Tag: Weather

  • Weather Update: গুমোট গরমে দাঁড়ি, বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়, ৪-৪ টে ঘূর্ণাবর্তের এফেক্টে ভাসবে বাংলা?

    Weather Update: গুমোট গরমে দাঁড়ি, বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়, ৪-৪ টে ঘূর্ণাবর্তের এফেক্টে ভাসবে বাংলা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: দু-দুটো ঘূর্ণাবতে বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়। তুমুল বৃষ্টিতে ভিজবে কোন কোন জেলা? আবহাওয়ার মুড সুইংয়েই বড় বিপদ? কোথায় কোথায় জারি রেড অ্যালার্ট? বর্ষা ভুলিয়ে দিয়েছে অগাস্ট, সেপ্টেম্বরের শুরুতেই ভাসবে উত্তর থেকে দক্ষিণ। গুমোট গরম নাকি ঝড় বৃষ্টিতে নাজেহাল অবস্থা? পুরো এক সপ্তাহের মেগা আপডেট জানেনিন। সাইক্লোনিক সার্কুলেশনের জের। একেবারে দমবন্ধ হাঁসফাঁস অবস্থা৷ এর মধ্যেই ১লা সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়ায় বড় বদল। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে।শু ধু গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ বললে ভুল হবে, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়ও বজ্র-বিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির চান্স রয়েছে।

    ২রা সেপ্টেম্বর মানে শনিবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ফের একবার বাড়তে চলেছে। বৃষ্টি চলবে ৩ তারিখ রবিবার পর্যন্ত। রবিবারের পর অন্যান্য জেলায় বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে এলেও, সোমবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যে বৃষ্টি চলবে ৭ তারিখ মানে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। কলকাতা, দুই ২৪ পরগণা, হুগলি, দুই বর্ধমান, দুই মেদিনীপুর রয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের তালিকায়। আর, পশ্চিমের জেলাগুলা অর্থাৎ বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কিন্তু, কয়েকদিন এর ভ্যাপসা গরমের মাঝেই হঠাৎ আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনা? জোরালো কারণ আছে।

    মৌসুমী অক্ষরেখা হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থান করছে, সঙ্গে দুদুটো ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে বঙ্গোপসাগরে। উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত রয়েছে একটি সাইক্লোনিক সার্কুলেশন, যা মধ্য ট্রপোস্ফিয়ার স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও একটি সাইক্লোনিক সার্কুলেশন রয়েছে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশের কাছে, যা লোয়ার ট্রপোস্ফিয়ার স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত। না এখানেই শেষ নয়। ৪ঠা সেপ্টেম্বর উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে আরও একটি নতুন ঘূর্ণাবর্ত। একইসাথে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় থাকবে মৌসুমি অক্ষরেখা। এছাড়াও একটা উত্তর দক্ষিণ নিম্নচাপ অক্ষরেখাও তৈরি হতে পারে। তাহলে কী এই কারণেই বাংলার আবহাওয়ায় আমূল পরিবর্তন?

    হ্যাঁ আবহাওয়ার এই ভোলবদল এর নেপথ্যে আলিপুর আবহাওয়া দফতর নতুন করে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের এফেক্টকেই দায়ী করছে। কিন্তু, এতোকিছুর পরেও দক্ষিণবঙ্গে আপাতত তাপমাত্রা কমার কোনও পূর্বাভাস নেই। আদ্রতা জনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি চলবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার সহ পার্বত্য বঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলোতে আকাশ থাকবে মেঘলা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে, উত্তরবঙ্গেও আগামী ৫ দিনে তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। কিন্তু, দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: অক্ষরেখা-ঘূর্ণাবর্তের ডবল এফেক্ট! জাত চেনাবে বর্ষা ? সোমবারেই আবহাওয়ার ভোলবদল

    Weather Update: অক্ষরেখা-ঘূর্ণাবর্তের ডবল এফেক্ট! জাত চেনাবে বর্ষা ? সোমবারেই আবহাওয়ার ভোলবদল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: জোড়া অক্ষরেখা আষ্ঠেপৃষ্ঠে ঘিরে রেখেছে বাংলাকে। দোসর জুটেছে বাংলাদেশের ঘূর্ণাবর্ত। সোমবার থেকেই আবহাওয়ার ভোলবদল? আগের সব রেকর্ড ভেঙে কোন কোন জেলা কাঁপাবে বৃষ্টি? রেড অ্যালার্ট নাকি ভ্যাপসা গরম? ভেসে যাবে উত্তরবঙ্গ? এই অগাস্ট কতটা টেনশনের? জুলাইকে ভুলে যান, জাত চেনাবে বর্ষা? সকাল থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি। হালকা-মাঝারি থেকে ভারী। অগাস্ট মাসে বৃষ্টির ফাঁড়া কাটছে? কী বলছে হাওয়া অফিস? রবিবারেও কলকাতা ও আশপাশের এলাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুত সহ বৃষ্টি।

    সপ্তাহের শুরু থেকে শেষ? কমবেশি বৃষ্টি হয়েই চলছে। এর কারণ কী? জানিয়ে রাখি, মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর পাটনা হয়ে দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া এবং দীঘার উপর দিয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে, বড় আপডেট হলো এই মুহূর্তে মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গ থেকে সরছে। অবস্থান পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প বঙ্গোপসাগর থেকে স্থলভাগের ওপরে আসার কারণে সপ্তাহের শুরু থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। যার দরুন বঙ্গোপসাগর থেকে শক্তিশালী আর্দ্রতা বয়ে আসছে রাজ্যে। এর জেরেই চলছে বৃষ্টি। কিন্তু বৃষ্টি থামতেই ফের আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি শুরু হবে বাড়বে ভ্যাপসা, অস্বস্তিকর গরম। আপাতত তাপমাত্রা না বাড়লেও, দিন দুই-তিন পর থেকে ফের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

    সোমবারই ঘটবে বড় বদল। সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। তারপরই ধীরে ধীরে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। উত্তরেও ঘুরবে আবহাওয়া। রবিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলতে পারে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা গুলিতে। মোট কথা, লাগাতার বৃষ্টিতে উত্তর থেকে দক্ষিণ ভেসে যাচ্ছে। তাহলে জুলাইয়ের বর্ষার যে কার্পণ্য, অগাস্ট মাস সেই সাধ মিটিয়ে দেবে? অগাস্ট মাসে কি তবে বৃষ্টির ফাঁড়া কাটছে? হাওয়া অফিসের মতে, অগাস্ট মাসে মোট ৩৪০ মিমি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা। যেটাকে অগাস্ট মাসের বৃষ্টির পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্বাভাবিক হিসেবেই ধরছেন আবহাওয়াবিদরা। অগাস্ট মাস জুড়ে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখছেন তাঁরা।

    উল্লেখ্য, আগস্ট মাসের শুরু থেকেই নিম্নচাপ ও মৌসুমি অক্ষরেখা অনুকূল অবস্থানের জন্য দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বাড়ে। স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের তুলনায় মোট বৃষ্টির পরিমাণ ১৮ শতাংশ পর্যন্ত কম হলেও তা ঘাটতি হিসেবে ধরা হয় না। ১-১৮ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই ১৮ শতাংশ ঘাটতি হয়নি। শুধু মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, বীরভূম, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা কম বৃষ্টি হয়েছে। বাকি সব জেলায় বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের থেকে বেশিই। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় স্বাভাবিকের থেকে ৫২ ও ৪২ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বাংলার কপালে বড় দুর্যোগ ? জুন-জুলাইও ডাহা ফেল, তাপমাত্রা কমবে হুড়মুড়িয়ে

    Weather Update: বাংলার কপালে বড় দুর্যোগ ? জুন-জুলাইও ডাহা ফেল, তাপমাত্রা কমবে হুড়মুড়িয়ে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আবহাওয়ায় বড় বদল। বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝেঁপে বৃষ্টি, ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ? কবে থেকে হুড়মুড়িয়ে কমবে তাপমাত্রা? ৯০-৯৫ শতাংশ বৃষ্টি অগাস্টে, বর্ষার ঘাটতি মেটাতে গিয়েই বড় বিপদ? জুন-জুলাই ও ফেইল করবে চলতি মাসে। কি জানালো হাওয়া অফিস? বানভাসি হওয়ার পূর্বাভাস? কতটা রিস্কে বাংলা? ভারতের পরিস্থিতিই গরম আর আদ্রতা জনিত অসস্তিতে যখন নাজেহাল অবস্থা তখন হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে বৃষ্টি, কমবে তাপমাত্রা। কিন্তু কবে ঘটবে আবহাওয়ার এই বিরাট বদল? সারা দিনে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরম কমছে না।

    জানা যাচ্ছে, বাতাসে রয়েছে জলীয় বাষ্প, তাই দক্ষিণবঙ্গে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি! রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েকটি জেলায় রবিবার থেকে বাড়বে বৃষ্টি। সোমবার থেকে দু’তিন ডিগ্রি নামবে তাপমাত্রা। বৃষ্টিও হবে তেমনই।

    দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    সোমবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলায়। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। রেহাই নেই উত্তরবঙ্গের ও। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। বুধবার ৯ অগাস্ট থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে উত্তরবঙ্গে।

    তাহলে কী সব ঘাটতি মেটাবে অগাস্ট?

    জুলাইয়ে বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছিল কলকাতায়। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে কলকাতায় বৃষ্টির ঘাটতি ছিল ৪৫ শতাংশ। যা সাত বছরে শুষ্কতম জুলাই ছিল। জুনে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩৮ শতাংশ। অগাস্টে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা জাগিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    চলতি মাসে কলকাতায় স্বাভাবিক বৃষ্টির পরিমাণ ৩৭২ মিমি। জুন এবং জুলাইয়ে ব্যাপক ঘাটতির পরে অগস্টে স্বাভাবিকের কাছাকাছি কলকাতা বৃষ্টি পাবে বলে আশা করছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অতি গভীর নিম্নচাপের কারণে এমনিতেই এই মাসের শুরুটা ভালো হয়েছে। এরপর বৃষ্টি কমলেও জুলাইয়ের মত পরিস্থিতি হবে না। তাছাড়া প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, বিহারে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে আগামী চার পাঁচ দিন অরুণাচল প্রদেশ, অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, মণিপুর, ত্রিপুরায়। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মধ্যপ্রদেশ, কঙ্কন, গোয়া, মধ্য মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং দিল্লিতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভয়ানক বর্ষা! কোথায় তলিয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ? মহাকাল ঘিরে তোলপাড়। প্যালপিটিশন বাড়াচ্ছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    ভয়ানক বর্ষা! কোথায় তলিয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ? মহাকাল ঘিরে তোলপাড়। প্যালপিটিশন বাড়াচ্ছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    তলিয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশ? ফুঁসছে শিপ্রা, চলছে নাগাড়ে বৃষ্টি, দুর্যোগে উজ্জয়িনী। বড় রিস্কে মহাকাল মন্দির। ভাসছে জ্যোতির্লিঙ্গ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়। ২০১৫-র স্মৃতি ফিরছে? টেনশন বাড়াচ্ছে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস। ছুটি স্কুল, কলেজ। বর্ষার দাপট দেশজুড়ে। রাজ্যে রাজ্যে সতর্কতা জারি। হিমাচল, উত্তরাখন্ড, দিল্লির পর মধ্যপ্রদেশে খেল দেখাচ্ছে বৃষ্টি। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে? বোঝা দায়।

    শুক্রবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শিপ্রা নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে গোটা মধ্য প্রদেশ জুড়ে। তার জেরেই জলমগ্ন মহাকাল মন্দির। ওই রাত থেকেই মন্দিরে হু হু করে নদীর জল ঢুকতে শুরু করে। ঝম ঝম করে মন্দিরের ভিতর বৃষ্টি পড়ছে। ভেসে গিয়েছে মহাকাল জ্যোতির্লিঙ্গের আশপাশের স্থল। রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ভক্তদের মধ্যে। জলমগ্ন মহাকাল মন্দিরের এমনই একটা ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। তবে, ওই ভিডিও ২০১৫ র স্মৃতি ফেরাচ্ছে। সেবার ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মহাকাল মন্দিরের গর্ভগৃহে জল ঢুকে গিয়েছিল।

    এর মধ্যেই মৌসম ভবন যা জানিয়েছে, তাতে মোটামুটি ঘুম উড়ে যাওয়ার জোগাড়। পূর্বাভাস, উজ্জয়িনী-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে। লিস্টে রয়েছে সীহোর, নর্মদাপুরম, বেতুল, হরদা,‌ খরগোন, ইনদোর, রতলাম, উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, জবলপুর, আগর-মালওয়া। ভোপাল, রায়সেন, রাজগড়, ছিন্দওয়াড়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৩৯টি জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। উজ্জয়িনীতে ভারী বৃষ্টির কারণে স্কুল, কলেজ অলরেডি ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আসলে, বঙ্গোপসাগর, উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ, দক্ষিণ ওড়িশায় মৌসুমী অক্ষরেখা অবস্থান করছে। যার প্রভাব মধ্যপ্রদেশেও পড়ছে। শুধু মধ্যপ্রদেশ? বর্ষার দাপট দেশজুড়ে। উত্তর, পশ্চিম, মধ্য এবং পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যেই প্রবল বর্ষণ চলছে। যমুনা নদীর জলস্তর বেড়ে বন্যায় ভাসছে দিল্লি। মহারাষ্ট্রে নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে বন্ধ করা হয়েছে একাধিক এলাকার স্কুল, জারি হয়েছে লাল এবং কমলা সতর্কতা। তুমুল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস গুজরাটেও, জারি লাল সতর্কতা। উত্তরাখণ্ডে ধসের আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি। হিমালচল প্রদেশ, লাদাখ, জম্মু ও শ্রীনগরেও ধসের আশঙ্কা রয়েছে। বাদ নেই উড়িষ্যাও। এমনকি অসম মেঘালয়েও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত দিয়েছে মৌসম ভবন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ৯৬ ঘন্টা পর গভীর নিম্নচাপের ফাঁড়া, বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা? ঘূর্ণাবর্ত- অক্ষরেখার ডবল এফেক্টে জেরবার ভারত

    ৯৬ ঘন্টা পর গভীর নিম্নচাপের ফাঁড়া, বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা? ঘূর্ণাবর্ত- অক্ষরেখার ডবল এফেক্টে জেরবার ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হাতে মাত্র ৯৬ ঘন্টা! সাগরে তুমুল শক্তি বাড়াচ্ছে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণাবর্ত আর মৌসুমি অক্ষরেখার সাঁড়াশি এফেক্টে কতটা নাকাল বাংলা? ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে কোন কোন জেলা? কতটা রিস্কে অন্ধ্র ওড়িশা? হুহু করে তাপমাত্রার পতন? আবহাওয়ার বড় বদল! বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন? হাওয়া অফিসের সতর্কতা না জানলে ভুল হবে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে মধ্য পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল, যা অলরেডি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

    আগামী ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত নিম্নচাপ শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু তারপরেই শুরু হবে আসল খেলা। ৯৬ থেকে ১২০ ঘণ্টার মধ্যে ওই নিম্নচাপটা শক্তিবৃদ্ধি করবে। আগামী কয়েকটা দিনে নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে বলেই আশঙ্কা। সঙ্গে একটা মৌসুমি অক্ষরেখা জয়সলমীর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। কোটা, গুনা, দমোহ, রায়পুর, নিম্নচাপ অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে ওড়িশা, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর হয়ে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখাটি।

    এই দুইয়ের জোড়া ফলায় তুমুল বৃষ্টি হবে কোথায় কোথায়? অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, ছত্তীসগড়, তেলেঙ্গনায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষত অন্ধ্র ও ওড়িশার উপকূলে ভারী বৃষ্টিপাতের চান্স থাকছে। বাংলার উপকূলেও হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত। তবে, বঙ্গোপসাগরের সিস্টেমের এফেক্ট সেভাবে পড়বে না দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ক্ষীন। তবে বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েকদিন ধরে। সঙ্গে থাকবে ভ্যাপসা গরমও।

    মোদ্দা কথা, তাপমাত্রার খুব একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না। তবে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়তে পারে। বৃষ্টি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে। মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় না থাকায় উত্তরবঙ্গে খুব বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। ফলে, কখনও মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, কখনও ঝিরঝিরে বৃষ্টি, যেমনটা চলছে আপাতত এই আবহাওয়াই চলতে থাকবে উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র। ২২, ২৩ ও ২৪ জুলাই শনি, রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তেমন কোনও পূর্বাভাস নেই। কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে! আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে হাওয়া অফিস এর তরফে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়, বাংলায় আবহাওয়ার বড় বদল। খেল দেখাবে সক্রিয় বর্ষা?

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়, বাংলায় আবহাওয়ার বড় বদল। খেল দেখাবে সক্রিয় বর্ষা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে উথাল পাথাল। বাংলার কপালে বড় দুর্যোগের অশনি সংকেত। সক্রিয় বর্ষার নামেই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উঃ ভারত। কাকে বলে সক্রিয় বর্ষা? কবে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি কাটবে দঃ বঙ্গে? কোন কোন জেলায় খেলা দেখাবে বৃষ্টিপাত? ঘূর্ণাবর্ত থেকে শক্তিশালী নিম্নচাপ নিয়ে বড় আপডেট দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার গতিবিধি বাড়তে চলেছে। বর্ষাকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয় দুর্বল বর্ষা, স্বাভাবিক বর্ষা, সক্রিয় বর্ষা এবং অতি সক্রিয় বর্ষা। এখনো পর্যন্ত যা বৃষ্টি হওয়ার কথা দক্ষিণবঙ্গে তার অর্ধেক বৃষ্টি হচ্ছে। স্বাভাবিকের তুলনায় ৫০ শতাংশ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বৃষ্টি হলে সেটাকে স্বাভাবিক বর্ষা বলা হয়। ১৫০ শতাংশ থেকে ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বৃষ্টি হলে সক্রিয় বর্ষা। স্বাভাবিকের থেকে চার গুণ বেশি বৃষ্টি হলে সেটাকে অতি সক্রিয় বর্ষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

    দক্ষিণবঙ্গে আদ্রতা জনিত অস্বস্তি কয়েকদিনে বজায় থাকলেও এই মুহূর্তে আবহাওয়ার সবথেকে বড় আপডেট বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত, পরিণত হবে নিম্নচাপে। তাহলে কি অতি সক্রিয় বর্ষা প্রবেশ করছে দঃবঙ্গে? যখন উত্তর ভারত বন্যায় ভাসছে তখন নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে দক্ষিণবঙ্গেও দুর্যোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। যদিও, আতঙ্কিত হওয়ার মতো পূর্বাভাস নেই এখনও। বরং এই মুহূর্তে সবথেকে বড় প্রশ্ন সম্ভাব্য ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপের প্রভাবে কি অস্বস্তিকর আবহাওয়া থেকে রেহাই পাবে দক্ষিণবঙ্গ? হবে ভারী বৃষ্টি? যে ঘূর্ণাবর্ত বঙ্গোপসাগরে তৈরির পর নিম্নচাপে পরিণত হবে সেটার কতটা প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে পড়বে তা এখনই বোঝা যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    ওড়িশা নাকি দক্ষিণবঙ্গ কোথায় হবে ভারী বৃষ্টি? আজকের পর ছবিটা স্পষ্ট হবে। তবে আগামী দু থেকে তিন দিনে উত্তরবঙ্গে বর্ষার গতিবিধি কমে, দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের চারটি জেলা; উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া বেশিরভাগ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। আর দক্ষিণবঙ্গে আদ্রতা জনিত অসস্তি কমার প্রসঙ্গে হাওয়া অফিস বলছে। যতক্ষণ না সক্রিয় বর্ষা থাকছে ততদিন দক্ষিণবঙ্গে আদ্রতা জনিত অসস্তি থাকবে। ভারী বৃষ্টি না হওয়ায় মনোরম আবহাওয়া থাকবে না, তবে গুমোট ভাব কাটতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Tej: তেতে উঠছে বঙ্গোপসাগর, তেজের ভয়ে কাঁটা ভারত! রেহাই পাবেনা বাংলাও? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    Cyclone Tej: তেতে উঠছে বঙ্গোপসাগর, তেজের ভয়ে কাঁটা ভারত! রেহাই পাবেনা বাংলাও? আবহাওয়ার বড় আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    উত্তাল বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে তেজ। ভারতের কোন কোন রাজ্য তেজের রোষানলে? আইএমডি-র আশঙ্কায় ছুটছে ঘুম। বিধ্বংসী এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে কবে, কোথায়? কতটা শক্তিশালী এই সাইক্লোন? বাংলা কতটা সুরক্ষিত? দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি কবে থেকে? আগামী ৫ দিনে ভাসবে এই দুই রাজ্য। বিপর্যয় মোকাবিলায় কতটা এগিয়ে ভারত? রইল আবহাওয়ার ফ্রেশ আপডেট। পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তেজ। হাওয়া অফিস বলছে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে।

    রিস্ক বাড়ছে কোন কোন রাজ্যে?

    কেরালা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশে বিধ্বংসী আকার নিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডব চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে মৌসম ভবন। এর জেরে আগামী পাঁচদিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। কোন কোন রাজ্যে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস? মূলত বৃষ্টিপাত হতে পারে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে যাবে। অন্ধ্র প্রদেশের দক্ষিণের জেলাগুলিতে এই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব পড়বে, ভারী থেক অতিভারী বৃষ্টি হবে। তবে শুধু অন্ধ্র প্রদেশই নয়, ওডিষ্যার উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতেও নাগাড়ে বৃষ্টিপাত চলবে। উড়িষ্যার দক্ষিণের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি হলেও হালকা বৃষ্টি হবে অন্য জেলাগুলিতে। IMD-র তরফে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওডিশার আটটি জেলায়। তালিকায় রয়েছে ময়ূরভঞ্জ, কেওনঝড়, খান্দমহল, গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়, কোরাপুট, মালকনগিরি। আর, ওড়িশা লাগোয়াই বাংলা, মানে ঘূর্ণিঝড় তেজের প্রভাব যে বাংলায় পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    সময়ের সাথে সাথে এই ঘূর্ণাবর্ত হবে আরও শক্তিশালী। তবে, যে কোনও বিপর্যয় মোকাবিলায় অনেকটাই এগিয়ে ভারত, কারণ সাম্প্রতিক সময় এই দেশে বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামোর অনেকাংশেই উন্নতি হয়েছে। তার প্রমাণ ও মিলেছে বারংবার। কিছুদিন আগেই ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় তৈরি হয়েছিল। যার জেরেই দেশে বিলম্বিত হয়েছে বর্ষা। গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়েছিল এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। বৈঠক করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারেও পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হবে ব্যবস্থা। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে যখন, গুজরাত, রাজস্থান, পঞ্জাব, চন্ডিগড়, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশে, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে তখন দেশের অন্য প্রান্তের পরিস্থিতিটা কী? ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলাও? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, কলকাতায় মেঘ-রৌদ্রের মাঝে হতে পারে হালকা বৃষ্টিও। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: এবার বর্ষার অন্যরূপ দেখবে ভারত – বাংলাদেশ, জারি লাল কমলা সতর্কতা! বাড়ছে বন্যার জল

    Weather Update: এবার বর্ষার অন্যরূপ দেখবে ভারত – বাংলাদেশ, জারি লাল কমলা সতর্কতা! বাড়ছে বন্যার জল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: লাল কমলা সতর্কতা। এবার বর্ষা দেখাবে অন্যরূপ। জলতাণ্ডবে অতিষ্ট হয়ে উঠবে জীবন। ফল ভুগবে ভারত বাংলাদেশ। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ঠিক কোন কোন মাসুল গুনতে হবে দুই দেশকে? ইতিমধ্যেই বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে দুই দেশ। ভয়ঙ্কর হতে চলেছে এবারের বর্ষা। ঠিক কি বলছে আবহাওয়া দপ্তর?

    যদি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কথা বলা হয়, তাহলে কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে কিছুটা শান্তি। কিন্তু বড় ঝুঁকিতে রয়েছে উত্তরবঙ্গ। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সবথেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় জারি হয়েছে কমলা সতর্ক। আইএমডির সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিন বলছে, একটি ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পশ্চিম উত্তর প্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন নিম্ন ও মধ্য স্তরে অবস্থান করছে। ইতিমধ্যেই বর্ষা তার তান্ডব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে গুজরাতে। ডুবে গিয়েছে একাধিক এলাকা। জুনাগড়, জামনগর সহ প্রভৃতি এলাকায় অতিভারী বৃষ্টি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী আর স্থানীয় প্রশাসন একসঙ্গে উদ্ধার কাজ করছে। সব থেকে বেশি ভয়াবহ অবস্থা শহর এবং গ্রামাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলোতে।

    সব থেকে সমস্যার ব্যাপার হল, পূর্বাভাসের সঙ্গে আবহাওয়ার আচরণের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। ভারতের মহারাষ্ট্র, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, এবং গুজরাতে অতীতের থেকে এবারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেশি। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে সিকিম এবং আসামে। এছাড়াও হিমাচল প্রদেশ বিহারসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে তীব্র বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

    অপরদিকে সেই ঈদের দিন থেকেই বাংলাদেশে দিনভর বৃষ্টির জ্বালায় নাজেহাল ঢাকাবাসী। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই ভারী টানা বৃষ্টি এখনো এক সপ্তাহ চলবে। দেশটার বেশিরভাগ এলাকাতেই রাজ করছে মৌসুমী বায়ু। যদি বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে তাহলে কিন্তু আগামী কয়েকটা দিন আরো খারাপ হতে চলেছে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনার বহু এলাকার নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যেই প্লাবিত। উত্তরাঞ্চলেও ঠিক একই অবস্থা। সাধারণত জুলাই আর আগস্ট মাস বৃষ্টি বহুল মাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এবারের বর্ষার প্রথম থেকেই ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে। একে তো যানজটের সমস্যা রয়েইছে, তার উপর জল জমায় মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। তিস্তা সহ বেশ কয়েকটা নদীতে জলের পরিমাণ প্রায় বিপদ সীমার কাছে। প্লাবিত হয়েছে নদী সংলগ্ন নিম্নাচল, দ্বীপ চর আর চরের কিছু এলাকা। আবহাওয়ার হঠাৎ এমন খামখেয়ালিপনা কেন? কেনই বা বর্ষার শুরুতেই এই তাণ্ডব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে? আসলে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ বিস্তৃত হয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত। তাই ভারত এবং বাংলাদেশের উপর মৌসুমী বায়ু এখন বেশ সক্রিয়। তবে অবাক হবেন না। বৃষ্টির এই অপ্রত্যাশিত আচরণ কিন্তু শুধুমাত্র ভারত কিংবা বাংলাদেশে নয়। গোটা দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই দেখা দিয়েছে। তাপপ্রবাহের রেশ কাটতেই অতি বর্ষণ আর বন্যার আশঙ্কায় ভুগছে দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশ। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের নদ নদীতে জলে প্রবাহ অনেকটা বেড়েছে। আবার উজান থেকেও নামছে ঢল। যদি এখনই যথাযথ প্রস্তুতি না নেওয়া হয় তাহলে বন্যা হলে বড়সড়ক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

    পরিস্থিতি খারাপ হলেও বৃষ্টি থেকে আপাতত এখনই রেহাই মিলছে না। বৃষ্টি জারি থাকলে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। সবে তো বর্ষা শুরু। তাহলে গোটা বর্ষায় কি হতে পারে ভারত বাংলাদেশের? এই মুহূর্তে সপ্তাহখানেক না কাটলে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • El Nino: জুলাইয়ে খরা? বর্ষাকে গিলে খাবে “এল নিনো”! বড় রিস্কে ভারত

    El Nino: জুলাইয়ে খরা? বর্ষাকে গিলে খাবে “এল নিনো”! বড় রিস্কে ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    El Nino: “এল নিনো”র এফেক্টে কি শুরুতেই শেষ বর্ষা? সাবধান, খরা পরিস্থিতি ফিরছে। আপনি যা আশা করছেন তার থেকেও মারাত্মক হতে পারে “এল নিনো”। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সচেতন করেছিলেন অনেক আগেই। এল নিনো কী? ঠিক কি এফেক্ট পড়তে পারে? কতদিন অবধি থাকবে এল নিনো? বর্ষাতেই কী তীব্র হবে গরম? এল নিনোর এফেক্ট থেকে কি বাঁচতে পারবে ভারত? ভারতে বর্ষার চাষাবাদে কতটা এফেক্ট পড়তে পারে? কী বলছে আইএমডি? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    জাঁকিয়ে বসছে ভয়, শক্তিশালী এল নিনো নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চলতি বছর বর্ষার উপর বড় এফেক্ট ফেলতে পারে এল নিনো। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এল নিনোর প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে। পূর্ব ও উত্তর পশ্চিম ভারতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টি হবে। চলতি বর্ষাকালের শেষ অবধি এল নিনোর এফেক্ট পড়ার চান্স থাকছে। কিন্তু এই এল নিনো আসলে কী? এর প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে?

    • প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু মূলত ৩ টে ধাপের মাধ্যমে একটা চক্র অতিক্রম করে, যে চক্রকে বলা হয় এনসো চক্র।
    • এনসো চক্রের তিনটে ধাপ, তারমধ্যে একটা “এল নিনো”।
    • এল নিনো মূলত খরা পরিস্থিতি, শুষ্ক মৌসুম, যখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বৃষ্টি কম হয়, বন্যা কম হয়, এই সময় তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়।

    জেনে রাখুন, অলরেডি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রার একটা সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। দীর্ঘকালীন গড় তাপমাত্রা ওই সীমার ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওপরে গেলেই সেটা এল নিনো। ২০২৩ সালে এই এল নিনোরই প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে বলে দাবি গবেষকদের একাংশের। ইউএস ন্যাশনাল ওশিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তরফে বলা হচ্ছে, বছরের শেষভাগ অর্থাৎ শীতের দিকেও এল নিনো দাপট দেখাতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিতলের তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চরমভবাপন্ন আবহাওয়া তৈরি করতে পারে। যার ফলে ভারতে দুর্বল বর্ষা দেখা দিতে পারে। এল নিনোর ফলে বিশ্বের কোথাও চরম গরম আবার কোথাও খুব বর্ষণ দেখা দিতে পারে, বলছেন বিজ্ঞানীরা।

    এদিকে, ভারতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর বর্ষা। এই সময় মূলত ফসল উৎপাদন হয়। যার ওপর নির্ভর করে দেশের বড় অংশের অর্থনীতি। এই ৪ মাসের বৃষ্টি দেশের জলাধার, ভূগর্ভস্থ জলস্তর, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, সামগ্রিক অর্থনীতি ও জীবনযাপন পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ভারতের বর্ষায় এল নিনো প্রভাব ফেলে, তাহলে কৃষি সমেত বহু সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। না হাতে আর বেশি সময় নেই, এবার ভুগতে হবে। মনে করতে পারছেন কবে শেষ এই পরিস্থিতি দেখেছেন? শেষবার এল নিনোর প্রভাব দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। সেইবার প্রচণ্ড গরমের মুখে পড়তে হয়েছিল। ৭ বছর পর এল নিনোর কামব্যাকে তাপমাত্রা ফের রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে। তবে, বৃষ্টি কম হলেও খরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে না। চলতি বছর বর্ষা স্বাভাবিক হতে চলেছে বলে অলরেডি জানিয়েছে আইএমডি। যদিও বিজ্ঞানীরা কিন্তু বারবার সতর্ক করছেন, বলছেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে তা মোটেই যথেষ্ট নয়। বিপর্যয়কর উষ্ণায়ন এড়াতে আরও বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে হবে। নাহলে? পস্তাতে হবে। সবুজায়ন নষ্ট করার ফল ভুগতে হবে। পৃথিবীকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: সকাল থেকে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি! বর্ষা এল দক্ষিণবঙ্গে?

    Weather Update: সকাল থেকে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি! বর্ষা এল দক্ষিণবঙ্গে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি! দুর্যোগের আশঙ্কা হুহু করে কমছে তাপমাত্রা। তবে কি বর্ষা শুরু কলকাতায়? দক্ষিণবঙ্গের হাওয়ার বড় বদল শুরু। ভারী বৃষ্টিতে নাকাল হতে পারেন আপনিও, এই এই জেলায় হলুদ সর্তকতা। এর মধ্যে কি আপনার এলাকা রয়েছে? সপ্তাহের প্রথম দিনে আবহাওয়ার আপডেট জেনে নিন। কলকাতার ঘুম ভঙার আগে থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। শহরতলিও ভিজছে সকাল থেকে। বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগ। ঘন কালো আকাশ, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে জেলায় জেলায়। একটানা এই বৃষ্টি যেন বর্ষারই রূপ। তবে কি দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এল? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    আজ দিনভর কলকাতা ও আশেপাশের অঞ্চলে বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে এর সঙ্গে শহরে ৩০ থেকে ৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এছাড়া কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতেও আজ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর জেরে এই সবকটি জেলাতেই জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। তবে কি উত্তরবঙ্গের পর দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এল? প্রচন্ড গরম থেকে রেহাই মিলবে? কি বলছে আবহাওয়া দপ্তর?

    আজ থেকে সক্রিয় হবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
    দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি। প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু দক্ষিণবঙ্গে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে বৃষ্টি, আসবে স্বস্তি। এমনটাই অনুমান আবহাওয়াবিদদের। বৃহস্পতিবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকার অনুকূল পরিস্থিতি। উত্তরবঙ্গে পাঁচ দিন পরে বর্ষার প্রবেশ হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গে অবশ্য তার থেকেও দেরি হবে। উত্তরবঙ্গে ঝাঁপিয়ে বর্ষার বৃষ্টি। আগামী ৭২ ঘণ্টায় ওপরের দিকের জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি। আরো পাঁচ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে।

    সব জেলার জন্য সুখবর নেই। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, পশ্চিমের জেলাগুলি অর্থাৎ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে অস্বস্তি কমতে সময় লাগবে আরও বেশ কয়েকটা দিন এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কলকাতায় মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে। বৃহস্পতিবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। এদিন সকালে সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৯ ডিগ্রি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৯ থেকে ৯১ শতাংশ। এদিকে চলতি সপ্তাহ জুড়েই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

    দিল্লিতেও সোমবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত। ঝেঁপে বৃষ্টির পূর্বাভাস শোনাল আই এমডি। দেশের চারটি রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২২ জুন পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হবে। এই তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু, গুজরাট, কেরালা এবং গোয়া। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরার মতো উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম