Tag: India

  • Bangladesh: ভারত থেকে গিয়েছে ৯০ হাজার মেট্রিক টন চাল, বাংলাদেশি বাজারে তবুও চড়া দাম

    Bangladesh: ভারত থেকে গিয়েছে ৯০ হাজার মেট্রিক টন চাল, বাংলাদেশি বাজারে তবুও চড়া দাম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বাংলাদেশ বিগত পাঁচ মাসে ভারত থেকে আমদানি করেছে প্রায় ৯০ হাজার মেট্রিক টন চাল। কিন্তু তারপরেও বাংলাদেশের বাজারে প্রতিনিয়ত চালের দাম বেড়ে চলেছে। যার কারণে স্বাভাবিকভাবে সমস্যায় সাধারণ মানুষ। এই দ্রব্যমূল্যের ক্রমশ বৃদ্ধি সীমিত আয়ের মানুষদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    বাংলাদেশি গণমাধ্যম সময় টিভি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বাংলাদেশে চালের বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারের তরফ থেকে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও সে দেশের প্রায় ১৫১ জন আমদানিকারককে ভারত থেকে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি হচ্ছে চাল। কিন্তু তারপরেও দেশীয় বাজারে দিন দিন দাম বেড়ে চলেছে চালের।

    অন্যদিকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বিগত পাঁচ মাসে ৮০ হাজার ৯৯২ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৬,৫১৩ মেট্রিক টন আতপ চাল আমদানি করা হয়েছে, এমনটাই দাবি করছে বাংলাদেশি গণমাধ্যম সময় টিভি। চাল আমদানির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকলেও কেন এইভাবে বাজারে ক্রমাগত চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই প্রশ্ন উঠে এসেছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের তরফ থেকে। ব্যবসায়ীদের অনেকাংশই চাল গুদামজাতকরণ এবং প্রশাসনের তদারকির ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন এক্ষেত্রে।

    সময় টিভিতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেনাপোল স্থলবন্দর প্রশাসনের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, আমদানি করা চাল এদেশে এসে পৌঁছানোর পরেই তার গুণগত মান পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যত দ্রুত সম্ভব খালাসের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সেই চাল। তবে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে বাংলাদেশের খুচরো বাজারে কেজিতে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে দুই থেকে তিন টাকা। সেখানে আতপ চাল বিকোচ্ছে ৪৫ টাকা কেজিতে, সিদ্ধ চাল ৫১ টাকা, মিনিকেট ৬৬ টাকা, ৬৩ চাল ৬৮ টাকা এবং ব্রি ২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকায়।

    যদিও বাংলাদেশের আমদানিকারকদের দাবি, দ্রুত চালের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে। বাজারে কিছুদিনের মধ্যেই নতুন ধান উঠলে ক্রমশ কমবে চালের দাম।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-Russia relation: ভারতকে পারমাণবিক সাহায্য রাশিয়ার! পুতিনের আসল প্ল্যানটা কী?

    India-Russia relation: ভারতকে পারমাণবিক সাহায্য রাশিয়ার! পুতিনের আসল প্ল্যানটা কী?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    India-Russia relation: ভারতকে এবার পুতিন যা দেবেন তাতে বিশ্ব অবাক হয়ে যাচ্ছে৷ ভারতের মাটিতে আরও বড়সড় ইনভেস্টমেন্ট এবার রাশিয়ার৷ বন্ধুত্বের ট্যাগ লাগিয়ে আসলে রাশিয়া যে কাজটা করে নিতে চাইছে৷ ভারতও এবার এর ফায়দা তুলবে এবার প্রচুর পরিমাণে৷ ভারতকে এত আগলে রাখার নেপথ্যে মস্কোর আসল চালটা ঠিক কি? ‘দোস্তি সে জাদা কুছ নেহি হোতা’, ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়েই এমনটা পরিস্কার বলে দিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিনিধি৷ ভারত যতই বলুক যুদ্ধ করা রাশিয়ার উচিত নয় তবুও মস্কো একবারও চটে যায়নি ভারতের ওপর৷ ঠিক কেন জানেন? অতীতের দায়ভার মেটানোর চেষ্টা নাকি বর্তমানে মস্কোর তুরুপের তাস আসলে একমাত্র ভারতই?

    ভারতবর্ষের মাটিতে অনেক বড় ইনভেস্টমেন্ট করতে চলেছে মস্কো৷ এবার বোমারু বিমান বা রণতরী নয় পরিকল্পনা অনেকটাই বড়, ধামাকাদার৷ সোজা পরমাণবিক স্তরে৷ ভারতরে পরমাণু বোমা দেবে নাকি পুতিন? বিশ্ব হাঁ হয়ে যাচ্ছে৷ ভারত আর চিনকে ছাড়া এমূহুর্তে রাশিয়ার আর কিছুই ভাবতে পারছে না৷ তাই তো, এবার ভারতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী পরমাণু চুল্লিগুলির জন্য নিরবচ্ছিন্ন ভাবে উন্নততর জ্বালানি এবং প্রযুক্তি সরবরাহ করতে শুরু করবে মস্কো৷ গত বছর পর্যন্ত ভারতকে ইউটিভিএস পরমাণু জ্বালানি সরবরাহ করত রাশিয়া৷ কিন্তু চলতি বছরের গোড়া থেকে উন্নততর টিভিএস-২এম জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু সংস্থা রোসেটম কর্পোরেশনের জ্বালানি সংক্রান্ত টিভিইএল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেকজন্ডার উগরিউমভ৷

    তবে ওয়াকিবহাল মহল প্রশ্ন তুলছে, ভারতকে এত বড় সাহায্য কেন করছে রাশিয়া? তাও আবার এই যুদ্ধের আবহে৷ বিশেষজ্ঞকা বলছেন এটাও তো সঠিক সময়৷ পুতিন কোন চালটা ক্রেমলিনে বসে চালছেন যার টের পাচ্ছে না নয়া দিল্লি সাউথ ব্লক৷ নাকি সবটাই জানা৷ তামিলনাড়ুর কুড়নকুলমে রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি দু’টি পরমাণু চুল্লি চালু রয়েছে৷ পুতিন সরকারের সাহায্যেই তৈরি হচ্ছে আরও ৪টি পরমাণু বিদ্যুৎ চুল্লি৷ সেগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে উৎপাদন চালু রাখার জন্য জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি আধুনিকীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তারও প্রস্তাব দিয়েছে মস্কো। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসলে ভারতের সাহায্য করে নিজেদেরই বড় ফায়দা করে নিচ্ছে মস্কো৷ কীভাবে? শুনুন, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রতিবাদে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার জেরে বেকায়দায় পড়ে রাশিয়া বুঝতে পারছে ভারত আর চিনের দাম কতটা?

    বিদেশে সঞ্চিত প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের মুদ্রাভাণ্ডারে হাত দিতে পারছে না মস্কো৷ রাশিয়ার ব্যাংকগুলিকে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের ‘সুইফট’ ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে৷ জার্মানি ও আমেরিকার মতো দেশগুলি রুশ তেল ও গ্যাস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে রুশ তেল কিনে মস্কোকে অনেকটাই চাপমুক্ত করছে ভারত৷ সেইসঙ্গে চিনও। ওয়াশিংটনের চাপ সত্ত্বেও মোদি সরকার ইঙ্গিতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে পুতিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। তাই এবার ভারতকে ঢেলে সাহায্য করছে রাশিয়া৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-China: ভারতের ভয়ে চিনের নয়া চাল! মালাক্কা প্রণালী ঘিরে নয়া ষড়যন্ত্র

    India-China: ভারতের ভয়ে চিনের নয়া চাল! মালাক্কা প্রণালী ঘিরে নয়া ষড়যন্ত্র

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    India-China: ভারতকে সাইড করতে নতুন আন্তর্জাতিক সমীকরণ বানাচ্ছে বেজিং৷ মালাক্কা প্রণালীকে বাইপাস করার চেষ্টা এবার শি জিনপিংয়ে৷ ভারত ব্লক করে দিতে পারে চিনের ব্যবসার আসল পথ৷ চিন যেভাবে ফাঁক বের করে ফেলল৷ না, এখনও ভারত ও চিনের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি৷ বরং উত্তেজনা কমই রয়েছে আগের থেকে৷ কিন্তু কূটনৈতিক পথে এবার একে অপরকে চাপতে শুরু করেছে ভারত-চিন৷ কোন পথে, কোন কৌশলে শুনলে অবাক হবেন৷ কারণ এ যেন ঘুরিয়ে নাক দেখানোর চেষ্টা বলছে কূটনৈতিক মহল৷ চিন টার্গেট করছে ভারতের হৃদপিন্ডে বাইপাস করে দিতে৷ আর ভারতের প্ল্যান তো সোজা চিনের নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ করে দেওয়া৷ কিন্তু কোনও ঝগড়া ঝামেলা, যুদ্ধ করে নয়৷ মাথা ঠান্ডা রেখে কূটনৈতিক পথে৷

    মালাক্কা প্রণালীর রাস্তা একবার বন্ধ হলে বরবাদ হয়ে যাবে দুটো দেশ৷ কি এই মালক্কা প্রণালী? ভারত-চিনের বাণিজ্যে কতটা বড় অবদান রাখে এই সামুদ্রীক পথ৷ প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারতমহাসাগরের মাঝে আবস্থিত মালাক্কা প্রানালী৷ বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাস্ততম বানিজ্য পথ৷ খুব ভালো হয় একে এশিয়া মহাদেশের লাইফলাইন বললে৷ চিনের ৭৮ শতাংশ এনার্জি এখান দিয়েই পরিবহন হয়৷ চিনের এই দুর্বল স্থানে কামড় বসালেও বসাতে পারে ভারত৷ ভারত চাইলেই ব্লক করে দিতে পারে মালাক্কা প্রণালীর পথ৷ কিন্তু কীভাবে?

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মালাক্কা প্রনালীর কাছে লম্বোক ও সুন্দা এলাকায় আশপাশের জাহাজকে ক্রমান্বয়ে ট্রাকিং করছে ভারত৷ ভারতীয় নেভি চাইলে এখানের বানিজ্যিক জাহাজগুলোকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত ঘুরিয়ে দিতে পারে৷ পারস্য উপসাগর, অ্যাঙ্গোলা ও ভেনিজুয়েলা থেকে প্রচুর তেল নিজের দেশে আনে৷ ভারতীয় নেভির বাড়বাড়ন্ত কপালে ভাঁজ ফেলছে ড্রাগনের দেশের৷ কিন্তু চিন জানে ভারত কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না৷ ভারতের কারনেই বাধ্য হয়ে চীন মালাক্কা প্রনালীর বিকল্প কিছু পথ খুঁজছে৷ মালক্কা প্রণালী ছাড়া কি অন্য কোনও পথে পৌঁছতে পারবে চিনের এনার্জি? বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বলছেন, উপায় তো রয়েছেই৷

    পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দর৷ যা চিন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর বা সিপিইসি এর আওতায় তৈরি করা হয়েছে৷ চিন পাকিস্তানে ৭.২ বিলিয়ন ডলারের রেলপথ তৈরি করছে যা গোয়াদর, কাশগড় এবং চিনকে যুক্ত করবে৷ চিন এই বন্দরে তাদের মাল খালাস করে রেলপথে দেশে নিয়ে যেতে পারবে। তবে গোয়াদার বন্দর কে কাউন্টার করার জন্য তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা৷ যদি মালক্কা ও গোয়াদর আটকে দেয় ভারত তাহলে উপায় কি? উপায় হল আর্কটিকের উত্তর সমুদ্র পথ৷ উত্তর মেরু বা সুমেরুী আশপাশের এলাকাকে আর্কটিক অঞ্চল বলা হয়৷ এখানে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর। রাশিয়া, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ, কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড এই আর্কটিক বলয়ে রয়েছে। চিন এই এলাকায় আশেপাশের দেশ গুলোর সাথে যৌথভাবে একটি পোলার সিল্ক রোড তৈরির চেষ্টা করছে৷ তবে এখানে সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে এখানের তীব্র ঠান্ডা সমুদ্রের জল জমে বরফ হয়ে যায়৷ বেজিং ঠিক এজন্যই আর্কটিক কোম্পানি থেকে একটি আইসব্রেকার কেনে যার নাম সিউ লং৷

    এছাড়াও চিন মালাক্কা প্রনালীর কাছে মালয়েশিয়াতে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর এবং ইসতিমাস অফ ক্রাতে একটি ক্যানেল তৈরি করছে যা মালাক্কা প্রনালী কে বাইপাস করবে। তবে চীন যাই করুক বিকল্প পথে বানিজ্য করলে চীনের খরচ অনেকটাই বাড়বে বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ এক্ষেত্রে ভারতও যে চাইলেই মালাক্কা ব্লক করতে পারবে তেমনটাই কিন্তু নয়৷ কারণ, বড়সড় বাধা রয়েছে এই পথে৷ মালাক্কা প্রনালী দিয়ে শুধু চিন বানিজ্য করে না৷ আমেরিকার অনেক বন্ধু দেশও এখান দিয়ে বানিজ্য করে সুতরাং মালাক্কা প্রনালীকে ব্লক করতে গেলে চিন সহ অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ফলে বিষয়টি চিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সমস্যা আন্তর্জাতিক হয়ে যাবে, সেক্ষেত্রে ভারতকে যথেষ্ট চাপে পড়তে হবে। কিন্তু তাই বলে এই নয় যে ওই এলাকায় নজরদারি ছেড়ে দিচ্ছে ভারত৷ একটু এদিক থেকে ওদিক হলেই নতুন করে ভাববে নয়া দিল্লি৷ চিনও প্রস্তুত এমনটাও ধরে নেওয়া যায়৷

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • G-20 Summit: বিশ্বমঞ্চে জি-২০র দায়িত্ব কেন দেওয়া হল ভারতকে? নমোর সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বড়

    G-20 Summit: বিশ্বমঞ্চে জি-২০র দায়িত্ব কেন দেওয়া হল ভারতকে? নমোর সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বড়

    ৷৷প্রথম কলকাতা৷৷

    G-20 Summit: বিশ্বের দরবারে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে ভারতবর্ষের ভাবমূর্তি৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ জি-২০ সম্মেলনের মতো এত বড় দায়িত্বে ভারতকেই কেন বেছে নেওয়া হল? যুদ্ধের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব প্রমাণ করে দিল কূটনীতি আসলে কাকে বলে৷ বিশ্ব যেন এখন দু অক্ষে ভাগ৷ একদল আমেরিকার পক্ষে, একদল হাঁটছে চিনের পিছনে পিছনে৷ ভারতবর্ষ স্বতন্ত্র হয়েও যে ছাপ রাখতে পারে বিশ্বের দরবারে৷ আবারও আবারও প্রমাণ হয়ে গেল সেটাই৷ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ৷

    বিশ্বের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ দেশই রাশিয়া বা ইউক্রেনের মধ্যে কোনও না কোন এক পক্ষকে সমর্থন করেছে আরেক পক্ষের বিরুদ্ধে উগড়ে দিয়েছে ক্ষোভ৷ কিন্তু ভারত প্রথম থেকেই এমন একটা অবস্থানে ছিল যা আজ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে আসলে সেটা ঠিক না ভুল? ভারত রাশিয়া বা ইউক্রেন কারোর পক্ষই নেয়নি, কারোর বিরোধীতাও সেসময় করেনি৷ কিন্তু এবারের জি ২০ সম্মেলনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন একটা কাজ করে দিলেন যেটা অবিশ্বাস্য বলছেন বিশ্বের কূটনৈতিক মহল৷ ইন্দোনেশিয়া নমোর হাতে তুলে দিল অনেক বড় দায়িত্ব৷ ভারতবর্ষকেই আগামী দায়িত্ব নিতে হবে৷ তবে চ্যালেঞ্জ কিন্তু অনেকটাই বড় বলছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা

    ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত জি-২০ গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করবে৷ কিন্তু তাতে এমন কি লাভ হবে ভারতবর্ষের? এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জই বা কি কি থাকছে? মোদি বিশ্বমঞ্চে বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ভারত প্রভূত উন্নতি করেছে৷ একইসঙ্গে রাশিয়ার হাতটা ধরেই পুতিনকে মোদী বার্তা দিলেন এটা যুদ্ধ করার সময় নয়৷ এর মানে সোজা কথায় বন্ধুত্ব ভাঙার প্রশ্নও নেই কিন্তু বন্ধুকে বুঝিয়ে দেওয়া দেখো আমি কি চাইছি৷ আমেরিকার মুখে ভারতের ঠিক এই নীতিরই প্রশংসা৷ বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়েছিল গ্রুপ অব টুয়েন্টি বা জি-২০৷ বিশ্বের প্রধান প্রধান উন্নত এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলির ফোরাম জি-২০৷ আর সেখানের সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম তারগুলো জুড়ে ফেলার কাজটাই করতে হবে ভারতকে৷ চাপটা অনেকটাই৷

    গত কয়েক মাসে জি-২০ গোষ্ঠীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ অভ্যন্তরীণ ফাটল ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷ কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত সভাপতিত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এই বিভেদ দূর করতে হবে। ভিন্নমতের মধ্যে সেতু নির্মাণের কাজ করতে হবে৷ নয়া দিল্লিকে এমন কিছু নীতি তৈরি করতে হবে যেগুলির বিষয়ে সকল সদস্য দেশ ঐক্যমত হতে পারে৷ এর সঙ্গে রয়েছে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা৷ আইএমএফ, ডব্লিউটিও-র মতো অর্থনীতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক ফোরামগুলির সঙ্গে যৌথভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে ভারতকে। এখানেই শেষ হয়ে যায় না দায়িত্ব৷ ইমেজ বাড়ছে গুরুত্ব বাড়ছে, দায়িত্ব আরও কয়েকগুণ৷ অন্যান্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা৷ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে একটি জি-২০-র নীতি নির্ধারণের মতো চ্যালেঞ্জ৷

    ভারত যদি একবার এই পরীক্ষায় সফল হয়ে যায় তাহলেই বড়সড় প্রাপ্তি৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুযোগ ভারতকে বিশ্ব মঞ্চে নেতৃত্বদানকারীর ভূমিকায় উন্নীত করবে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন পেতে সুবিধা হবে ভারতের৷ যে দেশে নরেন্দ্র মোদীর মতো প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব থাকে ও এস জয়শঙ্করের মতো বিদেশমন্ত্রীর কূটনীতি সে পথে ভারত সফল হবেই হবে আশা রাখে ভারতবাসী৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Military Exercises: আর নয় চীনের চোখ রাঙানি! শত্রু দেশের রক্তচাপ বাড়াতে ভারতের প্রস্তুতি

    Military Exercises: আর নয় চীনের চোখ রাঙানি! শত্রু দেশের রক্তচাপ বাড়াতে ভারতের প্রস্তুতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Military Exercises: নভেম্বরেই পাল্টে যাবে সব ছক। শত্রু দেশের হৃদকম্প বাড়াতে ভারতের ঘুরপথে হুঁশিয়ারি! ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের পরিনাম দেখে ভারত শিক্ষা নিয়েছে। যুদ্ধে জিততে গেলে শুধু হাতিয়ার নয়, প্রয়োজন জবরদস্ত কূটনীতি। বেজিংয়ের চোখ রাঙানির পাল্টা জবাব দিতে ভারত আমেরিকা, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শুরু করেছে যুদ্ধের মহড়া। ভারত একদিকে যেমন রাশিয়ার পাশের স্ট্রং ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তেমনি আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলির সঙ্গে যুদ্ধ অভ্যাসে মজবুত করছে কূটনৈতিক সম্পর্ক। রণনীতির ময়দানে আগামী দিনের ভারতের সবথেকে খতরনাক শত্রু হল চীন। এক্ষেত্রে দুনিয়ার শক্তিশালী দেশগুলিকে নিজেদের পাশে রাখতে হবে। ভারতের একের পর এক যুদ্ধ মহড়ায় এবার নাস্তানাবুদ হতে হবে চীনকে। রাশিয়া এবং আমেরিকা দুই দেশকেই সাথে নিয়ে চলছে ভারত। হিসাব অনুযায়ী ভারত এই সময়ে প্রায় তিনটি বড় যুদ্ধ মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছে, যা জানলে হয়রান হয়ে যাবেন। এবার বন্ধ হবে চীন পাকিস্তানের সব চালাকি।

    সম্প্রতি ভারত আমেরিকা, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের মহড়ায় অংশ নিয়েছে। একদিকে পাকিস্তানি সীমার গা ঘেঁষে ফ্রান্সের সাথে গরুর এক্সারসাইজ, যা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে পাকিস্তানের কপালে। এছাড়াও চীনকে কড়া বার্তা দিতে ভারত অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মালাবার যুদ্ধ অভ্যাসে অংশগ্রহণ করেছে। যেখানে চীন সীমার কাছে পাঠানো হয়েছে ভারতের যুদ্ধ জাহাজ। অপরদিকে চীন সীমান্তের কাছেই হয়েছে ভারত আমেরিকার যৌথ ওয়ার গেম। ভারতের কাছে নভেম্বর মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়।

    গত তিন বছর হল চীন ভারতের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। তাইওয়ান ইস্যুতে পারদ চড়েছে এশিয়ার দেশগুলিতে। তিব্বতে চীনের একাধিক মহড়া ভালো চোখে দেখেনি বহু দেশ। এবার বেজিংকে পাল্টা জবাব দিতে পশ্চিমের শক্তিশালী দেশের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে ভারত। সম্প্রতি চীন সীমান্তের খুব কাছেই যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ভারত-আমেরিকা। প্রায় ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় উত্তরাখণ্ডের অউলিতে এই যৌথ সামরিক মহড়ায় দুই দেশ গুরুত্ব দিয়েছে উচ্চতায় যুদ্ধ অনুশীলনের উপর। ঠান্ডা এবং উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জওয়ানরা কিভাবে যুদ্ধ করবেন সেই বিষয়ে অনুশীলন চলে। তবে এই বার্ষিক যুদ্ধ অভ্যাস একেবারে অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু মহড়ার স্থান এবং কাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগেও ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০১৮ সালের উত্তরাখণ্ডে যুদ্ধ মহড়া হয়েছিল, তবে তা চীন সীমান্ত থেকে অন্তত ৩০০ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু সম্প্রতি ভারত আমেরিকার এই যৌথ মহড়া হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে মাত্র ৯৫ কিলোমিটার দূর।

    অপরদিকে জলপথ এবং আকাশ পথে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে পাকিস্তান এবং চীনের। আকাশ পথে ইতিমধ্যেই ভারত-ফ্রান্সের যৌথ মহড়া ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। শনিবার ছিল রাজস্থানের যোধপুর এয়ারফোর্স স্টেশনে চলমান ভারতীয় বায়ু সেনা অনুশীলন গরুড় 7এর সপ্তমতম সংস্করণের শেষ দিন।জলপথেও যৌথ নজরদারি চালাতে প্রস্তুত ভারত এবং ফ্রান্স। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা একটি বিবৃতি অনুসারে, ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরের Su-30 MKI, Rafale, LCA তেজস এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমান ‘গরুড় সপ্তম’ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। এছাড়াও ছিল লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH) প্রচন্ড এবং MI-17 হেলিকপ্টারগুলির পাশাপাশি বিমানবাহিনীর কমব্যাট অ্যানাবলিং অ্যাসেটস ফ্লাইট রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফ্ট, এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (AWACS) এবং এয়ারবর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (AEWC)। ফরাসি বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে 4টি রাফাল যুদ্ধবিমান, একটি A-330 মাল্টি রোল ট্যাঙ্কার ট্রান্সপোর্ট (MRTT) বিমান এবং 220 FASF কর্মীদের একটি দল মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

    চীনের উদ্বেগ বাড়িয়ে ভারত মহাসাগর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াবে ভারত ফ্রান্সের নৌ বাহিনী। এমনি থেকেই ভারত মহাসাগরে ইন্দোনেশিয়ার অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছে চীনের গুপ্তচর জাহাজ ইউয়ান বাগ ৬ । স্বাভাবিকভাবেই ভারত এবং ফ্রান্সের এই মহড়া চীনের জন্য যে ভালো হবে না এ কথা বলাই যায়। এই প্রথম নয় , ২০২২ এর মার্চ এবং এপ্রিল মাসেও ভারত ফ্রান্সের নৌ বাহিনী আরব সাগরে যুদ্ধের মহড়া চালিয়েছিল। যেখানে অংশ নিয়েছিল দুই দেশের জাহাজ, সাবমেরিন, মেরিটাইম, টহল বিমান, যুদ্ধ বিমান এবং হেলিকপ্টার। এবারের মহড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে যুক্ত হয়েছে ফরাসি নৌ বাহিনীর পারমাণবিক শক্তি চালিত বিমানবাহী রণতরী চার্লস ডি গল এবং স্ট্রাইক গ্রুপ। ৯ থেকে ১১ই নভেম্বরে চলা ভারত ফ্রান্সের এই যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল ভারতীয় নৌ সেনার P81 এবং ফ্রেঞ্চ নেভির ফ্যালকন50। এই মহড়া চলেছে মোজাম্বিক চ্যানেল, মরিশাস ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে। মূলত যৌথ নজরদারি এবং মহাসাগরে ম্যাপিং এর কাজ করতে এই মহড়া। যা দুই দেশের সমঝোতার গভীরতা বাড়িয়েছে, আর অপরদিকে চীন পেয়েছে কড়া বার্তা।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ-মিয়ানমার! সমস্যা সমাধানে বড় স্টেপ কোরিয়ার

    Bangladesh: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ-মিয়ানমার! সমস্যা সমাধানে বড় স্টেপ কোরিয়ার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসীমার সম্পদ কার ? এই নিয়ে বাংলাদেশ, ভারত আর মিয়ানমারের মধ্যে কম বিতর্ক ছিল না। ধিকি ধিকি বাড়তে থাকা বিতর্কের আগুন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছিল বাংলাদেশ আর মিয়ানমারকে। সমুদ্রে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ। আজ থেকে ঠিক ১০-১২ বছর আগে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার দুটি দেশই ছিল পিছিয়ে পড়া দেশের তালিকায়। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে টানাপোড়েন ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার। ২০০৮ সালের ৪ঠা নভেম্বর ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনের শুরুটা ছিল ” বাংলাদেশ ও বার্মা বিশ্বের দরিদ্রতম দুটি দেশ বিতর্কিত গ্যাসক্ষেত্র নিয়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে” । শুধু ব্রিটিশ গণমাধ্যম নয়, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বের তাবড় তাবড় গণমাধ্যমে এটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের একটি হট টপিক। তখন সমুদ্রসীমার চিত্র ছিল একেবারে আলাদা, মিয়ানমার কিংবা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই তখন সমুদ্রসীমার সম্পদ নিয়ে তিন দেশের মধ্যেই কাড়াকাড়ি পড়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেই সময় বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারকে দরিদ্র দেশ হিসেবে দেখা হত। দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সম্পদের টানাপোড়েন লেগেই থাকত। এই দ্বন্দ্বের মূলে ছিল বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বহু বছর ধরে বিশেষজ্ঞরা মহলে বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে গ্যাস এবং তেলের ভাণ্ডার নিয়ে আলোচনা চলছিল। স্বাভাবিকভাবেই সমুদ্রসীমা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছিল ভারত এবং কোরিয়ার। কারণ দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে তেল কিংবা গ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

    সেই সময় বাংলাদেশেও সমুদ্রে গ্যাসক্ষেত্র ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে নানান টানমাটাল চলছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি তখন বেশ জটিল। বিদেশি কোম্পানিকে সরকারের গ্যাস ক্ষেত্র তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩১ শে অক্টোবর তৈরি হয় মানববন্ধন। তখন কিন্তু গ্যাসক্ষেত্র গুলি নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়। মিয়ানমার সমুদ্র সীমার যে অংশে গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনা করছিল সেই অংশটি প্রকৃতপক্ষে কোন দেশের, তার নির্দিষ্ট কোন সীমা ছিল না।

    সেই সময় মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ু। গ্যাসের সন্ধানে এই কোম্পানি প্রায় চারটি জাহাজ নিয়ে সমুদ্র বক্ষে নেমে পড়ে। আশ্চর্যের বিষয় হল, তাদের পাহারা দিতে মিয়ানমার নিযুক্ত করেছিল নৌ বাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ। প্রশ্ন এখানেই। গ্যাস আহরণের ক্ষেত্রে কেন মিয়ানমারকে দুটি যুদ্ধ জাহাজ নিয়োগ করতে হয়েছিল? তাহলে কি মিয়ানমার আগেভাগেই আঁচ করেছিল তারা বিতর্কিত জায়গায় গ্যাস অনুসন্ধান চালাচ্ছে, আর এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বাধা দিতে পারে! তাদের অনুমানও সত্যি হয়। ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ১ তারিখ দিন ছিল শনিবার। বাংলাদেশও মিয়ানমারকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। বাংলাদেশের চারটি জাহাজ চলে যায় সেই গ্যাস অনুসন্ধানের জায়গায়। প্রথমে যায় বিএনএস নির্ভয় , বিএনএস আবুবকর এবং বিএনএস মধুমতি। তারপর এদের সঙ্গে যোগ দেয় বিএনএস কপোতাক্ষ নামক আরেকটি ফ্রিগেট জাহাজ। নৌ বাহিনী ১ তারিখের সকালের দিকে বাংলাদেশের সীমানায় ওই চারটি জাহাজ দেখতে পেলে তাদের ফিরে যেতে বলে। তার যার মধ্যে তিনটি জাহাজ বেলা বারোটার দিকে ফিরে গেলেও বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ আবার জাহাজগুলি ওই জায়গায় চলে আসে।

    ঘটনাটি ঘটেছিল সেন্ট মার্টিনস দ্বীপের প্রায় ৫০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে। বিরোধপূর্ণ এই এলাকা মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ উভয়ে নিজেদের বলে দাবি করেছিল। সেদিন মুখোমুখি দুই দেশের জাহাজ থাকলেও যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি ঠিকই, কিন্তু সমস্যার সমাধানের পথ সহজ ছিল না। নৌবাহিনী দ্রুত বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়। তখন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদে জানানো হয়েছিল। জানলে আশ্চর্য হবেন, সেই সময় দাঁড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক একেবারেই খারাপ ছিল না। কারণ এই ঘটনার মাত্র এক মাস আগে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা প্রায় ৫৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন।

    তবে যুদ্ধ বাঁধতে গিয়েও যুদ্ধের মোড় ঘুরে গিয়েছিল বাংলাদেশে থাকা কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কারণে। তৎকালীন সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবের পুরনো বন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। অপরদিকে মিয়ানমারের যে কোম্পানির সঙ্গে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ করছিল সেই কোম্পানি ছিল কোরিয়ার অর্থাৎ যদি গোলাগুলি হয় তাহলে মারা পড়বে কোরিয়ার মানুষ। তৎকালীন বাংলাদেশের কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখেন। কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ু অমীমাংসিত সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনা বাতিল করে জাহাজ ফিরিয়ে নেয়। প্রায় ৯ দিন মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের জাহাজগুলি মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। সেই সময় সীমান্ত ছিল একদম থমথমে। ২০০৮ সালের সেই সমস্যা সমাধানে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। অবশেষে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে এই বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে।

    ইটলাসের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায়ের ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হয়েছে। বিরোধ মেটার পর বাংলাদেশ উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত টেরিটোরিয়াল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সুনির্দিষ্ট করা হয়। হিসাব অনুযায়ী সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির পর চট্টগ্রাম উপকূল থেকে প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের তলদেশের প্রাণিজ এবং অপ্রাণিজ সম্পদের অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হিরেতেই নজর রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের! যেভাবে  দিন দিন ভারতের লোকসান বাড়ছে

    হিরেতেই নজর রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের! যেভাবে দিন দিন ভারতের লোকসান বাড়ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রাশিয়ার কারণে ভারতের বাণিজ্যে কোপ? বিপুল টাকার লোকসান সামলাতে পারবে দেশটা? এদিকে লাভের গুড় খাচ্ছে রাশিয়াহিরেই পুতিনের হাতিয়ার! অর্থনীতির বল যেভাবে নিজের দখলে রেখেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের উপর হামলা শুরু করেছিলেন পুতিন নিজেই। বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর রুশ প্রেসিডেন্ট । পড়শি দেশের ঘুম কেড়েছেন। ভারতকে কাবু করে পুতিনের দাদাগিরির দাপট কীভাবে বাড়ছে?

    ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়ছে নিজের অস্তিত্বের তাগিদে।এদিকে ভারতের হিরে বিক্রি করে যুদ্ধের খরচ জোগাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার থেকে হিরে কিনে পালিশ করে তাসে দেশটাকেই বিক্রি করে ভারত। সেই হিরে বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছে রাশিয়া। যুদ্ধে কিছুটা ক্ষতবিক্ষত হলেও অর্থনীতির মাঠে বল রাশিয়ার পায়েই রয়ে গেছে।এদিকে ভারতের রফতানি করা হিরে খাজানা হয়ে উঠছে পুতিনের কাছে। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

    যুদ্ধের শুরু থেকেই পশ্চিমীরা রাশিয়ার উপর যে প্রাথমিক অস্ত্র ব্যবহার করে আসছে , তা হল নিষেধাজ্ঞা। এমনটাই বলে থাকে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ। কিন্তু রাশিয়ার অর্থনীতির হাড় ভেঙে দেওয়া কি অতই সহজ?জ্বালানি আমদানি বন্ধ করে রুশ প্রেসিডেন্টকে কোণঠাসা করতে চেয়েছিল ইউরোপ। সেই কৌশলে নিজেরাই শেষে কাবু হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের এবড়োখেবড়ো হিরে কেটে, পালিশ করে তাকে চোখ ধাঁধানো করে তোলা। এবং তার পর তা আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি। এই কাজে দীর্ঘ দিন ধরেই বিশ্বে শীর্ষ স্থান ভারতের দখলে।

    সারা পৃথিবীতে যত হিরে খনি থেকে তোলা হয়, তার বেশির ভাগটাই আসে ভারতে। তার পর এখান থেকে কেটে ও পালিশ করে তা ফের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হত। কিন্তু এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ভারতের ভরসা ইজরায়েলের তেল আভিভ বা দুবাইয়ের মতো বিশ্বের অন্যতম হিরে কেনাবেচার হাবগুলির প্রতিনিধিরা।প্রধানত রাশিয়া ও আফ্রিকার খনিগুলি থেকে তোলা হিরে এরাই রফতানি করার আগে কাটা ও পালিশের জন্য ভারতে পাঠানো হয়।

    রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞায় উল্টে বেকায়দায় পরছে ভারত। হীরে লেনদেনে একতরফা মুনাফা লুটছে রুশ প্রেসিডেন্ট। কিন্ত লেনদেন হচ্ছে কীভাবে? হিসেবটা খুবই সহজ। রাশিয়ার আলরোসা বিশ্বের অন্যতম অখণ্ডিত হিরের সংস্থা। যুদ্ধের আগে এই হিরে রপ্তানি হত আমেরিকাতে। কিন্তু যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন বাইডেন। এরপরই রাশিয়া অমসৃণ হিরের দাম বাড়িয়ে দেয়। যার প্রভাব পড়ছে ভারতের উপর।কারণ দীর্ঘদিন রাশিয়ার থেকে অমসৃণ হিরে আমদানি করছে ভারত। কীভাবে চলছে এই হিরে লেনদেন? ভারতের “হিরের শহর” সুরাটে আসে রাশিয়ার অমসৃণ হিরে যাকে পালিশ করে মস্কোতে রফতানি করে দিল্লি।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকট যেন বেড়েছে পশ্চিমের দেশগুলিতে। তেমনই হীরে রফতানি তলানিতে ঠেকেছে। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে গত আট মাসে ভারতের হিরে রফতানি কমেছে১৭ শতাংশ। আমদানির খাতে খরচ বেড়েছে ১৮ শতাংশ, এমনকি পরিসংখ্যন বলছে, ২০২১-এর এপ্রিলে রাশিয়া থেকে ভারত ১৬৩ লক্ষ ক্যারট হিরে আমদানি করেছিল। সেখানে ২০২২ সালের এপ্রিলে সেই আমদানি কমে দাঁড়ায় ৬০ লক্ষ ক্যারট। এই হীরে লেনদেনে ভারতের লোকসান হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।যে অঙ্কটা প্রায় কুড়ি হাজার কোটি টাকা।

    ইউরোপের হিরের গয়নার ব্র্যান্ডগুলি রাশিয়ার আলরোসা থেকে হিরে কেনা বন্ধ করে দেয়। ব্যবসায় ক্ষতি হতে থাকায় রাশিয়া দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় কোপ পরে ভারতের উপরে। এর ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে এখানকার বহু কারখানাকে।এদিকে বাজারে চড়া দাম হাঁকিয়ে নিজের বেতাজ বাদশা ভাবমূর্তি ধরে রেখেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • PLI Scheme : বিদেশী সংস্থাগুলিকে দেশে আনতে ইনসেন্টিভ বাড়াতে পারে কেন্দ্র

    PLI Scheme : বিদেশী সংস্থাগুলিকে দেশে আনতে ইনসেন্টিভ বাড়াতে পারে কেন্দ্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতে বৈদেশিক লগ্নি বাড়াতে নয়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। প্রোডাকশন লিঙ্ক স্কিম (PLI Scheme) নিয়ে নতুন প্রস্তাব পেশ করলো মোদী সরকার। আইটি হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে বিদেশী সংস্থাগুলির জন্য ইনসেন্টিভ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। মূলত, একাধিক আন্তর্জাতিক আইটি হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক সংস্থা যেমন Dell, Samsung, Apple, HP তাদের উৎপাদন পরিষেবা চীন থেকে অন্যান্য বিকল্প দেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে সম্প্রতি মাঠে নেমেছে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক।

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্রের তরফে জারি হয়েছে সংশ্লিষ্ট খসড়া নীতি। পিএলআই প্রকল্পে আর্থিক ব্যয় ২.৫ গুণ, প্রায় ১৯,০০০ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব রেখেছে সরকার। পাশাপাশি উপরোক্ত সংস্থাগুলি যাতে ভারতে উৎপাদন পরিষেবা গড়ে তোলার জন্য উৎসাহ পায় তার জন্য ইনসেন্টিভের পরিমাণ দ্বিগুণ করার কথা ভাবছে সরকার।

    ডবল ইনসেন্টিভ

    আইটি হার্ডওয়্যার পিএলআই ২.০ খসড়া নীতি জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের থেকে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট মতামত চেয়েছে কেন্দ্র। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, পুনর্গঠিত স্কিমটির লক্ষ্য পাঁচ বছরে ৪ থেকে ৫.৭৫ শতাংশ ইনসেন্টিভ প্রদান করা। যেখানে বর্তমানে চার বছরের মেয়াদে ১ থেকে ৪ শতাংশ ইনসেন্টিভ প্রদান করা হয়। সম্পূর্ণ প্রকল্পে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে ৭,৩৫০ কোটি টাকা তা বাড়িয়ে প্রায় ১৯,০০০ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

    সংস্থাগুলির জন্য গড় ইনসেন্টিভের হার ৫ বছরের মেয়াদে ২.২১ শতাংশ থেকে ৫.৩৪ শতাংশ করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, আলোচনার পর সংশোধিত স্কিমটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে। নতুন স্কিম অর্থাৎ পিএলআই ২.০ বর্তমান প্রকল্পের অধীনে নির্বাচিত সমস্ত সংস্থার জন্য প্রযোজ্য হবে।

    তবে স্থানীয়করণের শর্ত বহাল থাকবে

    এই স্কিমের অর্থ এই নয় যে উক্ত সংস্থাগুলি তাদের সিদ্ধান্তে উৎপাদন সংগঠিত করবে। কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রত্যেকটি সংস্থাগুলিকে স্থানীয়করণ (Localization) শর্ত মেনে চলতে হবে। এর পাশাপাশি অনুসরণ করতে হবে ডোমেস্টিক প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি লাইন (PCBA)। তবেই প্রথম বছরে ৪ শতাংশের সুবিধা পাবে সংস্থাগুলি।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vikram-S: ভারতে নতুন মাইলস্টোন, আকাশে উড়ল দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট

    Vikram-S: ভারতে নতুন মাইলস্টোন, আকাশে উড়ল দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vikram-S: স্পেস এক্স কিংবা ব্লু অরিজিনের মত ভারত ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল। এই প্রথম ভারতের কোন বেসরকারি সংস্থা উৎক্ষেপণ করল রকেট। যা রীতিমত মাইলস্টোন তৈরি করেছে। ১৮ই নভেম্বর শুক্রবার শ্রীহরি কোটার লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছে বিক্রম এস (Vikram S) নামক রকেট। এটি তৈরি করেছে হায়দ্রাবাদের স্টার্টআপ সংস্থা স্কাইরুট অ্যারোস্পেস (Skyroot Aerospace) ।

    ১২ থেকে ১৬ই নভেম্বরের মধ্যে এই রকেট উৎক্ষেপণ হওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়ার কারণে তা পিছিয়ে যায়। এটি মূলত একটি সিঙ্গেল স্টেজ সাব অরবিটার লঞ্চ ভেহিকেল। এটি তিন গ্রাহকের পেলোড বহন করছে। স্কাইরুট সেই ২০২০ সাল থেকে তাদের ‘প্রারম্ভ’ মিশনের অধীনে এই রকেট তৈরির কাজ শুরু করে। এই মিশনের অধীনে ভারতের প্রথম কোন বেসরকারি কোম্পানি স্পেস কোম্পানি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এটি বিক্রম এস উৎক্ষেপণের মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা করল।

    এই রকেটটির ওজন প্রায় ৫৪৫ কেজি, যা পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ১০১ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছাবে। সময় লাগবে মাত্র ৩০০ সেকেন্ড। মিশনটিকে স্কাইরুটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কারণ এটি বিক্রম-1 অরবিটাল যানে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ৮০ শতাংশ যাচাই করতে সহায়তা করবে, যা পরের বছর লঞ্চ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রকেট উৎক্ষেপণের বিষয়ে স্কাইরুট কোম্পানি এবং ইসরোর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ইসরোর চেয়ারম্যান এস. সোমনাথ জানিয়েছে , প্রায় ১০০টি স্টার্ট-আপ মহাকাশ প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ইসরোর সাথে কাজ করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু টেক সামিট-২০২২-এ ‘আর অ্যান্ড ডি – ইনোভেশন ফর গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট’ বিষয়ে কথা বলার সময় এমনটা জানান।

    জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করে তিনি বলেন, মহাকাশ অভিযানের জন্য যেসব প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন করা হয় তা দৈনন্দিন জীবনেও নানাভাবে ব্যবহৃত হয়। অনেক স্টার্ট-আপ বিশেষ ভাবে এই দিকটি নিয়ে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, ISRO ভারত সরকারের স্মার্ট সিটি প্রকল্প এবং স্মার্ট উৎপাদন প্রক্রিয়াগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Information Technology: ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৃদ্ধি বেড়েছে ৮.১ শতাংশ, সন্তোষজনক রিপোর্ট আইডিসির

    Information Technology: ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বৃদ্ধি বেড়েছে ৮.১ শতাংশ, সন্তোষজনক রিপোর্ট আইডিসির

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Information Technology: গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির মেরুদণ্ড ক্ষয়িত হয়েছিল অনেকেই। আর সেই আবহেই ভারতের তথ্য-প্রযুক্তি (Information Technology) ক্ষেত্রে সুখবর। জানা গেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বেড়েছে বৃদ্ধি বেড়েছে। এই বৃদ্ধির হার প্রায় ৮.১ শতাংশ।

    ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন তাদের সমীক্ষা মারফত জানিয়ে যে এই বৃদ্ধি চলতি বছরের প্রথম সাত মাসের। এবং এই বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যথেষ্ট সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে ভার‍ত।

    প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন বা IDC ট্র‍্যাকার কী?

    বাজারের ক্ষেত্র এবং তার পরিধি নিয়ে তার তথ্য বিশ্লেষণ করা এবং সঠিক ডেটা অ্যানালিসিসে তার সম্ভাবনাময় দিকগুলোকে তুল্র ধরাই এই ট্র‍্যাকারের কাজ। কোন সংস্থার শেয়ার থেকে শুরু করে প্রযুক্তি ভিত্তিক বাজার নিয়েও কী কী সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে তা তুলে ধরা এর কাজ। এই মুহুর্তে বিশ্বের আইডিসির কর্মকাণ্ড ১১০টি দেশে ছড়িয়ে রয়েছে।

    কী জানিয়েছে আইডিসির সমীক্ষা?

    আইডিসি তাদের সমীক্ষায় জানিয়েছে একদিকে যেমন ভারতের তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্র বৃদ্ধি ঘটেছে অন্যদিকে বিনিয়োগ টানার বিষয়েও যথেষ্ট শক্তিশালী হওয়ার পরিচয় রেখেছে আইটি ইন্ডাস্ট্রি। ৭.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়েছে ২০২২ সালের ভারতের তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে।

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, লাগাতার তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়েছে আর যার জেরে এই বৃদ্ধির গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। সম্প্রতি বিশ্ব সাক্ষী রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্বজুড়েই অর্থনীতিতে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইউরোপের। সেখানে লাগাতার দাম বেড়েছে বিদ্যুতের।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম