তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার পর প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভোটপ্রক্রিয়া, এসআইআর, কেন্দ্রীয় বাহিনী, দলের সাংগঠনিক নির্বাচন, সংবিধানের মৌলিক অধিকার এবং নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন—একাধিক বিষয়। একই সঙ্গে তিনি তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকেও।
‘এত ভয় কেন’, প্রশ্ন মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের শুরুতেই উঠে আসে নির্বাচন নিয়ে তাঁর তীব্র প্রশ্ন। তাঁর অভিযোগ, কারচুপি এবং প্রতারণার মাধ্যমে জয় পাওয়ার পরও যদি এত ভয় থাকে, তাহলে সেই ভয়ের কারণ কী—এই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়েছে এবং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে।
নির্বাচন ঘিরে তাঁদের অবস্থান নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বলেন, তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা দেশের স্বার্থে এবং জনগণের স্বার্থেই নিয়েছেন।
সঞ্চিতা দে প্রধান নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। পরে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
দলের নাম কেন তৃণমূল কংগ্রেস, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দলের তৃণমূল স্তর থেকে সাংগঠনিক নির্বাচন করা হয়। ব্লক স্তর থেকে জেলা স্তর পর্যন্ত সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হয়। সেই কারণেই দলের নামের সঙ্গে ‘তৃণমূল’ শব্দটির সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলের কর্মীরা সারা রাত কেঁদেছেন। তাঁর অভিযোগ, একদিকে তাঁর দলের কর্মীদের মধ্যে যখন গভীর আঘাত ও হতাশা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গেই তিনি ‘মায়ের কাছ থেকে সন্তানকে কেড়ে নেওয়া’র সঙ্গে বিষয়টির তুলনা করেন। নন্দীগ্রামের ঘটনাও এর মধ্যেই নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সঞ্চিতা দে প্রধান মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
#mamataBanerjee #rytabratabanerjee #rytabratacamp #trinamoOlcongress #tmcsymboldispute #electioncommission #westbengalpolitics #mamatabanerjeestatement #tmcsymbol













