Tag: drone

  • Turkish Drone: বিশ্বের কোন দেশের কাছে আছে সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রোনগুলো? সবাই চুপ

    Turkish Drone: বিশ্বের কোন দেশের কাছে আছে সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রোনগুলো? সবাই চুপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Turkish Drone: গোটা বিশ্বজুড়ে তুরস্কের দাপট। প্রায় ৪০টি দেশের আকাশে দাপট দেখাচ্ছে তুর্কী ড্রোন। শত্রুদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে মরিয়া প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। পুরো বিষয়টি জানতে ভিডিওতে বলা প্রতিটি তথ্য মন দিয়ে শুনুন। আর্মেনিয়া-আজারবাইজান থেকে শুরু করে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ, সবেতেই তাণ্ডব দেখাচ্ছে তুরস্কের সামরিক ড্রোন। কী এই ড্রোনের বিশেষত্ব? কোন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে তুরস্কের এই চমকপ্রদ ড্রোন? পাশাপাশি বন্ধুদের সাহায্যতেও হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে তুরস্ক।

     

    বিশ্বের তাবড় তাবড় কূটনীতিকরা বলছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। আর এই যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিটা দেশই এখন নিজেদের টেকনোলজিতে শান দিতে ব্যস্ত। কারণ আধুনিক যুদ্ধ মানেই টেকনোলজির খেলা। আর রণক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার এক নতুন সম্ভাবনার পথ দেখিয়েছে। ইতিমধ্যেই যার একটা ছোট্ট ট্রেলার দেখিয়েছে তুরস্ক। সম্প্রতি দেশটি এমন কিছু ড্রোন আবিস্কার করেছে যা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে গোটা বিশ্বে।

     

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক সীমান্তে বিদ্রোহী দমন, সব ক্ষেত্রেই তাক লাগিয়ে দিচ্ছে তুরস্কের এই সামরিক ড্রোনগুলি। কেবল যে যুদ্ধক্ষেত্রেই দাপট দেখাচ্ছে তাই নয়, বিভিন্ন ভালো কাজেও অবদান রাখছে এই তূর্কী ড্রোনগুলি। যার সর্বশেষ নজির দেখা গেছে ইব্রাহিম রাইসির বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারকাজে।

     

    আর এখন তো বন্ধু থেকে শত্রু, সব দেশেরই আগ্রহ তুরস্কের এই ড্রোনের প্রতি। ইদানিং কম করে হলেও ৪০টি দেশের সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে এই ড্রোন। তবে প্রশ্ন হল, তুরস্কের এই বাড়বাড়ন্ত কি কোনোভাবেই নয়া দিল্লির উপর প্রভাব ফেলবে? ভারতের কি ভয় পাওয়ার কোনও কারণ রয়েছে?

     

    হ্যাঁ, এখনও সরাসরি প্রভাব না পড়লেও প্রতক্ষ্য প্রভাব তো পড়ছেই। এই যেমন মাস কয়েক আগেই তুরস্ক থেকে লক্ষাধিক টাকার ড্রোন কিনেছে মালদ্বীপ। অথচ এতদিন গভীর সমুদ্রে টহলদারির জন্য এই ড্রোন ভারতের থেকেই কিনত তারা। আচ্ছা এত কথা তো হচ্ছে। আপনার এটা জানতে ইচ্ছে করছেনা যে, ড্রোন নিয়ে মানুষের এত উৎসাহ কেন? ঠিক কোন কাজে লাগে এই ড্রোন?

     

    তাহলে বলি, বর্তমান দিনের আধুনিক যুদ্ধের পুরো নকশাই বদলে দিতে পারে এই অত্যাধুনিক ড্রোনগুলি। আজকের দিনে যুদ্ধ খাতে ব্যবহৃত কয়েকটা বিখ্যাত ড্রোন হল MQ-9b Sky, Sukhoi S-70 Okhotnik-B ইত্যাদি। ড্রোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি মানুষের জীবনের ঝুঁকি কমায়। বহুদূর থেকেই শত্রুপক্ষের হালহকিকত বুঝে নিতে সক্ষম এই ড্রোন।‌ ফলে পরিস্থিতি বুঝে সৈন সাজাতে পারেন দলের কম্যান্ডাররা। অর্থাৎ বুঝতেই পারছেন, যে দেশের কাছে যত শক্তিশালী ড্রোন রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে সেই দেশ ততটাই এগিয়ে। শত্রুপক্ষকে শনাক্ত করে তার উপর নির্ভুলভাবে অ্যাটাক করতে ড্রোনের জুড়ি মেলা ভার।

     

    আর এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছে রাশিয়া ও আমেরিকা। তবে এবার এই দুই দেশকে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে তুরস্কও। তবে মজার বিষয় হল, একদা এই তুরস্কই ড্রোনের জন্য হাত পেতেছিল আমেরিকার কাছে। তবে সেবার মার্কিন সরকার তাতে সাড়া দেয়নি। আর তারপরই তুরস্ক ঠিক করে নিজেদের চাহিদা তারা নিজেরাই মিটিয়ে নেবে। শুরু হয় ড্রোন তৈরির কাজ। এক ধাক্কায় বিপুল বিনিয়োগও করে দেশটি। আর ফলস্বরূপ ড্রোন শিল্পে নতুন পরাশক্তি হিসেবে বিশ্বে আবির্ভূত হয়েছে তুরস্ক।

     

    তবে প্রশ্ন আসতে পারে, হঠাৎ করে রাশিয়া আমেরিকা ছেড়ে তুর্কী ড্রোনের প্রতি কেন এত আগ্রহ দেখাচ্ছে মানুষ? এই বিষয়ে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে এর কম দাম এবং বিক্রির প্রক্রিয়াও সহজ। তুর্কি ড্রোনগুলো মার্কিন বা রাশিয়ান ড্রোনের তুলনায় বেশ সস্তা। এককথায় অনেকটা চাইনিজ প্রোডাক্টের মত। কম টাকায় ঠিকঠাক সার্ভিস। পাশাপাশি তুর্কী ড্রোন কিনতে খুব একটা ঝামেলাও পোহাতে হয়না। মূলত এই দুই কারণেই গোটা বিশ্বের বাজারে দাপট দেখাচ্ছে তুরস্কের ড্রোন।

     

    https://www.facebook.com/share/v/SMZfQYbCyD7YvGUS/?mibextid=qi2Omg

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Drone in India Border: পাকিস্তানের ছলচাতুরি শেষ! সীমান্তে পাঠানো ড্রোন জব্দ করবে ভারত, তৈরি বিশেষ ল্যাব

    Drone in India Border: পাকিস্তানের ছলচাতুরি শেষ! সীমান্তে পাঠানো ড্রোন জব্দ করবে ভারত, তৈরি বিশেষ ল্যাব

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Drone in India Border: পাকিস্তানের ছলচাতুরি শেষ। এবার সমস্ত চক্রান্ত খুব নিমেষে ফাঁস করে দেবে ভারতীয় জওয়ানরা। পাকিস্তান থেকে ড্রোন পাঠিয়ে ভারতের উপর নজরদারির প্ল্যান ভেস্তে দিতে মোক্ষম চাল দিতে চলেছে ভারত সরকার। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই কাজ। পাকিস্তান ড্রোনের সাহায্যে ভারত সীমান্তে অস্ত্র ও মাদক পাঠায়। কিন্তু বিএসএফ এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে যার সাহায্যে, ঠিক কোথা থেকে পাকিস্তানি ড্রোন উড্ডয়ন করা হচ্ছে সেই লোকেশন সনাক্ত করা সম্ভব।

    NBT( নবভারত টাইমস) এর রিপোর্ট বলছে, হেরোইন ও অস্ত্র বোঝাই ড্রোনগুলি পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতীয় সীমান্তে, বিশেষ করে পাঞ্জাবের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে পাঠানো হয়। বিএসএফ এখন এই সমস্ত ড্রোনগুলির রুটগুলি আরও ভাল উপায়ে ট্রেস করছে। এর জন্য, জব্দ করা ড্রোনগুলি দিল্লির একটি বিশেষ ল্যাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং তাদের পাকিস্তান থেকে উড্ডয়ন থেকে শুরু করে ভারত সীমান্ত অতিক্রম করার পর অবতরণ পর্যন্ত পুরো রুট খুঁজে বের করা হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে আয়োজিত বিএসএফের ৫৯তম প্রতিষ্ঠা দিবসের প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন অমিত শাহ। তখন তিনি এই ল্যাবটির প্রশংসা করেছিলেন। দেশের যেকোনো সীমান্ত এলাকা থেকে কোনো ড্রোন গুলি করে নামানো বা জব্দ করা হলে কয়েকদিন পর এই ল্যাবে আনা হয়। ড্রোনটি কখন এবং কোন সময়ে পাকিস্তানের কোন এলাকা থেকে উড্ডয়ন করেছিল, পাকিস্তান থেকে কোন বিমানপথে সীমানা অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবতরণ করেছিল তা এখানে নির্ণয় করা সক্ষম।

    এর সুফল বহু ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান। প্রথমত, বিএসএফ তাদের পাকিস্তানি রুটের সন্ধানে সফলতা পাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, তাদের সময় সম্পর্কে। এসব জানার পর যখনই পাকিস্তানি রেঞ্জার্সের সঙ্গে বিএসএফ-এর পতাকা বৈঠক হয়, তখনই বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সহ পাকিস্তানের তরফে ভারতে পাঠানো এই ড্রোনগুলির তথ্য দেওয়া হয়। যদিও পাকিস্তান তা মানতে নারাজ।

    ড্রোনের সাহায্যে মাদক পাচার

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ থেকে এই বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পাঞ্জাবের সীমান্ত গ্রামগুলিতে পাকিস্তান থেকে প্রায় দুই হাজার কিলো হেরোইন এবং অন্যান্য মাদক আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ড্রোন ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। ২০১৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই সীমান্ত এলাকায় ১৯০টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর বিএসএফ ৯০টি ড্রোন আটক করেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র পাঞ্জাব-পাকিস্তান সীমান্তে ৮১টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে আধুনিক বেড়ার পাশাপাশি গত কয়েক বছরে ড্রোন ভারতের নিরাপত্তার জন্য নতুন হুমকি হয়ে উঠছে। ভারতীয় সীমান্তে মাদক, জাল মুদ্রা ও অস্ত্র পাঠাতে পাকিস্তান ক্রমাগত ড্রোন ব্যবহার করছে। তাদের রুট খোঁজার পাশাপাশি সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তিও পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাতে সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের পাঠানো ড্রোন ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের সাথে সাথেই সনাক্ত করে নষ্ট করা যায়। কিন্তু সেই ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তান বারবার বদলে ফেলছে তাদের কৌশল। দিল্লিতে অবস্থিত বিশেষ ল্যাবটি এই সমস্ত ড্রোনের সম্পূর্ণ রুট এবং সিস্টেম খুঁজে বের করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মানুষের ব্রেন খুলে চীনের নয়া ড্রোন! গোপন থাকবে না কোনওকিছুই, যুক্তরাষ্ট্র চমকে যাচ্ছে

    মানুষের ব্রেন খুলে চীনের নয়া ড্রোন! গোপন থাকবে না কোনওকিছুই, যুক্তরাষ্ট্র চমকে যাচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মানুষের ব্রেন খুলে ড্রোনে লাগাচ্ছে চীন! চাঞ্চল্যকর এক অস্ত্র। গোপন ডেরা থেকে খুঁজে আনবে শত্রুকে, আচরণ মানুষের মতোই। বেজিংয়ের নয়া আবিস্কার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হতবাক। বিপদ বুঝলেই দাঁত-নখ বের করবে চীনের নয়া হিউম্যান ড্রোন। আমেরিকা না চীন কে কাকে টেক্কা দেবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্সের সুপার পাওয়ারে? কারা হামলা করছে? কোথা থেকে করছে, কী দিয়ে করছে হামলার পরের স্টেপই কী হতে পারে? শত্রু দেশের সব গোপন স্ট্রাটেজি এক নিমেষে ফাঁস করবে একটা ড্রোন। একজন ইন্টালিজেন্ট মানুষ যেমন করে ভাবে ঠিক সেভাবেই মাঝআকাশে স্ট্র্যাটেজি তৈরি করবে একটা ড্রোন? মানুষের ব্রেনই কি এবার ড্রোনে পুট করা হল? অবশ্য চীনের পক্ষে কোনওকিছুই অসম্ভব নয়। উইঅনের রিপোর্ট বলছে চীন তাদের প্রতিরক্ষার দুনিয়ায় এমন কিছু চাঞ্চল্যকর আনছে যা দেখে তাজ্জব বনে যাবে গোটা বিশ্ব। এই ড্রোন আশেপাশে থাকলে কোনও কিছুই গোপন করা সম্ভব নয় কিন্তু চীন নিজেদের অস্ত্রশস্ত্রের ব্যাপারে আগে গোপনীয়তা রাখত না? তাহলে এখন ঢাকঢোল পিটিয়ে গোটা বিশ্বকে নিজেদের আবিস্কারের কথা জানাচ্ছে কেন? আসলে আমেরিকার মতো চমকে দেওয়া খেলাটা শিখে গেছে বেজিংও।

    চীনের বিজ্ঞানীরা বলছেন এই ড্রোন আর পাঁচটা ড্রোনের থেকে অনেকটাই আলাদা। মানুষ যেমন সংঘবদ্ধ হয়ে যে কোনও অভিযান পরিচালনা করে ঠিক তেমনই ক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনের কিন্তু বেজিং একে কী কাজে ব্যবহার করবে সেটাই সবথেকে বড় রহস্য। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ড্রোন বানিয়েছেন নর্থ-ওয়েস্টার্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ডাক্তার লি জুলং। এই ড্রোনে রয়েছে মানুষের সমান বুদ্ধি জুলং জানিয়েছেন, এটি কাজ করে InternLM এর মাধ্যমে। ChatGPT এর মতোই চীনের নিজস্ব ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল হল InternLM। এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো নিজদের মধ্যে গ্রুপ চ্যাট করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বর্তমানে যে ড্রোনগুলো রয়েছে সেগুলো মাছি এবং পিঁপড়ের প্যাটার্ন অনুসরণ করে কিন্তু চিনের বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ড্রোন যে কোনও নির্দেশ বুঝতে পারে যে কোনও জটিল প্রশ্নের সমাধান করতে পারে পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে সমস্ত ছবি-সহ আপডেটও ভাগ করে নিতে পারে।

    আর এর ক্ষমতার কথা বললে বলতে হয় যে কোনও অঞ্চলের ডাইনামিক ম্যাপিং বাধাগুলো চিন্হিত করে এড়িয়ে যাওয়া। ওড়ার সময় সঠিক প্যাটার্ন অনুসরণ করা মানুষ এবং বস্তুর ভিজুয়াল আইডেন্টিফিকেশন এসব অনায়াসে করার সক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনে। জানা গিয়েছে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে চীন সর্বপ্রথম তাদের নিরাপত্তা, পরিবহণ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা করতে পারবে। সম্প্রতি ড্রোনের একটি পরীক্ষাও চালিয়েছে চিনের বিঞ্জানীরা। যেখানে তাদের মধ্যে কতটা সমন্বয় রয়েছে তা যাচাই করা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের হাতে পঙ্গপালের ঝাঁক? ইসরাইলের লৌহপ্রাচীর তছনছ! এই কৌশল গায়ে কাঁটা দেবে

    হামাসের হাতে পঙ্গপালের ঝাঁক? ইসরাইলের লৌহপ্রাচীর তছনছ! এই কৌশল গায়ে কাঁটা দেবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের হাতে খতরনাক পঙ্গপাল। কিভাবে ইহুদী ভূমিকে শুষে খাচ্ছে এই মনুষ্যবিহীন পতঙ্গ? ঝাঁকে ঝাঁকে কি ছুটে যাচ্ছে ওগুলো? ইসরাইলের লৌহ প্রাচীরকে ভেঙে চুরমার করা কি এতটাই সহজ ছিল? হামাসের কৌশলে লুকিয়ে কোন চমক? এবার ইসরাইলি ভূখণ্ডে ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক, কিভাবে যুদ্ধের হিসেব ঘুরিয়ে দিচ্ছে প্যালেস্টাইনের এই জঙ্গি গোষ্ঠী? না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না! পুরোটা শুনলে জানলে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে। হামাসের সুড়ঙ্গে গিজগিজ করছে খতরনাক কতগুলো পতঙ্গ। এগুলো ইসরাইলকে কুরে কুরে খাচ্ছে। এই যন্ত্রের ক্ষমতা সাঙ্ঘাতিক। ইসরাইলের রাডার ফাঁকি দিতে এক্সপার্ট হামাসের এই ক্ষুদ্রাকৃতির ড্রোন। ঝকঝক পঙ্গপাল এর মতো এই ড্রোনগুলোই ইজরাইলের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে। ছোট ও তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে হামাস।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সেটা গোটা বিশ্ব জানে। বার হামাসের ড্রোন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অ্যাঙ্গেল কিভাবে ঘুরিয়ে দিচ্ছে সেটা দেখছে গোটা দুনিয়া। ইসরাইলের তৈরি ‘স্কাইলার্ক’ ড্রোনের মতো খুব ক্ষুদ্রাকৃতির আকাশযান ব্যবহার করেছে হামাস। সীমানা টপকেছে প্যারাসুটে মোটর মানে প্যারাগ্লাইডার লাগিয়ে। আর এই কারণেই ইসরাইলের রাডার ওগুলোকে চিহ্নিত করতে পারেনি। হামাসের ড্রোন এতটাই খতরনাক যে মেরকাভা ট্যাঙ্ক ধূলিস্মাৎ করে দিতে পারে। মেরকাভা বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ট্যাংকগুলোর একটি। তাহলে আন্দাজ করতে পারছেন হামাসের হাতে কি আছে? হামাসের এই ছোট্ট ড্রোন গুলো বিস্ফোরক ছড়িয়ে দিতে পারে। ভিডিও প্রকাশ করে সেই ছবি দেখিয়েছে হামাস। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। কিন্তু এটা ফ্যাক্ট মেরকাভা ট্যাংকের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও হামাসের ড্রোনের বিরুদ্ধে কাজ করে না।

    এর আগে ড্রোনের মাধ্যমে বিস্ফোরক ব্যবহারের এই কৌশল ব্যবহার করেছে ইসলামিক স্টেট মানে আইএস। আর এবার এগুলো ব্যবহার করে ইহুদী ভূমিতে খেল দেখাচ্ছে হামাস। রাডারের নজরদারি এড়িয়ে হামলা চালাতে পারে এগুলো। ছুড়তে পারে হ্যান্ড গ্রেনেড ও মর্টার। তাই উপগ্রহ সংযোজক টাওয়ার ধ্বংস করে দিয়ে রীতিমতো যোগাযোগ ছিন্ন করিয়ে দেওয়া ইজরায়েলি সেনার সঙ্গে, এটা এই ড্রোনের বাঁ হাতের খেল। তাই ইসরাইলের আইরন ডোমও ফেইল করেছে। নজরদারির কাজেও এসব ড্রোনের ব্যবহার করা হয়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পাশাপাশি বিশেষভাবে তৈরি গ্রেনেড ও বিস্ফোরকও রাখা যায় এসব ড্রোনে। এ ছাড়া ভারী অস্ত্রেও সাজানো যায় এসব মনুষ্যবিহীন ড্রোন। হামাসের এই রণকৌশল কিন্তু বিরল। তাই বিস্ফোরকবাহী ছোট ড্রোনের কেরামতি নিয়ে অলরেডি আলোচনা করছেন যুদ্ধ বিশারদরা।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আকাশপথে শত্রুদেশের রিস্ক বাড়াচ্ছে এই ড্রোন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রথম এই প্রবণতা শুরু হয়েছে। তারপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর দুই বাহিনীই বিমানবাহিনীর বিকল্প হিসাবে এসব ড্রোন ব্যবহার করেছে। এখন গাজাতেও তা দেখা যাচ্ছে। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার। বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার বিস্ময়কর ভাবে বেড়েছে। পুরো পৃথিবীতে ড্রোনের বাজার দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের। সব দেশি ড্রনের দিকে ঝুঁকছে কারণ আধুনিক যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে মনুষ্যবিহীন এই যান এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সহ বিভিন্ন যুদ্ধে এখন মানববিহীন ড্রোন ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠছে।

    বর্তমানে ১০০ টারও বেশি দেশ এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে এই মারাত্মক খতরনাক যন্ত্র রয়েছে। অনেক প্রতিরক্ষা সংস্থার কাছে ও সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহারের ছাড়পত্র রয়েছে। আর এখন এই ড্রোনে ভর করেই হামাস ইহুদি ভূমির টিকে থাকা কঠিন করে তুলছে। বাজারের সস্তা ড্রোনেই কুপোকাত হচ্ছে ইজরায়েলের ‘লৌহপ্রাচীর’।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • খতরনাক অস্ত্র ভারতীয় সেনার হাতে, কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, দেশজুড়ে তোলপাড়, মোদীর প্ল্যান

    খতরনাক অস্ত্র ভারতীয় সেনার হাতে, কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, দেশজুড়ে তোলপাড়, মোদীর প্ল্যান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীন-পাকিস্তানের গুপ্তশত্রু। পঙ্গপালের গায়ে ফিট করা হচ্ছে মিসাইল? ভারতের মাটিতে তৈরি হচ্ছে এ কোন ভয়ংকর শিকারি? কান পেতে শত্রুর কথা শুনবে স্পাই, রিপোর্ট ঢুকবে গ্রাউন্ড স্টেশনে। এই খতরনাক অস্ত্রই ইন্ডিয়ান আর্মির তাকত। শুরু দেশজুড়ে তোলপাড়। কী আছে এদের শরীরে? জানেন Make 2 এর বড় চমক, আল কায়দার জাওয়াহিরি বধের অস্ত্র? উড়ে যাবে ট্যাঙ্ক-গোপন ডেরা, ভারতের ত্রাসে আত্মারাম খাঁচা হওয়ার জোগাড় শত্রুদেশের। শত্রুর কাল। ইন্ডিয়ান আর্মির হাতে আসছে ভয়ঙ্কর হাতিয়ার। মারণাস্ত্র।

    পঙ্গপালের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে কিলার ড্রোন পাঠাবে ভারত। ভয়ানক চক্রব্যূহে আটকা পড়বে চীন-পাকিস্তান। মার্কিন স্টাইলে ড্রোন তৈরি হচ্ছে ভারতের মাটিতে। সাইজে ছোট, কিন্তু পাওয়ার একেবারে দেখার মতো। এই ড্রোনের সাথে ফিট করা থাকবে ১০-১২ কেজি ওজনের একটি অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল। যা থেকে ছুটবে আগুনের গোলা। প্রায় ১৫-২০ কিমি দূরে গিয়ে এই মিসাইল অ্যাটাক করার ক্ষমতা রাখবে। উড়িয়ে দেবে ওয়ার ট্যাঙ্ক-শত্রুঘাঁটি। এই কিলার ড্রোনের অ্যাটাক করার স্টাইলই আলাদা। প্রথমে ড্রোনটি শত্রুদের খবর কালেক্ট করবে। তারপর সেটা পাঠিয়ে দেবে গ্রাউন্ড স্টেশনে। এরপর টার্গেটকে নিশানা করবে মিসাইল। ভুলে যাবেননা, হামলা চালিয়ে ফিরে আসবে এই কিলার ড্রোন। এই খতরনাক ড্রোন তৈরির মধ্যে দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারবে ভারত। আপাতত ভারতে তৈরি হচ্ছে মার্কিন স্টাইলের ছোট এবং মাঝারি সাইজের এই ড্রোন‌। যা বানাতে খরচ কম, অথচ কাজ করবে দুর্ধর্ষ। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন মানে ডিআরডিও এই ধরনের ঘাতক ড্রোন তৈরি করতে পারে। তবে এবার ইন্ডিয়ান আর্মির মেক-২ প্রজেক্টের আওতায় ফোর্সের সঙ্গে সমণ্বয় রেখে ৩০-৪০টি কোম্পানি ভারতে এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন তৈরি হচ্ছে। তবে, আর্মির প্রয়োজন অনুসারেই এই ড্রোন তৈরি করা হবে।

    প্রাথমিকভাবে ৫০০টি এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন প্রথম দফায় কেনা হবে তবে কঠিন আবহাওয়ায়, বিভিন্ন রকম ভৌগলিক এলাকায় ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এই ড্রোনগুলোকে। মূলত এটি আমেরিকার সশস্ত্র ড্রোন MQ-9 এর আদলে করা হচ্ছে। তফাৎ একটাই, মার্কিন ড্রোনগুলো সাইজে কিছুটা বড় হত। ভারতের ড্রোনগুলোর সাইজ ছোট হবে। তৈরি ছাড়াও MQ-9B রিপার ড্রোন নিয়ে ভারত-মার্কিন ডিল ফাইনাল হয়ে গেছে। MQ-9B মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের গর্ব। মনে করিয়ে দিই ৯/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড আল জাওয়াহিরিকে নিকেশ করতে আমেরিকা এক সময় এই কিলার ড্রোন ব্যবহার করেছিল। একসঙ্গে একজোড়া হেলবয় মিসাইল ছোড়া হয়েছিল মার্কিন ড্রোন থেকে। গোপন ডেরাতেই জোড়া ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় জঙ্গি আল জাওয়াহিরির। এবার ভারতের মাটিতে তৈরি হচ্ছে সেই ভয়ংকর অস্ত্র। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রাণ শোকাচ্ছে চীন পাকিস্তানের। গোয়েন্দাদের দাবি, বসে নেই ওই দুই দেশ।

    গোপনে ফের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ইসলামাবাদ এই ইস্যুতে অস্ত্র বহণকারী ড্রোন দিয়ে পাক সেনাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বেজিং। আপাতত ইসলামাবাদের হাতে তিনটে চীনের তৈরি Cai Hong-4 কমব্যাট ড্রোন রয়েছে। মূলত নজরদারি ও বিশেষ ধরনের অভিযানের ক্ষেত্রে এই মানব বিহীন ড্রোন ব্যবহার করে পাক সেনা। যদিও, বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, MQ-9B রিপারের মতো সাফল্যের রেকর্ড নেই চীনের Cai Hong-4 ড্রোনের। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে ভারত এগিয়ে। না এখানেই শেষ নয়। এর সঙ্গে বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন তৈরির উপরেও জোর দিচ্ছে ভারত ৫ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারবে, তৈরি হবে এমন ড্রোন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় নজরদারির জন্য উপগ্রহ নিয়ন্ত্রিত ড্রোনও ব্যবহার করা হয়। মোদ্দা কথা, ভারত আঁটঘাট বাঁধছে। সীমান্ত এলাকায় কড়া নজর রাখছে চীনের গতিবিধির উপর। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতেই ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালেই হবে সোজা অ্যাকশন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ড্রোন রপ্তানিতে ব্যারিকেড, ফল ভুগবে যুক্তরাষ্ট্র, বিপদে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ? চীনের টিট ফর ট্যাট নীতিতে পরেশান বাকিরাও

    ড্রোন রপ্তানিতে ব্যারিকেড, ফল ভুগবে যুক্তরাষ্ট্র, বিপদে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ? চীনের টিট ফর ট্যাট নীতিতে পরেশান বাকিরাও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের দৌড় কতদূর? এবার হারে হারে টের পাবে যুক্তরাষ্ট্র। ড্রোন রপ্তানিতে বিধিনিষেধ চীনের। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে যুক্তরাষ্ট্রকে ফাঁদে ফেলাই কি বেইজিং এর মূল টার্গেট? অনেক বড় ভুল হলো না তো? যুক্তরাষ্ট্রকে সবক শেখাতে গিয়ে বিপদে পড়বে না তো রাশিয়াও? কবে থেকে লাগু হবে বিধি নিষেধ? কোন অজুহাত দেখাচ্ছে বেইজিং? চীনের টিট ফর ট্যাট নীতিকে কিভাবে মোকাবেলা করবে পশ্চিমা বিশ্ব? বাইডেনের সামনে বড় পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র একাই পারে নাকি চারিদিকে বলাবলি, লেখালেখি হচ্ছে। ভুল করছে মার্কিনিরা, ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা চীনের প্রযুক্তি খাতকে দমিয়ে রাখতে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এটা একবারও ভাবছে না, যে চীনও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে। আর সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি ঠিক কিরকম হতে পারে।

    চিপ নির্মাণ সরঞ্জামের মতো প্রধান প্রধান প্রযুক্তিতে চীনের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই নিষেধাজ্ঞার জবাবে চীনের দুর্লভ ধাতু রপ্তানিতে বিধিনিষেধের পর, এবার ড্রোন রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ। যে বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে কয়েক ধরনের ড্রোনের ইঞ্জিন, লেজার, যোগাযোগ সরঞ্জাম ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। দেখে নেবেন, এরপর হাহুতাশ করবে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কুলকিনারা পাবে না। জানেন কেন এতো বড় পদক্ষেপ করলো চীন? বেইজিং বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষার  খাতিরে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এটা করা জরুরি বলে মনে করছে চীন।

    এটা ভুলে গেলে চলবে না চীন বিশ্বের অন্যতম ড্রোন উৎপাদনকারী দেশ। যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ড্রোন রপ্তানি করে থাকে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া ড্রোনের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি চীনা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিজেআইয়ের তৈরি। এসব ড্রোনের যথেষ্ট জনপ্রিয়তাও রয়েছে। শুধুই কি তাই? বিভিন্ন সময় রিপোর্ট সামনে এসেছে, যে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া চীনা ড্রোন ব্যবহার করছে। সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপদে ফেলতে গিয়ে চীনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাশিয়াও বিপাকে পড়বে না তো? যদিও, পশ্চিমা মিডিয়ার এমন অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” বলে বারংবার উড়িয়ে দিয়েছে বেইজিং। তবে, চীন যাই বলুক। এই সিদ্ধান্ত ভোক্তা পর্যায়েও প্রভাব ফেলবে। এছাড়া সামরিক উদ্দেশ্যে কোনো বেসামরিক ড্রোন রপ্তানি করা যাবে না।

    ফলে বিপাকে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র সহ একাধিক দেশ। যদিও, চীনাভিত্তিক কোম্পানি ডিজেআই বলছে, তাঁরা কখনোই সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য পণ্য বা সরঞ্জাম তৈরি করিনি। কখনোই কোনো দেশে সামরিক সংঘাত বা যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তাদের পণ্য বাজারজাত বা বিক্রি করা হয়নি। কিন্তু, তারপরেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি জগতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের মধ্যে ড্রোন ও ড্রোন সরঞ্জাম রপ্তানির ওপর চীনের এই বিধিনিষেধ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বড় এফেক্ট ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া, চীন যদি তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার্থে এই ধরনের বৈধ ও যৌক্তিক উদ্যোগ নিতে থাকে, তাহলে তা কতদিন ওয়াশিংটন উপেক্ষা করতে পারবে, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। এখন দেখার চীনের পাল্টা দিতে কোন পথে হাঁটে যুক্তরাষ্ট্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ড্রাগন বধের ছক, তাইওয়ানের হাতে কোন বিশেষ যন্ত্র? ইউক্রেনের ফর্মুলাই হাতিয়ার, যুদ্ধ লাগলো বলে

    ড্রাগন বধের ছক, তাইওয়ানের হাতে কোন বিশেষ যন্ত্র? ইউক্রেনের ফর্মুলাই হাতিয়ার, যুদ্ধ লাগলো বলে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যখন তখন তাইওয়ানকে অ্যাটাক করবে চীন? চীনকে ঠেকাতে “বিশেষ যন্ত্র” তৈরি করছে তাইওয়ান। তাই বলে কিয়েভের ফর্মুলা চুরি? রাতদিন এক করে এই দ্বীপেই তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার ড্রোন। ড্রাগন বধের ছক কষছে তাইপে। টার্গেট ২০২৪! তাহলে আরও একটা যুদ্ধ দেখবে গোটা বিশ্ব? এবার কী সম্মুখ সমরে চীন তাইওয়ান? চীনের সঙ্গে পেরে ওঠা এতই সোজা? এই ড্রোন সাপ্লাই চেন ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর? ইউক্রেনের দেখানো পথে হেঁটে আদৌ সফল হবে তো তাইওয়ান?

    পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। ঘন ঘন চীন থেকে তাইওয়ানের দিকে উড়ে যাচ্ছে ড্রোন, যুদ্ধবিমান। প্যালপিটিশন বাড়ছে তাইওয়ানের। রিস্ক বাড়ছে। যখন তখন চীন তাইওয়ান অ্যাটাক করতে পারে। এটা ধরে নিয়েই চীনকে মোকাবিলায় যুদ্ধের রসদ জোগাচ্ছে তাইওয়ান। কিয়েভের রণকৌশল মনে ধরেছে। তাইপে চীনের বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। ড্রোন কেন্দ্রিক প্রতিরোধে জোর দিচ্ছে তাইওয়ান। তৈরী হচ্ছে গুচ্ছ গুচ্ছ আগ্রাসী ড্রোন। যদিও, তাইওয়ান শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। কারণ চীনে ষাটের দশক থেকেই ড্রোন তৈরি এবং এই প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছিল। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই চালকবিহীন বিমান এবং ড্রোন তৈরিতে কাজ শুরু করেছে বেইজিং। তাইওয়ান এ বিষয়ে নতুন শুধু নয়, কিছুটা অনভিজ্ঞও। তাই চীন তাইওয়ানের মধ্যে বিস্তর তফাৎ।

    চীনের কাছে মজুত ড্রোনে কমপক্ষে ৫০ ধরনের বৈচিত্র রয়েছে। সেখানে তাইওয়ানে আছে মাত্র চার ধরনের ড্রোন। সেগুলোর সংখ্যাও খুব বেশি না। ফলে ড্রোন আধিপত্যে এগিয়ে যেতে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টায় দ্বীপটির বাণিজ্যিক ড্রোন নির্মাতা এবং বিমান ও মহাকাশ সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। দিনরাত এক করে পরিশ্রম করছে। যত দ্রুত সম্ভব হাজার হাজার ড্রোন তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। টার্গেট ২০২৪, তার মধ্যেই ৩০০০ এরও বেশি সামরিক ড্রোন তৈরিতে কাজ করছে তাইওয়ান। এর মধ্যে থাকছে ২ কিলোগ্রামেরও কম ওজনের মিনি ড্রোন। তাইওয়ানে তৈরি ড্রোনগুলি আকারে ছোট হলেও যুদ্ধের বিশাল ট্যাঙ্কার নিমেষে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম সেগুলো। ছোট ড্রোন ছাড়াও আছে দেড়শ কিলোমিটার পর্যন্ত নজরদারি রাখতে সক্ষম বড় ড্রোন।

    আসলে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর গোটা বিশ্ব ড্রোনের গুরুত্ব দেখেছে বুঝেছে!ষ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বেসামরিক এবং সামরিক সব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ড্রোন, দাবি তাদের আসলে, রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে। তাই, চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় তারাই আপাতত তাইওয়ানের সামনে ‘আদর্শ’। তাই, তাইওয়ানের প্রতি চীন যখন অতিরিক্ত আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে, সামরিক মহড়ার মাত্রা যখন কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তখন তাইওয়ান চীনকে ঠেকাতে জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও, এসব ড্রোন চীনের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকরী হবে সেটা বলবে সময়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Iran’s Drone: ইরানি ড্রোনে মশগুল বিশ্ব, চীন নাকি রাশিয়া ছক্কা হাঁকাচ্ছে কে? খামেনির পলিসিতেই ক্লিন বোল্ড যুক্তরাষ্ট্র

    Iran’s Drone: ইরানি ড্রোনে মশগুল বিশ্ব, চীন নাকি রাশিয়া ছক্কা হাঁকাচ্ছে কে? খামেনির পলিসিতেই ক্লিন বোল্ড যুক্তরাষ্ট্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iran’s Drone: ইরানের ড্রোন কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে দেশগুলো। কি আছে ইরানি ড্রোনে? একবার কিনলেই ফেঁসে যাচ্ছে সব দেশ? কোথায় যাচ্ছে এতো এতো ইরানি ড্রোন? চীন নাকি রাশিয়া কোন দেশের অস্ত্র ভাণ্ডারে সব থেকে বেশি ইরানি ড্রোনের মজুদ? ৯০ টি দেশের লাইন, কারা আছে লিস্টে? কেন ইরানি ড্রোনের দিকে ঝুঁকছে দেশগুলো? ইরানি ড্রোনের বৈশিষ্ট্য কী? পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত থাকার পরেও ইরানি ড্রোনের বাজার রমরমা। ইরানের টার্গেট কতটা সফল হলো? কী বলছেন বিশ্লেষকরা? লাখ নয়, কোটি টাকার প্রশ্ন।‌ ইরানের ড্রোন কিনছে কারা? যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কারা কিনছে ইরানি ড্রোন? ভেতরের খবরটা জানেন? ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়ে দিয়েছেন ইরানি ড্রোন কেনার জন্য ৯০ টা দেশের আগ্রহ থাকলেও চীনের ধারে কাছেও কেউ আসতে পারছে না। চীন একাই ইরানের ১৫ হাজার আনক্রুড এরিয়াল ভেহিকেল কেনার জন্য অপেক্ষা করছে। পাশাপাশি রয়েছে আরও একগুচ্ছ দেশ। কিন্তু, প্রশ্ন হলো কেন? কেন ইরানি ড্রোনের দিকেই ঝুঁকছে গোটা বিশ্ব?

    আসলে, ওয়ার ড্রোন নির্মাণে ইরান কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা জলের মতো স্পষ্ট। বর্তমানে ইরানের হাতে অনেক রকম সামরিক আনক্রুড এরিয়েল ভেহিকেল আছে। এগুলোর মধ্যে শাহেদ ১৩৬ ড্রোন সবচেয়ে বেশি আলোচিত। যা বিস্ফোরক নিয়ে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে গিয়ে নিজেই বিস্ফোরিত হয়। এতে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে প্রতিপক্ষকে দ্রুত চাপে ফেলা যায়। শত্রুদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র, গ্যাসক্ষেত্রের মতো স্থাপনা গুলোতে নিখুঁত হামলা চালানো যায়। ইরানি ড্রোনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য, এগুলো দামে সস্তা, ফলে যুদ্ধের খরচ কমাতেও ব্যাপক সহায়ক। এসব ড্রোন শুধু শাহেদ ১৩৬ নয়। শাহেদ ১২৯ এবং মোহাজের ৬ ড্রোন ও সবার মনোযোগ কেড়েছে। ইরানি ড্রোন যা পারে, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা অন্য কোনো ড্রোন দিয়ে সেটি সম্ভব নয়। এই কারণেই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহ, লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসলামিক জিহাদ এবং ইরাক ও সিরিয়ার ইরান সমর্থিত যোদ্ধারা ইরানি ড্রোন ব্যবহার করছে।

    এমনকি আফগানিস্তান, আজারবাইজান, তুর্কমেনিস্তান, কিরগিস্তান ও কাজখস্তানের মতো দেশগুলোও ইরানি ড্রোনের অন্যতম ক্রেতা ইরানকে ঠেকানোর, ইরানি ড্রোন তথা সমরাস্ত্র শিল্পের সম্প্রসারণ ঠেকাতে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। অস্ত্র শিল্পে দেশটির অগ্রগতি থামাতে তেহরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে পশ্চিমারা। কিন্তু তার পরও ইরানকে থামানো যায়নি। ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনির প্রচারিত নীতি, লুক টু দা ইস্ট এর প্রশংসা করে অনেকেই বলেন, এই নীতি পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং ইরানে চাপানো নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রশমিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে চীন ও রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক সম্প্রসারণের আহ্বান। এই পূর্বমুখী দৃষ্টিভঙ্গি গ্লোবাল পাওয়ার ব্যালেন্স কে ইরানের পক্ষে এবং পশ্চিমাদের বিপক্ষে ঝুঁকিয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার সাথে ইরানের সহযোগিতার সম্পর্ক বেড়েছে। ইউক্রেনে চলমান সংঘাতে রাশিয়ার পাশে থাকা এবং অস্ত্র দেওয়ার জন্য ইরান অনবরত পশ্চিমা সমালোচনার মুখে পড়েছে। পশ্চিমারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ভয়াবহ সামরিক অভিযানে অস্ত্র সরবরাহের জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছে।

    সামরিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, সর্বশেষ ইউক্রেন যুদ্ধ ইরানি ড্রোনকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের ড্রোন, রকেট এবং স্বল্পপাল্লার মিসাইলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে মার্কিন বাহিনী ড্রোন শিল্পে ইরানের এই সফলতা দেখে টিকতে পারছে না পশ্চিমা বিশ্ব। কিন্তু, দীর্ঘদিন এর চেষ্টার পর ড্রোন শিল্পে সফলতার মুখ দেখছে ইরান। ইরানে ড্রোন শিল্প শুরু হয় সেই ১৯৮০ এর দশকে! তবে ড্রোন শিল্পে ইরানের মূল বিপ্লব শুরু হয় ২০১১ সালে। শুরু থেকেই ড্রোন নিয়ে ইরানের বিশেষ পরিকল্পনা ছিল। প্ল্যান ছিল একটি শক্তিশালী ড্রোন বহর তৈরি করা। ৮০র দশকে ইসরাইল যেভাবে ড্রোন শিল্পে এগিয়ে গেছে কিংবা তারও আগে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ড্রোনের ক্ষেত্রে একক আধিপত্য বিস্তার করেছে, ঠিক সেই জায়গায় পৌঁছানোই ছিল ইরানের টার্গেট। যে টার্গেটকে ইরান যে ছাপিয়ে গেছে সেটা বোধহয় বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইরানের এই অস্ত্রের দৌলতে লাভের ফসল ঘরে তুলছে রাশিয়া! হাঁ করে দেখছে ইউক্রেন, তেহরানকে ব্লক করবে যুক্তরাষ্ট্র? রুখে দেওয়া মুস্কিল

    ইরানের এই অস্ত্রের দৌলতে লাভের ফসল ঘরে তুলছে রাশিয়া! হাঁ করে দেখছে ইউক্রেন, তেহরানকে ব্লক করবে যুক্তরাষ্ট্র? রুখে দেওয়া মুস্কিল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইরান রাশিয়ার কিলার ড্রোন টেনশন বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে কী এক্সট্রা বেনিফিট এনে দেবে এই কিলার ড্রোন? রাশিয়ার ভেতরেই মাথা উঁচিয়ে দাঁড়াচ্ছে ইরানের ড্রোন কারখানা। ইরানকে ব্লক করার ছুঁতো খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেতরে ভেতরে রাশিয়ার হাত শক্ত করছে ইরানি ড্রোন। জালের মতো নিজের নেটওয়ার্ক বিস্তার করছে ইরান। নিজেদের দুর্বলতা কাটানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। ইরানের হাত ধরে চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করতে পারবে কি দেশটা?

    ইরানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিলার ড্রোন নির্মাণের নতুন একটি কারখানা তৈরীর পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। দেশটার ভেতরে তৈরি হওয়া এই ড্রোনের মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া অনেকটা সুবিধাজনক পজিশনে পৌঁছে যেতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ইরান ও রাশিয়া, দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে রাশিয়ার ভেতরেই তৈরি হবে এই কিলার ড্রোন। ড্রোন কারখানাটি মস্কোর পূর্বে অঞ্চলে তৈরি করা হবে। ২০২৪ সালে এই কারখানা কাজ শুরু হবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই কারখানা থেকে তৈরি হবে ৬০০০ এর বেশি ড্রোন। এতে রাশিয়ার সামরিক শক্তি আরও বেশি জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেও ইউক্রেন যুদ্ধে তলে তলে রাশিয়ার হাত শক্ত করে চলেছে ইরান থেকে আমদানি হওয়া বিভিন্ন শক্তিশালী অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র। জানা যায়, ইরান থেকে জাহাজে করে নিয়মিত ড্রোন আমদানি করে রাশিয়া। ইরানের আমিরাবাদ থেকে নিয়ে আসা হয় এসব ড্রোন। যা কাস্পিয়ান সাগর হয়ে রাশিয়ার মারগাছ কালায় চলে আসে। সেখান থেকে রাশিয়ার দুটো ঘাঁটিতে ড্রোনগুলোকে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘাঁটির একটি আছে ইউক্রেনের উত্তর-পূর্ব এলাকায়, অপরটি রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায়।

    ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করা হয় এই সমস্ত ড্রোন। যুদ্ধে ব্যবহারের আগে পর্যন্ত এই দুটো ঘাঁটিতেই রাখা হয় ইরানি ড্রোন গুলোকে। এই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এর আগে গলা তুলেছে, কিন্তু তাতে যে বিশেষ ফল হয়নি সেটা বুঝতে অসুবিধা হয় না। তবে এরপর দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে যে ড্রোন কারখানা নির্মাণ হতে চলেছে রাশিয়ার ভেতরে, তা যুক্তরাষ্ট্রকে ইতিমধ্যেই টেনশনে ফেলে দিয়েছে। ২০২১ সাল থেকেই এই ড্রোন কারখানা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা শোনা গেছে। হোয়াইট হাউস এরই মধ্যে স্যাটেলাইট থেকে তোলা কিছু সেনসিটিভ ছবি সংগ্রহ করে বিভিন্ন ফোরামে পাঠিয়ে, ইরানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী ফোরামগুলো যেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরানের ড্রোন প্রকল্পে কোনরকম সাহায্য না করে, যুক্তরাষ্ট্র সেই বিষয়টাই নিশ্চিত করতে চাইছে। জানিয়ে রাখি, ইরান বিভিন্ন দেশে তার নেটওয়ার্কের জাল ছরিয়ে দিচ্ছে যাতে যে কোন নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধকে সরিয়ে রেখে তারা যেন তাদের প্রয়োজনীয় সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে পারে।

    সেক্ষেত্রে ইরানকে থামিয়ে রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এতো সহজ কাজ যে হবে না সেটা বলতেই হচ্ছে। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ ড্রোন খাতে রাশিয়ার পদ্ধতিগত দুর্বলতা কে বড় করে সামনে এনেছে। রাশিয়া তাদের বর্তমান ড্রোন ঘাটতি এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য একাধিক ড্রোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে, দ্রুত সংকটকালীন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে। রাশিয়ার চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে আছে অপরিণত ড্রোন নির্মাণ কাঠামো এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি হাতে না পাওয়া। রাশিয়া যে এতদিন ধরে স্বল্প পাল্লার ট্যাকটিক্যাল ড্রোন গুলো নির্মাণ করেছে সেগুলোতে রয়েছে নানান সীমাবদ্ধতা। কারণ রাশিয়া নির্মিত ড্রোন গুলো ভারী পেলোড বহন করতে পারে না। এছাড়া উন্নত ড্রোন প্রযুক্তিগুলো রাশিয়ার হাতে নেই। সে ক্ষেত্রে ইরান যদি ড্রোন ও মিসাইল নির্মাণে রাশিয়াকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসে তাহলে রাশিয়া যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছে সেগুলো অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মেল ড্রোন ছড়িয়ে দিচ্ছে চীন! টেকনোলজির জোর খাটাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মালিক হবে কি ভারতও?

    মেল ড্রোন ছড়িয়ে দিচ্ছে চীন! টেকনোলজির জোর খাটাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মালিক হবে কি ভারতও?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলে দেওয়া খতরনাক মেল ড্রোনের চাহিদা বাড়ছে হু হু করে। নিশানায় একেবারে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে পারে, সহজেই গুঁড়িয়ে দিতে পারে ট্যাঙ্ক। আন্দাজ নেই, যে এই মারণাস্ত্র ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর। কবে থেকে এই ড্রোন ব্যবহারের শুরু? কোন কোন দেশে বাড়ছে মেল ড্রোনের ব্যবহার? মেল এবং হেল ড্রোনের মধ্যে তফাৎ টা কী? চীনের কব্জায় মেল ড্রোনের টেকনোলজি, রপ্তানি করছে দেশে দেশে। ভারতের হাতে আছে কী এই ভয়ানক অস্ত্র? ড্রোন সম্পর্কে কতটা জানেন আপনি? স্কিপ করবেন না, শেষ পর্যন্ত ভিডিওর সঙ্গে থাকুন। এই রিপোর্টেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। মেল ড্রোন কাকে বলে, এর ফিচার কী?

    ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার ফুট উচ্চয়তায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে পারে যে ড্রোনগুলো, সেগুলোই মেল ড্রোন। মেল ড্রোন তুলনামূলক কম উচ্চতায় দীর্ঘ সময় ধরে উড়তে পারে, এটাই এর বৈশিষ্ট্য। আর যে ড্রোনগুলো এর থেকেও উঁচুতে দীর্ঘসময় উড়তে পারে, সেগুলোকে সংক্ষেপে বলা হয় ‘হেল’ ড্রোন জানা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে মেল ও হেল ড্রোন নিয়ে একটা চুক্তি হতে পারে, তেমন চান্স রয়েছে। যার আর্থিক মূল্যমান ২ থেকে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু, ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে মেল ড্রোন রীতিমতো ব্যবহার করা হয়, এর চাহিদাও বিরাট। এই দেশগুলোতে দিনে দিনে মেল ড্রোনের ব্যবহার বাড়ছে।

    শুরুটা হয়েছিল ২০০১ সালে। ড্রোন ওয়ার্স ওয়েবসাইটের তথ্যও তেমনই বলছে। ২২ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং চীনের মতো সামরিক শক্তিধর দেশগুলো মিলিটারি গ্রেডের ড্রোন ব্যবহার শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে। এরইমধ্যে মিডিয়াম অলটিচিউড লংগার এন্ডুরেন্স বা মেল ড্রোনের চাহিদাও বেড়েছে। এই ড্রোন পাওয়ার চেষ্টার তালিকায় রয়েছে ভারত, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, তাইওয়ান। অন্যদিকে, চীন এই ড্রোনের এতটাই ব্যবহার করে যে, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মেল ড্রোন দেশটা বিশ্ববাজারে রপ্তানি করেছে। এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা মহাদেশের নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, মিশর, আলজেরিয়া এবং পাকিস্তানের মতো দেশে সেইসব ড্রোন রপ্তানি করে চীন। প্রায় ওই একই সময়ে ড্রোন সংক্রান্ত নিজেদের প্রযুক্তি উন্নয়নে অনেকটাই এগিয়ে যায় ইরান ও তুরস্ক। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রচুর পরিমাণে মেল ড্রোন রপ্তানি করে তুরস্ক ও। এদিকে, ২০১৯ সালেই মার্কিন প্রযুক্তির মেল ড্রোন ব্যবহার শুরু করে ফ্রান্স।

    মেল ড্রোনের মারাত্মক চাহিদা, এটা যেমন ঠিক তেমন এটাও সত্যিই। আধুনিক সময়ের বিভিন্ন যুদ্ধের সাক্ষ্য বহন করছে ড্রোন। সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান-সহ বিভিন্ন যুদ্ধে এখন মানববিহীন ড্রোন ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে বলতেই হচ্ছে ড্রোন হামলা প্রায়ই জটিল আইনি ও নৈতিক মতবিরোধ তৈরি করে। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মাধ্যমে ড্রোন ব্যবহার বন্ধ করার চেষ্টা হলেও, সাফল্য আসেনি কোনও বারই। বরং বিভিন্ন ধরনের ড্রোন তৈরি আর তার ব্যবহারের ব্যাপ্তি দুরন্ত গতিতে এগিয়েই চলেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম