Category: প্রথম বাংলা

A state where tradition unite with modernity

  • Weather update: আবারও ঋতুর চরিত্র বদল, কবে থেকে জাঁকিয়ে ঠান্ডা আসছে?

    Weather update: আবারও ঋতুর চরিত্র বদল, কবে থেকে জাঁকিয়ে ঠান্ডা আসছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather update: আবহাওয়ার ওঠা পড়ায় নাজেহাল শহরবাসী। এ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শীতের আমেজে মেতেছিল গোটা রাজ্য। এরপরে আচমকা গত পরশু বুধবার স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল কলকাতায়। শেষে নভেম্বরে কুড়ি ডিগ্রির বেশি হয়ে গিয়েছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গতকাল ঠান্ডা প্রায় ছিলই না। কিন্তু আজ শুক্রবার ফের শীতের দরজা খুলে গেল যেন।

    মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিক দিয়ে আসা ঘূর্নবর্তের ফলে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছিল উত্তরে হাওয়া। যার ফলে শীতের দাপট প্রায় কমে গিয়েছিল। ইতিমধ্যে কেটে গিয়েছে ঘূর্ণাবর্তের আশঙ্কা। শীঘ্রই বঙ্গ জুড়ে ফিরতে চলেছে শীত। দুদিনের তুলনায় আজ অনেকটাই কমেছে তাপমাত্রার পারদ। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। যা বুধবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার চেয়ে কম। তবে স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। কলকাতায় ফিরে আসবে শীতের অনুভূতি।

    প্রসঙ্গত মরসুমের শুরুতেই রাজ্যে প্রবেশ করেছিল উত্তরের হাওয়া। কিন্তু ভোরের দিকে শীতল হাওয়া বইলেও পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা। কলকাতায় শীতের দাপট নেই বললেই চলে। তবে জেলার দিকগুলিতে অনুভূতি হচ্ছে শীত। এই পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরও দেখা নেই শীতের। তাহলে কবে থেকে বঙ্গে জাকিয়ে শীত পড়বে অপেক্ষায় রয়েছেন বঙ্গবাসী।

    আলিপুর আবহাওয়া অফিসের রেকর্ড বলছে, শনিবার ২৬ শে নভেম্বর শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন রবিবার সেটা আরো কিছুটা কমে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। কিন্তু এরপর থেকে ফের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গ্রাফ চড়তে শুরু করে। তবে এই বিষয়ে আবহাওয়াবিদরা অবাক হননি। আবহাওয়া দপ্তরের এক অধিকর্তা জানিয়েছেন,’ ৯ – ১৪ এবং ১৯ – ২২ শে নভেম্বর পরপর দুবার সমুদ্রে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। প্রধানত এর জন্যেই উত্তর-পশ্চিমের শুকনো ও ঠান্ডা বাতাসের গতিরোধ হয়েছে।’ দক্ষিণবঙ্গে নতুন করে ঠান্ডা পড়বে কবে? এই প্রশ্ন ঘুরছে সর্বত্র। ডিসেম্বরের মাঝামাঝির আগে প্রকৃত শীত উপভোগের সম্ভাবনা কম। তবে শুধু দক্ষিণবঙ্গেই নয়, গোটা বাংলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে এই মরসুমে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা উপরেই থাকবে।।৪ ডিসেম্বর নাগাদ দক্ষিণ আন্দামান সাগরে আরো একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে চলেছে বলেও জানিয়েছে মৌসম ভবন। যার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় জলীয় বাষ্প আরো একবার ঠান্ডা হওয়ার গতি রোধ করতে চলেছে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • WB Handcrafts Development Recruitment: চাকরির সুযোগ রাজ্য হস্তশিল্প উন্নয়ন দফতরে, উচ্চমাধ্যমিকই যথেষ্ট

    WB Handcrafts Development Recruitment: চাকরির সুযোগ রাজ্য হস্তশিল্প উন্নয়ন দফতরে, উচ্চমাধ্যমিকই যথেষ্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    WB Handcrafts Development Recruitment: পশ্চিমবঙ্গ হস্তশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের তরফ থেকে বিভিন্ন পদে একাধিক কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো প্রান্তের জেলা থেকে আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা এখানে আবেদন করতে পারবেন। প্রত্যেকটি পদের জন্যেই লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। কোন কোন পদের নিয়োগ চলছে? বেতন কত? তার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কী প্রয়োজন ? বয়সসীমা, শূন্য পদ সহ আবেদন প্রক্রিয়ার সমস্ত তথ্য রয়েছে এই প্রতিবেদনে।

    ১) পদ : জুনিয়ার ক্যাটাগরি ম্যানেজার

    বেতন : ২৪ হাজার টাকা

    শিক্ষাগত যোগ্যতা : রাজ্যের যে কোন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাজুয়েশন পাস করতে হবে আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীকে। কম্পিউটারে পারদর্শী হতে হবে। একই সঙ্গে ফ্যাশন ও রিটেল ব্যবসায় নূন্যতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা জরুরী।

    শূন্যপদ : ১

    ২) পদ: গ্রুপ ডি এক্সপেরিয়েন্সড

    বেতন : ১৩৫০০ টাকা

    যোগ্যতা : রাজ্যের যেকোন স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং কম্পিউটার বিষয়ক জ্ঞান থাকতে হবে

    শূন্যপদ : ৪

    ৩)পদ: জুনিয়র ম্যানেজার ডিজিটাল মার্কেটিং

    বেতন : ২৪ হাজার টাকা

    শিক্ষাগত যোগ্যতা : কম্পিউটার সায়েন্সে B. Sc বা B.E বা BCA বা MCA পাশ করতে হবে আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীকে। এছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং ক্ষেত্রে দু বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাই।

    শূন্যপদ: একটি

    ৪) পদ: জুনিয়র সেলস কাম অফিস আসিস্টান্ট

    বেতন : ১৫ হাজার টাকা

    শিক্ষাগত যোগ্যতা : কমার্স বিষয়ে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাজুয়েশন এছাড়াও কম্পিউটার বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।

    শূন্যপদ : ২

    * আবেদনের শেষ তারিখ : ০৯.১২.২০২২

    * আবেদন প্রক্রিয়া:

    ১) এক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তবে অনলাইনে ফর্ম ফিল আপ নয় । আবেদন করতে হবে ইমেইল মারফত।

    ২) আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীকে তাঁর একটি বায়োডাটা তৈরি করতে হবে। সেই বায়োডাটাতে চাকরি প্রার্থীর নাম ঠিকানা শিক্ষাগত যোগ্যতা , পূর্বে যে যে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে সমস্ত কিছু উল্লেখ করতে হবে।

    ৩) পরবর্তীতে সেই বায়োডাটার সঙ্গে অন্যান্য সমস্ত দরকারি নথিপত্র দিয়ে একটি পিডিএফ ফাইল তৈরি করতে হবে। আর তারপর সেই pdf ফাইলটি পাঠিয়ে দিতে হবে নিচের ই-মেইল আইডিতে।

    ই-মেল : [email protected]

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Howrah planetarium :প্রতীক্ষার অবসান! হাওড়ায় চালু হচ্ছে দেশের প্রথম থ্রি ডি তারামণ্ডল

    Howrah planetarium :প্রতীক্ষার অবসান! হাওড়ায় চালু হচ্ছে দেশের প্রথম থ্রি ডি তারামণ্ডল

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Howrah planetarium: দীর্ঘ অপেক্ষার পর হাওড়ায় দেশের প্রথম থ্রি-ডি তারামণ্ডল আনুষ্ঠানিকভাবে পথ চলা শুরু করছে। কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল তিন বছর আগেই। শুক্রবার থেকে হাওড়াবাসী পেল দেশের সর্বপ্রথম অত্যাধুনিক ত্রিমাতৃক তারামন্ডল।

    এত দিন তারামণ্ডল বলতে যে কোনো মানুষের মনে আসতো কলকাতার ‘বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম’।  তবে এইবার দেশের প্রথম ত্রিমাতৃক তারামণ্ডলের পালক জুড়ছে হাওড়া শহরের মুকুটে। কাজ সম্পূর্ণ হলেও প্রায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে বন্ধই ছিল এটি। অবশেষে দুর্গাপুজোর সময় উদ্বোধন পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল। তবে তখন তারামন্ডলটি চালু করা হয় নি। অবশেষে শুক্রবার থেকে কলকাতার হুগলি নদীর অন্য পারে হাওড়াতে প্রথম শুরু হচ্ছে এই ত্রিমাতৃক তারা মন্ডল।

    হাওড়া পৌর নিগম সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই তারামণ্ডলটি তৈরি করা হয়েছে। এ বছর দুর্গাপুজোর সময়েই এর উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তবে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তা তখন খোলা হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কাজ শেষ হওয়াতে ২ ডিসেম্বর থেকেই ত্রিমাতৃক প্রযুক্তির সাহায্যে মহাকাশ দেখতে পাবেন দর্শকরা। হাওড়া পৌর নিগমের মুখ্য প্রশাসক সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ‘‘এই বছর শীতকালে হাওড়ার মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপহার এই ত্রিমাতৃক তারামণ্ডল। আগামী ২ ডিসেম্বর সাধারণের জন্য এটি খুলে দেওয়া হবে।’’ তিনি জানান, আপাতত তিনটি ‘শো’  দিয়ে শুরু হচ্ছে। প্রতিদিন দুপুর ৩টে, বিকেল ৪টে এবং ৫টা তিনটি শো চলবে। বড়দের জন্য টিকিট মূল্য করা হয়েছে ১২০ টাকা।

    যদিও ছোটদের জন্য টিকিটের দাম থাকছে ৭০ টাকা। ত্রিমাতৃক প্রযুক্তির অ্যানিমেশন সহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে দেশি এবং বিদেশি সংস্থা যৌথ ভাবে এই প্রকল্পে কাজ করছে। এই প্রেক্ষাগৃহে একশো আসন রয়েছে। এছাড়াও এতে জাপানি সংস্থা ইয়ামাহার সেভেন পয়েন্ট ওয়ান সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এই তারামন্ডলে দুটি প্রজেক্টর মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে। ২৫-৩০ মিনিটের প্রতিটি শো দেখানো হবে। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে শো চলবে বলেই জানান তিনি।

    এছাড়াও মুখ্য প্রশাসক জানান,সাধারণ মানুষের জন্য ১২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে টিকিটের দাম। যদিও স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য তা হবে ৭০ টাকা। পাশাপাশি কোনও স্কুল যদি বেশি সংখ্যক পড়ুয়াদের নিয়ে বিশেষ সময়ে প্রদর্শনী দেখতে চায় সেক্ষেত্রে টিকিটের দাম পড়বে ৫০ টাকা। স্কুলের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী তারা এই প্রদর্শনী চালাতে পারবেন বলেই জানান মুখ্য প্রশাসক সুজয় চক্রবর্তী।

    উল্লেখ্য বিজ্ঞানের এই ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তিকে থ্রি-ডি অথবা ‘থ্রি ডাইমেনশনাল’ বলা হয়। এতে বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা এই তিনটি মাত্রা থাকে। তাকে ত্রিমাত্রিক বস্তু বলা হয়। ইতিমধ্যে দর্শকদের মধ্যে প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ত্রিমাতৃক প্রযুক্তি। এ বার নক্ষত্রপুঞ্জ সহ তারা মন্ডলী চিনতে ওই প্রযুক্তি ব্যবহার হবে হাওড়ার তারামণ্ডলে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • National Award: জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত সবংয়ের তিন কন্যা, গর্বিত মাদুর শিল্পীরা

    National Award: জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত সবংয়ের তিন কন্যা, গর্বিত মাদুর শিল্পীরা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    National Award: এদেশের মাটিতে বরাবর গুণীদের কদর করা হয়েছে । সেই তালিকায় এবার নাম জুড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবংয়ের তিন মহিলা মাদুর শিল্পীর। তাদের হাতের কাজ এবং দক্ষতায় উজ্জ্বল হল বাংলার মুখ। উন্নত মানের চোখ ধাঁধানো মাদুর বোনা এবং নকশা তৈরি করার জন্য জাতীয় পুরস্কার হাতে উঠল ওই তিন মহিলা মাদুর শিল্পীর। সবং এর বাসিন্দা মিঠুরানি জানা , গৌরীরানি জানা এবং গৌরীবালা দাস ২৮ নভেম্বর দিল্লি বিজ্ঞান ভবন থেকে তাদের জাতীয় পুরস্কার নিয়ে ফিরে আসেন সবংয়ে।

    এই তিনজনেই সবং এর সারতা গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৭ সালে মিঠুরানি এবং ২০১৮ সালে গৌরীবালা জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদেরকে পুরস্কার আরও আগেই দেওয়া হতো। কিন্তু মাঝে বাধা হিসেবে এসে দাঁড়ায় করোনা অতিমারি । তাই ২০২২ সালের ২৮ নভেম্বর জাতীয় পুরস্কার তাদের হাতে তুলে দেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী পিযুষ গোয়েল। জাতীয় পুরস্কার হাতে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের ছাপ চোখে মুখে স্পষ্ট সবংয়ের এই মহিলা মাদুর শিল্পীদের।

    শুধুমাত্র তাঁরাই নন তাদের স্বামীদের নামও জুড়েছে জাতীয় পুরস্কারের সঙ্গে। মিঠুদেবীর স্বামী অলক জানা এবং গৌরীরানির স্বামী তাপস জানা এর আগে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। বলাই বাহুল্য, এতে বেজায় আনন্দিত হয়েছেন এই মহিলা মাদুর শিল্পীরা বিশ্বজুড়ে সবং এর তৈরি মাদুরের খ্যাতি রয়েছে। এখানকার অধিকাংশ পরিবারই মাদুরাকাঠি চাষ এবং মাদুর বোনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত এই মহিলা মাদক শিল্পীরাও একেবারে ছোটবেলা থেকেই মাদুর শিল্পে নিজেদের হাত পাকা করে নিয়েছিলেন। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাদুর শিল্পীদের কথা ভেবে মাদুরহাব তৈরি করার কথা পূর্বেই ঘোষণা করেছেন। এই তিন মাদুর শিল্পীর সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আনন্দিত সবংবাসী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Road Block: বাঁকড়ায় হাতির তাণ্ডবে নাজেহাল, পথ অবরোধ গ্রামবাসীদের

    Road Block: বাঁকড়ায় হাতির তাণ্ডবে নাজেহাল, পথ অবরোধ গ্রামবাসীদের

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Road Block: বারবার দাঁতালের হানায় রাতের ঘুম উড়েছে বাঁকড়া এলাকার বাসিন্দাদের । হাতির তাণ্ডবে নাজেহাল অবস্থা এলাকাবাসীর । বনদফতরকে বারবার এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরেও আশানুরূপ কোন ফল মেলেনি। যার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে পথ অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন গ্রামবাসীরা। যার ফলে স্বাভাবিকভাবে যানজট সৃষ্টি হয় রাস্তায় । যদিও ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় পুলিশ এবং বনদফতরের আধিকারিকরা । কিন্তু তাদের উপরেও ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায় পথ অবরোধকারী গ্রামবাসীদের।

    ঘটনাটি ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইল ব্লকের বাঁকড়া এলাকার। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে বাঁকড়া এলাকায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা । যার ফলে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে যায় বড় বড় গাড়িগুলি। অবরোধকারীদের দাবি, প্রতিদিন দলে দলে হাতি লোকালয়ে ঢুকছে । ক্ষেতের ফসল নষ্ট করছে একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ভেঙে তছনছ করে দিচ্ছে। গতকাল দুপুরেও ৩০ থেকে ৩৫ টি হাতি বাঁকড়া এলাকায় ঢুকে চাষের জমি নষ্ট করে দিয়েছে। এর আগে বহুবার বনদফতরের সাহায্য চেয়েছেন তাঁরা। দফতরের কর্মীরা এসেছেন তবে কাজের কাজ তেমন কিছুই হয়নি। যার কারণে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা।

    দ্রুত এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এমন দাবি তুলেই এই দিনের পথ অবরোধ। যদিও অবরোধকারী গ্রামবাসীদের একাংশকে বনদফতরের আধিকারিকদের সামনেই গলা চড়াতে দেখা যায়। তাদের দাবি, ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া গ্রামবাসী। এ বিষয়ে একেবারেই তৎপর নয় বনদফতর । কাজেই তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চান। যদিও এদিন পুলিশ এবং বনদফতর আধিকারিকদের আশ্বাসে কিছুটা শান্ত হন পথ অবরোধকারীরা।

    উল্লেখ্য, ঝাড়গ্রামে চলতি বছরেই হাতির আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন এক মহিলা সহ তিনজন । ঘটনাটি ঘটে ঝাড়গ্রাম শহর সংলগ্ন কন্যাডোবা এলাকায়। প্রতিনিয়ত এই অঞ্চল গুলিতে হাতির দলের আনাগোনা আতঙ্ক হয়ে উঠেছে গ্রামবাসীদের কাছে । যখন তখন হাতির আক্রমণে প্রাণ যেতে পারে তাদের । এই আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা । তাদের এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই, এমন দাবি তুলেই বৃহস্পতিবার পথ অবরোধ বাঁকড়ায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update : ডিসেম্বরের শুরুতে শীতের হোঁচোট, কবে থেকে জমিয়ে শীত?

    Weather update : ডিসেম্বরের শুরুতে শীতের হোঁচোট, কবে থেকে জমিয়ে শীত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather update: উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করছে। যার ফলে বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকায় শুষ্কতা বাড়ছে বাংলায়‌। এদিকে হাওয়া অফিস জানিয়ে দিয়েছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কোনো ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে ডিসেম্বরে প্রথম সপ্তাহে উত্তরবঙ্গের সব কটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় রাতের তাপমাত্রার বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। উত্তরবঙ্গের মতোই আগামী পাঁচ দিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের রাতের তাপমাত্রা তেমন কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় পশ্চিমের জেলাগুলিতে বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

    গত কয়েকদিন ধরেই শহরের তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধগামী। বৃহস্পতিবার অব্যাহত রইল সেই ধারা। তবে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফের শীতের আমেজ ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। জানা যাচ্ছে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা সহ গোটা রাজ্যে। এদিকে অবাধে প্রবেশ করতে শুরু করেছে উত্তরের হাওয়া। ফলে জাকিয়ে শীত উপভোগ করা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে শীত অনুভূত হবে কলকাতা সহ গোটা রাজ্যে।

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি তাপমাত্রা নামতে শুরু করলে শীতের স্পেল দেখবে বঙ্গবাসী। তবে আচমকা শীতের এই ভাটা সাময়িক বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: মাছে-ভাতে মুখ্যমন্ত্রী, গ্রামের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Mamata Banerjee: মাছে-ভাতে মুখ্যমন্ত্রী, গ্রামের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হিঙ্গলগঞ্জে একটি সভার আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের খাঁ পুকুর গ্রামে অকাল উৎসবের আমেজ চোখে পড়ল। কারণ গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রায় সারাদিনটা কাটালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এক গৃহস্থের বাড়িতে বসে স্টিলের থালায় ট্যাংরা মাছের ঝোল দিয়ে মধ্যাহ্নভোজন সারলেন তিনি।

    জানা যায়, এদিন সকালের দিকে টাকি থেকে বেরিয়ে তিনি মিনি সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। সেখান থেকে পথেই একটি প্রাথমিক স্কুলে ঢুকে পড়েন। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর জামাকাপড়, শীতের পোশাক বিতরণ করা শেষ করে গ্রাম পরিদর্শনে বেড়ান। আচমকাই তিনি ঢুকে পড়েন এক বাড়িতে। আর বাঙালিদের মধ্যে এই নিয়ম যুগ যুগ ধরে প্রচলিত। দুপুরে কোন অতিথি এলে তাকে দুমুঠো ভাত না খাইয়ে কিছুতেই ছাড়া হয় না।

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন গিয়েছিলেন খা্পুকুর গ্রামের বৈদ্যপাড়ার নমিতা মণ্ডলের বাড়িতে। ভরদুপুরে অতিথি হয়ে তাঁর বাড়িতে এসেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী । তাই তিনিও দিদির কাছে দুমুঠো ভাত খেয়ে যাওয়ার আবদার করে বসেন। অবশ্য সেই আবদার রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। উঠনে চেয়ারে বসে থালা হাতে নিয়েই ট্যাংরা মাছের ঝোল দিয়ে ভাত খেতে দেখা গেল তাকে। যদিও তাঁর পাতে ছিল ওল- আলুর তরকারিও। খাওয়া শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান দারুন টেস্ট হয়েছিল। খুব ভালো খেয়েছেন তিনি।

    এছাড়াও ওই গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে বসে খেজুর পাতা দিয়ে মাদুর তৈরি করার চেষ্টাও করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন অভাব অভিযোগের কথা শোনেন। আর তারপর নির্দেশ দেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় প্রশাসককে এলাকায় যে জলের সমস্যা রয়েছে তা মিটিয়ে দিতে হবে। অনেকেরই ধারণা ছিল মঙ্গলবার হিঙ্গলগঞ্জের সভা শেষে হয়তো বুধবার কলকাতায় ফিরে যাবেন তিনি। কিন্তু বুধবার আচমকাই তাঁর গ্রাম পরিদর্শনে কিছুটা হইচই পড়ে যায় এলাকায়। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই মাটির মানুষের মতো আচরণে খুশি হয়েছেন গ্রামবাসীরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Egg Price Hike: বাজারে চড়ছে ডিমের দাম, একজোড়া এখন বিকোচ্ছে কততে?

    Egg Price Hike: বাজারে চড়ছে ডিমের দাম, একজোড়া এখন বিকোচ্ছে কততে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Egg Price Hike: অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে মুরগির ডিমের দাম বাড়তে শুরু করেছিল। আর এখন শুধুমাত্র পাইকারি বাজারে নয় খুচরো বাজারেও ডিমের দাম বেড়ে গিয়েছে। আগস্টের দিকে একজোড়া ডিমের দাম বাজারে যেখানে ছিল ৮ থেকে ৯ টাকা এখন সেখানে এক জোড়া ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায়। কোথাও আবার তার থেকে একটু বেশি। নভেম্বরে একজোড়া ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল অনেকটা, প্রায় দেড় টাকা। আর পাইকারি বাজারে এখন এক পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ছয় টাকা চার পয়সায়। স্বাভাবিকভাবে খুচরো বাজারে এক পিস মুরগির ডিমের দাম আরও বেশি।

    বিগত এক মাসের মধ্যে এক ট্রে যেখানে ত্রিশটা ডিম থাকে তার দামও বেড়ে গিয়েছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। এনইসিসি অর্থাৎ ন্যাশনাল এগ কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফ থেকে জানা গিয়েছে, এই রাজ্যে বর্তমানে ১০০ টা পাইকারি ডিমের দাম দাঁড়িয়েছে ৬০৪ টাকা। অর্থাৎ প্রত্যেক পিস মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬ টাকা ৪ পয়সায়। আর খুচরো বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে সেই ডিম বিক্রি করা হচ্ছে সাত টাকা কিংবা তার থেকে কিছুটা বেশিতে।

    এখন এক ট্রে মুরগির ডিমের দাম ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা । অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে এই এক ট্রে ডিমের দাম ছিল ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা। অর্থাৎ বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। খুচরো বাজারে যদি কোন ক্রেতা এক ট্রে ডিম কিনতে যান তাহলে পকেটের উপর চাপ পড়াটাই স্বাভাবিক। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় বিহার, ছত্রিশগড়, ঝাড়খন্ড সব জায়গাতেই ডিমের দাম এই একই রকম ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে বিগত এক সপ্তাহে মুরগির মাংসের দাম বেশ খানিকটা নিচে নেমে এসেছে। সস্তা হয়েছে কেজিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ টাকা। কিন্তু মুরগির ডিমের দাম বাজারে বেশ চড়া। কবে এই ডিমের দাম আবার কিছুটা নামবে সেই সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরাও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child  sportsman: সাফল্য এসেছিল আগেই, এবার রোলার স্কেটিংয়ে ন্যাশনালে নামছে ছোট্ট কৃষ্ণেন্দু

    Child  sportsman: সাফল্য এসেছিল আগেই, এবার রোলার স্কেটিংয়ে ন্যাশনালে নামছে ছোট্ট কৃষ্ণেন্দু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child  sportsman: বয়স মাত্র আট বছর। ক্লাস টুয়ে পড়ে কৃষ্ণেন্দু। রোলার স্কেটিংকে সঙ্গী করে রাজ্যস্তরে সাফল্য এসেছিল আগেই। এবার সে নামতে চলেছে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায়। ব্যাঙ্গালোরে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কৃষ্ণেন্দু।

    বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় স্তরে খেলতে যাচ্ছে নদীয়ার এক খুদে। বছর আটের কৃষ্ণেন্দু দাস লকডাউন থেকে রোলার স্কেটিংয়ের অনুশীলন নিতে শুরু করেছিল। সেই অনুশীলনের মধ্য দিয়ে সাফল্য এসেছে। রোলার স্কেটিংয়ে বাংলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে। এবার বাংলা পেরিয়ে জাতীয় স্তরে খেলতে যাচ্ছে বীরনগর এর ছোট্ট কৃষ্ণেন্দু। কৃষ্ণেন্দু ক্লাস টু এর ছাত্র।

    পড়াশোনার পাশাপাশি লকডাউনের সময় তার বাবার কাছেই রোজার স্কেটিংয়ের প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে কৃষ্ণেন্দু। ইতিমধ্যেই রাজ্যস্তরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্রথম হয়ে গোল্ড মেডেল পেয়েছে ছোট্ট কৃষ্ণেন্দু। এবার সে প্রস্তুত হচ্ছে ব্যাঙ্গালোরে জাতীয় স্তরে খেলতে যাওয়ার জন্য।

    কৃষ্ণেন্দুর বাবা একজন কোচ। আগে কোচ হিসেবে কলকাতায় প্রশিক্ষণ দিতেন। এখন নদিয়ায় তিনি প্রশিক্ষণ দেন। অনেক শিশুই তাঁর কাছে প্রশিক্ষণ নেয়। তার মধ্যে অনেকেই ন্যাশনাল এবং স্টেট লেভেলের খেলায় অংশগ্রহণ করেছে। অন্যদের সঙ্গে নিজের সন্তানকে সফল করে তুলতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mysterious Death: বহুতল আবাসন থেকে ঝাঁপ মহিলার, আত্মহত্যা নাকি খুন? চলছে তদন্ত

    Mysterious Death: বহুতল আবাসন থেকে ঝাঁপ মহিলার, আত্মহত্যা নাকি খুন? চলছে তদন্ত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mysterious Death: এক বহুতল অভিজাত আবাসনের নিচে মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বরানগরে। মৃত ওই মহিলা আবাসনেরই বাসিন্দা। বুধবার ঘটে এই ঘটনাটি। আবাসনের ১৯ তলা থেকে একেবারে নিচে পড়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় বরানগর থানার পুলিশ। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে কোন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তা খুঁজে বার করতে তদন্ত শুরু করেছে বরানগর থানার পুলিশ।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বরানগরের সিদ্ধা ইডেন লেকভিল নামক অভিজাত আবাসনের বাসিন্দা হলেন অন্নপূর্ণা দে চৌধুরী। বছর ৪৫ এর এই মহিলা ওই আবাসনেই বসবাস করেন নিজের স্বামী এবং ছেলের সঙ্গে। বুধবার সকালের দিকে আচমকাই ১৯ তলায় থাকা তাঁর ফ্ল্যাট থেকে নিচে পড়ে যান তিনি। সেই সময় নিচে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা রীতিমত ঘাবড়ে যান। ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় আবাসন চত্বরে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বরানগর থানার পুলিশকে।

    পুলিশ এসে মৃতদেহ পর্যবেক্ষণ করে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। মৃত মহিলার স্বামী এবং ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বরানগর থানার পুলিশ। মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে তিনি বারান্দায় কী করছিলেন তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিল্ডিংয়ে থাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে পুলিশ। অন্যদিকে এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছেন আবাসনের নিরাপত্তা রক্ষীরা। তাদের দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাদেরকে কোন রকম মন্তব্য করতে নিষেধ করা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম