Har Ghar Tiranga: কলকাতায় ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেরঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কস্তুরবা সরণি থেকে যাত্রা শুরু করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এরপর প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছয় যাত্রা।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান বার্তা
শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সরকারি ভাবে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষকে প্রতিটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আবেদন জানান।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, প্রশাসনিক আধিকারিক, পুলিশকর্মী, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উপস্থিতিতে কলকাতা তেরঙ্গাময় হয়ে উঠেছে।
জাতীয় পতাকা বিতরণ
মুখ্যমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিপুল সংখ্যক জাতীয় পতাকা বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি বাড়িতে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচিকে সফল করার আবেদন জানান তিনি।
১৫ আগস্টের আমন্ত্রণ
আগামী ১৫ আগস্ট কলকাতার রেড রোডে সরকারি অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষকে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রী।
‘বন্দে মাতরম’ থেকে জাতীয় সঙ্গীত
তেরঙ্গা যাত্রার সূচনা হয় ‘বন্দে মাতরম’ দিয়ে। নির্ধারিত পথ অতিক্রম করার পর জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
রাখিবন্ধন নিয়ে বড় ঘোষণা
তেরঙ্গা যাত্রার মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারী জানান, রাখিবন্ধন উৎসব এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে পালন করা হবে।
তিনি বলেন, রাখিবন্ধনকে শুধু ধর্মীয় উৎসব হিসেবে না দেখে মানুষের পারস্পরিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করার উপলক্ষ হিসেবে পালন করা হবে।
তাঁর বক্তব্যের মূল কথা ছিল—পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং সেই ঐক্যের মাধ্যমে রাজ্যের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া।
