প্রথম কলকাতা ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের বাইরে তৃণমূলের সাইনবোর্ড সরানোর পর নতুন করে ব্যানার টাঙানোকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই সাইনবোর্ড অবৈধভাবে নির্মিত বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দেন। তাঁদের সঙ্গে পুলিশও ছিল। পরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে দফতরের লোকজনের বচসা ও ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।
পুরসভা ও পুলিশ চলে যাওয়ার পরই অভিষেকের অনুগামীরা একই জায়গায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক-সহ নতুন একটি ব্যানার টাঙিয়ে দেন। ফলে সাইনবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা আরও রাজনৈতিক মাত্রা পায়।
আরও পড়ুন : নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে কলকাতার ৩২ জন নিখোঁজ, তাঁদের খোঁজে জরুরি হেল্পলাইন, জানুন নম্বর
ঘটনার পর দফতরের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। তাঁর বক্তব্য, আদালতের প্রতি তাঁদের আস্থা রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আইনি লড়াই সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
অন্য দিকে, পুরসভা ও বিরোধীদের বক্তব্য, ওই সাইনবোর্ড নিয়মবহির্ভূতভাবে লাগানো হয়েছিল এবং তা সরাতেই পুরকর্মীরা সেখানে গিয়েছিলেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা তৃণমূলের তরফে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে জোর করে প্রবেশের অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিষেক আরও জানান, যতবার ব্যানার সরানো হবে, ততবার তা লাগানো হবে। তাঁর দাবি, দফতরটি ভাড়ায় নেওয়া এবং দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে তৃণমূলের কার্যক্রম চলছে। ফলে ক্যামাক স্ট্রিটের এই ঘটনা এখন শুধু একটি সাইনবোর্ড ঘিরে প্রশাসনিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ নেই; তা গড়িয়েছে রাজনৈতিক সংঘাত ও আইনি লড়াইয়ের দিকেও।












