Tag: helth

  • Malachite Green Side Effects:কিভাবে বুঝবেন সবজিতে রাসায়নিক আছে কিনা? পরীক্ষা করুণ এই ভাবে

    Malachite Green Side Effects:কিভাবে বুঝবেন সবজিতে রাসায়নিক আছে কিনা? পরীক্ষা করুণ এই ভাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Malachite Green Side Effects: বাজার থেকে যে সবজিগুলি আপনি কিনছেন সেগুলি দেখতে টাটকা হলেও কোনও কোনও সময় সেই সবজিগুলিই বড়ো সরো ক্ষতি করতে পারে। সবজি গুলিকে টাটকা এবং সুন্দর দেখানোর জন্য মেশানো হয় বেশ কিছু রং আর কেমিক্যাল। যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। কিভাবে বুঝবেন সবজিতে কোনও কেমিকেল বা রং মেশানো আছে কিনা? আর কিভাবেই বা সাবধান হবেন? বাজার থেকে সবজি আনার পর সেগুলিকে পরিষ্কার করার আসল নিয়ম জানা আছে তো? অজান্তেই বিষ খাচ্ছেন না তো?

    ঘাবড়াবেন না! ফুড সেফটি এন্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সহজ কিছু গাইডলাইন রয়েছে। এই প্রতিবেদনে সেগুলিই আপনাদের সহজ করে বলবো। সেগুলি ফলো করলেই আপনারা জানতে পারবেন, যে সব্জি কিনেছেন সেগুলি কতটা তরতাজা।

    সহজেই সবজি পরীক্ষার জন্য তরল প্যারাফিন ব্যবহার করতে পারেন। সেই তরলে সবজি মিশিয়ে দিন। তারপর হাল্কা হাতে সব্জি ঘষুন। তাহলেই সেই সবজির আসল চেহারা সামনে চলে আসবে। যদি দেখেন সেই তরলের রঙ সবুজ হয়ে গিয়েছে, তাহলে জানবেন সবজিতে রঙ বা কেমিক্যাল মেশানো রয়েছে। আর যদি দেখেন, রঙ অপরিবর্তিত তাহলে আপনার চিন্তার কোনও কারণ নেই। টাটকা সব্জিই বাড়ি নিয়ে এসেছেন।

    এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, সবজিতে যে রঙ ব্যবহার করা হয়, তার নাম মেলাকাইট গ্রীন। এটা দিয়ে মাছেদের চিকিৎসাও করা হয়।  এই কেমিক্যাল অনেক বস্ত্র শিল্প এবং খাবারে পরজীবীনাশক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও এটি ছত্রাকের আক্রমণ, প্রোটোজোয়ান সংক্রমণ এবং এর দ্বারা সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত রোগ থেকেও রক্ষা করে। লঙ্খা, মটর এবং পালং শাকের মতো সবুজ সব্জিকে আরও সবুজ করতে ব্যবহার করা হয়।

    একইভাবে সাবধান থাকুন হলুদ নিয়েও। কারণ, হলুদেও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেজন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গোটা হলুদ কিনে তা বেঁটে খাওয়া অনেক বেশি ভালো।  ডিম নিয়েও সতর্ক করেছে  ফুড সেফটি এন্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। তাই ডিম খাওয়ার আগে একবার কোয়ালিটি চেক করে নিন। কীভাবে, সেজন্য একটি গ্লাসের মধ্যে জল নিয়ে সেখানে গোটা টিম রাখুন। যদি সেই ডিম ডুবে গিয়ে একদম তলায় চলে যায়, তাহলে জানবেন সেই ডিম আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

    আর হ্যাঁ যেটা বলছিলাম, শাক সবজির কথা। বাজার থেকে সবজি আনার পর কিভাবে পরিষ্কার করবেন?
    প্রথমেই সবজিগুলো পরিষ্কার জলে ধুয়ে ফেলুন। শুধু তা করলেই হবে না। নুন জলে সবজি ভিজিয়ে রাখুন। তারপর আবার তা পরিষ্কার জলে ধুয়ে রান্না করুন। জলে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে সবজি ধুলে আরও বেশি উপকার মিলবে। জলে এক টুকরো পাতি লেবুর রস মিশিয়ে তাতে সবজি ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ৩০ মিনিট।

    এছাড়াও রয়েছে আরও একটি উপায়। হলুদ জলে ভিজিয়ে রাখলেও কাজ হবে। একটি বড় মাপের গামলায় জল নিয়ে তাতে কয়েক চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এবার এই গামলায় বাজার থেকে আনা সবজি ঢেলে দিন। এভাবে সবজি তে দেওয়া রাসায়নিক দূর করা যায় অনেকটাই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Fennel Seeds for weight loss: ওজন কমাতে মৌরি সিদ্ধহস্ত, কিভাবে খাবেন? জানুন

    Fennel Seeds for weight loss: ওজন কমাতে মৌরি সিদ্ধহস্ত, কিভাবে খাবেন? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Fennel Seeds for weight loss: চর্বি গলে কোমর ৩৮ থেকে ২৮ হবে, মৌরি দিয়েই ওজন কমবে। সাথে শরীরের একাধিক সমস্যা সমাধান করবে। কিভাবে খাবেন মৌরি তার সঠিক পদ্ধতিটা আপনাকে জানতে হবে। মৌরি খনিজ নুনসমৃদ্ধ একটি বীজ। প্রাচীনকাল থেকেই এই মসলাটি ওষুধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে কপার, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাংগানিজ, ভিটামিন সি, আয়রন, সেলেনিয়াম আর ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান রয়েছে। বহুকাল আগে থেকেই মুখশুদ্ধি হিসেবে মৌরি খাওয়ার চল রয়েছে। অনেকের হয়তো জানা নেই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্যও মৌরি কতটা উপকারী। মৌরির মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরের একাধিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

    যেমন, এতে থাকা পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়াতেও সহায়তা করে মৌরি। খাবার দ্রুত হজম হলে শরীরে মেদ জমতে পারে না। কোমরের মেদ কমাতেও মৌরিতে ভরসা করতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী মৌরি। নিয়মিত দু’বেলা খেলে এই সমস্যা থেকেও মুক্তি পাবেন। মৌরি শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে পেটের ফোলাভাব কমে। চোখের নানা সমস্যা নিরাময়ের জন্যও খেতে পারেন মৌরি। মৌরিতে যেহেতু প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম রয়েছে, এ কারণে যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত মৌরি খেলে উপকার পাবেন। এখন জানতে হবে মৌরি কিভাবে খেলে এই উপকার গুলি পাবেন? সঠিক পদ্ধতি টা ঠিক কি?

    এক চামচ মৌরির বীজ নিয়ে গরম জলে রাখুন। ফোটাবেন না, কারণ ফোটালে মৌরির বেশিরভাগ পুষ্টি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এটি প্রায় ১০ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন এবং তারপরে এই জল দিনে তিনবার পান করুন। ফল পাবেন শীঘ্রই।

    মৌরি ভেজানো জল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। যুগের পর যুগ ধরে আমাদের দেশে এই পানীয় খাওয়া চলছে। এক্ষেত্রে ১ গ্লাস জলে ২ চামচ মৌরি মেশান। তারপর সারারাত গ্লাস ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে এই জল ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এতে পেটের নানাবিধ সমস্যা একদম উবে যাবে। খাবার হজম হবে সহজে। এমনকী ওজনও কমবে তরতরিয়ে।

    বিকেলের দিকে চা খান নিশ্চয়ই। তবে এবার থেকে চায়ের সঙ্গে গরম জলে কিছুটা পরিমাণে মৌরি মিশিয়ে দিন। এই পানীয়ের উপকার আরও কিছুটা বাড়াতে চাইলে সামান্য পরিমাণে গুড় মেশাতে পারেন। তবে ডায়াবিটিস থাকলে গুড় এড়িয়ে চলুন।

    এই পানীয় শরীরে বিপাকের হার বাড়ায়। এমনকী এনার্জি প্রদান করে। দেহ থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। আর সবথেকে বড় কথা, এই চা নিয়মিত খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতেও সময় লাগবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pneumonia in China: ভারত হাই অ্যালার্টে! ফিরছে কঠিন নিয়ম ? কোন নতুন ভাইরাস থেকে ছড়াচ্ছে নিউমোনিয়া

    Pneumonia in China: ভারত হাই অ্যালার্টে! ফিরছে কঠিন নিয়ম ? কোন নতুন ভাইরাস থেকে ছড়াচ্ছে নিউমোনিয়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pneumonia in China: আচ্ছা ধরুন বাড়ির বাইরে পা রাখলেই আপনাকে আবার কতগুলো কঠিন নিয়মের মধ্যে ফেলে দেওয়া হবে। আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন এইসব শব্দগুলো আবারো ফিরে আসবে? চীন সীমান্তে কড়া ডোজ ভারতের। ভারত ডিরেক্ট হাই অ্যালার্টে চলে যাচ্ছে। কোভিডের রিপিট? নাকি অন্য কিছু? চীনের রহস্যময় নিউমোনিয়ার ঢেউ, জোড় ধাক্কা ভারতের ৬ রাজ্যে। কোন কোন রাজ্য রয়েছে সেই তালিকায়? চীন থেকে হু হু করে ছড়াচ্ছে এটা কি নতুন কোনো ভাইরাস?বাংলার সিচুয়েশন টা ঠিক কী? টেনশন তো একটু বাড়ছেই।

    চীনের আতঙ্কে ভারত ছয়লাপ? শ্বাসকষ্ট হলেই সাবধান!
    ভয় পাবেন না, ভারতের এক্স্যাক্ট পরিস্থিতিটা আগে জানুন
    চীনের ‘রহস্যময় নিউমোনিয়া’ নিয়ে কেন্দ্র আগেই সতর্ক করে নির্দেশিকা জারি করেছিল। এবার নড়েচড়ে বসল ছয় রাজ্যও। স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিল রাজস্থান, কর্নাটক, গুজরাত, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং তামিলনাড়ু সরকার। শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগী ভর্তি হলে চিকিৎসার কী ব্যবস্থা রয়েছে, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের তা শীঘ্রই জানাতে বলা হয়েছে। তবে, চীনের নিউমোনিয়ার সঙ্গে মরসুমি ফ্লুকে গুলিয়ে ফেলবেন না।
    কর্নাটকের স্বাস্থ্য দফতর নাগরিকদের মরসুমি ফ্লুয়ের বিষয়েও সতর্ক করেছে।

    এই রোগের উপসর্গ কী, হলে কী করা উচিত এবং উচিত নয়, তা জানিয়ে নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হাঁচি, কাশির সময় নাক, মুখ চাপা দিতে হবে। বার বার হাত ধুতে হবে। ভিড় জায়গায় মাস্ক পরতে হবে।
    মুখে হাত দেওয়া চলবে না। রাজস্থান সরকার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, স্বাস্থ্য কর্মীদের নজর রাখা উচিত এবং সংক্রমণ রোখার বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিত। হাসপাতালে শিশু বিভাগ এবং মেডিসিন বিভাগকেও প্রস্তুত থাকার কথা বলেছে। গুজরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোভিড অতিমারির সময় স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করা হয়েছে। চিনের পরিস্থিতি দেখে আগেভাগেই সেই পরিষেবা জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

    আর উত্তরাখণ্ড? এখানে তিনটে জেলা চামোলি, উত্তরকাশী, পিথোরাগড় চীন সীমান্তে রয়েছে। সেক্ষেত্রে রিস্ক আছে। তাই, সেইসব জেলার প্রশাসনকে সতর্ক করেছে সরকার। পাশাপাশি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীদের উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য কর্মীদের। হরিয়ানা সরকারও জানিয়েছে, শ্বাসকষ্ট নিয়ে কোনও রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে প্রশাসনকে জানাতে হবে? একই নির্দেশ দিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। স্বাস্থ্য দফতরকেও সতর্ক হতে বলা হয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত কোনও শিশুর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কেন্দ্র বিষয়টাকে হালকাভাবে দেখছে না। চীনে যে ‘রহস্যময় নিউমোনিয়া’ ছড়িয়ে পড়েছে, তার কোনও লক্ষণ ভারতে দেখা গেলেই উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে। কোনও ভাবেই রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তা-ও দেখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এও জানিয়েছে, এই নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সাবধানে থাকুন, সতর্ক থাকুন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pre-Bridal Juice: রূপচর্চা নয়! এক পানীয়তেই ত্বক হবে উজ্জ্বল, উঠে যাবে দাগছোপ

    Pre-Bridal Juice: রূপচর্চা নয়! এক পানীয়তেই ত্বক হবে উজ্জ্বল, উঠে যাবে দাগছোপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pre-Bridal Juice: সামনেই বিয়ে? আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি? এদিকে কাজের চাপে একেবারেই রূপচর্চা করার সময় পাচ্ছেন না? অথচ বিয়ের আগে গ্লোইং স্কিন চান? তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। রূপচর্চা নয়, বিয়ের আগে ত্বকের গ্লো ফেরান একটি পানীয় খেয়েই। কয়েকদিন এই পানীয় খেলেই রেজাল্ট পাবেন। ত্বক হবে উজ্জ্বল সেই সাথে সমস্ত দাগছপও দূর হবে। শরীর থাকবে একদম সুস্থ। কিভাবে বানাবেন এই পানীয় জেননিন ঝটপট।

    সব সময় মুখে ক্রিম মাখলেই ফর্সা হওয়া যায় না। দিনরাত ফেসিয়াল করলেই যে মুখের গ্লো বাড়বে এমনটাও হয় না। শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ রাখাও খুব জরুরি। আর তাই রূপচর্চার পাশাপাশি নজর দিতে হবে রোজকারের খাবারেও। খাবারের মধ্যে যাতে প্রোটিন, পুষ্টি এসব সঠিক পরিমাণে থাকে সেই দিকে নজক দিন। রোজ জল বেশি করে খেতে হবে। সঙ্গে ফল, সবজি এসব অবশ্যই রাখবেন। বেশি তেলমশলা চলবে না। সাথে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিশমিশ, দারচিনি আর মৌরি দিয়ে এই পানীয় বানিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীর থেকে যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যাবে। ত্বক উজ্জ্বল হবে। সহজে বুড়িয়ে যাবে না। আর শরীর ভিতর থেকে সুস্থ থাকবে।

    ডিনার সেরে ৩০ মিনিট পর খান এই পানীয়। ১০ থেকে ১২ টা কিশমিশ ভাল করে ধুয়ে একগ্লাস জলের মাপে ফুটতে দিন। দিয়ে দিন এক চামচ ছোট মৌরি। এই মৌরি আর কিশমিশের মধ্যে থাকে অ্যান্টি এজিং গুণ, যা ত্বকের জন্য ভাল। ফুটতে থাকা জলের মধ্যে দিন কয়েকটি দারচিনির টুকরো। মাঝারি আঁচে সমস্ত উপকরণটিকে ফোটাতে হবে ১০ মিনিট। উষ্ণ গরম অবস্থাতেই কিশমিশ, মৌরি জল থেকে তুলে নিন। বাকি জল ছেঁকে একটা গ্লাসে নিতে হবে। এর মধ্যে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। রোজ নয়, সপ্তাহে চারদিন করে এই জল খেলেই কাজ হবে।

    গরম অবস্থাতেই খান এই পানীয়। এই জল খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ঘুমোতে যান।সান ট্যান তুলতেও কাজে আসে এই পানীয়। কিশমিশের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকায় তা খুবই উপকারী। আগে কিশমিশ চিবিয়ে খান। তারপর চুমুক দিয়ে জল খান। এই কিশমিশ ফোটানো জল খেলে ঘুম ভাল হয়। চোখের তলায় কালি পড়বে না। শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেবে। ভেতর থেকে শরীর রাখবে পরিষ্কার। আর উজ্জ্বলও হবে আপনার ত্বক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ওজন কমাতে খান কিনোয়া! ভাত ভুলে যান, কীভাবে খাবেন ? জানুন

    ওজন কমাতে খান কিনোয়া! ভাত ভুলে যান, কীভাবে খাবেন ? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এবার থেকে বিরিয়ানি খেলেও ওজন কমবে আপনার। যত খুশি খেয়েও ওজন কমিয়ে রোগা থাকতে চান? তাহলে আপনার ডায়েটে রাখুন কিনোয়া, ওটস ভেবে ভুল করবেন না! জানেন এটি আসলে ঠিক কী? মনে হবে ভাত খাচ্ছেন একেই সেলেবরা বলছে সোনার ফসল! আপনার হাজারটা রোগ সারাবে এই একটা খাবার। ভাবছেন ঝক্কি অনেক! একেবারেই নয় কীভাবে কিনোয়া রান্না করবেন? কাঁচা খাওয়া যায়? জানি জানি অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আপনার মনে কিনোয়া সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য জেনেনিন। এক ধরনের ফুলগাছের বীজ হল কিনোয়া। হোল গ্রেন কাউন্সিলের তথ্য অনুসারে, এটি হল গ্লুটেন ফ্রি হোল গ্রেন কার্বোহাইড্রেট। স্পষ্ট কথায় যাকে বলা যায় বন্ধু কার্বোহাইড্রেট।

    শস্যদানার মতো দেখতে হলেও কিনোয়া আদতে বীজ শস্য না হয়েও যেহেতু শস্যের মতোই কাজ করে তাই অনেকেই একে সিউডো সিরিয়ালও বলে থাকেন। প্রোটিন, ভিটামিন বি ও ফাইবারে ভরপুর কিনোয়া ডায়েটে রাখা মানে এক বলে ছয় মারা যাঁরা ডায়েটে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখতে চান কিন্তু চিকেন-মাছ ছুঁয়ে দেখেন না, তাঁদের জন্য আদর্শ। জানেন কিনোয়া খেলে একই সঙ্গে ষ পুষ্টি বজায় থাকবে ওজনও কমবে। হাড়ের গঠন মজবুত হবে। সুগার নিয়ে যাদের ভোগান্তির শেষ নেই তারা খান, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করায় হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকবে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমে যাবে বহুগুণ। কিনোয়া এমন একটা খাবার যার মধ্যে নটি এসেন্সিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিডের সবকটি মজুত। যাঁরা ওজন কমানোর ডায়েট করছেন তাঁরা স্বচ্ছন্দে ভাতের বদলে কিনোয়া খেতে পারেন বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমনটাই।

    দুধের সাথে ওটস দিয়ে সহজেই খাওয়া যায়। ওটসের খিচুড়ি বানিয়েও অনেকে খান। কিনোয়া কীভাবে রান্না করে তা জানেন না তো? সবার আগে জানুন এটি কাঁচা খেতে হয় না রান্না করে? খেতে পারেন ওটসের মতো করেই, ভাতের মতোই ফুটিয়ে খুব সহজে তা রান্না করা যায়। মিনিট পনেরো সময় লাগে কিনোয়া রাঁধতে অন্যদিকে কিনোয়া ফ্লেক্স খেলে রান্নারও প্রয়োজন পড়ে না, গরম দুধে দিয়ে খেতেও সুস্বাদু কিনোয়া দিয়ে স্যালাড থেকে শুরু করে বিরিয়ানি রুটি, পিৎজা পর্যন্ত তৈরি করা যায়।

    ভেতো বাঙালি ভাতের সঙ্গে সমঝোতা করতে শুরু করেছিল অনেক আগেই। আগেকার দিনে মা, ঠাকুমারা ওটসের ব্যবহার জানতে না। তাঁদের ভরসা ছিল ডালিয়া, বার্লিতে। ওজন কমাতে এখন ভাত কিংবা রুটির জায়গা নিয়েছে ডালিয়া, ওটস। কম কার্বোহাইড্রেটের কারণে সেগুলির চল এখন প্রায় তুঙ্গে। তবে ডায়েটিশিয়ানদের হালের প্রেসক্রিপশন মেনে এখন স্বাস্থ্য সচেতনদের পাতে সুপারফুড কিনোয়াই হল নতুন ট্রেন্ড। ছোটখাট মুদির দোকানে নাও পেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনাকে ঢু মারতে হবে কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা অলনাইনে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চিকেন না মাছ ওজন কমবে কোনটা খেলে ? এভাবে রান্নার কায়দাটা পাল্টে ফেলুন

    চিকেন না মাছ ওজন কমবে কোনটা খেলে ? এভাবে রান্নার কায়দাটা পাল্টে ফেলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মাছ একেবারেই পছন্দ নয় বলে রোজ চিকেন খান! রোগা হতে পারবেন তো? জানেন মাছ না মুরগির মাংস কোনটা খেলে দ্রুত ওজন কমানো যায়? শুধু খেলে হবে! কীভাবে খাচ্ছেন সেটাই আসল। মাছ বা মাংস কীভাবে খেলে আপনার ওজন একেবারে কমে যাবে জানুন। মাছ ও চিকেন দুটোই প্রোটিনে ভরপুর। শরীর সুস্থ রাখার কাজে দুটোই জরুরি।তবে জানেন চিকেন ও মাছ কোনটি খেলে ওজন কমে? আসলে প্রোটিন পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে পেট ভরতি থাকে অনেকক্ষণ। এদিকে নিরামিষ ও আমিষ দুই খাবার থেকেই প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে আমিষ খাবারের প্রোটিন অনেক সহজে শরীর গ্রহণ করে। তাই আপনি আমিষ খেলে সহজেই এই ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট গ্রহণ করতে পারবেন কিন্তু ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে কোনটা?

    মাছ খেলে পেট অনেকটা বেশি সময় ভরতি থাকে। এছাড়া মাছে ফ্যাটের পরিমাণ থাকে অনেকটাই কম। তাই এই খাবার ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকী শরীরে এনার্জি দেয় এই খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ওজন ্ক মাতে চাইলেও আপনি মন ভরে চিকেন খেতে পারেন। ১০০ গ্রাম মুরগির মাংসের মধ্যে ৩১ গ্রাম প্রোটিন থাকে এবং ক্যালোরি মাত্র ১৬৫। বিশেষজ্ঞদের মতে চিকেন ব্রেস্ট খাওয়া সবথেকে ভালো। এই খাবার দ্রুত ওজন কমাতে পারে। এখানে ফ্যাটের পরিমাণ কম। এক্ষেত্রে কম নুন দিয়ে মুরগির মাংস সিদ্ধ করে খান দেখবেন ফল পেয়েছেন। চিকেন খেলে চামড়া ছাড়া বোনলেস চিকেন ব্রেস্ট বেছে নেবেন। গ্ৰিল করে খেলে সবচেয়ে ভাল কিন্তু প্রক্রিয়াজাত চিকেন বা ফ্রায়েড চিকেন এড়িয়ে চলুন।

    তা বলে মাছকে অবহেলা করলে চলবে না। মাছে রয়েছে অনেকটা পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। হার্টের রোগীদের জন্য খুবই ভালো। তাই বলা হয় মাছ সবসময় খাওয়ার কথা। এক্ষেত্রে ছোট মাছ খাওয়া বেশি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন ওজন কমানোর আদর্শ খাবার হল ডিম। একটি ডিমের মধ্যে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। ব্রেকফাস্টে প্রতিদিন ডিম খেলে আপনার দেহে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হবে না। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে ডিম খেয়ে সহজেই ওজন কমানো যায়। এই খাবারগুলিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। এই দুটি খাবারই ওজন কমাতে পারে। তবে খাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।

    বাইরের তৈরি করা মাছ, চিকেন নয়। পাশাপাশি প্রসেস করা মাংস বা মাছ মুখে তোলা যাবে না। কারণ এতে ক্ষতিকারক অনেক পদার্থ মেশানো থাকে। চাইলেই সব ধরনের খাবার খাওয়া যায় না। কিন্তু ওয়েট লস ডায়েটে প্রোটিন রাখা জরুরি। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য শুধু যে আপনাকে কাজ করার এনার্জি জোগায়, তা নয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত পেটকে ভর্তি রাখে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Burn Home Remedies: হাত পুড়ে ফোসকা? আপনার হাতের কাছেই রয়েছে সমাধান, ফলো করুণ এই টিপস!

    Burn Home Remedies: হাত পুড়ে ফোসকা? আপনার হাতের কাছেই রয়েছে সমাধান, ফলো করুণ এই টিপস!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Burn Home Remedies: বাড়ির গৃহিনীদের রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনা তো প্রায়শই ঘটে। ভীষণ জ্বালাও করে। তার ওপর আবার ফোসকা পড়ার ভয়। কিন্তু জানেন কি আপনার হাতের কাছেই রয়েছে সমাধান। তৎক্ষণাৎ যদি সেই টিপস মানতে পারেন, তাহলে চট করে হাত জ্বালা থেকেও মুক্তি পাবেন। সেইসাথে ফোসকা পড়ারও কোনও ভয় থাকবে না। রান্না বা অন্য কোনও কাজ করার সময় হালকা হাত পুড়ে যাওয়া খুব একটা অদ্ভুত ব্যপার নয় কিন্তু হাত বা অন্য জায়গায় সামান্য পুড়ে গেলে ভয়ানক জ্বালা করতে থাকে, ত্বক লাল হয়ে যায় এবং ফোস্কা পড়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি কিছু ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন তাহলে সেই জ্বালা থেকো যেমন মুক্তি পাবেন তেমনই আবার ফোস্কাও পড়বে না। তাহলে আর কি দেরি না করে চলুন জেনে নেওয়া যাক পোড়া জায়গায় জ্বালাপোড়া এবং ফোসকা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু সহজ ও কার্যকরী টিপস।

    • কোনও জায়গা পুড়লে ফোস্কা পড়ার আশঙ্কা থাকে। সেজন্য পোড়ার পরপরই একটি কলা ভালো করে মাখিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং সেই পেস্টটি পোড়া জায়গায় ক্রিমের মতো লাগান। এতে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমে এবং ফোস্কা পড়ার আশঙ্কা কমে।
    • পোড়া জায়গায় জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে আলু ঘষলেও দারুন উপকার মিলবে। আলু ঘষে নিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পুরে যাওয়া স্থানে লাগান। তাহলে আর ফোস্কা পড়ার কোনও ভয় থাকবে না এবং জ্বালাপোড়া থেকেও উপশম মিলবে।
    • ডিমের সাদা অংশ লাগালেও কিন্তু দারুন কাজ দেয়। পোড়া জায়গায় শীতল অনুভব করবেন যার ফলে জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পাবেন সেইসঙ্গে ফোসকাও পড়বে না।
    • পোড়া ত্বকের উপর সরাসরি অ্যালভেরা জেল লাগান। এরফলে জ্বালা কমে যেমন ঠান্ডা অনুভূতি হবে, তেমনই ক্ষতও সারবে তাড়াতাড়ি।
    • পোড়া জায়গায় ভিনিগার ব্যবহার করলেও অনেক উপশম হয়। ভিনিগার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট এবং অ্যান্টিসেপটিক, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। ১ চামচ ভিনেগারে ৩ চামচ জল যোগ করে একটি দ্রবণ তৈরি করুন এবং তুলোর সাহায্যে পোড়া জায়গায় লাগান। এটি করলে কিছুক্ষণ পর ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।
    • মেহেন্দি পাতা খুব ঠান্ডা, যা পোড়া জায়গায় ব্যবহার করলে জ্বালাপোড়া থেকে আরাম পাওয়া যায়। হাতের কাছে যদি মেহেন্দি গাছ থাকে তাহলে মেহেন্দি পাতা ভাল করে ধুয়ে পেস্ট করে নারকেল তেল মিশিয়ে পোড়া জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। পোড়া জায়গায় মেহেন্দি পাতার পেস্ট লাগালে জ্বালা পোড়া কমে।
    • ত্বক পুড়ে গেলে চটজলদি জ্বালাভাব কমাতে পারে লিকার চা। ৩-৪টি লিকার চায়ের টি-ব্যাগ এক কাপ ঠাণ্ডা জলের মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। সঙ্গে ছড়িয়ে দিন কিছু বরফ কুঁচি। কিছুক্ষণ পর সেই লিকার চা একটি তুলার সাহায্যে ত্বকের পোড়া অংশে অল্প অল্প করে লাগাতে থাকুন। দেখবেন উপকারটা খুব জলদি অনুভব করছেন।
    • পোড়া সারাতে দইও খুব ভাল কাজ করে। তবে সঙ্গে সঙ্গে লাগালে জ্বালা আরও বেড়ে যাবে। পুড়ে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর দই লাগালে আরাম পাবেন।

    মনে রাখবেন খুব সামান্য পুড়ে গেলেই কিন্তু এসব ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন। যদি বেশি পুড়ে যায় বা বেশি জ্বালা করে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনের নিউমো’নিয়ার থাবা ভারতে পড়বে ? করোনার মতই নাকি! প্রকাশ্যে তথ্য ফাঁস

    চীনের নিউমো’নিয়ার থাবা ভারতে পড়বে ? করোনার মতই নাকি! প্রকাশ্যে তথ্য ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের অজানা নিউমোনিয়া নিয়ে রহস্য ফাঁস। চীন নিজেই মুখ খুলল এবার, কী জানিয়ে দেওয়া হল? করোনার মতো এই নিউমোনিয়াও কি ছড়াতে শুরু করবে দুনিয়ায়? ভারত এ মূহুর্তে কতটা রিস্কজোনে জানা গেল আসল উত্তর।
    বিভিন্ন পোর্টাল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় হেডলাইন দেখে ঘাবড়ে যাবেন না। আসলে জেনে নিন যে চীনে যা ঘটছে তাতে ভারতের বা ভারতের বাইরে থাকা মানুষের এফেক্টেড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা কি আদৌ আছে?
    যদি থাকে তাহলে সেটা কতটা? করোনার পর এনিয়ে এমূহুর্তে কোন কোন দেশের সতর্ক হওয়া উচিত? ২২ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছিল। সেখানে চীনের সরকারের কাছ থেকে এই অজানা নিউমোনিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছিল। চীন এবার মুখ খুললো আর তারপর যা বলল তাতে কতটা ভরসা করা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চীন কি আবারও বিশ্ব থেকে কিছু লুকোচ্ছে যেমন নোবেল করোনা ভাইরাসের সময় লুকিয়েছিল?

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার তথ্য বলছেন চীনের রাজধানী বেইজিং এবং চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াওনিংয়ের হাসপাতালগুলোতে রহস্যময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় উপচে পড়ছে।প্রতিদিন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসছে গড়ে ৭ হাজার শিশু। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এই অবস্থায় আশ্বস্ত করেছে চীন বেজিংয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন করে যে নিউমোনিয়া নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সেটা মোটেই বাড়তি চিন্তার নয়। তার কারণও অজানা নয়। চীনা প্রশাসন হু-কে জানিয়েছে এই নিউমোনিয়া নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা নতুন কোনও প্যাথোজেন বা কোনও নভেল ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়নি। সাধারণ জীবাণুর প্রকোপেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাছাড়া এর প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটাও সত্যি নয়। চীনের দাবি এখনও কোনও হাসপাতালেই রোগী ‘ওভারলোড’ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। চীনের এই জবাবে আপাতত সন্তুষ্ট হু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

    অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলছেন এই পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার জন্যয়বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে যে গাউডলাইন দেওয়া হয়েছে সেগুলো মেনে চলা উচিত। যেহেতু শিশুরা মূলত আক্রান্ত হচ্ছে সেজন্য।

    ১. ঠিক সময়ে টিকাকরণ প্রয়োজন।

    ২. অসুস্থদের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    ৩. অসুস্থ থাকলে Self Isolation- বজায় রাখুন।

    ৪. প্রয়োজন হলে যাবতীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

    ৫. খোলা জায়গায় বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে, কোভিডবিধি যা যা ছিল পালন করতে হবে।

    সেই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখুন এটা মহামারি বা অতিমারি হবে কিনা সেটা বলার মতো পরিস্থিতি এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চীন থেকে অন্য দেশে এমন সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেও এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  •  সদ্য মা হয়েছেন? স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে মেনে চলুন এসব টোটকা

     সদ্য মা হয়েছেন? স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে মেনে চলুন এসব টোটকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সদ্য মা হয়েছেন? কী ভাবে নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন জানা আছে ? সন্তানের জন্মের পর মায়ের কাঁধে চাপে একটি নতুন প্রাণের খেয়াল রাখার গুরুদায়িত্ব। সেই সাথে নিজের শরীরও বেশ খানিকটা দুর্বল হয়ে যায়। এই সময় নিজের সুস্থ থাকাটা ভীষণ দরকার। তাই প্রয়োজন মায়েদের বিশেষ যত্নের। নতুন মায়েরা স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে মেনে চলুন বেশকিছু টোটকা। তবেই নিজেও সুস্থ থাকবেন পাশাপাশি নিজেও বাচ্চাকেও সুস্থ রাখতে পারবেন।

    সন্তান জন্মের পর নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন না নিলে অজান্তেই দেহে বাসা বাঁধবে একাধিক জটিল অসুখ। আর একবার কোনও অসুখের খপ্পরে পড়লে যে আপনার পাশাপাশি ছোট্ট শিশুটিরও বিপদ বাড়বে। তাই সন্তান জন্মের পরই প্রত্যেক নতুন মা-কে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতেই হবে। নইলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না! এখন প্রশ্ন হল, কী ভাবে এই সময়টায় সন্তানের পাশাপাশি নিজের খেয়াল রাখবেন? এইসব নিয়ম মেনে চললেই আপনি অনায়াসে সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে পারবেন।

    এই সময় অনেক সদ্য ‘মা’ সন্তানের ভাবনায় এতটাই নিমজ্জিত হয়ে পড়েন যে তাঁরা পর্যাপ্ত সময় ঘুমান না। আর নিত্যদিনের এহেন ঘুমের অভাবেই তাঁদের গ্রাস করে ক্লান্তি। এমনকী দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে ডায়াবিটিস থেকে শুরু করে হাই প্রেশার, কোলেস্টেরল সহ একাধিক রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সুস্থ-সবল জীবন কাটানোর ইচ্ছে থাকলে আপনাকে প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে।

    অনেক মহিলাই মা হওয়ার পর অত্যন্ত চাপে পড়ে যান। আর এই কারণেই তাঁদের মনে বাসা বাঁধে অবসাদের মতো সমস্যা। তাই এই সময় অত্যধিক চাপ নেবেন না। বরং একটু চাপমুক্ত থেকে এই সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করুন। প্রয়োজন পড়লে রোজ সকালবেলায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট প্রাণায়াম করুন। আশা করছি, এতেই আপনার মনের হাল বদলে যাবে। হেসে-খেলে সন্তানের সঙ্গে জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

    সন্তানের খেয়াল রাখাটাই একটা মস্ত বড় দায়িত্ব। তাই এই সময় একা হাতে সংসার, বাড়ি বা অফিস সামলাতে পারবেন না। বরং এইসব কাজ একা সামলাতে গিয়ে নিজের উপর মানসিক ও শারীরিক চাপ বহুগুণে বাড়বে। তাই এই সময়ে স্বামী বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য চান। তাঁদের সঙ্গে কাজ ভাগ করে নিন।

    এই সময় ফাস্টফুড, কোল্ড ড্রিংকস এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। নইলে কিন্তু আপনার পাশাপাশি সন্তানও সমস্যায় পড়তে পারে। বরং শরীরের হাল ফেরাতে পাতে রাখুন মরশুমি ফল, শাক ও সবজি। কারণ এইসব খাবারে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার যা দেহে পুষ্টির ঘাটতি মেটাবে।

    সুস্থ-সবল জীবনযাপন করার ইচ্ছে থাকলে নিয়মিত এক্সারসাইজ করতেই হবে। বিশেষত, ডেলিভারির পর হাঁটা, জগিং বা সাঁতারের মতো এরোবিক এক্সারসাইজ করলে উপকার মিলবে বেশি। এমনকী চাইলে জিমে গিয়েও ঘাম ঝরাতে পারেন। তবে এসব কিছু করার আগে একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নিন। তাহলেই আপনার সুস্থ থাকার পথ প্রশস্থ হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ice Therapy: সেলেবরা আইস বাথের জন্যে পাগল! কী গুণ আছে ? ওজন কমবে লাফিয়ে

    Ice Therapy: সেলেবরা আইস বাথের জন্যে পাগল! কী গুণ আছে ? ওজন কমবে লাফিয়ে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ice Therapy: কনকনে বরফজলে ডুবে রয়েছে কয়েক মিনিট সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তারকাদের আইস বাথের এই ছবি ঘুরপাক খাচ্ছে। আলিয়া ভাট বরফ দিয়ে আইস ফেসিয়াল করেন কিন্তু বরফ জলে ডুবে থেকে কী হয় জানেন? অনেক সেলেবরাই এই থেরাপি নিচ্ছেন। প্রচুর গুণ! আপনার ১০ কেজি ওজন কমে যেতে পারে। স্কিন থেকে হাড়ের ব্যথা! আর কী কী সমস্যায় আরাম পাবেন এই টোটকায় ?ভাবছেন এই শীতে কীভাবে কনকনে বরফ জলে ডুব দেবেন?সেখানেই তো আসল টুইস্ট। বরফজলে স্নান এখন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বলিউড তারকারা এ ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছেন। রাকুল প্রীত সিং, সামান্থা রুথ প্রভু থেকে আরও অনেকে। এই আইস বাথ থেরাপি এখন দারুণ জনপ্রিয়। জানেন কত উপকারী?

    চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন ঠান্ডা জলে স্নান করলে একধরনের প্রোটিনের ক্ষরণ বাড়ে যা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আপনার যদি গাঁটে গাঁটে ব্যথা থাকে তাহলে আইস বাথ কমতে পারে। যে কোনও পেশির এই ব্যথা একেবারে কমাতে পারে বরফ গলা জল শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। আর রক্ত সঞ্চালন ভাল হলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে যায় সহজেই বলছেন বিষশেষজ্ঞরাও।

    আবার অনেকেই বলেন ঠান্ডা জলে স্নান করলে ক্যালোরি বার্ন হয়! মানে শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ কমে যায় সেক্ষেত্রে ১০-১৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার জলে ১০-১৫ মিনিট ধরে আইস বাথ নিন। মানে বরফ দেওয়া জলে ১৫ মিনিট ডুবে থাকুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কনকনে ঠান্ডা জলে স্নান করলে চট করে ঠান্ডা লাগা, ফ্লু-এর মতো রোগ আটকানো যায়। সামান্থা রুথ প্রভু ৬ মিনিট আইস বাথ নিয়েছিলেন। যেকোনও সময়ে আচমকা বরফজলে স্নান করলে হবে না। আপনাকে কিছু সতর্কতা নিতে হবে। বরফজলে স্নান করলে কী ধরনের ঝুঁকি থেকে যায়? আইসবাথ অতিরিক্ত করা ভালো নয় পায়ের আঙুলগুলো অবশ হয়ে যেতে পারে ঠাণ্ডায়। তাই ডাইভ বুট অবশ্যই পরা দরকার। তবে সবার জন্য এই পদ্ধতি সেফ নাও হতে পারে। কোল্ড ওয়াটার থেরাপির আগে অবশ্যই নিজের ব্লাড প্রেসার, হার্ট রেট, ব্লাড সঞ্চালন কেমন চলছে তা একবার পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ নিজের বুদ্ধিতে এই থেরাপি নিতে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    সারা শরীর অবশ হয়ে যেতে পারে। কনকনে ঠান্ডা জলে ৫ থেকে ১০ মিনিট ডুবে বসে থাকলে আঙুল, হাত, পা-সহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াচাড়া করার ক্ষমতা চলে যায়। তাই এই ঝুঁকি নেওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম