Tag: Gonesh

  • মানুষের রূপে গণেশ থাকেন, পিণ্ডি পরিণত হয় শিবলিঙ্গে, রহস্যে ঘেরা তামিল মন্দির

    মানুষের রূপে গণেশ থাকেন, পিণ্ডি পরিণত হয় শিবলিঙ্গে, রহস্যে ঘেরা তামিল মন্দির

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মানুষরূপী গণেশকে দেখছেন কোনওদিনও ভারতের এই সাধারণ মন্দিরে গেলে দেখতে পাবেন জলজ্যান্ত গণেশ।
    কালো এই মূর্তির কাছে গেলে করতে হয় একটাই প্রার্থনা
    স্বয়ং রামচন্দ্র এসেছিলেন এ মন্দিরে পুজো দিতে। গজরূপী গণেশের মূর্তি তো কত দেখেছেন কিন্তু মানবরূপী গণেশ কেমন দেখতে ছিলেন জানেন? কেমন ছিল তাঁর গায়ের রং মানে গণেশের মাথা কাটা পড়ার আগে ভারতের এক মন্দিরে পুজিত হন সেই মানবরূপী গণেশই এই মন্দিরে পুজো হয়। শুধু একটা কারণেই
    ভগবানের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে যা খুশি চাইতে পারবেন না আপনি। তামিলনাড়ুর তিরুভারুর জেলার আদি বিনায়ক মন্দির। বিনায়ক মানে গণেশ, তার আদি রূপ এখানে পুজিত হন। শুঁড় নেই, কুলোর মতো কানও নেই
    এমনকি তাঁর চেহারাও স্থূল নয়। একেবারে সাধারণ মানুষের মতো দেখতে। কিন্তু তাঁকেই সবাই গণেশ রূপে পুজো করেন সকলে। হ্যাঁ তামিলনাড়ুর তিরুভারুরের মন্দিরে গণেশ পুজিত হন এই মূর্তিতেই।

    স্বয়ং রামচন্দ্র নাকি পিতা দশরথের মৃত্যুর পর এখানে পুজো দিয়েই পিন্ডদান সেরেছিলেন। তার আগে কিছুতেই তিনি পিন্ডদান সম্পন্ন করতে পারছিলেন না। বারবার পিন্ডে চালের মন্ড পোকা হয়ে যাচ্ছিল। মহাদেবের কাছে রামচন্দ্র এর সমাধান চাইলে তিনি তাঁকে আদি বিনায়ক মন্দিরে পূজা দেওয়ার পরামর্শ দেন। শিবের আদেশে, রামচন্দ্র তাঁর পিতার আত্মার শান্তির জন্য আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে এই মন্দিরে পূজার কাজ সম্পন্ন করেন।
    কথিত যে, পুজোর সময়ে ধানের চারটি বল শিবলিঙ্গে রূপান্তরিত হয় এই চারটি শিবলিঙ্গ আদি বিনায়ক মন্দিরের কাছে। মুক্তেশ্বর মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে। এই মন্দিরে গণেশকে এমন যোগীরূপে দেখতে দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন মানুষ। মন্দিরের বিগ্রহটিও বেশ প্রাচীন
    লম্বায় প্রায় ৫ফুট কালো পাথরের তৈরি মূর্তি। বিগ্রহের হাতও দুটি চোখ বন্ধ, খানিকটা যোগী রূপ প্রকাশ পায় গণেশের এই বিগ্রহে। তবে পুজোর উপকরণ বা আয়জন সাধারণ গণেশ পুজোর মতোই।

    ভক্তেরা মানেন, মহাগুরু অগস্ত্য স্বয়ং প্রতি ‘সংকষ্টি চতুর্থীতে’ আদি বিনায়কের পূজা করেন। এমনও বিশ্বাস রয়েছে যে, এখানে গণেশের পূজা করলে নাকি পারিবারিক সম্পর্কে শান্তি আসে। বিনায়কের আশীর্বাদে শিশুদের বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়। তবে জনশ্রুতি বলে রামচন্দ্র এই মন্দিরে বাবা কাজ সারার পর থেকে সাধারণ মানুষও পূর্বপুরুষদের শান্তির জন্য এই মন্দিরে পূজা দিতে শুরু করেন। এই কারণেই এই মন্দিরটি তিলতর্পণপুরী নামেও পরিচিত। তিলতর্পণের অর্থ পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা। পুরী কথার অর্থ শহর নদীর তীরে পূর্বপুরুষদের শান্তির জন্য পূজা করা হলেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান হয় মন্দিরের ভিতরে। মন্দিরটি সাধারণ চেহারায় খুব সাধারণ হলেও স্থানীয়রা বলেন এই স্থানমাহাত্ম্য ও ক্ষমতা অসীম।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শিশুর মুখে গণেশের শুঁড়! কীভাবে সম্ভব?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভগবান গণেশ রূপে জন্ম নিল এক শিশু। ভারতের এই গ্রামে সদ্যোজাতের মুখে হুবুহু গণেশের শুঁড় এও কী সম্ভব? এ যেন সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা মানুষের রূপ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছেন। শুঁড় সমেত সন্তানের জন্ম হল কীভাবে? এই আশ্চর্য শিশুকে কোথায় গেলে দেখতে পাবেন ? এ যেন অবিকল ভগবান গণেশ। গণেশ চতুর্থীর আর হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। তার আগেই এ যেন এক অলৌকিক ঘটনা।

    শিব ও পার্বতী পুত্র শিশুর বেশে জন্ম নিলেন শুঁড় সহ শিশুকে দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় চিকিৎসকদের। খবরটা জানা মাত্র একটিবার দর্শনের আশায় হইহই পড়ে যায়। এ যেন ঈশ্বরের অলৌকিক লীলা বলতে থাকেন অনেকেই। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা।

    রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ৩১ জুলাই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু তার মুখটা পুরোটাই শুঁড়ের মতো। যে চিকিৎসকরা প্রসব করিয়েছেন এমন শিশু দেখে রীতিমত চমকে গিয়েছেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই গোটা রাজস্থান জুড়ে খবর ছড়িয়ে যায়। সকলে ভিড় করতে থাকেন হাসপাতাল চত্বরে। সকলে বলতে থাকেন গনেশ চতুর্থীর আগে সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা এসেছেন। কিন্তু দুঃখের খবর জন্মের প্রায় ২০ মিনিট পরেই তার মৃত্যু হয়। ২ রা অগাস্ট সংবাদমাধ্যমে এমনই তথ্য দাবি করা হয়েছে।

    কিন্তু শিশু এরকম শুঁড় নিয়ে জন্ম নিল কীভাবে ? বিজ্ঞান কি বলছে? গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করলে শিশুর অস্বাভাবিক গঠন সম্পর্কে জানা যায়। জেনেটিক কিছু সমস্যা থাকার পাশাপাশি ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণেও এমন শিশুর জন্ম হতে পারে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছেষ। এমনটাই এই সংবাদমাধ্যমে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version