Tarique Rahman US Visit: ঢাকা ট্রিবিউনের ২১ সেপ্টেম্বরের ডিজিটাল প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে মানুষের জন্য কাজ এবং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সফর হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদি আমিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের মূল লক্ষ্য কোনও আনুষ্ঠানিক আড়ম্বর নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ ও দেশের স্বার্থকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। মাত্র ছয় দিনের সফরে চার দিন ধারাবাহিক বৈঠক, জাতিসংঘের কর্মসূচি ও কূটনৈতিক ব্যস্ততায় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে মানুষের জন্য কাজ এবং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার সফর হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদি আমিন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই সফরে আড়ম্বর বা ক্ষমতা প্রদর্শনের পরিবর্তে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ২১ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক সমাজমাধ্যমের পোস্টে মাহদি আমিন সফরের সময়কাল, সফরসঙ্গীর সংখ্যা এবং কর্মসূচির ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুরো সফর হবে ছয় দিনের। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ও ফেরার জন্য দু’দিন এবং মূল কর্মসূচির জন্য হাতে থাকবে মাত্র চার দিন। এই চার দিনে একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ব্যস্ততা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সরকারি ভাবে সফরসঙ্গী ৩৫ জন, ১৫ জন মন্ত্রী-উপদেষ্টা
মাহদি আমিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি ভাবে সফরসঙ্গী থাকছেন মোট ৩৫ জন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জন হলেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিশেষ সহকারী। বাকি ব্যক্তিরা নিরাপত্তা, সংবাদমাধ্যম এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের মতো প্রয়োজনীয় কাজে যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সফরসঙ্গীর সংখ্যা নিয়েও মাহদি আমিন তাঁর বক্তব্যে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, সফরটি সীমিত সংখ্যক সরকারি সফরসঙ্গী নিয়েই সম্পন্ন হবে। ৩৫ জনের এই তালিকায় একদিকে যেমন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা রয়েছেন, তেমনই সফরের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, সংবাদমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব সামলানোর জন্য প্রয়োজনীয় কর্মীরাও রয়েছেন।
তাঁর বক্তব্যে এই সফরের ধরন বোঝাতে দুটি বিষয়কে পাশাপাশি রাখা হয়েছে। একদিকে তিনি বলেছেন, এটি আড়ম্বর প্রদর্শনের সফর নয়; অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বৈঠক ও কূটনৈতিক কর্মসূচিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। সেই বক্তব্যের সঙ্গে মিল রেখেই ছয় দিনের সফরে সীমিত সরকারি সফরসঙ্গীর বিষয়টি সামনে এনেছেন তিনি।
‘আড়ম্বর নয়, মানুষের জন্য কাজ; ক্ষমতা প্রদর্শন নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা’
মাহদি আমিন তাঁর বক্তব্যে সফরের উদ্দেশ্য বোঝাতে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “আড়ম্বর অনুষ্ঠান নয়; মানুষের জন্য কাজ। ক্ষমতা প্রদর্শন নয়; বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ এবং দেশের স্বার্থ।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি তারেক
মাহদি আমিন তাঁর সমাজমাধ্যমের পোস্টে বাংলাদেশের জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্বের পারিবারিক ধারার কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাঁদের সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তিনি বলেছেন, একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের কথা, দেশের স্বার্থ, সরকারের নীতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন। এই বিষয়টিকেও তিনি সফরের একটি বিশেষ দিক হিসেবে তুলে ধরেছেন।
#TariqueRahmanUSVisit #TariqueRahman #USVisit #BangladeshPrimeMinister #UNGA #BangladeshDiplomacy #BangladeshInterests #DiplomaticEngagements #TariqueRahmanUNGA














