Tag: Medical Entrance Exam

  • নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পর এবার দেশজুড়ে আরশোলাদের নতুন কর্মসূচি কী হতে চলেছে?

    নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পর এবার দেশজুড়ে আরশোলাদের নতুন কর্মসূচি কী হতে চলেছে?

    NEET Paper Leak Protest: সর্বভারতীয় চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকে ঘিরে দেশজুড়ে যে ক্ষোভ ও আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর এবার নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করল আন্দোলনকারী সংগঠনটি। তারা জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে সরাসরি যুবক-যুবতীদের সঙ্গে কথা বলবে এবং তাঁদের সমস্যা, উদ্বেগ, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎ ভাবনা জানবে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদ নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের বাস্তব সমস্যাগুলিকে সামনে নিয়ে আসা।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে দেশজুড়ে একটি দীর্ঘ সফরের আয়োজন করা হবে। এই সফরে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী এবং সাধারণ যুবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। তাঁদের বক্তব্য সংগ্রহ করে ভবিষ্যতের কর্মসূচি ও আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করা হবে।

    সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতার দাবি, চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তা কেবল একটি পরীক্ষাকে ঘিরে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং তা দেশের যুবসমাজের মধ্যে জমে থাকা অসন্তোষ, অনিশ্চয়তা এবং স্বচ্ছ নিয়োগ ও পরীক্ষাব্যবস্থার দাবির প্রতিফলন। সেই কারণেই এবার সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত জানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এই কর্মসূচির আগে মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজীনগরে সংগঠনের দুই দিনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দেশব্যাপী সফরের সময়সূচি, কোন কোন রাজ্যে প্রথমে যাওয়া হবে এবং কীভাবে মানুষের মতামত সংগ্রহ করা হবে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হবে।

    সংগঠনটি আরও স্পষ্ট করেছে, তারা আপাতত কোনও রাজনৈতিক দলে পরিণত হওয়ার পরিকল্পনা করছে না। বরং সাধারণ মানুষের দাবি এবং বিশেষ করে যুবসমাজের সমস্যাগুলিকে সামনে তুলে ধরার জন্য একটি জনমুখী চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চায়।

    তাদের মতে, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, সরকারি পরীক্ষায় অনিয়ম রোধ, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিই আগামী দিনের আন্দোলনের মূল বিষয় হবে।

    প্রসঙ্গত, চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দেশব্যাপী সফর দেশের যুবসমাজের বাস্তব সমস্যাকে আরও জোরালোভাবে সামনে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
    #NEETPaperLeak #NEETProtest #YouthListeningTour #EducationNews #StudentProtest #IndiaNews #ExamScam

  • Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছেপূরণ! ১০০০ টাকা কীভাবে কাজে লাগছে?

    Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছেপূরণ! ১০০০ টাকা কীভাবে কাজে লাগছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Lakshmir Bhandar: মায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিয়েই ডাক্তার হলেন বীরভূমের রাহুল। ভাবছেন এ কীভাবে সম্ভব! হ্যাঁ অভাবের ঘরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১০০০ টাকা অনেক চিন্তা দূর করেছে। মায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় মোবাইল রিচার্জ। সেই মোবাইল দিয়েই চলেছে পড়াশোনা। অবশেষে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেলেন বীরভূমের ছাত্র।

     

    দিনে বাবার চায়ের দোকানের কাজ সেরে বাকি সময়ে পড়াশোনা। এমনকী পড়াশোনার জন্য রাতের পর রাত জাগতে হয়েছে তাঁকে। কোনও প্রাইভেট টিউটর ছিলেন না।
    ডাক্তারি পড়ার সুযোগ তো পেয়েছেন । এই সাফল্যের পিছনে নাকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অবদান অনেকটা।

     

    এখন পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ভীষণ প্রয়োজনীয়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময়়় গরুর দুধ বিক্রি করে একটি ফোন কিনেছিলেন রাহুল। কিন্তু তাতে প্রতিমাসে ইন্টারনেট ভরবেন সে ক্ষমতা ছিল না। রাহুলের মা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান। সেই টাকা থেকে ছেলেকে ইন্টারনেট রিচার্জ করে দেন। সেই ফোন দিয়েই ছেলে পড়াশোনা করেছে। উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন রাহুল। যদিও প্রথমে অবশ্য ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা ছিল না তাঁর। বরং ইচ্ছা ছিল সরকারি চাকরি করার।

     

    কিন্তু সেই পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনার করার ইচ্ছা হয়। যদিও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার খরচ তাঁর বাবা চালাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। অবশেষে ডাক্তারি পড়ারই সিদ্ধান্ত নেন। পরিশ্রমের ফলস্বরূপ প্রথমবার ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়েই ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬৭৩ পেলেন বীরভূমের নলহাটির বাসিন্দা রাহুল। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ১২ হাজারের কাছাকাছি রয়েছে তাঁর র‍্যাঙ্ক।

     

    মোবাইলে বিভিন্ন কোচিং-এর ক্লাস শুনতেন। বাড়িতে কম্পিউটার নেই। একটা টিভি ছিল, সেটিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। এখন মোবাইলটাই সম্বল। ‘বাড়িতে একটি দুধেল গাই আছে। ১০ কেজি করে দুধ দেয়। সেই দুধ বিক্রি করেই ছেলের বই কেনা হয়েছে। তবুও ছেলের পড়াশোনা বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না।

     

    রাহুলের বাবা কোনোরকমে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। মা মাধ্যমিক পাশ। তাদের ছেলের অক্লান্ত পরিশ্রম সাফল্য এনে দিয়েছে ডাক্তারির প্রবেশিকায়। তবে এত ভালো ফলাফলের পরও চিন্তায় রাহুলের পরিবার। ডাক্তারি পড়ার খরচ কীভাবে আসবে? সেই চিন্তায় উড়েছে রাতের ঘুম। এই ডাক্তারি পড়ার খরচ জোগাবে কে? যদিও লোন নেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে রাহুল। সব বাধাকে টপকে এগিয়ে যাক রাহুল। চান অনুরাগীরাও।

    https://fb.watch/sAYPo2KERz/

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম