Tag: India

  • মোদীর টোটকাতে থামবে যুদ্ধ! ইরান থেকে আমেরিকার ভরসা ভারতই কেন ?

    মোদীর টোটকাতে থামবে যুদ্ধ! ইরান থেকে আমেরিকার ভরসা ভারতই কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতের হাতে গোপন চাবিকাঠি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার। ইরান থেকে আমেরিকা কেন ভারতেই দ্বারস্থ? মোদী ঠিক কোন কোন স্টেপ নিলেন যুদ্ধের মাঝে কিন্তু প্যালেস্টাইন দিল্লির বিরুদ্ধে উগড়ে দিল ক্ষোভ, কেন? ভারত কি নেতৃত্ব দিতে পারে এমন কোনও বৈঠকের যেখান ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন মুখোমুখি বসে কথা বলবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির খোঁজে, হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের বন্ধের জন্য কেন ভারতকেই দেওয়া হচ্ছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ? মোদী বা তাঁর বিদেশনীতি কি এমন কোনও উপায় বের করতে পেরেছে যার অ্যাপ্লাই করলে পরিস্থিতি শোধরানো অনেকটাই সম্ভব। ভারত স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে বলে প্যালেস্টাইনের নেতারা বোধহয় ভেবেছিলেন ভারত এই যুদ্ধে তাদের হয়ে ইজরায়েল বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে বা ইজরায়েলকে হুমকি দেবে সাবধান করবে, চমকাবে কিন্তু না দিল্লি এর মধ্যে কোনওটাই করেনি আর করবেও না।
    সেই জন্যই বোধহয় ভারতের ওপর ঠিক এতটাই চটে গিয়েছে প্যালেস্টাইন। ভারত কিছুই করেনি, ওঁদের থেকে কোনও আশা নেই’। নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ এনেছে ক্ষুব্ধ প্যালেস্তিনীয় রাষ্ট্রদূত।

    এতে যে ভারত যে নিজেদের অবস্থান বদলাবে না সেটা কার্যত স্পষ্ট এমনটাই বলছেন কূটনৈতিক থিঙ্ক ট্যাঙ্কেরা। দেখুন না ভারতে জো বাইডেন সরকারের দুই শীর্ষকর্তা ব্লিঙ্কন ও লয়েডের আলোচনার বিষয় ছিল। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার অগ্রগতি কিন্তু বৈঠকে অনিবার্য ভাবেই উঠে আসে। ্পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ এবং সেই সংক্রান্ত সঙ্কটের কথা যেন ভারতের সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলাটা ও এবিষয়ে ভারতের মতামত নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি ছিল। দেখুন পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য যাই বলুন না কেন সেখানের সমস্যার দ্বিপাক্ষিক শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথাই প্রথম থেকেই বলে আসছে ভারত। ইজ়রায়েলের ভূখণ্ডে হামাসের হামলার কড়া নিন্দা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পর নয়াদিল্লির তরফে বলা হয় আলোচনার মাধ্যমে দু’পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে ওই এলাকায় শান্তি ফেরাতে হবে।

    ভারতের এই মতামতের বিরোধী যদি ইজরায়েল বা প্যালেস্টাইন করে তাতেও যে দিল্লির অবস্থান বদলাবে না সেটা স্পষ্ট। যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মোদী। এমনকি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ় ইনাসিও লুলা ডা সিলভার সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন পশ্চিম এশিয়া নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ। আশঙ্কা একে অপরের সঙ্গে তাঁরা ভাগ করে নিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আসলে মানবিকতা কথা মুখে বলা আমেরিকা আসলে কি করতে চায় সেটা আন্তর্জাতিক মহলে পরিস্কার।
    গাজার ক্ষেত্রে এ ক্ষেত্রে আমেরিকা যে নীতি নিয়েছে তা খুব একটা ভাল চোখে দেখছে না অনেক রাষ্ট্র। গাজ়ায় শিশু-সহ সাধারণ মানুষের হত্যার সময় আমেরিকার ‘মানবিক’ রূপ কোথায় গেল, প্রশ্ন উঠেছে।

    সেখানে নিজেদের মুখরক্ষা করতে আমেরিকার আলোচনা, ইরানের অনুরোধ কিংবা ব্রাজিলের সঙ্গে আলাপচারিতা পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে। নয়াদিল্লির গুরুত্ব বৃদ্ধির দিকেই ইঙ্গিত করছে। তবে হ্যাঁ এটাও মনে রাখতে হবে ভারতের একার পক্ষে এই অসাধ্য সাধন করা সম্ভব নয়। বাকী গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো যদি এগিয়ে আসে তবেই সম্মিলিত ভাবে কাজ করে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে পারবে ভারত আশাবাদী বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মণিপুরে বড় ব্যান লাগালেন মোদী! ভারত ভাঙার ছক, মায়ানমার অশান্তির গোপন লিঙ্ক

    মণিপুরে বড় ব্যান লাগালেন মোদী! ভারত ভাঙার ছক, মায়ানমার অশান্তির গোপন লিঙ্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মায়ানমার উত্তেজনার মাঝে মণিপুরে বড় অ্যাকশন মোদী সরকারের। মণিপুরে মেইতেইদের ব্যান করে দেওয়া হল। কোন অশান্তির আভাস পেতেই এত বড় স্টেপ? মেইতেই কারা? কেন এদের সংগঠনকে ব্যান করা হল? মায়ানমার থেকে যে কোনও মূহুর্তে অশান্তি ছড়িয়ে যেতে পারে মণিপুরে। পরিস্থিতি বিগড়ানোর আগেই চরম অ্যাকশন নিল ভারত সরকার। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হবে না তো? মণিপুরে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের কথা অনেকেই জানেন হয়ত। যারা জানেন না তাদের বলে রাখি মণিপুরে জনসংখ্যার ৫৩ শতাংশই মেইতেই সম্প্রদায় কিন্তু এদের সঙ্গে মায়ানমারের সম্পর্ক কী? সম্প্রতি মণিপুর যেভাবে উত্তপ্ত হয়েছিল যার আঁচ এখনও পুরোপুরি নিভে গেছে এটা বলা চলে না। তার নেপথ্যেই ছিল কুকি-মেতেই গোষ্ঠী সংঘর্ষ। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে হিংসার। আগুনে ঘি ঢালছে জঙ্গি সংগঠনগুলো। এমনকি ভারত ভাঙার ছক কষছে তারা। এমনটাই একাধিক রিপোর্ট দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আর ঠিক পরিস্থিতিতেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। মণিপুরে ৯টি মেইতেই জঙ্গি দলকে। ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    মেইতেই সম্প্রদায়ের বাস মায়ানমারেও রয়েছে। সেখান থেকে বহু শরণার্থী ভারতে এসে এখন ভারতেরই নাগরিক। তবে এমন নয় যে সকলেই মায়ানমার থেকে এসেছেন। তবে শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ এখনও বন্ধ হয়নি। মেইতেইদের ইম্ফল ঘাঁটিতেই মূলত বসবাস। এছাড়াও অসম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়েও এদের বড় সংখ্যক মানুষ বাস করে। বাংলাদেশ ও মায়ানমারেও এরা রয়েছে বহুল পরিমাণে। মণিপুরে এদের বেশিরভাগ হিন্দু ধর্মের পালন করে। তবে ৮ শতাংশ মুসলিম ধর্মাবলম্বি। মায়ানমারে জুন্টা সরকার এখন কার্যত কোনঠাসা। সেখানকার তিন বিদ্রোহী সংগঠনের হামলার মুখে পড়ে। মায়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে এতটাই আশঙ্কাজনক যে তথ্য বলছে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। তাই এই সুযোগ ভারতে থাকা মেইতেই চরমপন্থী সংগঠনগুলো যাতে কোনওভাবে না তুলতে পারে তার জন্যই সতর্ক ভারত।

    জানা গিয়েছে ইউএপিএ ধারায় পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ও এর রাজনৈতিক শাখা, রেভেল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট (আরপিএফ) মণিপুর পিপলস আর্মি (এমপিএ), ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (ইউএনএলএফ) দ্য রেড আর্মি-সহ আরও ৪টি মেইতেই চরমপন্থী দলকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে এর ফলে কার্যত এদের প্রভাব অনেকটাই কমবে। সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নোটিস জারি করে জানানো হয়েছে ভারতের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে এই দলগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। এরা সন্ত্রাসবাদ, হিংসা, বিচ্ছিন্নতাবাদ ছড়িয়ে দিতে কাজ করে। এই দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে এই সংগঠনগুলো ভারত থেকে মণিপুরকে বিচ্ছিন্ন করে। স্বাধীন দেশ গড়ার লক্ষ্যে সশস্ত্র লড়াই চালায় উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে জড়ানোর চেষ্টা করে। এবার দেখার সরকারের এই কড়া স্টেপ কতটা কাজ দেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সাগরে তলিয়ে যাবে এতোগুলো দেশ, ভারত বাংলাদেশ কতটা রিস্কে ?  কোটি কোটি টন বরফ হারাচ্ছে গ্রীনল্যান্ড!

    সাগরে তলিয়ে যাবে এতোগুলো দেশ, ভারত বাংলাদেশ কতটা রিস্কে ? কোটি কোটি টন বরফ হারাচ্ছে গ্রীনল্যান্ড!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভয়ানক বিপদ! ভারত-বাংলাদেশের কী হবে? পৃথিবীর বুকে এ কোন মহাপ্রলয়? দুরন্ত গতিতে কোটি কোটি টন বরফ হারাচ্ছে গ্রীনল্যান্ড। হু হু করে বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রে ডুবে যাবে এতোগুলো দেশ? বরফহীন যুগের প্রথম ধাপে পা রাখছে পৃথিবী? ডেডলাইন টা জানেন? ১ লক্ষ ২৫ হাজার বছরেও যা ঘটেনি সেটাই ঘটবে ২০২৩ এ। প্যানিক না করে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্টটা জানেনিন। গত ২০ বছরের তুলনায় ৫ গুণ গতিতে গলছে গ্রিনল্যান্ডের বরফ-হিমবাহ। আপনার মনে হতে পারে গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলার সঙ্গে আমাদের বিপদের সম্পর্ক কোথায়? শুধু কী বাংলাদেশ?২০১৯ সালের প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, রিস্কে আছে মায়ামি, সাংহাই সহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা। মার্কিন জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার বদ্বীপ অঞ্চলে এভাবে জলস্তর বাড়লে বিপদ দেখা দেবে পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অংশে।

    উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের ১২টি শহর গুজরাতের কচ্ছ উপকূল, ভাবনগর, তুতিকোরিন, পারাদ্বীপ, চেন্নাই, ম্যাঙ্গালোর, ভাইজাগ, কাণ্ডলা, ওখা, মরমুগাঁও, কোচি, বিশাখাপত্তনমে! রিপোর্ট বলছে, সুরক্ষিত নয় কলকাতাও। কোথা থেকে কি ঘটছে আপনি টের পাচ্ছেন না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। গ্রিনল্যান্ডের হিমবাহ অস্বাভাবিক হারে গলছে। এখানেই টেনশন বিজ্ঞানীদের। তাঁরা বলছেন হাজার বছর ধরে জমাট বেঁধে থাকা এই হিমবাহ গলে যাচ্ছে। সাগরের জলস্তর আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বড় আকারের বরফের চাঁই জলের সঙ্গে ভেসে যাচ্ছে, নদীর মাধ্যমে সাগরে প্রবাহিত হচ্ছে। এই হারে বরফ গলছে গ্রীনল্যান্ডে।

    গ্রিনল্যান্ডের বরফ নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। ২০১১ থেকে ২০২০ সালের সময়-পর্বে গ্রিনল্যান্ডে যে পরিমাণ বরফ গলেছে সেই বরফ গলা জল গোটা নিউ ইয়র্ক শহরকে তলায় ডুবিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। বলছে রিপোর্ট। তাহলে কি ঠান্ডার দেশে গরম হওয়া বইছে? পরিবেশবিদরা বলছেন সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয়টা এই মুহূর্তে ঘটছে গ্রিনল্যান্ডে। আর, এই হিমবাহ পুরোপুরি গলে গেলে সুমদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অন্তত ২০ ফুট বেড়ে যাবে। সবটাই ঘটছে বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রিনল্যান্ডের এক হাজার হিমবাহের সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত দুই দশকে বরফ গলনের হার একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। হিমবাহগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ২৫ মিটার করে বরফ গলে যাচ্ছে। অথচ, মাত্র দুই দশক আগেও এ গলন ৫-৬ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখানেই তফাতটা বুঝতে হবে।

    চলতি মাসের শুরুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছিলেন, প্রাকশিল্প যুগের তুলনায় বর্তমানে বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রায় ১.২ সেন্টিগ্রেড বেড়েছে।  আশঙ্কা করা হচ্ছে, গত ১ লাখ ২৫ হাজার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উষ্ণতম হতে যাচ্ছে ২০২৩ সাল। বিরাট রিস্কে আছে গোটা পৃথিবী। সেই ইঙ্গিত মিলেছে আগেই। চলতি বছরের শুরুতেও নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, গ্রীনল্যান্ডের তাপমাত্রা ১০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ হয়ে পড়েছে। একটা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল, যে হারে উষ্ণতা বাড়ছে তা চলতে থাকলে আগামী ১০০ বছরের মধ্যে বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ হিমবাহ অদৃশ্য হয়ে যাবে। তাই, অবিলম্বে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমিয়ে আনা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেটা করতে হলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস কমানোর লক্ষ্যে সকলকে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। হাতে সময় খুব বেশি নেই। সতর্ক হতে হবে, সচেতন হতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদীর কোন টোটকা নিয়ে ব্রিটেনে জয়শঙ্কর ? মুক্ত বাণিজ্য কাঁটা কানাডা! খেলা তো সবে শুরু

    মোদীর কোন টোটকা নিয়ে ব্রিটেনে জয়শঙ্কর ? মুক্ত বাণিজ্য কাঁটা কানাডা! খেলা তো সবে শুরু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মোদীর চরম টোটকা জয়শঙ্কররে ব্রিটেন থেকে আসতে পারে বড় খবর। ভারত-ব্রিটেনের বড় চুক্তিতে কাঁটা হতে পারে কানাডা। দিল্লির সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে লন্ডন কষেছিল ফাঁদ। এবার কি ডিল ফাইনাল হতে পারে? ৫ টা দিনেই ব্রিটেনের মাটিতে কামাল দেখাতে হবে ভারতকে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এবার কোন মন্ত্রে কূটনীতির মাঠে ঝড় তোলেন সেটাই তো আসলে দেখার বলছেন ব্লিশেষকেরা। বহুদিন ধরে ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে আটকে থাকা ফ্রি ট্রেড এবার যদি হয়ে যায় তাহলে কারা লাভবান হবে সবথেকে বেশি? কানাডা ইচ্ছে করে বাণিজ্য চুক্তি আটকে দিয়েছিল ভারতের সঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে তার কোনও এফেক্ট ব্রিটেনের ক্ষেত্রে পড়বে না তো? দিওয়ালিতে সোজা ঋষি সুনকের বাসভবনে যান সস্ত্রীক বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে যা উপহার তিনি দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে তাতে তিনি আপ্লুত।

    ভারত ও ব্রিটেন কেন মুক্ত বাণিজ্য করতে চাইছে?
    জাপান, কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো ১৩টি দেশ বা গোষ্ঠীর সঙ্গে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি করা ভারতের সঙ্গে কেন ব্রিটেনের ফ্রি ট্রেড এত চেষ্টা সত্ত্বেও হচ্ছে না? মুক্ত বাণিজ্য বা ফ্রি ট্রেড আসলে কী? কেন এটা ভারতের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটেনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ? মুক্ত বাণিজ্য হল এমন এক বাণিজ্য নীতি যেখানে দুদেশের মধ্যে আমদানি বা রপ্তানি বাধাগ্রস্থ হয় না। কর বা অন্যান্য বাণিজ্য বাধা ছাড়াই পণ্য পরিবহন হয়। কিন্তু বারবার এ নিয়ে মিটিং, আলোচনা, বৈঠক হলেও ব্রিটেন ও ভারতের মধ্যে কিছুতেই সমঝোতা সম্ভব হচ্ছে না কেন হচ্ছে না? কারণ ভারত ব্রিটেনের বেশ কিছু নীতিকে সমর্থন করে না কিন্তু এবার কি এস জয়শঙ্করের কাছে নতুন কোনো প্ল্যান আছে? এর ফাঁক বলে রাখি ঋষি সুনককে বিরাট কোহলির সাইন করা একটি ব্যাট গিফট করেছেন জয়শঙ্কর

    অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন ব্রিটেনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি রূপায়ণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা ‘ডেটা লোকালাইজেশন’ সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অর্থাৎ ভারত চায়, এ দেশে বাণিজ্য করতে আসা ব্রিটিশ সংস্থাগুলি। এখানকার পরিষেবাজাত তথ্য যেন নিজেদের ঘরে না নিয়ে নেয় বিষয়টির নিরাপত্তাগত দিক রয়েছে তা ছাড়া ভারতীয় বাজার এবং উপভোক্তা সংক্রান্ত বিপুল তথ্য বিদেশে চলে যাক এটা কোনভাবেই চায় না নয়াদিল্লি। সে ক্ষেত্রে ভারতের দাবি ব্রিটিশ সংস্থাগুলিকে ভারতের জন্য নির্দিষ্ট স্থানীয় সার্ভার তৈরি করতে হবে। আর সেই সার্ভার তৈরি করা আসলে ব্যায়বহুল।

    আগে আলোচনা যতটা এগিয়ে ছিল তাতে কিন্তু বেশ কিছু ক্ষেত্রে ঐক্যমতও হয়েছিল দুদেশের।যেমন ভারত হুইস্কি ও গাড়ি থেকে শুল্ক তুলে নেবে এবং যুক্তরাজ্য টেক্সটাইল ও অন্যান্য ভারতীয় পণ্য থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করবে। নেপথ্যে রয়েছে বেশ কিছু শর্ত। ঋষি সুনক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত এক বছর ধরে এই নিয়ে দরকষাকষি চলছে। জয়শঙ্করের এবারের সফর তার অঙ্গ হতে পারে বলছে ওয়াকিবহাল মহল।ব্রিটেন চাইছে ভারতের সরকারি বরাতের ক্ষেত্রেও তাদের সংস্থাগুলি যেন দরপত্র দিতে পারে। এটাও চুক্তি রূপায়ণের ক্ষেত্রে একটি জট। আবার ভারতও ব্রিটেনের বাজারের আরও বেশি নাগাল পেতে চাইছে। নয়াদিল্লি এ কথা স্পষ্ট করে দিয়েছে, ব্রিটেন স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতীয় পরিষেবার প্রবেশের পথ আরও প্রশস্ত করলে তবেই তারা ব্রিটেনের হুইস্কি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড় দেবে।

    তবে হ্যাঁ এটা স্পষ্ট দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি আটকে রয়েছে এর কারণ নানান ক্ষেত্রে মতের মিল হচ্ছে না। এক্ষেত্রে কানাডা চেয়েও বিশেষ কলকাঠি নাড়তে পারবে না এমনটাই দাবি করছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ খালিস্তানি ইস্যুতে সুনক ট্রুডোর পাশে দাঁড়ালেও তাতে ভারত-ব্রিটেনের সম্পর্কে বিশেষ এফেক্ট পড়েনি। এবার দেখার ব্রিটেনের সঙ্গে এবার এই ফ্রি ট্রেড ডিল কোন পথে এগোয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • আমেরিকা হাত পাতল ভারতের কাছে! শি-বাইডেন সাক্ষাতের আগেই দেনা-পাওনা, দিল্লি সতর্ক

    আমেরিকা হাত পাতল ভারতের কাছে! শি-বাইডেন সাক্ষাতের আগেই দেনা-পাওনা, দিল্লি সতর্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাইডেন-জিনপিং মুখোমুখি বড় মিটিং হবে। চীনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতের থেকে কী চাইল যুক্তরাষ্ট্র? চীন-আমেরিকার মিটিংয়ের পর বড় ঘোষণা হতে পারে। দিল্লি স্পেশাল নজর তারপর কী হবে? রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের সময় যেটা হয়নি। এবার ইজরায়েল হামাস যুদ্ধের সময় সেটাই হতে চলেছে। এর এফেক্ট আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে যা পড়বে সেটা কি পুরোটা প্রকাশিত হবে। আমেরিকা- চীন, জো বাইডেন-শি জিনপিং কেন মুখোমুখি হচ্ছেন? বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিদ্বন্দী সুপারপাওয়ার এই দুই দেশ। এই মিটিং কি সৌজন্যে বার্তা দেওয়ার জন্য করছে নাকি সত্যিই এর গুরুত্ব মারাত্মক!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈঠক করবেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এক বছরের মধ্যে বিশ্বের দুটি পরাশক্তির মধ্যে এটি হবে দ্বিতীয় বৈঠক। আর বৈঠকে আলোচনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে অর্থনীতি, বাণিজ্য, তাইওয়ান এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস কিন্তু এই টাইমিংটাই বেশ সন্দেহ জোরালো করছে কূটনৈতিক মহলের মনে। এই তো আমেরিকার বিদেশ সচিব ও প্রতিরক্ষা সচিব ভারতে এসেছিলেন। অ্যান্টনি ব্লিঙ্কন ও অস্টিন লয়েড ভারতে এলেন বৈঠক করলেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। তবে সেখানে চীনকে নিয়ে কী আলোচনা হল? জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতের কাছ থেকে এমন কি চাওয়া হল? দিল্লির ওপর কি কোনও চাপের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হল? ভারত তা মানবে নাকি অস্বীকার করে সে নিয়েও এখনও কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি কিন্তু ব্লুমবার্গের একটা রিপোর্ট খানিকটা অবাক করছে অনেককেই।

    ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে এবার হয়ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে বলবে চীনের বিরোধীতা করতে ভারত যাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করে। এশিয়ায় অনেকেই বলছেন দেখুন চীন তাইওয়ানে হামলা করবে না করবে না এটা প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হল চীন কবে তাইওয়ানে অ্যাটাক করবে আর তখন কি ভারত আমেরিকার সঙ্গে দেবে? কারণ এমন কিছু হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেক কিছু এক্সপেক্ট করবে ভারতের থেকে। আফ্রিকার সঙ্গে চীন জুড়ে থাকে মালাক্কা প্রণালী দ্বারা। আমেরিকা চায় তাইওয়ানের ওপর চীন কোনওদিন হামলা করলে ভারত যাতে নৌবাহিনী ব্যবহার করে। এই মালাক্কা প্রণালীকে বন্ধ করে দেয় তার ফলে চীনের বড় বড় জাহাজগুলো আর পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছতে পারবে না।

    ভারত কি এতে সম্মতি দিল? সেইধরণের কোনও আলোচনা শোনা যায়নি। বিশ্বের তাবড় তাবড় কূটনীতিবিদরা বলছেন আলোচনা যতই বড় বড় বিষয়ে নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে হোক না কেন সামধান কিন্তু সেই গোল গোলই আসবে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিংয়েরে এক বিবৃতিতে বলেছেন বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা তবে বৈঠক থেকে বড় ধরনের কোনো ঘোষণা আসার সম্ভাবনা নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা ? কোন গুপ্ত খাজানা আছে এখানে! বড় চমক কাশ্মীরে

    পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা ? কোন গুপ্ত খাজানা আছে এখানে! বড় চমক কাশ্মীরে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে বড় খবর! আবার কোনও অ্যাটাক। কেন জঙ্গিরা বারবার পুলওয়ামাকেই টার্গেট করে? এমন কি আছে এই এলাকায়? ঠিক কত জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর মিলছে? ২০১৯ সালে যে পুলওয়ামায় ৪০ট তাজা প্রাণ শহিদ হয়েছিল সেই পুলওয়ামাকে আসলে বলা হয় আনন্দ অব কাশ্মীর। কিন্তু সেখান থেকেই খবর আসছে বড়সড় এনকাউন্টারের। দিওয়ালির আবহের মধ্যেই ঘটতে পারে কোনও অঘটন? বারবার পাকিস্তানের টার্গেট পুলওয়ামাই কেন হয়?জম্মু ও কাশ্মীরে চলছে জঙ্গিদমন অভিযান। শনিবার দুপুর থেকে সেই পুলওয়ামা জেলার পারিগাম এলাকায় শুরু হয় এনকাউন্টার। কোনও বড় জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর মিলছে নাকি?পুলওয়ামার ঘন জঙ্গলে ঢাকা এলাকাতেই কি জঙ্গিদের ডেরা।

    পুলওয়ামার ভুগোল নিয়ে যারা খুঁটিনাটি সবটাই জানেন। তারা বলছেন উপত্যকার এই জেলাতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকাটা বেশ সহজ। এর পাশে ঘন জঙ্গল আর তার থেকে বড় সুবিধা। এই ম্যাপ দেখলে বুঝবেন লাইন অব কন্ট্রোলের অনেকটাই কাছে কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলা। কাশ্মীরের বাকি জেলার মতই এখানেও স্থানীয়দের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ব্যবহার করে। তাদের বাড়িতেই জঙ্গিদের আশ্রয় নেওয়ার বহু খবর আগেও সামনে এসেছে। এলওসি থেকে তাই কোনওমতে অনুপ্রবেশ করে এই জেলায় গা ঢাকা দেওয়াটা খুব কঠিন নয়। পুলওয়ামা এলাকায় এবার জঙ্গিদের গতিবিধির খবর ছিল ভারতীয় সেনার কাছে। তার ভিত্তিতেই শুরু হয় অভিযান। সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী সেখানে পৌঁছতেই জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়। কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানা যায় গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে রেখেছে যৌথ বাহিনী। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি শীতের আগে এই অনুপ্রবেশই বাড়তে থাকে। কারণ শীত পড়ার পর চরম পরিমাণে তুষারপাত শুরু হয়ে যায় পুলওয়ামা ও তার সংলগ্ন এলাকায়।

    বুদগাম-পুঞ্চ, শ্রীনগর দিয়ে ঘেরা পুলওয়ামায় মোট ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষের বাস। আর তাদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ মানুষের ধর্মই ইসলাম। হিন্দুদের সংখ্যা এই এলাকায় ৫ শতাংশেরও কম কিন্তু জানেন কি এসব সত্ত্বেও পুলওয়ামা কাশ্মীরের এমন এক জেলা যার ভূমিকা কাশ্মীরের অর্থনীতিতে মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৯ তৈরি হয়েছিল কাশ্মীরের জেলা পনবনগম। সেখান থেকে নাম বদলে পুলগাম তারপর পুলওয়ামা। এই জেলাকে বলা হয় রাইস বোল অব কাশ্মীর। কারণ এখানে উপত্যকার সবথেকে বেশি চাল উৎপাদন  হয়। শুধু তাই নয় সবথেকে বেশি দুধ পাওয়া যায় এই পুলওয়ামায়। কাশ্মীরের সবথেকে ভালো কোয়ালিটির কেশরও মেলে এই জেলাতেই।

    ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার পর এই জেলার নিরাপত্তা অনেক বেশি বাড়িয়ে দেওয়া হয়। উরির চেয়েও ভয়াবহ জঙ্গি হানা হিসেবে একে বিবেচনা করা হয়েছিল। দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। তার আগের দিনই পুলওয়ামার স্কুলে বিস্ফোরণে আহত হয়েছিল ১০ ছাত্র। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের জঙ্গি হামলা হয় ভূস্বর্গে। তবে ভারত ও ছাড়েনি নিয়েছিল তার বদলা। পুলওয়ামায় হামলার ১২ দিন পর আকাশপথে প্রত্যাঘাত হানে ভারত। ২১ মিনিটের নিখুঁত অপারেশন। ১৯৭১-এর পর প্রথমবার পাকিস্তানে ঢুকে পাকিস্তানকে জবাব দেয় নয়াদিল্লি। জইশ-ই -মহম্মদের কন্ট্রোল রুম উড়িয়ে দেয়। বায়ুসেনার ১২টি মিরাজ যুদ্ধবিমান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Which Country Will Win World Cup 2023: ১৯ তারিখ বিশ্বকাপ উঠবে কার হাতে? সামনে এল বিখ্যাত জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী

    Which Country Will Win World Cup 2023: ১৯ তারিখ বিশ্বকাপ উঠবে কার হাতে? সামনে এল বিখ্যাত জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Which Country Will Win World Cup 2023: কার হাতে উঠবে ক্রিকেটের বিশ্বকাপ? আপনি বলবেন, কেন ইন্ডিয়া। সামি কোহলিরা ছাড়া আর আছেটা কে? এখনও পর্যন্ত সব ম্যাচে জয়। এতো ভাল পারফরম্যান্স দেখা যায়নি আগের কোনও বিশ্বকাপে। কিন্তু শেষে পচা শামুকে পা কাটবে না তো! গ্রাস করবে না তো আত্মবিশ্বাস? এবার কিন্তু হার মানেই সব শেষ। আপনি বলবেন, অলক্ষণের এসব কথা বলতে নেই। তা না হয় হলো। কিন্তু কি বলছেন নামকরা জ্যোতিষী? তিনি কিন্তু ২০১১র প্রেডিকশন অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিয়েছিলেন।এবার তাঁর গণনায় বিশ্বকাপ জিতছে কোন দেশ?ভারত নাকি অন্য কেউ! চলুন দেখে নিই চটপট।দেখতে দেখতে একেবারে শেষ ল্যাপে চলে এসেছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩। এবার শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালের লড়াই। আগামী ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদে কার হাতে বিশ্বকাপ উঠবে তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব।

    চলতি বিশ্বকাপে শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্যভাবে খেলেছে ভারতীয় দল। বোলিংয়ে আগুন ছোটাচ্ছেন মহম্মদ শামি। দারুন ছন্দে কোহলিরা।ভারতের কাছে লজ্জার আত্মসমর্পণ করেছে বেশিরভাগ দল। ভারতীয় ব্যাটিং বোলিংয়ে কাছে দাঁড়াতে পারেনি তারা। তাই রোহিত শর্মার হাতে আগামী ১৯ তারিখ কাপ দেখার আশায় ১৪০ কোটির দেশ। ১২ বছর পর ফের একবার উৎসবে মাতার জন্য তৈরি আট থেকে আশি সকলেই।বিশ্বকাপে কোন দেশ চ্যাম্পিয়ন হবে তা নিয়ে চলছে নানান জ্যোতিষ প্রেডিকশনও। কি বলছেন তাঁরা?

    বিভিন্ন খ্যাতনামা জ্যোতিষীরা তাদের গণনার মাধ্যমে বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন। কিন্তু সবার কথা মিলবেই এমন তো হতে পারে না। তবে ভরসা রাখা যেতে পারে একজনের কথায়। তিনি আগেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী মিলিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ২০১১ সালে যে ভারতীয় জ্যোতিষী প্রেডিকশন করে বলেছিলেন ভারত বিশ্বকাপ জিতবে তিনিই এবার ২০২৩ সালে ফের প্রেডিকশন করেছেন। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালের দেড় মাস আগে জ্যোতিষী অনিরুদ্ধ কুমার মিশ্র বলে দিয়েছিলেন সেবার কাপ উঠবে এমএস ধোনির হাতে। দ্বিতীয়বারের জন্য একদিনের বিশ্বকাপ জিতবে ভারত।

    এবার তিনি প্রথমে ঠিক করেছিলেন কোনও প্রেডিকশন করবেন না। কিন্তু অসংখ্য ভক্তের অনুরোধে শেষমেশ তিনি প্রেডিকশন করতে রাজি হন। মানুষের চাহিদার কথা ভেবে নিজের ইচ্ছের পরিবর্তন ঘটান তিনি। আর এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে অনিরুদ্ধ কুমার মিশ্র যে প্রেডিকশন করেছেন তা মুখে হাসি ফোটাবে দেশবাসীর। অনিরুদ্ধ কুমার মিশ্রর প্রেডিকশন অনুযায়ী, এবার ফের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। এটা মাথায় রাখতে হবে খেলা নিয়ে যে কোনও ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী ফ্যানেদের মুখে হাসি ফোটালেও সবকিছুই নির্ভর করে সেই দিনে প্লেয়ারদের পারফরম্যান্সের ওপর।

    অনিরুদ্ধ কুমার মিশ্রর প্রেডিকশন ভারতীয় ফ্যানেদের খুশি করেছে এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শেষ কাজটা বাইশ গজের মধ্যে করতে হবে রোহিত বিরাটদেরই। আর মাঠের বাইরে গলা ফাটানোর জন্য আপনার মতো আমরা সবাই তো রইলামই। সেদিন নিশ্চয়ই আবার দেওয়ালি পালন করবে গোটা দেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলকে সাপোর্ট নয় ভারতের! নেতানইয়াহুকে জোর ধাক্কা, তবুও তেল আভিভের হাত-পা বাঁধা

    ইজরায়েলকে সাপোর্ট নয় ভারতের! নেতানইয়াহুকে জোর ধাক্কা, তবুও তেল আভিভের হাত-পা বাঁধা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত প্রকাশ্যে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে চলে গেল বড় টার্ন। ইজরায়েলের মুখোশ বিশ্বের সামনে খুলেই দিল ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যা ঘটে গেল তার বড় ইমপ্যাক্ট পড়বে। তবুও দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে পারবে না তেল আভিভ। ইজরায়েলের কি কোথাও একটা হাত পা বাঁধা?রাশিয়ার সঙ্গে বড় মিল পাওয়া যাচ্ছে তেল আভিভের, অনেকের এমনটাই মত। এবার কিন্তু ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারত এমন কোন কাজ করে দিল? তা সত্ত্বেও নেতানইয়াহু হয়ত এ নিয়ে কোনও স্টে পনিতে পারবেন না ভারতের বিরুদ্ধে।যুদ্ধের শুরুর দিকে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ালেও গাজা সহ প্যালেস্তাইনের একাধিক জায়গায় যে নির্মমতা, বর্বরতা চলছে রোজ তার বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়েছে ভারত। তবে এবার একেবারে নেতানইয়াহুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট। হ্যাঁ ভোট, রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারত দিয়েছে ইজরায়েলের বিপক্ষে গিয়েই ভোট। যা দেখে ভারতের বিরোধী দলগুলোর মুখ কিন্তু কার্যত বন্ধ। তারা বারাবার সমালোচনা করেছিলেন মোদীর ইজরায়েল নীতি নিয়ে। কিন্তু এবার শুধু বিরোধী নয় গোটা বিশ্বের সামনে আরও একবার জলের মতো প্রমাণ হয়ে গেল ভারত আসলে কার পক্ষে, কোন পক্ষে।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপুঞ্জে পূর্ব জেরুজালেম ও অধিগৃহীত সিরিয়ান গোলান সহ প্যালেস্তাইনের অঞ্চলে বসতি স্থাপন নামক একটি প্রস্তাবনা পেশ করা হয় ভারত সহ রাষ্ট্রপুঞ্জের মট ১৪৫টি সদস্য দেশ এই প্রস্তাবনার পক্ষে ভোট দেয়। বিরোধিতা করে মাত্র সাতটি দেশ- আমেরিকা, কানাডা, হাঙ্গেরি, ইজরায়েল, মার্শাল আইল্যান্ড, নাউরু ও মাইক্রোনেশিয়া। ১৮টি দেশ ভোট দান থেকে বিরত থাকে। সহজ ভাষায় বললে প্রস্তাব এটাই ছিল যে পূর্ব জেরুজালেম ও অধিগৃহীত সিরিয়ান গোলান সহ প্যালেস্তাইনের অঞ্চলে ইজরায়েল জোর করে বসতি স্থাপন করেছে। তাতে ভারত ভোট দিয়ে সম্মতি জানায়। এর থেকে প্রমাণিত হয় যে দিল্লি আগের অবস্থানেই অনড় থেকে। এটা বিশ্বাস করে প্যালেস্টাইনের জমি জোর করে দখল করে তাতে বসতি স্থাপন করেছে ইজরায়েল।

    প্রশ্ন হল এই যে প্রকাশ্যে ইজরায়েলর বিরুদ্ধে গিয়ে ভোট দিল ভারত এর ইমপ্যাক্ট দিল্লি-তেল আভিভের সম্পর্কে কতটা পড়বে? ইজরায়েল কী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিগড়ে দিতে পারে? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি ভবিষ্যতে কার বিদেশনীতি কোন পথে যাবে সেটা কেউ জানে না তবে ইজরায়েল ভারতের বিরুদ্ধে যাবে এই সম্ভাবনা কার্যত কম। মনে রাখতে হবে ভারত যা করেছে যে স্ট্যান্ড নিয়েছে সেটা নতুন কিছু নয় ভারত আগেও স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে ছিল। ভারত এখনও স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে। তবে এর জন্য কোনও হিংসা, হামলা, যুদ্ধের পক্ষে দিল্লি নয়। তাই ইজরায়েলের কোনও ধরণের বিরোধিতা করার হলে তখনই করতেন। নেতানইয়াহু যখন এবারের যুদ্ধে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল যে ভারত কিন্তু নীতি বদলায় নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন আন্তর্জাতিক স্তরে এই বার্তাটাও দেওয়া দরকার ছিল যে ভারত ইজরায়েলের জবরদখলের নীতিকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না। এবার দেখার তেল আভিভ এ নিয়ে কোনও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেয় কিনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের মতোই ফেঁসে গেল চীন ? বেজিংয়ের ছায়ায় ভয়, ভারতকে টেনে নিল তাইওয়ান

    হামাসের মতোই ফেঁসে গেল চীন ? বেজিংয়ের ছায়ায় ভয়, ভারতকে টেনে নিল তাইওয়ান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের মতোই পালানোর পথ পাবেনা চীন? চীনের মেরুদণ্ড ভেঙে দিল তাইওয়ান? গোপনে ভারতের হাতে কোন ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিল তাইপে? কাতারে কাতারে ভারতীয়, কেন ছুটে যাচ্ছে তাইওয়ানের দিকে? কোন গুপ্তধনের সন্ধান তাইওয়ানের মাটিতে? ইসরাইলের পর তাইওয়ান, ঢেলে দিল ভারতকে। জানেন? কিভাবে শুকিয়ে কাঠ হবে বেজিং? চীনের ছায়া তাইওয়ানেও? বুড়িয়ে যাওয়াকেই ভয়? এক লক্ষের লাইফ সেট, রাতারাতি হাতে চাঁদ পেল ভারত। চীনকে উড়িয়ে দিল ভারত। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ভারত দ্বীপ রাষ্ট্র তাইওয়ানের কতটা কাছাকাছি।তাইপের হাতে এবার মোক্ষম অস্ত্র। নড়ে যাবে ভিত।ভারতকে দিল বড় সুযোগ। সত্যিই কি লটারি পেলো ১ লাখ ভারতীয়? একেই বলে সোনায় সোহাগা।ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে, তাইওয়ান বিভিন্ন কারখানা, কৃষি, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ বিভিন্ন সেক্টরে অন্তত এক লক্ষ ভারতীয় কর্মীকে নিয়োগ করতে চাইছে।

    ডিসেম্বরের মধ্যেই কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর করবে ভারত তাইওয়ান। যে আলোচনা একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু তাইওয়ান ভারত থেকে এতো কর্মী নেবে কেন? বড় প্রশ্ন। দ্বীপ রাষ্ট্র টার ভেতরে কী চলছে জানুন। বর্তমানে তাইওয়ান জনসংখ্যার সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ নীতির কারণে তাইওয়ানে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে। ফলে অল্পবয়সী কর্মীর সংখ্যা সেখানে কমে যাচ্ছে। বয়স্ক, প্রবীণ প্রজন্মের সংখ্যা বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, ২০২৫ সালের মধ্যে তাইওয়ান একটা ‘অতি-বয়স্ক’ সমাজে পরিণত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই তকমা তখনই দেওয়া হয়, যখন কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশেরও বেশি বয়স্ক মানুষ থাকেন।

    আর এখানেই ভয় তাইওয়ানের। কারণ এই একই সমস্যার কারণে চীন কেউ আর্থিক ক্ষতি ফেস করতে হচ্ছে। বার্ধক্যের কারণে চীনা শ্রমশক্তিও একইভাবে এফেক্টেড হচ্ছে। তাই তাইওয়ান এবার ভারতকে বেছে নিতে যাচ্ছে। যা চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, বেজিং তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব অঞ্চল বলে দাবি করে। এদিকে তাইওয়ান নিজেদের স্ব-শাসিত দ্বীপ বলে দাবি করে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে তাইওয়ানের যে কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে চীন চাপে পড়বেই।

    জানিয়ে রাখি, তাইওয়ানে বেকারত্বের হার গত ২০০০ সাল থেকে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। সেখানকার অর্থনীতি প্রায় ৭৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। যা সচল রাখতে এখন ভারতীয় কর্মীদের সাহায্য নিতে পারে তাইওয়ান। আর তাইওয়ানের সঙ্গে চুক্তি হলে, ভারতের জন্যেও সেটা বিরাট বড় বেনিফিটেড হবে। ভারতীয় কর্মীরা সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সমান হারে বেতন এবং বিমার মতো সুরক্ষাও পাবে। একবার ইসরায়েল, একবার তাইওয়ান। ভারতের কর্মী বিভিন্ন দেশে কাজের সুযোগ পাচ্ছে। যা ভারতের জন্য অবশ্যই গোল্ডেন অপারচুনিটি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাস ইসরায়েল যুদ্ধের রিমোট ভারতের মাটিতে, বাংলাদেশের এতো দাম ? টু প্লাস টুতে বড় ফর্মুলা

    হামাস ইসরায়েল যুদ্ধের রিমোট ভারতের মাটিতে, বাংলাদেশের এতো দাম ? টু প্লাস টুতে বড় ফর্মুলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাস-ইসরাইল যুদ্ধের রিমোট ভারতের মাটিতে? বাংলাদেশকে নিয়ে স্ট্রেটকাট কমেন্ট নয়াদিল্লির। জেট ইঞ্জিন-রিপার ড্রোন, কোন যুদ্ধে ঝাঁপাচ্ছে ভারত যুক্তরাষ্ট্র? উঠে এলো ভারত প্রশান্ত মহাসাগর, “টু প্লাস টু” স্ট্রাকচারে লুকিয়ে বড় ফর্মুলা। ব্লিঙ্কেন-অস্টিনের কানে হামাস নিকেশের মন্ত্র? মোদীর ব্যালেন্স স্ট্র্যাটেজি তে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। গাজায় ডুবে বিশ্ব, বুক ঠুকে বেরিয়ে আসার পথ দেখালেন নরেন্দ্র মোদী। ইজ়রায়েল-হামাস যুদ্ধে কত বড় ভূমিকা ভারতের?ইরানের পর হারে হারে টের পেলো আমেরিকাও। বাংলাদেশকে নিয়েও আপোস নয়। চোখে চোখ রেখে সাফ জবাব ভারতের। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের আবহ। বাংলাদেশেও নির্বাচন আসন্ন। এই ক্রুশিয়াল টাইমে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘টু প্লাস টু’ ফর্ম্যাটে ফেস টু ফেস হলেন।

    আর সেখানেই গাজা সংঘাত সমাধানের ‘পথ’ বাতলে দিল নয়া দিল্লি। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে, তাতে আরব ইহুদি দ্বন্দ্বের সুদূরপ্রসারী এফেক্টে পুড়বে মধ্যপ্রাচ্য। তাই হামাস ইসরায়েল যুদ্ধ মেটাতে দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বেই জোর দিল নয়াদিল্লি।বিশ্লেষকদের মতে, আরব-ইহুদি সংঘাত ভারতের জন্য অত্যন্ত জটিল সমীকরণ তৈরি করেছে। একদিকে ‘বন্ধু’ ইজরায়েল অন্যদিকে ‘সহযোগী’ ইরান-সহ গোটা মুসলিম বিশ্ব। কাউকেই দূরে ঠেলে দিতে চাইছে না নয়াদিল্লি। তাহলে কী, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যালেন্স পলিসি হামাস ইসরায়েল যুদ্ধেও? ২০১৮ র পর ২+২ ফরম্যাটে পঞ্চমবারের মতো বসলো ভারত যুক্তরাষ্ট্র। আর সেখানেই উঠে এলো বাংলাদেশ ও। বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন আসন্ন, সেখানে ভোট যাতে অবাধ এবং সুষ্ঠু হয় তা নিয়ে ওয়াশিংটন ‘অতিসক্রিয়তা’ দেখাচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আর তার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কাত্রা মিডিয়া ব্রিফিংয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার।

    ভারত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আমরা সম্মান করি। বাংলাদেশের উন্নয়ন বা নির্বাচনের কথা যখন আসে, তখন এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ ঠিক করে। এককথায়, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব স্পষ্টভাবে নয়াদিল্লি নিজেদের স্ট্যান্ড পয়েন্ট জানিয়ে দিয়েছে। তবে এর মাঝেও, ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়শংকর। শুধু তাই নয়।
    জেট ইঞ্জিন নির্মাণের বিষয়ে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড মানে হ্যাল-এর সঙ্গে আমেরিকার জেনারেল ইলেকট্রিকের একটা চুক্তি হয়েছে এই বৈঠকে। ভারতে জিই৪১৪ ইঞ্জিন তৈরি নিয়েই এই ডিল। এ ছা়ড়া আমেরিকা থেকে ৩১টি এমকিউ-৯বি রিপার ড্রোন আমদানির বিষয়টিও উঠে এসেছে রাজনাথ-অস্টিন বৈঠকে। চীনকে নজরে রেখে ভারত-আমেরিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে ইন্দো প‌্যাসিফিক অঞ্চলের সমস‌্যাও। নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন বৈঠকে কানাডায় খলিস্তানি তৎপরতার মতো বিষয়েও হয়েছে আলোচনা।

    চলতি পরিস্থিতির ভিত্তিতে এই বৈঠক গোটা অঞ্চলের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। যে টু প্লাস টু ফর্ম্যাটে একই সঙ্গে গুরুত্ব পেয়েছে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদের জোগান এবং শিল্পবাণিজ‌্য।ৎমোদ্দা কথা, ভবিষ‌্যতের দিকে চোখ রেখে কাজ করতে দুই দেশই প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক শান্তি ও সৌহার্দ‌্য এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারত যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আজ এই বৈঠক কতটা সাকসেসফুল সেটা তো বলবে সময়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম