Sheikh Hasina Interview: ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেছেন শেখ হাসিনা। গ্রেফতার, নির্যাতন এমনকি প্রাণহানির সম্ভাবনা জেনেও কেন ফিরতে চান তিনি, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী এবং বিএনপি-জামায়াত নিয়ে কী বললেন—সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিও।
ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার কথা আগেই জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে ঠিক কোন দিনে, কোন সময়ে তিনি দেশে ফিরবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানাননি। সেই প্রত্যাবর্তনের পথে গ্রেফতার, নির্যাতন, এমনকি প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে—এ কথা জেনেও কেন দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি? ১০ সেপ্টেম্বরের আনন্দবাজার পত্রিকার, ২০২৬ মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নেরই বিস্তারিত উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানিয়েছেন, বিমান বা সড়ক—যে পথেই তিনি বাংলাদেশে যান না কেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, কোনও অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন অত্যাচার করা হতে পারে, এমনকি দেশে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে—এই সমস্ত সম্ভাবনা তিনি জানেন। তবু দেশের মানুষের বর্তমান শোচনীয় পরিস্থিতি এবং তাঁদের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই তাঁর দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ের দলীয় কাঠামো, তারেক রহমানের ভারত সফর না করা এবং বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা।
‘সব দিক বিবেচনা করেই ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনাকে প্রশ্ন করা হয়, ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফেরার কথা তিনি জানিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার থেকেও ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে জেনেও কেন তিনি এত বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন?
জবাবে শেখ হাসিনা জানান, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তিনি কোনও আবেগের বশে নেননি। সমস্ত দিক বিবেচনা করেই এবং কী ধরনের বিপদ হতে পারে তা জেনেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, তিনি যে পথেই যান না কেন—বিমানে অথবা সড়কপথে—তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। এমনকি তাঁর সঙ্গে যে কোনও ঘটনা ঘটতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে। আবার তাঁকে কোনও অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন অত্যাচারও করা হতে পারে। এই সমস্ত সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি খুব ভাল করেই অবগত বলে জানিয়েছেন।
তাহলে এত আশঙ্কার পরেও কেন দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত? শেখ হাসিনার উত্তর, দেশের মানুষের বর্তমান শোচনীয় পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। মানুষ যেভাবে কষ্ট পাচ্ছেন, তা দেখে তিনি আর দূরে থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন—এই ভাবনা থেকেই তাঁর ফেরার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।
গ্রেফতার হলে আওয়ামী লীগ চলবে কী ভাবে? কী বললেন শেখ হাসিনা
সাক্ষাৎকারে তাঁকে আরও প্রশ্ন করা হয়, মানুষের স্বার্থেই যদি তাঁর দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়া প্রয়োজন হয়, তা হলে বাংলাদেশে ফেরার পর যদি তাঁকে গ্রেফতার করা হয়, তখন আওয়ামী লীগ পরিচালনা করবেন কে? দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য কোনও পরিকল্পনা রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে।
এর উত্তরে শেখ হাসিনা দলের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাঠামোর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, যুগ যুগ ধরে আওয়ামী লীগের একটি নির্দিষ্ট কাঠামো রয়েছে। দলের সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তী নেতৃত্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি দল পরিচালনা করেন। এই নিয়ম তাঁর নিজের তৈরি নয় বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় থেকেই এই ব্যবস্থা চলে আসছে।
এই প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা তাঁর নিজের দেখা ইতিহাসের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ১৯৫৮ সালে প্রথম সামরিক আইন জারি হওয়ার পর সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগের উপরেও সেই নিষেধাজ্ঞা নেমে এসেছিল। পরে ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগকে আনুষ্ঠানিক ভাবে পুনরুজ্জীবিত করা হয় এবং নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
এর পর ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনের মাঠে নামার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে সাক্ষাৎকারে জানান শেখ হাসিনা। সেই সময় দলের যে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তিনিই দলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানান তিনি। শেখ হাসিনার বক্তব্য, ঘটনাটি তাঁর নিজের চোখে দেখা।
তিনি আরও জানান, তাঁদের বাড়িতেও দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়েছে। এই প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং তিনি দলের এই কাঠামোয় পরিবর্তন আনেননি বলে দাবি করেন। দলের সংবিধানেও নেতা অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তী ব্যক্তি দায়িত্ব নেবেন, অথবা প্রয়োজন হলে সকলে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন—এমন ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৫ অগস্টের সাংবাদিক বৈঠক নিয়ে তারেক রহমানকে নিয়ে কী বললেন?
সাক্ষাৎকারে ৫ অগস্টের সাংবাদিক বৈঠকের প্রসঙ্গও ওঠে। প্রশ্ন করা হয়, ওই সাংবাদিক বৈঠকের জেরে বাংলাদেশের বিএনপি সরকার বেঁকে বসেছে কি না এবং আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে আসেননি—এই ঘটনাকে শেখ হাসিনা কী ভাবে দেখছেন?
জবাবে শেখ হাসিনা এই যুক্তিকে ‘হাস্যকর অজুহাত’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর প্রশ্ন, তিনি কি এতটাই শক্তিশালী হয়ে গিয়েছেন যে তাঁর একটি সাংবাদিক বৈঠকের কারণে কোনও দেশের সরকারপ্রধান প্রতিবেশী দেশে আসতে পারবেন না?
এর পর নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি জানান, ২০০৭ সালে কুশাসন, জঙ্গি উত্থান, গ্রেনেড হামলা এবং দুর্নীতির পরিস্থিতির মধ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই সময় তারেক রহমান স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত ভাবে জানিয়েছিলেন যে তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন না এবং পরে লন্ডনে চলে যান।
শেখ হাসিনার দাবি, তার পরবর্তী ১৭ বছর তারেক রহমান লন্ডনে থেকেই দল পরিচালনা করেছেন। দলের পদ নিয়েছেন, জনসভা পরিচালনা করেছেন এবং দলের সভাপতিত্বও করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু সেই সময়ে ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল বলেই জানান শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, সরকারি এবং ব্যক্তিগত সফরে তিনি বার বার ব্রিটেনে গিয়েছেন। কিন্তু কখনও ব্রিটিশ সরকারকে তিনি এমন কোনও চিঠি লেখেননি যে তাদের দেশে বসে তারেক রহমানের রাজনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ করতে হবে।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে আন্দোলন শুরু হওয়ার সময় লন্ডন থেকে ‘লাশ ফেলো, সরকার পড়ে যাবে’ ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে পরে রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজে সরকারে ছিলেন। কিন্তু তখনও ব্রিটিশ সরকারকে তিনি বলেননি যে তাদের দেশে বসে এই ধরনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
জামায়াতের উত্থান নিয়ে প্রশ্ন, বিএনপি-জামায়াতের সমীকরণ নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য
সাক্ষাৎকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতের পরিসর বাড়ছে কি না এবং বিএনপি ও জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণকে তিনি কী ভাবে দেখছেন।
জবাবে শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে জামায়াত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী ছিল এবং আলবদর ও রাজাকার বাহিনী গঠনের সঙ্গে তাদের ভূমিকা ছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তারা পাকিস্তানের সহায়তায় গণহত্যা চালিয়েছিল এবং গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল।
শেখ হাসিনা জানান, স্বাধীনতার পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সংসদে আইন করা হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। অন্য দিকে, ১৯৭৫ সালে তাঁর বাবা, মা এবং ভাইদের হত্যার ঘটনায় তিনি সাধারণ আইনের মাধ্যমেই বিচার করেছিলেন বলে জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই ঘটনায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ব্যবহৃত আলাদা ট্রাইব্যুনাল ব্যবহার করা হয়নি।
এর পর নিজের বিরুদ্ধে চলা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, পরে ট্রাইব্যুনালকে পুনরুজ্জীবিত ও সংশোধন করে তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে বিচার দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই বক্তব্য সম্পূর্ণ ভাবেই শেখ হাসিনার নিজস্ব দাবি হিসেবে সাক্ষাৎকারে এসেছে।
আর এখানেই সাক্ষাৎকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মন্তব্যটি করেন তিনি। বিএনপি এবং জামায়াতের সম্পর্ক নিয়ে তাঁর সরাসরি বক্তব্য:
“বিএনপি এবং জামাত আলাদা কিছু নয়, তাদের মধ্যে তফাত নেই।”
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বিএনপি এবং জামায়াতের রাজনৈতিক সম্পর্ক, মতপার্থক্য এবং সম্ভাব্য সমীকরণ নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। শেখ হাসিনা সেই জায়গাতেই দুই দলের মধ্যে কোনও মৌলিক পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন। এটি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং সাক্ষাৎকারে দেওয়া বক্তব্য হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।
দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথাই বার বার বললেন
পুরো সাক্ষাৎকারের দিকে তাকালে একটি বিষয় বার বার সামনে আসে—বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তার চেয়ে দেশের মানুষের পরিস্থিতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।
তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশে ফিরলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি অবগত। গ্রেফতার, অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতন, এমনকি প্রাণহানির আশঙ্কার কথাও তিনি নিজেই উল্লেখ করেছেন। তবু তাঁর বক্তব্য, দেশের মানুষের কষ্টের পরিস্থিতি দেখে তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অন্য দিকে, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো নিয়েও তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে কোনও একজন নেতার অনুপস্থিতিতে দল অচল হয়ে পড়বে না। বঙ্গবন্ধুর সময় থেকে দলের মধ্যে নেতৃত্বের উত্তরাধিকার এবং দায়িত্ব হস্তান্তরের কাঠামো রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। নিজের চোখে দেখা ১৯৬৬ সালের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, শীর্ষ নেতৃত্ব অনুপস্থিত থাকলেও দলের পরবর্তী নেতৃত্ব দায়িত্ব পালন করতে পারে।
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানেও নিজের রাজনৈতিক অতীত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে তুলেছেন। আর জামায়াতের প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি।
সব মিলিয়ে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা, দেশের মানুষের পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো, তারেক রহমানের ভারত সফর এবং বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক সমীকরণ—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তবে তিনি এখনও বাংলাদেশে ফেরার নির্দিষ্ট দিন বা সময় ঘোষণা করেননি।
সূত্র: [প্রতিবেদন টি ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত]
#sheikhhasinainterview #sheikhhasina #bangladeshpolitics #sheikhhasinareturn #awamileague #bnp #jamaat #bangladeshpolitics2026














