Tag: pakistan

  • Christmas Day Celebration : বড়দিন পালিত হবে না পৃথিবীর এই দেশ গুলিতে, কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    Christmas Day Celebration : বড়দিন পালিত হবে না পৃথিবীর এই দেশ গুলিতে, কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Christmas Day Celebration : ২০২২ এবার শেষের পথে। আসতে চলেছে ২০২৩ । তবে তার মাঝে আরও এক আনন্দ উৎসবের পালা। চলতি মাসের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৫ তারিখে পালিত হবে বড়দিন। যীশু খ্রিস্টের জন্ম দিবস হিসেবে পালন করা হয় বড়দিন বা ক্রিসমাস। ক্রিসমাস ট্রি সাজানো থেকে শুরু করে সান্টাক্লজ, নানা স্বাদের কেক, বেকারির খাবার সামগ্রী সবকিছুর প্রস্তুতি এই বড়দিনকে ঘিরে। কিন্তু জানেন কি পৃথিবীর এমন কিছু দেশ রয়েছে যেখানে ক্রিসমাস পালন নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র এই বছরের জন্য নয় ওই দেশগুলিতে কখনই পালন করা হয় না বড়দিন।

    কিন্তু কেন ? এ প্রশ্ন মনে উঠতেই পারে। যেসব দেশে ক্রিসমাস নিষিদ্ধ সেই সমস্ত দেশের তালিকায় নাম রয়েছে আমাদের প্রতিবেশী দেশেরও। কিন্তু ঠিক কী কারনে ক্রিসমাস পালন করেন না সেই দেশবাসীরা ? চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন ক্রিসমাস তাদের কাছে আনন্দ উৎসব নয়।

    * পাকিস্তান : ২৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানে ক্রিসমাস পালন করা হয় না। সেই দিন ছুটি থাকে অবশ্য সরকারের তরফ থেকে কিন্তু এই ছুটি দেওয়া হয় যীশু খ্রিস্টের জন্ম দিবস এর জন্য নয় বরং পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ আলী জিন্নার জন্মদিন উপলক্ষ্যে। এই কারণেই পাকিস্তানীরা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনে বড়দিন পালন করেন না।

    * ভুটান : হিমালয়ের কোলে থাকা এই ছোট্ট দেশটি বড়দিন পালন করে না। কারণ এই দেশে বসবাসকারী মানুষের বেশির ভাগই হল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। খ্রিস্টান নেই তেমন নয় কিন্তু সংখ্যায় অনেক কম। সেই কারণে ভুটানে পালিত হয় না ক্রিসমাস। এমনকি জানলে রীতিমত অবাক হবেন যে তাদের ক্যালেন্ডারে ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস হিসেবে কোন উল্লেখই নেই।

    * আফগানিস্তান : এই দেশে ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস সব থেকে বেশি। এই কারণে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস পালন করে না আফগানিস্তানবাসী।

    * চিন : চিন সবদিক থেকেই যথেষ্ট উন্নতি করেছেন কিন্তু তাদের ক্যালেন্ডারেও ক্রিসমাস হিসেবে ২৫ ডিসেম্বর গুরুত্ব রাখে না। এই দিনটিও তাঁরা আর পাঁচটা সাধারন দিনের মতোই কাটান। এর পেছনে কারণ হিসেবে বলা যায় চিনারা কোনরকম ধর্মীয় আচার পালনকে বিশেষ গুরুত্ব দেন না। বর্তমানে সেই কারণেই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব ক্রিসমাস সেখানে মহাসমারহে পালন করা হয় না।

    * সোমালিয়া : এই দেশে রীতিমতো আইন করে ক্রিসমাস পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই দেশের প্রশাসনের তরফ থেকে ২০১৫ সালে ঘোষণা করা হয় কোন সোমালিয়ার বাসিন্দা বড়দিন পালন করতে পারবেন না এর নেপথ্যে রয়েছে ধর্মীয় কারণ।

    এই দেশগুলি ছাড়াও বিশ্বে এমন বহু দেশের অস্তিত্ব রয়েছে যেখানে ক্রিসমাস পালন করা হয় না। সেই তালিকায় নাম রয়েছে লিবিয়া, তুরস্ক, উজবেকিস্তান, ইরান, কম্বোডিয়া প্রভৃতির। অনেকেরই ধারণা ক্রিসমাস বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় কিন্তু আসলে এমনটা নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan-Russia Oil Deal: জ্বালানিতে রাশিয়ার থেকে ডিসকাউন্ট চাইল পাকিস্তান! কী জবাব দিল মস্কো?

    Pakistan-Russia Oil Deal: জ্বালানিতে রাশিয়ার থেকে ডিসকাউন্ট চাইল পাকিস্তান! কী জবাব দিল মস্কো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan-Russia Oil Deal: যুদ্ধের আবহেও রাশিয়া থেকে তেল নিয়েছে ভারত। এমনকি এর কারণে পশ্চিমি দেশগুলির আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে এ দেশকে। কিন্তু তা সত্বেও রাশিয়ার থেকে বিশেষ ছাড়ে জ্বালানি তেল নিয়েছে মোদী সরকার। আর তারই মাঝে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল চেয়েছে পাকিস্তান। শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, ভারতের রেটে যদি পাকিস্তানকে জ্বালানি বিক্রি করে রাশিয়া তবেই কিনবে সে দেশ। কিন্তু তাতে রাজি নয় মস্কো।

    ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্বালানি তেলে রাশিয়াকে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডিসকাউন্ট দিতে বলেছিল পাকিস্তান। সে দেশের পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী মুসাদ্দেক মালিক ও পেট্রোলিয়াম সচিব মহম্মদ মাহমুদ মস্কোয় একটি বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে রাশিয়ার কাছে এই ধরনের দাবি রাখেন তাঁরা। যা মানে নি রাশিয়া। উল্লেখ্য, পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল ২৯ নভেম্বর মস্কোতে তিন দিনের সফরে ছিল। আর এই সফরে দলটি রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তেলের মূল্য পরিশোধের প্রক্রিয়া, পরিবহন ব্যয় সহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেছে। যেখানে রাশিয়ান পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা আবেদন খতিয়ে দেখবে এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের দরুণ সিদ্ধান্ত জানাবে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ ছাড়ে শুধুমাত্র বড় বড় দেশকেই তেল বিক্রি করছে মস্কো। সেই দেশগুলি অর্থনৈতিক দিক থেকে স্থিতিশীল কিনা, সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখে তারপরেই তাদেরকে তেল দিচ্ছে রাশিয়া। আর সেদিক থেকে দেখতে গেলে, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। যে কারণেই রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে তেলের যে অর্ডার রয়েছে তার বাইরে এখন তারা তেল সরবরাহ করতে পারবে না। উল্টে সে দেশকে ‘স্ট্রিম গ্যাসলাইন প্রজেক্ট’-এর প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে বলে মস্কো।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan Army Chief: বাজওয়ার জায়গায় নতুন সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণা পাকিস্তানের, কে আসিম মুনির?

    Pakistan Army Chief: বাজওয়ার জায়গায় নতুন সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণা পাকিস্তানের, কে আসিম মুনির?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Army Chief: নয়া সেনাপ্রধান পেল পাকিস্তান। দেশের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল আসিম মুনিরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জেনারেল কামার বাজওয়ার থেকে এবার দায়িত্ব যাবে তাঁর হাতে। ২৯ নভেম্বর অবসর নিচ্ছেন বাজওয়া। সে দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জাকে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনিরকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে মুনিরের মেয়াদ বাজওয়ার অবসরের দু’দিন আগে শেষ হতে চলেছে। আর বর্তমান সেনাপ্রধান অবসর নেওয়ার আগেই কাকে সেই জায়গায় বসানো হবে, তার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিক থেকে এই নিয়োগ নিয়ে সমস্যা তৈরি করতে পারেন ইমরান খান। অন্ততপক্ষে রাজনৈতিক মহলের ধারণা এমনটাই। এমনিতেই ইমরান খানের সঙ্গে আসিমের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।

    ২০১৭ সালের প্রথমে সামরিক গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল মুনিরকে। ২০১৮-তে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর প্রধান হন তিনি। তবে বেশিদিন সেই পদ ধরে রাখতে পারেননি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবির পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন আসিম। আর তারপর মাত্র ৮ মাসের মধ্যেই তাঁকে আইএসআইয়ের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    পাকিস্তানের মাংলায় অবস্থিত অফিসার্স ট্রেনিং স্কুলের দরুন সেনাবাহিনীতে পা রাখেন আসিম মুনির। পরে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে মোতায়েন করা সেনা সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ফোর্স কমান্ড নর্দান এরিয়াসের কমান্ডার ছিলেন এই ব্যক্তিত্ব। একই সময়ে সেনাবাহিনীর এক্স-ফোর্সের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান সেনাপ্রধান। যার দরুন বাজওয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় মুনিরের। এবার পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁকে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে ঝামেলা করতে পারেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। এই মুহূর্তে একাধিক সমস্যার মোকাবিলা করছে পাকিস্তান। বিশেষজ্ঞদের কথায়, বিদায়ী সেনাপ্রধানের ঘনিষ্ঠ আসিম। সেক্ষেত্রে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের পথ অনুসরণ করবেন তিনি, তা বলা যায়।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan’s New Army Chief: পাকিস্তানের নতুন সেনা প্রধান হবেন আসিম মুনীর, নাম ঘোষণা শাহবাজ শরীফের

    Pakistan’s New Army Chief: পাকিস্তানের নতুন সেনা প্রধান হবেন আসিম মুনীর, নাম ঘোষণা শাহবাজ শরীফের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan’s New Army Chief: পাকিস্তান পাচ্ছে নতুন সেনাপ্রধান। বেশ কয়েকশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জল্পনা এবং গুজবের পর ২৪শে নভেম্বর বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ঘোষণা করলেন নতুন সেনাপ্রধানের নাম। এই পদে নিযুক্ত হবেন জেনারেল আসিম মুনীর (General Asim Munir)।

    পাকিস্তানের প্রথম সারির গণমাধ্যম ‘দ্য ডন’ এর সূত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল আসিম মুনীরের নাম ঘোষণা হয়েছে। চলতি মাসের শেষেই অবসর নেবেন দেশটির বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। তার আগেই পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করল নতুন সেনাপ্রধানের নাম। কামার জাভেদ বাজওয়া ২০১৬ সাল থেকে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আগামী মঙ্গলবার তাঁর কাজের মেয়াদ শেষ হবে। এর মাঝেই তীব্র জল্পনার ঝড় ওঠে যে পাকিস্তান সরকার হয়ত খুব দ্রুত নতুন সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণা করবেন। সেই গুঞ্জন সত্যি হল ২৪শে নভেম্বর।

    এই দৌড়ে বহুজনের নাম ছিল। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব ঘোষণা করেছেন, আসিম মুনীর দেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হবেন। বর্তমানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মুনীর পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরবর্তী সেনাপ্রধান হওয়ার দৌড়ে তিনি জেনারেলদের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র ছিলেন। জেনারেল বাজওয়ার অবসর নেওয়ার দুই দিন আগে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে তার মেয়াদ ২৭শে নভেম্বর শেষ হবে। তবে এখন তিনিই হবেন পরবর্তী সেনাপ্রধান। জেনারেল আসিম এর আগে আইএসআই ডিজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ফ্রন্টিয়ার ফোর্স রেজিমেন্ট থেকে এসেছেন।

    মরিয়ম আওরঙ্গজেব আরো বলেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জাকে জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি সৈয়দ আসিম মুনীরকে নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

    কীভাবে হয় নির্বাচন?

    পাকিস্তানের সংবিধানের অধীনে, রাষ্ট্রপতি নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ করেন তবে এটি একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা। কারণ রাষ্ট্রপতি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য। এর অর্থ বাস্তবে বাহিনী প্রধান নির্বাচনের অধিকার শুধু প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু পাকিস্তান সেনাবাহিনী একটি শক্তিশালী সংস্থা যা বেশিরভাগ সময় নিজেরা সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল বাজওয়ার অবসর নেওয়ার কয়েকদিন আগে পর্যন্ত নতুন সেনাপ্রধানের নামকে কেন্দ্র করে সাসপেন্স ছিল।

    নিয়ম হল সিনিয়র জেনারেলদের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই নামগুলি পর্যালোচনা করে। এই নামগুলি প্রত্যাখ্যান করে প্রধানমন্ত্রী আরও নাম চাইতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী নাম নির্ধারণ করলে, সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। যাতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করতে পারেন। শাহবাজ শরীফও তাই করেছেন। সামগ্রিকভাবে নিয়ম অনুযায়ী মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচন হয়। কিন্তু পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ হস্তক্ষেপের ইতিহাসের দিকে তাকালে বলা যায়, পাকিস্তানে সেনাপ্রধান শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয় না, বরং তা রাজনৈতিক নির্বাচন। জ্যেষ্ঠতার নিয়ম উপেক্ষা করে জুনিয়র জেনারেলকে সেনাপ্রধান করা হয়েছে অনেকবার।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Agni-3: নর্দান কম্যান্ডের প্রধানের চাঞ্চল্যকর দাবির পরই ‘অগ্নি-৩’ উত্ক্ষেপন, টার্গেট কী ভারতের?

    Agni-3: নর্দান কম্যান্ডের প্রধানের চাঞ্চল্যকর দাবির পরই ‘অগ্নি-৩’ উত্ক্ষেপন, টার্গেট কী ভারতের?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Agni-3: ‘অগ্নি ৩’ ব্যালিস্টিক মিশাইল নিয়ে ফেল হয়েছিল ভারত৷ ‘অগ্নি ৫’ থাকতে ‘অগ্নি ৩’ নিয়ে কেন হিটলিস্টে? ইন্ডিয়ান আর্মি গুনে গুনে বলে দিচ্ছে সীমান্তে লঞ্চপ্যাডে জঙ্গি সংখ্যা কত? ‘অগ্নি-৩’ এর পাল্লায় কি গোটা পাকিস্তান চলে আসতে পারে? নভেম্বর মাসটা ভারতের জন্য মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ৷ ঠিক কেন জানেন? ‘অগ্নি ৩’ নিয়ে শুরু থেকে এতটা আত্মবিশ্বাসী ছিল না ভারত৷ অগ্নি সিরিজ অনেক আগে এগিয়ে গেলেও টেকনিক্যাল ফল্ট ছিলই ‘অগ্নি ৩’তে৷ তাহলে এখন ভারত কোন ঠিক কোন ভিত্তিতে দাবি করছে, অগ্নি-৩ এর পাল্লায় চলে আসবে গোটা পাকিস্তান?

    নভেম্বরে দুটো গুরুত্বপূর্ণ মিশাইলের পরীক্ষা করে নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক৷ ভারতের এই অ্যাক্ট এই পদক্ষেপকে পাকিস্তান ভয় পাচ্ছে কিনা সেটা বোঝা যাবে ধৈর্য ধরলেই বলছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল৷ এএনআই সূত্রে খবর, ভারতের নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান দাবি করছেন, সীমান্তের ওপারে লঞ্চপ্যাডে প্রায় ১৬০ জন জঙ্গি বসে আছে৷ ভারত কিভাবে জানতে পারছে এই গোপন তথ্য৷ অগ্নি-৩ এর উত্ক্ষেপন ঠিক এ কারণেই মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ এ পরিস্থিতিতে৷ ‘অগ্নি -২’র সঙ্গে ঠিক কতটা পার্থক্য রয়েছে ‘অগ্নি-৩’ এর?

    ২০০৬ সালের ৯ জুলাই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে ‘অগ্নি-৩’ মিসাইলের উৎক্ষেপণ করা হয়৷ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ‘অগ্নি-৩’ ওড়িশা উপকূল বরাবর সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিল তবুও ভারত হাল ছাড়েনি৷ দেরিতে হলেও সাফল্য মিলল৷ ‘অগ্নি ২’ এর সঙ্গে এই মিশাইলের বেসিক পার্থক্য রেঞ্জে৷ ৩,০০০ – ৫,৫০০ কিলোমিটার রেঞ্জে ছুটে যেতে পারে ‘অগ্নি-৩’৷ অগ্নি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র দেড় টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে৷ সেনাবাহিনী সূত্রের খবর, ১৭ মিটার লম্বা, ২ মিটার ব্যাসের ভূমি থেকে ভূমি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি-৩’৷ পাকিস্তান-চিন এই দুই দেশের তরফ থেকে কোন হামলা হলে ভারতের হিটলিস্টে অবশ্যই থাকছে অগ্নি-৩, মনে করছে প্রতিরক্ষা মহল৷ তবে এরই মাঝে চাঞ্চল্যকর একটা তথ্য উঠে আসছে আর এই তথ্য কিন্তু কার্যত সতর্ক করবেই করবে ইসলামাবাদ ও বেজিংকে৷

    রাতের অন্ধকারেও সফল ভাবে লক্ষ্যভেদে দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে ‘অগ্নি-৩’৷ চিন এবং পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা (নাকি) রয়েছে ‘অগ্নি-৩’-এর পাল্লার আওতায়৷ এক মাসে দু দুটো খতরনাক ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উত্ক্ষেপন করে ভারত যে ঠিক কোন বার্তাটা দিতে চাইছে সম্ভবত বুঝে গেছে শত্রুদেশ৷ যত এগোবে তারা ততটাই পিছিয়ে যেতে হবে এবার৷ ভারতের নর্দান কমান্ডার জঙ্গিদের ওত পেতে থাকার যে বিস্ফোরক দাবিটা করেছে, আর ঠিক তারপরই অগ্নি-৩ এর পরীক্ষামূলক উত্ক্ষেপন, এর আগেও ভারত অগ্নি-৩ এর পরীক্ষা করেছে তাহলে এখন আবার কেন? অঙ্কটা মিলে যাচ্ছে কোথাও?

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan: ফের হামলা হতে পারে ইমরান খানের ওপর? ভারতকে ফাঁসালো পাকিস্তান

    Pakistan: ফের হামলা হতে পারে ইমরান খানের ওপর? ভারতকে ফাঁসালো পাকিস্তান

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Pakistan: ভারতকে বড় বিপদে ফেলার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান৷ এবার নয়া অপরাধের বোঝা ভারতের কাঁধে চাপানোর চেষ্টা? পাকিস্তানের মাটিতে খুব বড় বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে কয়েক মাসের মধ্যেই৷ ভারতকে পাল্টা পন্থা নিতেই হবে৷ একদিকে বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে তুমুল গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে পাকিস্তানি সেনার৷ তার মধ্যে ইসলামাবাদের নতুন চালাকি? ভারতের ওপর এত বড় অপরাধের দায় চাপাচ্ছে পাকিস্তান৷ কী প্রমাণ রয়েছে ইসলামাবাদের কাছে? নাকি পাকিস্তান যা ক্লেম করছে তাতে একটু হলেও সত্যতা আছে? পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে ক্রমশ৷

    ওয়াজিরাবাদে ইমরান খান একবার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন৷ কিন্তু এবার সামনে আরও বড় বিপর্যয় আসতে চলেছে? তেমনি একটা ইঙ্গিত দিয়ে দিল পাক সরকার ভারতের গুপ্তচর সংস্থা প্রাণে মেরে ফেলতে চাইছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে৷ নাম না করে এমনই দাবি করছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লা চলতি মাসেই তো ‘লং মার্চ’এ ভাষণ দেওয়ার সময় ইমরান খানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়েছিল৷ ইমরান খান তবুও বলেছিলেন তিনি লড়াই থামাবেন না৷ সেই দায়ও কি পাকিস্তান সরকার ভারতের ওপরই চাপাবে?

    কূটনৈতিক মহল বলছে, টুইস্ট আসলে অন্য জায়গায়৷ শাক দিয়ে বড়সড় মাছ ঢাকার চেষ্টা চলছে৷ কিন্তু সেই মাছকে ঢাকা যাচ্ছে না৷ পাক সরকারের ভারতকে নিয়ে করা দাবি মানতে নারাজ খোদ ইমরানের খানের দলই৷ তেহরিকই ইনসানের সদস্যরা বলছেন এটা আগাম বিপদের আভাস৷ পাক সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কর্তা তথা মেজর জেনারেল ফয়জল নাসির এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সানাউল্লার বিরুদ্ধে খুনের চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন ইমরান খান৷ তবে এবার যেন খেলাটা ঘুরিয়ে দিতে চাইল শাহাবাজ সরকার৷ ইমরানের অভিযোগ খারিজ করতে সাংবাদিক বৈঠক করেন পাক সেনার জনসংযোগ শাখার ‘ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস’(আইএসপিআর)-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইফতিকার বাবর৷

    পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতা-কর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, ইমরান খানের ওপর গুলি চালানোর প্রায় আড়াই সপ্তাহ পরে নাম না করে ভারতীয় সংস্থার ঘাড়ে সানাউল্লার দোষ চাপানোর চেষ্টা ‘পরিকল্পিত’ বা প্ল্যানিং। তাঁদের মতে, আবার ইমরানের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালাতে পারে পাক সেনা ও সরকার তাই আগে থেকেই ‘সাফাই’ দিয়ে রাখলেন সানাউল্লা৷ যাতে আন্তর্জাতিক মহলের নজর ভারতের ওপর যায়৷ তবে সবথেকে বড় প্রশ্ন কোনও কারণ ছাড়াই পাকিস্তানের বর্তমান বিরোধী নেতা ইমরান খানের ওপর হামলা চালিয়ে ভারতের লাভের লাভটা আদতে কি হবে? এখানেই তো ধরা পড়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pakistan: দেশের মাটিতে ড্রোন বানাচ্ছে পাকিস্তান, কতটা খতরনার ‘শাহাপার’?

    Pakistan: দেশের মাটিতে ড্রোন বানাচ্ছে পাকিস্তান, কতটা খতরনার ‘শাহাপার’?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Pakistan: আমেরিকা-চিনের ওপর আগের মতো ভরসা করছে না আর পাকিস্তান? পাকিস্তান এবার নিজের দেশের মাটিতেই বানিয়ে ফেলল ড্রোন৷ ভারতের জন্য কি নয়া হুমকি? পাকিস্তান গত পাঁচ বছরের সবথেকে বেশি অস্ত্র কিনেছে তাদের ঘরের বন্ধু বেজিংয়ের কাছ থেকে৷ প্রায় ৭৪ শতাংশ৷ কিন্তু পাকিস্তান যেন এবার ভারতের দেখাদেখি স্বাবলম্বি হতে শুরু করেছে৷ এর মানে কি বলা যেতে পারে আত্মনির্ভর পাকিস্তান? দেশীয় প্রযুক্তি এই প্রথমবার ড্রোন বানিয়ে ফেলল পাকিস্তান৷

    এই ড্রোন যে শত্রুদেশের ঘুম ওড়াবে এমন দাবি এখনও তারা করেনি কিন্তু ইসলামাবাদ বলছে এই ড্রোন খতরনাক৷ প্রশ্ন উঠছে কতটা? ভারতকে টার্গেট করেই নিশ্চয় এমন ভাবনা এসেছে পাকিস্তানের মাথায়৷ ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা তাতে নিশ্চিত৷ কিন্তু পাকিস্তান এখনও চুপ৷ নতুন সামরিক ড্রোন ‘শাহপার-১’কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরল পাকিস্তান৷ তুরস্কও দেখতে নতুন এই যুদ্ধাস্ত্র কতটা ছক্কা হাঁকাতে পারে৷ এতদিন তো পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ভান্ডারে শুধুমাত্র নজরদারি ড্রোন ছিল৷ তাহলে শাহাপার কি এর থেকেও বেশি? শাহাপার ড্রোন হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে নাকি? তাহলে তো ভারতকেও ভাবতে হবে৷

    পাকিস্তান সরকারের কোম্পানি জিআইডিএস (গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ডিফেন্স সলিউশনের) সিইও আসাদ কামালের দাবি, পাকিস্তান সরকার তাকে পরিষ্কারভাবে নির্দেশ দিয়েছিল৷ পাকিস্তান যে প্রযুক্তির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল৷ তা ধীরে ধীরে পাকিস্তানে বিকশিত করতে হবে৷ এরপরই জন্ম হয় ‘শাহাপার’-এর৷ বরাক নামের একটি নজরদারি ড্রোনের পর এবার এল শাহাপার৷ শাহাপার হামলা করতে পারে টার্গেটের ওপর সরাসরি৷ পাকিস্তান আপডেটেট ভার্সন শাহাপার ২ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে৷

    শাহপার-২ কে বলা হচ্ছে পাকিস্তানের ফ্ল্যাগশিপ ড্রোন৷ ঘণ্টায় ১২০ নটিক্যাল মাইল (নটস) পর্যন্ত গতিতে উড়তে পারে৷ এর টেক-অফ স্পিড ৮০ নটিক্যাল মাইল থেকে ৮৫ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত৷ এর ক্রুজ গতিও ৮০-৮৫ নট৷ ড্রোনটির ডাটা লিংক রেঞ্জ ৩০০ কিলোমিটার৷ যা এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, জিআইডিএসের অন্যান্য ড্রোনের মধ্যে রয়েছে ইকাবও৷ এটি রীতিমত অস্ত্র বহনে সক্ষম৷ আবাবিল-৫ ড্রোনটি পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে এতে দুটি মর্টার শেল লোড করা যায়৷ তবে এই ড্রোন ভারতের ড্রোনের সম্ভারের আশেপাশেও ঘেষতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে৷ DRDO-র তৈরি ভারতের বোমারু ড্রোন AFWTD৷ চোখের পলকে গুড়িয়ে দিতে পারে পাকিস্তানের এই প্রযুক্তিকে৷ যদি তুলনা সেভাবেই করা হয় তাহলে৷ তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহল বলছে, পাকিস্তানের টার্গেট শুধু কিন্তু একটাই নয়৷ ইসলামাবাদ চাইছে,এই ড্রোন অন্য দেশের কাছে বিক্রিও করতে৷ তাই তো করাচিতে চলমান অস্ত্র প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের অস্ত্র প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো প্রথমবারের মতো এমন ধরনের ড্রোন প্রদর্শন করেছে৷ সেখানে রয়েছেন চিন-তুরস্ক ছাড়াও অনেক দেশের কোম্পানি অংশ নিয়েছে৷ দেখা যাক কোন দেশ পাকিস্তানকে এতটা ভরসা করে কিনা তাদের তৈরি ড্রোন কিনে৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Jammu-Kashmir: পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ! বড়সড় সাফল্য ভারতীয় সেনার

    Jammu-Kashmir: পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ! বড়সড় সাফল্য ভারতীয় সেনার

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Jammu-Kashmir: শনিবার ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাকিস্তানি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল সেনা। গুলির লড়াইয়ে খতম এক জঙ্গি। ঘটনাটি ঘটেছে কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায়। ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নওশেরা সেক্টরে কালাল এলাকায় পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে কিছু জঙ্গি। টহলদার জওয়ানরা দেখতে পেয়ে গুলি চালায়, আর তাতেই নিকেশ হয় এক।

    উল্লেখ্য, প্রতিবছরই শীতে বরফ পড়ার আগে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়। নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে জঙ্গিরা। কিন্তু ফের আবারও তাঁদের সেই প্রয়াস সফল হয়নি। সেনা সতর্ক থাকায় পাকিস্তানি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এদিনের ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। আরও কেউ লুকিয়ে থাকতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই, তল্লাশি অভিযান।

    সম্প্রতি উপত্যকায় এরকমই পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় খতম করা হয়েছে তিন জনকে। ঘটনাটি ঘটেছিল পুঞ্চ এলাকায়। নিয়ন্ত্রণ রেখা টোপকে ভারতে ঢোকার আগে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। সেই সময় ভারতীয় সেনার এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, সীমান্ত এলাকায় বেশ কিছু সন্দেহভাজনদের গতিবিধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। পুঞ্চ সেক্টরের আশেপাশে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল কয়েকজন জঙ্গি। দেখা মাত্র গুলি চালায় ভারতীয় সেনা, আর সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইতে নিকেশ হয় তিন জন। এবারও সেনার সর্তকতার কারণে আটকানো গিয়েছে, পাকিস্তানি জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম