Tag: war

  • গাজায় যুদ্ধ ‘দীর্ঘ’ এবং আরও ‘কঠিন’ হবে! হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    গাজায় যুদ্ধ ‘দীর্ঘ’ এবং আরও ‘কঠিন’ হবে! হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    গাজায় ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘দীর্ঘ’ এবং ‘আরও কঠিন’ হবে! হুঁশিয়ারি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী। নেতানিয়াহুর দাবি “আমরা জিতবো, আমরা জয়ী হবো।হামাসকে পরাজিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” আরো একগুচ্ছ বক্তব্য জানালো ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। যুদ্ধ বিরতি কি দেওয়া হবে না হামাস কে?কবে থামবে এই লড়াই? জিম্মিরা কি মুক্তি পাবে? গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে এই যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদী ও কঠিন যুদ্ধ এবং ইহুদিদের টিকিয়ে রাখতে তিন হাজার বছরের পুরনো যুদ্ধ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা জিতব। হামাসকে পরাজিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

    হামাসকে পরাস্ত করতে ইসরায়েলি অতিরিক্ত স্থলবাহিনী এখন গাজা উপত্যকার সর্বত্র মোতায়েন রয়েছে বলে তিনি জানান। তার এমন ঘোষণার পরপরই শনিবার রাতে দক্ষিণ ইসরায়েল থেকে গাজায় একাধিক হামলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে গাজা শহরকে একটি যুদ্ধক্ষেত্র ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের দক্ষিণে চলে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ লিফলেট ফেলা হয়েছে। ইন্টারনেট মনিটরিং গ্রুপ নেটব্লকস বলেছে, গাজা উপত্যকায় শুক্রবার থেকে টেলিফোন লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা বহির্বিশ্ব থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। তবে রোববার সকাল থেকে তা আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

    গত ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ লড়াইকে ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এদিকে নেতানিয়াহুর ঘোষণার ফলে গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করা একটি গৌণ উদ্দেশ্যে পরিণত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সাতই অক্টোবর ইসরাইল থেকে অপহৃত ২২০ জনেরও বেশি জিম্মির বিনিময়ে হামাস ইসরাইলের কারাগারে থাকা সব ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তির প্রস্তাব দেয়। হামাস এ পর্যন্ত কয়েকজন জিম্মিকে মুক্তি দিলেও এখনও বেশিরভাগ তাদের হাতে বন্দি রয়েছে।জিম্মিদের নিরাপত্তা ও মুক্তি নিশ্চিত করতে ইসরাইল গাজায় সামরিক হামলা থামাতে পারে, যারা এমনটা আশা করেছিলেন নেতানিয়াহুর ঘোষণা অনুযায়ী তারা অনেকটাই হতাশ।

    হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের এই যুদ্ধকে তিন স্তরে ভাগ করার কথা জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট। গত সপ্তাহে, পার্লামেন্ট কমিটিকে তিনি বলেছেন, ‘প্রথম পর্যায়ে অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল, হামাসকে পরাজিত ও ধ্বংস করার জন্য তাদের অবকাঠামো ধ্বংস করা।’ তিনি দ্বিতীয় পর্যায়টিকে ক্রমাগত লড়াই হিসাবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে ইসরাইলি সেনারা, হামাস সদস্যদের খুঁজে বের করে তাদের নির্মূল করার লড়াই চালিয়ে যাবে।’ এবং তৃতীয় পর্যায়ে, ‘ইসরাইলের নাগরিকদের জন্য নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হবে,’ সুতরাং এখনই যুদ্ধ থামার কোন আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • তেলের হাহাকার ? ইজরায়েল যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে সোনাও, বিশ্বে নতুন বিপর্যয়

    তেলের হাহাকার ? ইজরায়েল যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে সোনাও, বিশ্বে নতুন বিপর্যয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    গোটা বিশ্বে কি এবার তেলের জন্য হাহাকার? ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধের জালে ফেঁসে গেল জ্বালানি তেল। সংঘাতের আঁচে পুড়ছে সোনাও। তেলের কাছে কী হীরের দামও ফেইল করবে? ভারতে কী ঘটতে যাচ্ছে? বড় ট্র্যাপে পড়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্য। এই তো শুরু, ইজরায়েল প্যালেস্টাইন ভুলিয়ে দেবে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধকেও। খাবারেও টান পড়বে কি? নতুন বিপর্যয় পৃথিবীর বুকে। রাশিয়া-ইউক্রেনের পর ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ। বিশ্ব অর্থনীতিতে কী মারাত্মক এফেক্ট পড়তে চলেছে? বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিতে দীর্ঘস্থায়ী ও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এই যুদ্ধ।

    অলরেডি, এই যুদ্ধের কারণে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে জ্বালানি তেলের বাজার। বিশ্ববাজারে এরই মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৪% বেশি। কারণটাও বুঝতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বিশ্বে তেলের চাহিদার বড় একটি জায়গা পূরণ করে। অথচ ওই অঞ্চলেই সংঘাত শুরু হওয়ায় তেল সাপ্লাই এর ক্ষেত্রে বিঘ্ন ও সংকট দেখা দিতে পারে, এই আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যেমন, সোমবারই এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্টের দাম ৪.৭ শতাংশ বেড়ে ৮৬.৬৫ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট টেক্সাসের ইন্টারমিডিয়েটের দাম প্রতি ব্যারেল ৪.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮৮.৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এদিকে এমন সময় এই সংকট তৈরি হলো যখন রাশিয়া ও সৌদি তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ায় এমনিতেই দাম উর্ধ্বমুখী রয়েছে। আর এখন ইসরায়েল-হামাসের যুদ্ধ নতুন মূল্যস্ফীতির শঙ্কা তৈরি করেছে।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই যুদ্ধ দুপক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে নাকি সৌদি আরবে ছড়িয়ে পড়ে সেটা তেলের বাজারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানে, ইসরাইল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ যদি সৌদিতেও ছড়িয়ে পড়ে সে ক্ষেত্রে তেলের দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। ভারত কী এখনও সেফ জোনে? হ্যাঁ এক্ষেত্রে ভারতের পদক্ষেপ সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো। মুডিজ ইনভেস্টর সার্ভিসেস এর রিপোর্ট বলছে বিশ্ববাজারে তেলের দর মাথাচাড়া দিলেও এখনই পেট্রল-ডিজেল কেনায় ভারতের মানুষের পকেটে চাপ পড়বে না যদিও, ইজরায়েল প্যালেস্টাইন ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের এফেক্ট পড়বে সোনাতেও। যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়া চিরকালের রেওয়াজ। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই এই যুদ্ধের কারণেও সোনার দাম বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সোনার দাম ২% বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘর্ষ বাড়তে থাকলে সোনার দাম কিন্তু আরও চড়া হতে পারে। সোনার দামে এতোটা লাফ, টেনশন বাড়াচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতা মহলে। সেক্ষেত্রে অবস্থা কোন দিকে গড়ায় বা সার্বিক পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা দেখার জন্য গোটা বিশ্বের নজর যুদ্ধের গতিপথের দিকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • আরেকটা নতুন যুদ্ধ? মুখোমুখি উঃ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র! গুলি করে স্পাই ড্রোন ওড়ানোর ওয়ার্নিং, ঘুম হারাম বাইডেনের

    আরেকটা নতুন যুদ্ধ? মুখোমুখি উঃ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র! গুলি করে স্পাই ড্রোন ওড়ানোর ওয়ার্নিং, ঘুম হারাম বাইডেনের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এবার কি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে উত্তর কোরিয়া? ওয়াশিংটনকে ওয়ার্নিং দিল পিয়ংইয়ং। সত্যিই কী যুক্তরাষ্ট্র কোরিয় উপদ্বীপে যুদ্ধ উস্কে দিচ্ছে? মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন উত্তর কোরিয়ার আকাশে ঢুকলেই বড় বিপদ। সোজা গুলি করে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। শঙ্কায় কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্র। বন্ধুর বিপদে পাশে দাঁড়ালো দক্ষিণ কোরিয়া। হুমকি উপেক্ষা করলে পস্তাতে হবে ওয়াশিংটন কে। সংকটের মাত্রা আরো বেশি জটিল হবে। আরও একটা যুদ্ধ?

    নতুন করে মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া। যা পরিস্থিতি তাদের যখন তখন যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। কিমের হুঁশিয়ারি, মার্কিন গোয়েন্দা বিমানগুলো যদি দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘন করে তাহলে এবার সেগুলোকে সরাসরি গুলি করে ফেলে দেওয়া হবে। এমনকি, উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফেও কঠোর সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে শত্রু দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা বারংবার দাবি করে আসছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গোয়েন্দা বিমান উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে দেশটির আকাশে ঢুকে পড়ছে। বিশেষ করে পূর্ব সাগরের দিক দিয়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর কৌশলগত গোয়েন্দা ড্রোন একবার নয়, বহুবার উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। যে বিষয়টাকে মোটেই ভালো নজরে দেখছে না পিয়ংইয়ং। তাই এবার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে ওয়ার্ন করা হয়েছে।

    বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আকাশ সীমা লংঘন করে মার্কিন ড্রোন বেশ কয়েকবার উত্তর কোরিয়ার দশ কিলোমিটার পর্যন্ত ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেক্ষেত্রে এরপরে এরকম ঘটলে পূর্ব সাগরের আকাশে কোনো মার্কিন গোয়েন্দা বিমানকে যে গুলি করে ফেলে দেওয়া হবে না- তেমন গ্যারান্টি দেওয়া অসম্ভব। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। এখানে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, অতীতের অভিজ্ঞতাও কিন্তু খুব ভালো নয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। উত্তর কোরিয়া তার আকাশসীমার কাছে মার্কিন গোয়েন্দা বিমান ভূপাতিত করেছে কিংবা রুখে দিয়েছে, এমন ঘটনা ঘটেছে কিন্তু অনেকবার। তবে, মার্কিন গোয়েন্দা বিমানগুলো কোরীয় উপত্যকার কাছে টহল দিলেও উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের দাবি যে সত্য নয় সেটা পরিষ্কার ভাবে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী কি বলছে? মার্কিন বিমান নজরদারি সরঞ্জামগুলো কোরীয় উপদ্বীপের চারপাশে নিয়মিত নজরদারি চালায়, তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ড নিরীক্ষণের জন্য একসাথে কাজ করে। তবে দুই দেশের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে যে উত্তেজনা চলছে তার মাঝে পিয়ং ইয়ং এর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোলা ইহানো অভিযোগ বিষয়টাকে যে আরো বেশি জটিল করবে সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • যুদ্ধ জিইয়ে রাখার স্ট্র্যাটেজি, অস্ত্র ব্যবসায় রমরমা! কোন দেশের হাতে মাস্টারপ্ল্যান?

    যুদ্ধ জিইয়ে রাখার স্ট্র্যাটেজি, অস্ত্র ব্যবসায় রমরমা! কোন দেশের হাতে মাস্টারপ্ল্যান?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিশ্ব জুড়ে একের পর এক যুদ্ধে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্ত্র বিক্রি। যুদ্ধ মানে শুধু ক্ষয়ক্ষতি নয়, ভুল ধারণা বদলান। পুরো পরিস্থিতিটাই কি তৈরি করা? লাভটা জানেন? কারা তৈরি করছে এই সংকট? মদতদাতা কারা? যুদ্ধ বাধিয়ে লাভ টা কি? ব্যাক টু ব্যাক যুদ্ধ, কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে? কোন ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছে গোটা বিশ্ব? যুদ্ধ-সংঘাত আদৌ কি শেষ হবে কখনও? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    গত সাত বছর ধরে বিশ্বজুড়ে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে দেখার মতো। প্রথমেই ভুলটা ভেঙে দিই। যুদ্ধ মান শুধু ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি নয়। যুদ্ধ মানে মুনাফাও, যুদ্ধ মানে কারোর পৌষ মাস তো কারো সর্বনাশ। বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধে, সংঘাতে, কোনো কোনো দেশ দেউলিয়া হয়েছে, কেউ তলিয়ে গেছে রাজনৈতিক অস্থিরতায়, গোটা বিশ্বে এর এফেক্ট পড়েছে। কিন্তু এসবের মধ্যেও একটা বিশেষ শ্রেণী বিরাট মুনাফা লুটেছে, এখনও লুটছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফুলেফেঁপে উঠেছে অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলো। করোনা মহামারির মতো সংকটকালে লোকসান তো দূরের কথা, এসব কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশ্লেষকরা কি বলছেন? তাঁদের মতে, বিশ্বজুড়ে সশস্ত্র সব যুদ্ধের নেপথ্যে রয়েছে এই বড় বড় অস্ত্র কোম্পানিগুলোই। জানেন মুনাফা লাভ এর আশায় এরা কতটা খতরনাক হয়ে উঠেছে?

    বিলিয়ন ডলার বাণিজ্যের সামনে মানবিক বিপর্যয়ের তোয়াক্কা করে না এই অস্ত্র কোম্পানিগুলো। বরং নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা বাড়াতে গিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি উস্কে দেওয়া তাদের কাছে একরকম রোমান্টিসিজম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের প্রেমে পড়ে গেছে অস্ত্র কোম্পানিগুলো। টার্গেট একটাই যত বেশি যুদ্ধ, যত বেশি সংঘাত, তত বেশি ব্যবসা। আর ঠিক এই কারণেই বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য হারে বাজেট বাড়ছে। বিভিন্ন দেশ তাদের সামরিক বাজেট বাড়াচ্ছে। বলা যায় রীতিমতো কম্পিটিশনে। গত বছর মানে ২০২২ সালে বিশ্বজুড়ে সামরিক ব্যয় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সামরিক খাতে ব্যয় পৌঁছেছে ২ হাজার ২৪০ বিলিয়ন ডলারে, যা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ এই তথ্য জানিয়েছে সিপ্রি। হিসাবটা আরো ভালোভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু। ফলে, বিশ্বের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি একাই ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শতাংশের হিসাবে যা বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৩৯ শতাংশ। না কম নয়। এর মানে একটাই, অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলোর আরও মুনাফা বৃদ্ধি।

    বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কারণ, বিশ্বের শীর্ষ ২৫টি অস্ত্র উৎপাদক ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম ৫টিই যুক্তরাষ্ট্রের। তাছাড়া বিশ্বে অস্ত্র বিক্রির ৩৭ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির ৪৭ শতাংশ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। যেখানে বিশ্বের ৩৩ শতাংশ অস্ত্র বিক্রি হয়। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর আয় বেড়েছে। তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, রাশিয়াও তাদের সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছে। শুধু রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ তো নয়। একটা যুদ্ধ শেষ না হতেই আরেকটি যুদ্ধ শুরু হচ্ছে। আর সেই সুবিধাকে কাজে লাগিয়েই নিজেদের ব্যবসা বাড়াচ্ছে অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলো। স্ট্র্যাটেজিটা মারাত্মক।

    • গত প্রায় সাত দশক ধরে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল সংঘাত চলছে।
    • এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে সংঘাত অব্যাহত।
    • সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নাম দিয়ে একুশ শতকের প্রথমে সংঘাতের শুরু আফগানিস্তানে।
    • আফগানিস্তানে আগ্রাসনের পর থেকে প্রায় প্রতি বছরই সংঘাতপূর্ণ দেশের তালিকায় যোগ হয়েছে নতুন নতুন দেশের নাম।
    • ২০০৩ সালে ইরাক, ২০০৬ এ লিবিয়া, ২০১১ তে সিরিয়া, ২০১৫ সালে ইয়েমেন একের পর এক চলছেই।

    ইরাক ও আফগানিস্তানে কয়েক লক্ষ মানুষ এর প্রাণ গেছে, আফগানিস্তানের প্রায় চল্লিশ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু। ইরাক ও আফগানিস্তোনে সংঘাত কিছুটা কমে এলেও লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে। মিয়ানমারে যা চলছে তা প্রায় গৃহযুদ্ধ বলা যায়।মিয়ানমারের পর তালিকায় যোগ হয়েছে রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত, সুদানের গৃহযুদ্ধ। সবমিলিয়ে তটস্থ গোটা বিশ্ব। পর্যবেক্ষকরা বলছেন এতো যুদ্ধ, লড়াই, বিশ্বকে ধ্বংসের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এসব যুদ্ধের শেষ কোথায়? কেউ জানে না। তাঁদের মতে, ভবিষ্যতে এই যুদ্ধের ভয়াবহতা আরো বাড়বে বই কমবে না। যুদ্ধ না থাকলে যারা অস্ত্র তৈরি করছে তাদের ভান্ডার পরিপূর্ণ হবে কি করে? আর এটাতো মানতেই হবে, এই শিল্পে বিনিয়োগে যত লাভ হয় তত লাভ অন্য কোনও খাতে হয় না। তাই, যুদ্ধ হবে, মানুষের প্রাণ যাবে, সব হারিয়ে কিছু মানুষ উদ্বাস্তু হবে, আর মদতদাতাদের প্রাণ জুড়াবে

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Killer Robot: অটোমেটিক্যালি হত্যাও করতে পারে “কিলার রোবট”! যুদ্ধ নিয়ে বাড়ছে রিস্ক

    Killer Robot: অটোমেটিক্যালি হত্যাও করতে পারে “কিলার রোবট”! যুদ্ধ নিয়ে বাড়ছে রিস্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Killer Robot: যুদ্ধগুলো “কিলার রোবট” এর হাতে চলে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে‌ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, বিশ্লেষকদের প্যালপিটিশন বাড়ছে। ধ্বংসের ব্যাপকতা বাড়ছে। যুদ্ধে রোবট ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধা, রিস্ক নিয়ে ভাবার সময় এসে গেছে। জানেন, কীভাবে, কখন, কেন এসব অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার থামানো উচিত? ভবিষ্যতের যুদ্ধগুলো কি আরও বিভীষিকাময় হতে চলেছে? এআইয়ের ভালো দেখেছেন, খারাপ দেখেননি।

    প্রথমেই, একটা কথা খোলাখুলি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া ভালো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে চারিদিকে রীতিমতো হুলস্থুল পড়ে গেছে। জানেন নিশ্চয়ই এআইয়ের অভাবনীয় বিকাশের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন এমন সব অস্ত্র তৈরি করতে চাইছে, যেগুলো কোনো মানুষের নির্দেশনা ছাড়াই অটোমেটিক্যালি শত্রুদের চিহ্নিত করবে, এমনকি মেরে ফেলতে পারবে। কি? শুনেই কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তো? না, এখানেই শেষ নয়। এটাকে বলছে “স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র” পদ্ধতি। কেতাবি নাম ‘লিথ্যাল অটোনোমাস ওয়েপনস সিস্টেম’। কিন্তু, সমালোচকরা বলছেন ‘কিলার রোবট’।

    এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ব্যবহারে সাধারণ মানুষ শুধু নয়, আতঙ্কিত বিশ্লেষকরাও। সুবিধা কিছু আছে, কিন্তু কিলার রোবটের নেতিবাচক দিকটাই বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের যুক্তি কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি হলে আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে গভীরভাবে না জানা কিলার রোবট ভয়াবহ কোনো কাজ করে বসতে পারে। তাছাড়া আবেগ, ইমোশন এসব না থাকা কোনো যন্ত্রকে মানুষের জীবন-মৃত্যুর ফয়সালার ভার দিতেও রাজি নন তাঁরা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, স্বয়ংক্রিয় এসব অস্ত্রের জবাবদিহিতা কে করবে এবং কীভাবে তা নিশ্চিত করা হবে? একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝালে সুবিধা হবে। ধরুন, যদি কোনো রোবট যুদ্ধাপরাধ করে, তাহলে কি সংশ্লিষ্ট রোবটের কমান্ডিং অফিসারকে এর জন্য দায়ী করা হবে? নাকি তারও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, যারা এসব রোবটকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে? না কি এসব রোবট যারা তৈরি করেছে, তাদের জবাবদিহি করতে হবে? না, ব্যাপারগুলোই স্পষ্ট নয়।

    তাছাড়া, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো সংজ্ঞাই নেই এই কিলার রোবট এর। যদিও অধিকাংশ দেশ এবিষয়ে একমত যে, এ ক্ষেত্রে সিস্টেমটা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে, নির্বাচন করে, হামলা করতে পারবে। আর সুবিধা? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নির্ভর স্বায়ত্তশাসিত অস্ত্র কিছু ব্যাপারে যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা দেবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই যেমন, যুদ্ধক্ষেত্রে এসব অস্ত্র ব্যবহারের ফলে সেনা কমানো যাবে, এতে তাঁদের জীবন বাঁচবে যারা এসব অস্ত্রের সমর্থনে কথা বলছেন, তাঁদের যুক্তি এসব জটিল ও সূক্ষ্ম অস্ত্রের সাহায্যে মনুষ্য সৃষ্ট ত্রুটি ও পক্ষপাতিত্ব এড়ানো সম্ভব হবে লক্ষ্যমাত্রায় আরও নিখুঁতভাবে আঘাত হানা গেলে অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু এড়ানোও সম্ভব হবে। কিন্তু, বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যুদ্ধক্ষেত্র পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় রোবটদের দখলে চলে যাওয়ার আগেই এদের থামানো উচিত। তা নাহলে কি হতে পারে? ভবিষ্যতের যুদ্ধগুলো আরও বিভীষিকাময় হয়ে ওঠার চান্স বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। ক্ষয়ক্ষতি কমানোর নামে ধ্বংসের ব্যাপকতা বাড়ছে। মানব জীবন হুমকির মুখে পড়বে, পড়ছে। দিনে দিনে এই পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চান্স থাকছে।

    যদিও, গবেষকদের একাংশের মতে একটা সম্ভাব্য ক্ষমতা সম্পর্কে কথা হচ্ছে, একটা ফাংশনের কথা হচ্ছে, যা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থায় ব্যবহার করা যেতে পারে, যা বিভিন্ন আকারে ব্যবহৃত হতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের মিশনে ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি নিষিদ্ধ করতে হয়, তবে ঠিক সেই ধরনের অস্ত্র নির্দিষ্ট করে শনাক্ত করতে হবে, যা নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে, দ্বি-স্তরের নীতি প্রণয়ন করা গেলে সেটা অবশ্যই বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। এখন কোটি টাকার প্রশ্ন হলো, সেই নীতিগুলো কেমন হবে, যা কিলার রোবট এর সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে বা বন্ধ করতে পারে?

    আবার, মাথায় রাখতে হবে দেশগুলোকে সেই নীতিমালার সঙ্গে একমতও হতে হবে। যদিও, এসব চিন্তা ভাবনা দূরে সরিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইরান, ইসরাইল, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া ও তুরস্ক এ ধরনের প্রাণঘাতী অস্ত্রের উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে। লিবিয়া থেকে শুরু করে রাশিয়াই উক্রেন যুদ্ধ, সবক্ষেত্রেই লিথ্যাল অটোনোমাস ওয়েপনস সিস্টেম ব্যবহৃত হচ্ছে। রিস্ক বাড়ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine war: ইউক্রেনের ওপর বড় হামলা! মস্কোর TU-95 বম্বার আমেরিকারও ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে

    Russia-Ukraine war: ইউক্রেনের ওপর বড় হামলা! মস্কোর TU-95 বম্বার আমেরিকারও ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine war: পাকিস্তানের গন্ডগোলের ফাঁকে রাশিয়া এ কি করল? ইউক্রেনে ভাবল এ যেন অ্যাটম বোমা বিস্ফোরণ। রাশিয়া এ কোন বোমা যা ঘুম উড়িয়ে দিল আমেরিকার। রুশ কমান্ডারে চাণক্য নীতি ঘুরিয়ে দিল যুদ্ধের নকশা। গোটা বিশ্ব যখন পাকিস্তান, পাকিস্তানের ইমরানের খানের গ্রেফতারি-মুক্তি নিয়ে ব্যস্ত তার ফাঁকেই ইউক্রেনের পর বড় হামলা করে দিল মস্কো।

    ইউরাএশিয়ান টাইমসের রিপোর্ট বলছে পুতিন এবার ব্রহ্মাস্ত্র TU-95 বম্বার দিয়েই অ্যাটাক করলেন। আমেরিকার প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম কেন আটকাতে পারল না? আগে জানতে হবে তবে সেরার সেরা TU-95 বম্বার আসলে কি? ড্রোন, মিশাইল, এসব তো এখন পুরোনো যুক্তরাষ্ট্রের রাতের ঘুম উড়াচ্ছে এই বম্বার। এই পরমাণু যোদ্ধা একবার মিশনে বের হলে প্রায় ১১ হাজার কিমি এলাকায় জারি হয় কার্ফু। কৃষ্ণসাগর হোক বা বাল্টিক সাগর বা নর্থ আটলান্টক সাগর। TU-95 উড়লে ন্যাটো তাদের ফাইটার জেট নামিয়ে নেয়। রিপোর্ট বলছে ১৭ টা TU-95 বম্বার ইউক্রেনের ওপর ছেড়েছে রাশিয়া। পুতিনের আদেশেই নাকি কৃষ্ণসাগরের ওপর ১৫টা TU-95 বম্বার ও ২ টো TU-160 বম্বার ঘোরাফেরা করছিল। একবার ইউক্রেনকে নিশানা করে একের পর এক ক্রুজ মিশাইল ছাড়তে থাকে TU বম্বার।

    ইউক্রেনে থাকা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও ফেল হয়ে যায় এই বম্বারের অ্যাটাকে। আমেরিকার প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম দিয়েছে ইউক্রেনকে। কিন্তু রুশ কমান্ডার তার আগেই চেলে দিল অন্য এক চাল। TU-95 বম্বার দিয়ে হামলার আগে TU-95 বম্বারের একটি ডিকয় উড়িয়ে দেওয়া হয়। ডিকয় হল একধরণের ডামি, যার মধ্যে কোনও হাতিয়ার থাকে না আর এটা তুলনামূলক কম দামের হয়। এতেই প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম গুলিয়ে ফেলে নিশানা। TU-95 বম্বার দিয়ে এত বড় হামলার আশঙ্কা না করেছিল ইউক্রেন নাই করেছিল আমেরিকা।

    বলা হচ্ছে এই বম্বার দিয়ে দুধরণের মিশাইল দাগা হয়েছিল। প্রথমত KH-101 ক্রুজ মিশাইল। দ্বিতীয়ত KH-555 ক্রুজ মিশাইল। রাশিয়ার এমন মিশাইল মাটিতে পড়লে নাকি ৫০ ফুট পর্যন্ত গর্ত হয়ে যায়। ইউক্রেনেও কি তেমনটাই হল? এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনও পরিমাণ প্রকাশ্যে আনেনি ইউক্রেন। তবে কিয়েভ দাবি করছে TU-95 বম্বার দিয়ে দাগা মিশাইলের মধ্যে ১৫ টা ক্রুজ মিশাইল ভূপতিত করেছে কিয়েভ৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবার কিন্তু হামলা আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা থাকছে৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • North Korea: মিসাইল হামলা উত্তর কোরিয়ার, সতর্কতা জারি জাপানের! সন্তর্পণে বাজছে নয়া যুদ্ধের দামামা

    North Korea: মিসাইল হামলা উত্তর কোরিয়ার, সতর্কতা জারি জাপানের! সন্তর্পণে বাজছে নয়া যুদ্ধের দামামা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    North Korea: গোটা বিশ্বজুড়ে যেন যুদ্ধের (War) চাপা উত্তেজনা চলছে। ইউক্রেন (Ukraine) আর রাশিয়ার (Russia) মধ্যে হওয়ার যুদ্ধ প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়নি। উপরন্তু বারংবার উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে উত্তর কোরিয়া (North Korea)। জাপানের (Japan) প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসুকাজু হামাদা বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব দিকে উচ্চ কোণে নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দেশটি মাঝে মধ্যে এই মিসাইল হামলা চালায় পার্শ্ববর্তী দেশ গুলিতে। যেগুলিকে টেস্ট কিংবা মহড়া বলে চালিয়ে দেয়। বৃহস্পতিবারও ঠিক তেমন তেমনই ঘটনা ঘটেছে, যার জেরে সতর্কতা জারি করেছে জাপান।

    উত্তর কোরিয়া বৃহস্পতিবার একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে যা আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে জাপান এবং কোরীয় উপদ্বীপের মধ্যে পড়ে। এর পর দ্বীপে বসবাসকারী লোকজনকে সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দেয় জাপান। এখন আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে কারণ কর্মকর্তারা বলছেন যে জরুরি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা একটি ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে ক্ষেপণাস্ত্রটি দ্বীপের কাছে পড়বে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, তাঁর সরকার উৎক্ষেপণের বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠক করবে।

    জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসুকাজু হামাদা বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব দিকে উচ্চ কোণে নিক্ষেপ করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের ভূখণ্ডে পড়েনি। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো বিস্তারিত জানার জন্য উৎক্ষেপণটি বিশ্লেষণ করছে। একই সঙ্গে জাপানের উপকূলরক্ষীরা জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর কোরিয়ার পূর্ব দিকে সমুদ্রে পড়েছে। হামাদা বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের উপর দিয়ে উড়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ বলেছেন যে ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের কাছে থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল এবং জাপান ও কোরীয় উপদ্বীপের মধ্যবর্তী সমুদ্রের দিকে উড়ে গেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) অনুসারে, ক্ষেপণাস্ত্রটি মাঝারি বা দূরপাল্লার, তবে এটি কতদূর উড়েছিল তা স্পষ্ট নয়। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন কয়েক দিন আগে তাঁর দেশের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আরো ব্যবহারিক এবং আক্রমণাত্মক পদ্ধতির উপর জোর দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ বলেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি পিয়ংইয়ংয়ের কাছে থেকে স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ২৩মিনিটে নিক্ষেপ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর মতে, তারা উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক সিরিজের যৌথ সামরিক মহড়া বেশ সমালোচনা করেছে। কিমের সরকার বিষয়টি একেবারেই ভালো চোখে দেখছে না।।

    যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। যা যুদ্ধের উস্কানি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে উদ্ধৃত করে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া উস্কানি হিসেবে জাপান সাগরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর পর নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে জাপান সরকার। উত্তর কোরিয়ার দাবি অনুযায়ী, এসব অস্ত্র তেজস্ক্রিয় সুনামি ঘটাতে সক্ষম। জাপানও উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে, জাপান সরকার হোক্কাইডো দ্বীপের বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যেতে এবং ভবন বা ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলে। যদিও হোক্কাইডোর স্থানীয় কর্মকর্তারা পরে বলেছিলেন যে দ্বীপটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করার কোন সম্ভাবনা নেই। চলতি বছরের শুরু থেকেই উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে অস্ত্র পরীক্ষা করে আসছে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া একটি পারমাণবিক সক্ষম আন্ডারওয়াটার ড্রোন এবং দুটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সোমবার কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। যেখানে আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদী ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বাসঘাতকদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের যুদ্ধ চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ukraine Minister In India: রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনের মন্ত্রী এলেন ভারতে, সাহায্যের আর্জি!

    Ukraine Minister In India: রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনের মন্ত্রী এলেন ভারতে, সাহায্যের আর্জি!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ukraine Minister In India: এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) থামার কোন লক্ষণ নেই। যতবার এই বিষয় নিয়েই ভোটাভুটি হয়েছে ততবারই ভারত (India) নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকেছে। দুই দেশের সঙ্গেই কূটনৈতিক দিক থেকে ব্যালেন্স করেছে ভারত। উপরন্তু রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বেশ ভালো সম্পর্ক। গত এক বছর ভারত আগের তুলনায় প্রচুর কম দামে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেনের সংঘাতের মাঝেই ভারত সফরে এসেছেন ইউক্রেনের মন্ত্রী। চার দিনের সফরে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে উঠে আসতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নানান বিষয়। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ভারত ইউক্রেনকে সমর্থন করতে পারে?

    রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের আবহে গোটা পশ্চিমা বিশ্ব সমর্থন করছে ইউক্রেনকে। গোটা বিশ্বজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে দল ভাগাভাগি। একাধিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে রাশিয়ার ঘাড়ে। যদিও এতে রাশিয়ার বিন্দুমাত্র কোনো ক্ষতি হয়নি। পশ্চিমা বিশ্বের সাহায্যে আজও যুদ্ধে টিকে রয়েছে ইউক্রেন। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেছে, যদি ইউক্রেন সাহায্য না পেত তাহলে যুদ্ধে রাশিয়ার মতো শক্তিশালী দেশের কাছে টিকে থাকা অতটাও সোজা ব্যাপার হত না। যুদ্ধের আবহে বারংবার আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে উঠে এসেছে ভারতের নাম। ভোটাভুটিতে বারংবার ভারত নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকেছে। যুদ্ধের মাঝে সোমবার ভারতে এসেছেন ইউক্রেনের প্রথম ডেপুটি বিদেশ মন্ত্রী এমিনি জাপারোভা (Emine Dzhaparova)। মনে করা হচ্ছে, চার দিনের সফরে তিনি ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে পারেন।

    এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসানের জন্য গোটা বিশ্বজুড়ে নানান আলাপ আলোচনা হলেও যুদ্ধ থামানো যায়নি। ইউক্রেন এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ভারত একাধিকবার কথা বলেছে কিন্তু সমস্যার সমাধানের পথ অধরাই থেকে গিয়েছে। এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছিলেন। ভারত বারংবার শান্তি স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে।

    ভারতে এসে ইউক্রেনের ডেপুটি বিদেশ মন্ত্রী একটি টুইট বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি ভারতে এসে আনন্দিত। এই মাটিতেই বহু মহাপুরুষ, সাধু এবং গুরু জন্মেছেন। আজও ভারত বিশ্ব গুরু হতে চায়। ইউক্রেনকে সমর্থনেই সত্যিকারের বিশ্বগুরু হওয়ার একমাত্র উপায়। তাঁর বার্তায় স্পষ্টত ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তিনি যুদ্ধে ভারতকে পাশে পেতে চাইছেন। মূলত তিনি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আর্জি জানাতে ভারতে এসেছেন। ইউক্রেনের তরফ থেকে এক বিবৃতি পেশ করে বলা হয়েছে, ভারত ইউক্রেনের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার। প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশ নিজেদের মধ্যে শিক্ষা, বাণিজ্য, সংস্কৃতিক এবং প্রতিরক্ষা বিভাগে দ্রুত উন্নতি করেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine War: জার্মানি ইউক্রেনে পাঠাল ভয়ঙ্কর লেপার্ড টু, টিকতে পারবে না রাশিয়া! ঘুরছে যুদ্ধের মোড়

    Russia-Ukraine War: জার্মানি ইউক্রেনে পাঠাল ভয়ঙ্কর লেপার্ড টু, টিকতে পারবে না রাশিয়া! ঘুরছে যুদ্ধের মোড়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine War: রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে জার্মানি (Germany)। এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে, যুদ্ধ (War) থামার কোনো নাম নেই। পশ্চিমা বহু দেশ পাশে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের (Ukraine)। যার কারণে রাশিয়া বেশ ক্ষুব্ধ। কয়েক মাস আগেই জার্মানি জানিয়েছিল ইউক্রেনে অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক পাঠাবে। জার্মানি তার কথা রাখল। জার্মানি ইউক্রেনে পাঠিয়েছে লেপার্ট টু ট্যাঙ্ক। জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়, ইউক্রেনে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর তাদের ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে প্রায় ১৮টি অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক। যা যুদ্ধক্ষেত্রে অন্যতম অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস জানান, এই ট্যাঙ্কগুলি যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শুধু জার্মানি নয়, যুক্তরাজ্যও ইউক্রেনের চ্যালেঞ্জার টু ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে।

    গত কয়েক বছরে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেন বারংবার বিশ্বের বহু দেশের কাছে সাহায্যের জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। এই যুদ্ধে পশ্চিমাদেশ গুলি রাশিয়ার উপর চাপিয়েছে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা। অপরদিকে ইউক্রেনকে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সাহায্য করছে যে দেশগুলি সেই তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইউক্রেনকে যুদ্ধ ট্যাঙ্ক দিয়ে সাহায্য করল যুক্তরাজ্য আর জার্মানি। অপরদিকে শোনা যাচ্ছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নাকি ন্যাটো জোটের কাছে শুধুমাত্র যুদ্ধ ট্যাঙ্ক নয়, যুদ্ধবিমানও চাইছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনের তরফ থেকে লেপার্ড টু ট্যাঙ্ক সম্পর্কে সেভাবে কিছু জানা যায়নি, তবে যুক্তরাজ্য থেকে পাওয়া চ্যালেঞ্জার টু ট্যাঙ্কের চালনা বিষয়ে ইউক্রেন নিশ্চিত করেছিল।

    এমত পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হয়ত জার্মানির এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। গত এক বছরের যুদ্ধে রাশিয়া শক্তিশালী হওয়ার সত্ত্বেও ইউক্রেনের কাছে জিততে পারেনি। এখনো পর্যন্ত ইউক্রেন নিজেদের মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই যুদ্ধে ইউক্রেনের ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর, যা পূরণ করতে সময় লাগবে প্রায় দশ বছরের বেশি। যতদিন যুদ্ধ চলবে ততই ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত জেলেনেস্কি পুতিনের কাছে হার মানেননি। কয়েক মাস আগে যখন বার্লিন ঘোষণা করেছিল ইউক্রেনকে অতি শক্তিশালী লেপার্ড টু ট্যাঙ্ক পাঠাবে তখন সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিল ফ্রান্স। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বহু পশ্চিমা দেশ জার্মানিকে চাপ দিচ্ছিল অস্ত্র সাহায্যের জন্য। পাশাপাশি ফিনল্যান্ডও সীমিত সংখ্যক হলেও ট্যাঙ্ক দিয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করার কথা বলে। সেই সময় ক্রেমলিনের মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, পশ্চিমা বাহিনী যে পরিকল্পনা করছে তা ব্যর্থ হবে। এইভাবে যদি তারা মনে করে ইউক্রেনের ক্ষমতা বাড়াবে তাহলে সেটি তাদের ভুল ধারণা। উপরন্তু বাকি ট্যাঙ্ক গুলো নষ্ট হবে। খারাপ লাগছে ভেবে যে ট্যাঙ্ক গুলি অত্যন্ত দামি। পাশাপাশি খারাপ হতে পারে বার্লিন-মস্কোর সম্পর্ক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine War: রুশ হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইউক্রেন, পুনর্গঠনের খরচ ৪১১ বিলিয়ন ডলার!

    Russia-Ukraine War: রুশ হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইউক্রেন, পুনর্গঠনের খরচ ৪১১ বিলিয়ন ডলার!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine War: এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ইউক্রেনের (Ukraine) বাতাসে মিশে রয়েছে সহায় সম্বলহীন স্বজন হারা মানুষদের দীর্ঘশ্বাস। তাদের সাজানো-গোছানো স্বপ্নগুলো যেভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তার পুনর্গঠন আদৌ হবে না, তবে বিধ্বস্ত ইউক্রেন স্যাটেলাইট চিত্রে আগের মতো ধরা দিতে পুনর্গঠনে খরচ হবে প্রায় ৪১১ বিলিয়ন ডলার। এই পুনর্গঠনের সময় লাগবে প্রায় ১০ বছর। এমনটাই বলছে বিশ্ব ব্যাংক (World Bank)। গত এক বছরে রুশ সেনাদের হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে হাজার হাজার বহুতল। ইউক্রেনে বিধ্বস্ত শহরগুলো এখন এক একটা ধ্বংসস্তূপ। সেই ধ্বংসস্তূপ সরাতেই খরচ পড়বে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ব্যাংকের এই হিসাবটি করা হয়েছে ইউক্রেন সরকার, ইউরোপীয় কমিশন এবং জাতিসংঘের যৌথ হিসাব অনুযায়ী। যুদ্ধের সময় যত বাড়বে ততই পুনর্নির্মাণের ব্যয় উত্তরোত্তর বেড়েই চলবে। অর্থনৈতিকের পাশাপাশি যে পরিমাণ মানবিক ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা হয়ত আদৌ সম্ভব নয়।

    বর্তমানে যুদ্ধের (War) যা অবস্থা, সেখানে এই যুদ্ধ কমে থামবে তা বলা মুশকিল। এখনো পর্যন্ত জেলেনস্কি রাশিয়ার (Russia) কাছে মাথা নত করতে নারাজ। প্রথম থেকেই ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত করে এসেছে। এই যুদ্ধে না জিতেছে রাশিয়ার, না হেরেছে ইউক্রেন। অপরদিকে রাগে ফুঁসছে রাশিয়া। এখনো পর্যন্ত এই যুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর সংখ্যা ৬৬১ জন শিশুসহ প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এখন যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী যদি প্রতিরোধ না করত তাহলে তার পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেত। সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে খারকিভ, খেরসনের মতো শহর গুলিতে।

    যুদ্ধের এমত পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, রাশিয়ার প্রতিটি আঘাতের জবাব দিতে প্রস্তুত ইউক্রেন। সম্প্রতি কিয়েভ ও জাপোরিঝিয়ায় রুশ ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন ইউক্রেনের ৯ জন বেসামরিক নাগরিক। তাতেই ক্ষেপেছেন জেলেনস্কি। সম্প্রতি এই যুদ্ধের কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশে রয়েছে বাখমুত অঞ্চল। যাকে কেন্দ্র করে গত ছয় থেকে সাত মাস রুশ বাহিনী ইউক্রেনের উপর হামলা চালাচ্ছে। যদি একবার রাশিয়া বাখমুতকে নিজের আয়ত্তে এনে নেয়, তাহলে রুশ বাহিনীর কাছে এটি হবে বড়সড় সাফল্য।

    অপরদিকে রাশিয়ার তরফ থেকে লাগাতার আসছে হুমকি। পোল্যান্ড আর স্লোভাকিয়ার পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তাতেই ক্ষুব্ধ হয় রাশিয়া। রাশিয়ার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে যে যুদ্ধবিমান গুলো পাঠাবে তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে। মস্কো প্রথম থেকেই বারংবার অভিযোগ করে এসেছে, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের নেপথ্যে পশ্চিমাদের হাত রয়েছে। এই ভাবে পশ্চিমের বহু দেশ সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, পশ্চিমা দেশগুলো নিজেদের ভাণ্ডারে থাকা অপ্রয়োজনীয় অস্ত্র কাজে লাগাতে চাইছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম