক পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে আজ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৫ ই ডিসেম্বর দিল্লি যাব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে। তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সনদের সেইদিনের বৈঠক ডাকা হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে আমিও যাব।” ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি২০-র আয়োজক দেশ ভারত। ওই আয়োজন নিয়ে প্রস্তুতি নিতেই এই বৈঠক। তবে এই বৈঠকের পর তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা করে বৈঠক হবে কি না, তা নিয়ে এখনো সেইভাবে কিছু জানা যায়নি।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে অনুসারে জানা গিয়েছিল, ভারত তার সভাপতিত্বে G20 শীর্ষ সম্মেলন সহ ২০০ টিরও বেশি বৈঠকের আয়োজন করবে। প্রসঙ্গত, জি ২০ শীর্ষ বৈঠক সদ্য ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শেষ হয়েছে। ভারত আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে জি ২০ দেশসমূহের মিলিত গোষ্ঠীর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে। ভারত এক বছর এই দায়িত্ব পালন করবে। জি২০ বৈঠক ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এ দেশে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারই প্রস্তুতিতে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রীদের।

    কী এই G-20 ?

    G-20 বা গ্রুপ অফ টুয়েন্টি বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির একটি আন্তঃসরকারী ফোরাম। এর মধ্যে সদস্য হিসাবে রয়েছে ব্রাজিল, মেক্সিকো, রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, যুক্তরাজ্য । ভারত বর্তমানে G-20 ট্রোইকা এর একটি অংশ, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ইতালি এবং ভারত রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Businessman Kidnapping: ৩৩ লক্ষ টাকার দাবি ! ১৬ ঘণ্টা পরেও উদ্ধার হল না অপহৃত ব্যবসায়ী

    Businessman Kidnapping: ৩৩ লক্ষ টাকার দাবি ! ১৬ ঘণ্টা পরেও উদ্ধার হল না অপহৃত ব্যবসায়ী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Businessman Kidnapping: পেরিয়ে গিয়েছে ১৬ ঘণ্টা। এখনও পর্যন্ত কোনো রকম খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি বারুইপুরের অপহৃত ব্যবসায়ীর। পুলিশকে অপহরণের অভিযোগ জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী। কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো রকম তৎপরতা না দেখতে পেয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী মিনা সর্দার।

    বুধবার অপহরণ করা হয় ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম সর্দারকে। তাঁর স্ত্রী মিনা সর্দার জানান, বারুইপুর থানার অন্তর্গত ধোপাগাছি এলাকায় আব্দুল হালিমের দোকানের সামনে একটি অটোতে করে এসে উপস্থিত হয় তিনজন। ঘড়িতে তখন সময় দুপুর সাড়ে তিনটে। দোকান থেকে আব্দুল হালিমকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। আর তারপর ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ফোন করে ৩৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একই সঙ্গে হুমকি দেওয়া হয় মুক্তিপণ না দিলে অঘটন ঘটবে ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে।

    বারবার ব্যবসায়ীর ফোন থেকে অপহরণকারীরা মিনা সর্দার অর্থাৎ ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ফোন করায় তিনি এসে উপস্থিত হন থানায় । অভিযোগ জানানোর প্রায় ১৬ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরেও এখনও পর্যন্ত বারুইপুরের ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়নি। ব্যবসায়ীর স্ত্রীর দাবি, ওই ব্যবসায়ী বর্তমানে রয়েছেন উস্থি থানার শেরপুর এলাকায়। কিন্তু তা জানার পরে উস্থি থানার পুলিশ এবং বারুইপুর থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। যার কারণে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন ওই ব্যবসায়ী। যত দ্রুত সম্ভব ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে আনার আবেদন জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী মিনা সর্দার।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Visva Bharati University: প্রায় ১০ ঘণ্টা পর পড়ুয়াদের ঘেরাও মুক্ত উপাচার্য, সরগরম বিশ্বভারতী চত্বর

    Visva Bharati University: প্রায় ১০ ঘণ্টা পর পড়ুয়াদের ঘেরাও মুক্ত উপাচার্য, সরগরম বিশ্বভারতী চত্বর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Visva Bharati University: দফায় দফায় বুধবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। পড়ুয়াদের আন্দোলনের জেরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। প্রায় দশ ঘন্টা উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘেরাও করে রাখেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। পরবর্তীতে মধ্যরাতে নিরাপত্তারক্ষীদের সহযোগিতায় জোর করে আন্দোলন সরিয়ে উপাচার্যকে বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়। কোন বড় ধরনের অঘটন এড়াতে বর্তমানে উপাচার্যের বাসভবনের নিরাপত্তায় আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে।

    বুধবারের এই আন্দোলন মূলত উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর একনায়কতন্ত্রের বিরোধিতা করেই করেন পড়ুয়ারা তাদের অভিযোগ, বিগত পাঁচ বছর ধরে স্বেচ্ছাচারিতা করে চলেছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য । যখন তখন যাকে খুশি শোকজ করা, সাসপেন্ড করা, বদলি করা, এমনকি কর্মীদের বেতন পর্যন্ত আটকে দেওয়ার মতো অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উপাচার্যের এই স্বেচ্ছাচারিতার কবলে পড়েছেন পড়ুয়ারাও। যার কারণে ক্রমশ তাদের ক্ষোভ বৃদ্ধি পেয়েছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে।

    সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ পড়ুয়াদের একাংশ উপাচার্যকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। যার কারণে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে রীতিমতো হাতাহাতিতে লিপ্ত হন আন্দোলনকারীরা। নিরাপত্তা রক্ষীদেরকে উপাচার্য নির্দেশ দেন এই আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করার জন্য। কিন্তু পড়ুয়ারাও নাছোড়বান্দা। কোনোভাবেই বিক্ষোভস্থল ছেড়ে যাননি তাঁরা। বরং উপাচার্যের বিরুদ্ধে তাঁরা অভিযোগ তোলেন বহিরাগতদের কাজে লাগিয়ে আন্দোলন ভেঙে দেওয়ার।

    দীর্ঘ প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে চলা এই আন্দোলনের পর গতকাল মধ্যরাতে নিজের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন উপাচার্য। তিনি যদিও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনরকম সুফল মেলেনি। অবশেষে নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে নিজের বাসভবনে গিয়ে পৌঁছান তিনি।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Young Professional Recruitment: নিয়োগ চলছে কৃষি ও কিষাণ কল্যাণ দফতরে, শূন্যপদ কত ?

    Young Professional Recruitment: নিয়োগ চলছে কৃষি ও কিষাণ কল্যাণ দফতরে, শূন্যপদ কত ?

    Young Professional Recruitment: কেন্দ্রীয় কৃষি এবং কিষান কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জারি করা হল অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি। নিয়োগ করা হবে ইয়ং প্রফেশনাল পদে। কলকাতা সহ মোট সতেরোটি সেন্টারে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে । পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি জেলা থেকেই আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীরা এই চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। ইয়ং প্রফেশনাল পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, শূন্য পদ রয়েছে কতগুলি, মাসিক বেতন হবে কত এবং কী ভাবে এই পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করা যাবে সেই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য রইল প্রতিবেদনে।

    পদ: কৃষি ও কিষাণ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ইয়ং প্রফেশনাল

    মাসিক বেতন: নির্দিষ্ট পদে নিযুক্ত কর্মীদের বেতন মাসিক ৫০ হাজার টাকা

    বয়স: ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যে কোন আগ্রহী চাকরিপ্রার্থী এই ইয়ং প্রফেশনাল পদে নিয়োগের জন্য আবেদন জানাতে পারেন।

    আবেদনকারী শিক্ষাগত যোগ্যতা :

    * আবেদনকারীকে যেকোনো স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউনিভার্সিটি থেকে এগ্রিকালচার বা হার্টিকালচার বিষয়ে গ্রাজুয়েশন পাশ করতে হবে। এছাড়াও হর্টিকালচার পোস্ট/ হারভেস্ট টেকনোলজি /এগ্রিকালচার ইকোনমিক্স/ এগ্রিকালচার ইঞ্জিনিয়ারিং /পোস্ট হারভেস্ট ম্যানেজমেন্ট /ফুড টেকনোলজি/ ফুড সায়েন্স উক্ত এই বিষয়গুলির মধ্যে যেকোনো একটিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করতে হবে। কিংবা

    * হর্টিকালচার বা এগ্রিকালচার বিষয়ে এগ্রিকালচার বিজনেসে এমবি এর ডিগ্রি থাকতে হবে

    * আবেদনকারীকে কম্পিউটারে এমএস অফিস, পাওয়ার পয়েন্ট এবং এক্সেল ইত্যাদি সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।

    শূন্যপদ: এই পদের জন্য আপাতত ১৭ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে

    আবেদনের শেষ তারিখ: ২৭.১১.২০২২, আবেদনের জন্য কোন রকম টাকা দিতে হবে না।

    আবেদনের প্রক্রিয়া:

    * ন্যাশনাল হটিকালচার বোর্ডের যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি রয়েছে তার মাধ্যমে অনলাইনে এই নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন আবেদনকারীরা

    * আবেদনের সময় অবশ্যই আবেদনকারীকে তাঁর স্থায়ী একটি মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে

    * রেজিস্ট্রেশনের পর মেন পেজ ওপেন হলে সেখানে আবেদনকারীর নাম, বয়েস ,ইমেল আইডি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সহ অন্যান্য যে সকল তথ্যগুলি চাওয়া হবে তা পূরণ করতে হবে।

    * সমস্ত তথ্য পূরণ করার পর অনলাইন ফর্মটিকে সাবমিট করতে হবে

    * অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সেই আবেদন পত্রের একটি হার্ডকপি বের করতে হবে।

    * সেই হার্ড কপিটি পাঠাতে হবে এই ঠিকানায়।
    ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ন্যাশনাল হটিকালচার বোর্ড, প্লট ৮৫, সেক্টর ১৮, ইনস্টিটিউশনাল এরিয়া, গুরুগ্রাম (হরিয়ানা) , পিন-১২২০১৫

    যে সমস্ত সেন্টারগুলিতে নিয়োগ করা হবে

    কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, গুয়াহাটি, নাসিক, শ্রীনগর, হায়দ্রাবাদ, ভোপাল, বিজয়ওয়াড়া,,ভুবনেশ্বর দেরাদুন, নাগপুর ,রাঁচি, রায়পুর ,পাটনা, গোয়ালিয়ার, পুনে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: কিছুটা নামল পারদ, কবে থেকে জাঁকিয়ে শীত স্পষ্ট করল হাওয়া অফিস

    Weather update: কিছুটা নামল পারদ, কবে থেকে জাঁকিয়ে শীত স্পষ্ট করল হাওয়া অফিস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather update: শীত আসছে। পারদ পতন অব্যাহত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। রাত বাড়লেই নামছে তাপমাত্রা বইছে হিমেল হাওয়া।

    নভেম্বরে শেষ সপ্তাহে গোটা বাংলায় শীতের ইনিংস শুরু হতে চলেছে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। আকাশে আংশিক মেঘ থাকার কারণে তাপমাত্রা খানিকটা বৃদ্ধি পেলেও শীতের আমেজ বজায় থাকবে। আগামী কয়েক দিন এই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকলেও তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমতে পারে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় শীতের আমেজ ভালো মতোই টের পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রায় পতন দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের কনকনে মেজাজ কিছুটা হলেও উধাও হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে আপাতত নেই। পশ্চিমের জেলাগুলি যথা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানের মত জেলাগুলিতে শীতের আমেজ ভালোমতোই অনুভূত হবে। আবার গত দুদিনে কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় তিন ডিগ্রির মতো কমেছে। উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে শীত লম্বা হতে চলেছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন সফল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হবে।

    রাজ্যে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সম্ভাবনা নেই। তবে বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল সেটি অন্ধপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু উপকূলে রয়েছে সেটিও শক্তি হারাচ্ছে। ২৪ শে নভেম্বরের পর থেকে নতুন করে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে আন্দামান সাগরে। এই নিম্নচাপের অভিমুখ কোন দিকে থাকবে সেদিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mithun Chakraborty: পুরুলিয়ায় মিঠুন, সভা শেষে মধ্যাহ্নভোজন সারলেন দলীয় কর্মীর বাড়িতেই

    Mithun Chakraborty: পুরুলিয়ায় মিঠুন, সভা শেষে মধ্যাহ্নভোজন সারলেন দলীয় কর্মীর বাড়িতেই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mithun Chakraborty: বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচের প্রবল সম্ভাবনা। তাই পঞ্চায়েতে নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীদল সকলেই জনসংযোগ বাড়াতে ব্যস্ত। সেই উদ্দেশ্যে বুধবার পুরুলিয়ায় গেরুয়া শিবিরের হয়ে জনসভা করলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সুদূর মুম্বই থেকে তিনি আসেন বলে জানা যায়। এদিনের সভা শেষে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে এক দলীয় কার্যকর্তার বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হন তিনি সেখানেই তাঁর জন্য ব্যবস্থা করা হয় মধ্যাহ্ন ভোজের।

    সভা শেষে বিজেপির ওই কার্যকর্তার বাড়িতেই দুপুরের ভোজনের আমন্ত্রণ ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর। একেবারে বাঙালি খাবার-দাবারে সাজানো থালা তৈরি ছিল তাঁর জন্য। রীতিমতো কবজি ডুবিয়ে দুপুরের ভোজন পর্ব সারলেন তিনি। এদিনের সভামঞ্চে নিজের বক্তব্য রাখার পাশাপাশি জনসাধারণের কথাও শোনেন তিনি। সভা মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়েই সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। আর তাঁর কথার উত্তরে মঞ্চের সামনে থাকা উৎসাহী মানুষের ভিড় বারংবার সাড়া দিয়ে ওঠে।

    বুধবার সকালেই বার্নপুর থেকে পুরুলিয়া গিয়ে পৌঁছান মিঠুন চক্রবর্তী। এরপর এদিন পুরুলিয়ার ওই দলীয় সভায় অংশ নেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর বাঁকুড়া যাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও পাঁচ দিনের জেলা সফরে পুরুলিয়া বাঁকুড়া সহ আরও বেশ কয়েকটি জেলা তিনি পরিভ্রমণ করতে পারেন এমনটাই খবর সূত্রের। সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মিঠুন চক্রবর্তী জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আজ আমি কোন ডায়লগ দিতে আসিনি। আপনাদের কথা শুনতে এসেছি’। তাঁর এই কথা শোনার পরেই সভা মঞ্চের সামনে থাকা বহু মানুষের তরফ থেকে একাধিক প্রশ্ন উঠে আসে। যার উত্তর অত্যন্ত যুক্তিসহকারে বুঝিয়ে দেন মহাগুরু।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম