• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home বিদেশ

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে বড় বদল, আট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জেলা শাসকদের হাতে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা

News Desk by News Desk
August 21, 2026
in বিদেশ
0
CAA Citizenship — District Collectors empowered to grant Indian citizenship under new 2026 rules
66
SHARES
104
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

CAA Citizenship: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে ঘিরে কেন্দ্রের তরফে বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্দিষ্ট জেলার জেলা শাসকদের নাগরিকত্বের আবেদন গ্রহণ, যাচাই এবং নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ১৯ আগস্টের আদেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, গুজরাত, রাজস্থান, অসম, ত্রিপুরা, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এখন এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে অসম ও ত্রিপুরার উপজাতি এলাকাগুলিকে এই ব্যবস্থার বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে এতদিন যে প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় স্তরের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তা অনেকটাই জেলা স্তরে নিয়ে আসা হল। কিন্তু ঠিক কী বদলাল? কারা এই ব্যবস্থার আওতায় আসবেন? আবেদনকারীদের কী কী শর্ত মানতে হবে? ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হলে কী হতে পারে? সবটাই এক নজরে জেনে নেওয়া যাক।

ADVERTISEMENT

আট রাজ্য ও দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বদলাল নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রশাসনিক কাঠামো

কেন্দ্রের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, গুজরাত, রাজস্থান, অসম ও ত্রিপুরার নির্দিষ্ট এলাকায় এবং জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখে জেলা শাসকদের নাগরিকত্বের নির্দিষ্ট আবেদন গ্রহণ, যাচাই ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নাগরিকত্বের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও নিচের স্তরে পৌঁছে গেল।

নতুন ব্যবস্থার অধীনে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসক আবেদন গ্রহণ করবেন, প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করবেন, আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই করবেন এবং আইন অনুযায়ী আবেদনটি নিষ্পত্তি করবেন। আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির মাধ্যমে যে কাজ সম্পন্ন হত, এখন সেই কাজের একটি বড় অংশ জেলা প্রশাসনের হাতে চলে এল।

এই সিদ্ধান্তের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, আগে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির কাছে বিচারাধীন থাকা নির্দিষ্ট নাগরিকত্বের আবেদনগুলিও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কাছে স্থানান্তর করা হবে। অর্থাৎ শুধু নতুন আবেদন নয়, আগের কিছু আবেদনও নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, সংশ্লিষ্ট এলাকার যে কোনও ব্যক্তি আবেদন করলেই নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন। নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনি যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর নথি, পরিচয়, ভারতে বসবাসের সময়কাল এবং আইনে নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত যাচাই করার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিশেষ সুবিধার আওতায়?

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা রয়েছে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নির্দিষ্ট মানুষ এই আইনের অধীনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর অথবা তার আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকতে হবে। পাশাপাশি আইনে নির্ধারিত অন্যান্য যোগ্যতাও পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ শুধু ওই তিন দেশের নাগরিক হওয়া বা ভারতে বসবাস করলেই এই বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে না।

নতুন সিদ্ধান্ত মূলত এই নির্দিষ্ট নাগরিকত্বের আবেদনগুলির প্রশাসনিক নিষ্পত্তির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনছে। জেলা শাসকদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া হলেও আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া থাকছে। নথিপত্র সঠিক কি না, আবেদনকারী আইনের শর্ত পূরণ করছেন কি না এবং নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও আইনি বাধা রয়েছে কি না—সবকিছুই বিবেচনা করতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ বাংলাদেশ থেকে বহু বছর আগে ভারতে আসা বিভিন্ন উদ্বাস্তু পরিবারের মধ্যে নাগরিকত্বের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের কাছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়।

আবেদনকারীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, না হলে বাতিল হতে পারে আবেদন

নতুন নিয়মে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত উপস্থিতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট সময়ে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে এবং আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করতে হবে।

যদি কোনও আবেদনকারীকে যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়ার পরেও তিনি নির্ধারিত সময়ে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হন, তাহলে জেলা শাসক তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন। অর্থাৎ শুধুমাত্র আবেদন জমা দেওয়া বা নথি পাঠিয়ে দেওয়াই পুরো প্রক্রিয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীর পরিচয় ও নথিপত্র যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যের সঙ্গে জমা দেওয়া নথির মিল রয়েছে কি না, আইনে নির্ধারিত যোগ্যতা তিনি পূরণ করছেন কি না এবং প্রয়োজনীয় শর্তগুলি মানা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

এর ফলে নতুন ব্যবস্থায় জেলা প্রশাসনের ভূমিকা শুধু কাগজপত্র গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। আবেদন যাচাই থেকে শুরু করে আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও জেলা শাসক গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবেন।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কেন এই সিদ্ধান্ত এত গুরুত্বপূর্ণ?

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। রাজ্যের তৎকালীন সরকার এই আইনের বিরোধিতা করেছিল। অন্যদিকে কেন্দ্রের শাসকপক্ষ দাবি করে এসেছে, নির্দিষ্ট প্রতিবেশী দেশ থেকে ধর্মীয় কারণে নির্যাতিত হয়ে ভারতে আসা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সহজ করতেই এই আইন।

পশ্চিমবঙ্গে এই আইন নিয়ে রাজনৈতিক গুরুত্বের অন্যতম কারণ হল মতুয়া সম্প্রদায়। বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্ব এবং সরকারি নথিপত্রের বিষয়টি নিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির প্রশাসনিক ক্ষমতা জেলা স্তরে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত তাঁদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

আগের ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি নাগরিকত্বের আবেদন নিয়ে কাজ করত। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে জেলা শাসকদের সরাসরি ক্ষমতা দেওয়ায় সেই প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তন এল।

তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক থেমে যাবে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। বরং নতুন ব্যবস্থায় আবেদনগুলি কত দ্রুত নিষ্পত্তি হয় এবং যোগ্য আবেদনকারীরা কতটা সহজে নাগরিকত্বের শংসাপত্র পান, সেটাই আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আগের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির বিচারাধীন আবেদনগুলির কী হবে?

নতুন সিদ্ধান্তের একটি বড় দিক হল, আগে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির কাছে পড়ে থাকা নির্দিষ্ট আবেদনগুলির ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিচারাধীন আবেদনগুলি জেলা প্রশাসনের কাছে স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এর ফলে বহুদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হল। তবে প্রত্যেকটি আবেদন আলাদাভাবে যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পুরনো আবেদন থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

জেলা প্রশাসন আবেদনকারীর নথি ও যোগ্যতা খতিয়ে দেখবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অনুসন্ধানও করা হতে পারে। সব শর্ত পূরণ হলে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের ফলে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব অনেকটাই বাড়ল। একই সঙ্গে আবেদনকারীদেরও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে। ব্যক্তিগত উপস্থিতি, স্বাক্ষর, আনুগত্যের শপথ এবং প্রয়োজনীয় নথি—সবকিছুর গুরুত্ব থাকছে।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে এবার ঠিক কী বদল হল?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল, নির্দিষ্ট নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষমতা জেলা স্তরে আরও সরাসরি নিয়ে আসা। আগে যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির মাধ্যমে আবেদন যাচাই ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা ছিল, এখন সংশ্লিষ্ট জেলা শাসক সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ হয়ে উঠলেন।

অর্থাৎ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় যোগ্য ব্যক্তিদের আবেদন এখন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আরও সরাসরি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে আইনের মূল যোগ্যতার শর্তগুলি বদলে যাচ্ছে—এমন কথা এই সিদ্ধান্তে বলা হয়নি।

এখানে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার। জেলা শাসকদের ক্ষমতা দেওয়া মানেই প্রত্যেক আবেদনকারী নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার পেয়ে গেলেন না। আবেদনকারীর যোগ্যতা, নথিপত্র এবং আইনি শর্ত পূরণের বিষয়টি যাচাই করা হবে। আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট সময়ে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে স্বাক্ষর ও আনুগত্যের শপথও নিতে হবে।

এখন নজর কোন দিকে?

কেন্দ্রের নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর এখন মূল নজর থাকবে জেলা প্রশাসনের কাজের গতির দিকে। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা আবেদনগুলি কত দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, নতুন আবেদনগুলি কীভাবে যাচাই করা হয় এবং যোগ্য আবেদনকারীরা কত দ্রুত নাগরিকত্বের শংসাপত্র পান—সেই প্রশ্নই সামনে থাকবে।

বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব রাজনৈতিক ও সামাজিক দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ নাগরিকত্বের প্রশ্নটি রাজ্যে বহু বছর ধরে উদ্বাস্তু পরিবার, সীমান্তবর্তী জনজীবন এবং ভোটের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।

তবে প্রশাসনিক দিক থেকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের মূল বার্তা স্পষ্ট—নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের নির্দিষ্ট আবেদনগুলির নিষ্পত্তির ক্ষমতা এখন আরও বেশি করে জেলা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই, নথি পরীক্ষা এবং ব্যক্তিগত উপস্থিতির মতো শর্ত বজায় রেখেই এই প্রক্রিয়া এগোবে।

ফলে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে নতুন করে যে প্রশাসনিক অধ্যায় শুরু হল, তার বাস্তব ফল কতটা দ্রুত মানুষের হাতে পৌঁছয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ-সহ আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের জন্য আগামী দিনে এই নতুন ব্যবস্থাই হতে চলেছে নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির গুরুত্বপূর্ণ পথ।

Tags: CAA CitizenshipCAA Rules 2026Citizenship Amendment ActCitizenship Amendment RulesCitizenship ApplicationsDistrict Collectors CitizenshipIndian CitizenshipMHA Citizenship OrderWest Bengal Citizenship
Previous Post

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে মানুষের কাজ কি কমবে? কর্মসংস্থান নিয়ে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর

Next Post

হরমুজ প্রণালিতে হামলার মুখে ২১ ভারতীয় নাবিক, আতঙ্কের সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ

News Desk

News Desk

Next Post
Indian Seafarers Hormuz Attack — Indian sailors taking cover inside a vessel during an attack in the Strait of Hormuz

হরমুজ প্রণালিতে হামলার মুখে ২১ ভারতীয় নাবিক, আতঙ্কের সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ

Stay Connected test

  • 24k Followers
  • 99 Subscribers
  • Trending
  • Comments
  • Latest
BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

BSF Constable Recruitment: ১৪০০-এর বেশি শূন্য পদ, মাধ্যমিক পাশেই নিয়োগ BSF-এ

February 8, 2023
WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

WBPSC : রাজ্যে চাকরির বড় সুযোগ ! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের

November 30, 2022
মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

মাত্র 50,000 এ নতুন Apple iPhone 14! ফ্লিপকার্টের এই ডিল মিস করবেন না

December 6, 2022
5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

5 Safest Cars in India: মাহিন্দ্রা নাকি টাটা! দেশের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ি কোনগুলি?

December 16, 2022
জমকালো রঙে হাজির হল Bajaj Pulsar 125-এর নতুন কার্বন ফাইবার এডিশন

জমকালো রঙে হাজির হল Bajaj Pulsar 125-এর নতুন কার্বন ফাইবার এডিশন

1
CGO Complex: ডেঙ্গির আতঙ্ক এবার সিজিও কমপ্লেক্সেও! তড়িঘড়ি লোক পাঠাল পুরনিগম

CGO Complex: ডেঙ্গির আতঙ্ক এবার সিজিও কমপ্লেক্সেও! তড়িঘড়ি লোক পাঠাল পুরনিগম

0
Uttar pradesh New Rule: পোষ্য কামড়ালেই দিতে হবে জরিমানা! শীঘ্রই আসছে নয়া নিয়ম

Uttar pradesh New Rule: পোষ্য কামড়ালেই দিতে হবে জরিমানা! শীঘ্রই আসছে নয়া নিয়ম

0

World Kindness Day: আজ বিশ্ব সহানুভূতি দিবস, জানেন কেন এই দিন পালন করা হয়?

0
Chicken's Neck Security through triangular security grid across the Siliguri Corridor

শিলিগুড়ি করিডর ঘিরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা, কী পরিকল্পনা জানালেন অমিত শাহ

August 21, 2026
Bangladesh Tourist Safety amid increased scrutiny of hotels and lodges in central Kolkata after the August 19 accident

কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ল নজরদারি, হোটেল-লজে প্রশাসনের কড়া অভিযান

August 21, 2026
Sheikh Hasina Assassination Attempts and the history of attacks targeting Sheikh Hasina in Bangladesh

শেখ হাসিনাঃ আগুনপাখির ফিনিক্স

August 21, 2026
Indian Seafarers Hormuz Attack — Indian sailors taking cover inside a vessel during an attack in the Strait of Hormuz

হরমুজ প্রণালিতে হামলার মুখে ২১ ভারতীয় নাবিক, আতঙ্কের সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ

August 21, 2026

Recent News

Chicken's Neck Security through triangular security grid across the Siliguri Corridor

শিলিগুড়ি করিডর ঘিরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা, কী পরিকল্পনা জানালেন অমিত শাহ

August 21, 2026
Bangladesh Tourist Safety amid increased scrutiny of hotels and lodges in central Kolkata after the August 19 accident

কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ল নজরদারি, হোটেল-লজে প্রশাসনের কড়া অভিযান

August 21, 2026
Sheikh Hasina Assassination Attempts and the history of attacks targeting Sheikh Hasina in Bangladesh

শেখ হাসিনাঃ আগুনপাখির ফিনিক্স

August 21, 2026
Indian Seafarers Hormuz Attack — Indian sailors taking cover inside a vessel during an attack in the Strait of Hormuz

হরমুজ প্রণালিতে হামলার মুখে ২১ ভারতীয় নাবিক, আতঙ্কের সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ

August 21, 2026
বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

সুব্রত আচার্য

প্রকাশক ও সম্পাদক

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version