Tag: Covid 19 virus

  • Covid Sub-Variant: বছর শুরুর আগে কোভিড-কাঁটা, করোনা সংক্রমিত হয়ে বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি ৩জন

    Covid Sub-Variant: বছর শুরুর আগে কোভিড-কাঁটা, করোনা সংক্রমিত হয়ে বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি ৩জন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Covid Sub-Variant: করোনার নয়া সংক্রমণ JN.১ নিয়ে আরও আতঙ্ক বাড়ছে৷ এই প্রজাতির সংক্রমণের ফলে ইনফেকশন লোড বাড়ছে বেশি ও হসপিটালাইজেশনও বাড়ছে৷ রাত পেরোলেই নতুন বছরের আগমন। যার কাউন্ট ডাউন ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মাঝেই দেশের একাধিক রাজ্যে করোনা ভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে শুরু হয়েছে উদ্বেগ। ফের বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে প্রায় তিন মাস পরে তিন জন রোগী ভর্তি বলে খবর।

    আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তিন জন করোনা সংক্রমিত রোগী বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি হয়েছেন গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত। সংক্ৰমিতদের মধ্যে ২ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষ। জানা গিয়েছে, উল্টোডাঙার বাসিন্দা এক প্রৌঢ়ার ডায়ালিসিস করাতে গিয়ে কোভিড ধরা পড়ে। তখন তাঁকে ওই হাসপাতালে পাঠানো হয়। আবার সিওপিডি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত এক প্রৌঢ়া ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আমেরিকা ফেরত মধ্য বয়স্ক এক ব্যক্তি জ্বর-সর্দি-কাশি না কমায় করোনা পরীক্ষা করলে দেখা যায় তিনি কোভিড সংক্রমিত।

    উল্লেখ্য, ডিসেম্বরের শুরু থেকেই JN.১ নামে নতুন একটি করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। বেশ কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্তের সংখ্যা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিতে পারে, বমি হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • JN1 Cases In India: ‘ফিরছে মাস্ক’.. উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট, আক্রান্তের সংখ্যা কোন রাজ্যে বেশি ?

    JN1 Cases In India: ‘ফিরছে মাস্ক’.. উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট, আক্রান্তের সংখ্যা কোন রাজ্যে বেশি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    JN1 Cases In India: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্ট JN.1। স্বাভাবিক ভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ। কেন্দ্রীয় সরকার করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আতঙ্ক বাড়ছে করোনা সংক্রমণ নিয়ে। ইতিমধ্যেই হু (WHO)-র তরফে করোনার এই ভ্যারিয়েন্টকে “ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বড়দিনের দিন সংক্ৰমিতের পরিসংখ্যান রীতিমতো উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা কোন রাজ্যে বেশি চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    কেরালা রাজ্যেই সক্রিয় রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৬২৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৪ জন। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় কর্নাটকে ১০৪ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, করোনায় নয়া JN1 স্ট্রেনে গতকাল অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ জন। এর মধ্যে JN1 আক্রান্তের হদিশ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মিলেছে গোয়াতে। এই ভাইরাসের প্রজাতির অস্তিস্ব মিলেছে সেখানে মোট ৩৪ জনের শরীরে। এ ছাড়া ৯ জন JN1-এ আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। পাশাপাশি কর্নাটকে ৮ জন, কেরালায় ৬ জন, তামিলনাড়ুতে ৪ জন এবং তেলঙ্গানায় ২ জন এই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত।

    করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট-এর উপসর্গ কী ?

    উপসর্গ হতে পারে মৃদু থেকে মাঝারি। আক্রান্তদের জ্বর, সর্দিকাসির সাথে সাথে গলার সংক্রমণ এবং হতে পারে মাথার যন্ত্রণাও। শ্বাসকষ্টও দেখা দিচ্ছেআবার অনেক রোগীর ক্ষেত্রে। তবে ৪-৫ দিনের মধ্যে সেটা সেরেও যাচ্ছে। এছাড়া তীব্র ক্লান্তি, অখিদে, গা বমি ভাব, এছাড়াও পেশির জয়েন্টে দুর্বলতা আসতে পারে।

    সতর্কতা কী কী নেবেন ?

    ১)ভিড় স্থান এড়িয়ে চলুন, বাইরে বেরোলে সর্বদা মাস্ক পরুন।
    ২) শুধুমাত্র খাওয়ার আগে কিংবা পরে নয়, ঘন ঘন হাত ধোয়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনুন
    ৩) প্রয়োজন ছাড়া অযথা বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
    ৪) বাড়ির বাইরে থেকে এলে কুসুম গরম জলে একটু লবণ দিয়ে ভালভাবে গারগেল করতে হবে।

    উল্লেখ্য, এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, গোটা দুনিয়ায় করোনার দাপট ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে গত এক মাসে । কিন্তু কত শতাংশ মানুষ নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনের নিউমো’নিয়ার থাবা ভারতে পড়বে ? করোনার মতই নাকি! প্রকাশ্যে তথ্য ফাঁস

    চীনের নিউমো’নিয়ার থাবা ভারতে পড়বে ? করোনার মতই নাকি! প্রকাশ্যে তথ্য ফাঁস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের অজানা নিউমোনিয়া নিয়ে রহস্য ফাঁস। চীন নিজেই মুখ খুলল এবার, কী জানিয়ে দেওয়া হল? করোনার মতো এই নিউমোনিয়াও কি ছড়াতে শুরু করবে দুনিয়ায়? ভারত এ মূহুর্তে কতটা রিস্কজোনে জানা গেল আসল উত্তর।
    বিভিন্ন পোর্টাল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় হেডলাইন দেখে ঘাবড়ে যাবেন না। আসলে জেনে নিন যে চীনে যা ঘটছে তাতে ভারতের বা ভারতের বাইরে থাকা মানুষের এফেক্টেড হওয়ার কোনও সম্ভাবনা কি আদৌ আছে?
    যদি থাকে তাহলে সেটা কতটা? করোনার পর এনিয়ে এমূহুর্তে কোন কোন দেশের সতর্ক হওয়া উচিত? ২২ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছিল। সেখানে চীনের সরকারের কাছ থেকে এই অজানা নিউমোনিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছিল। চীন এবার মুখ খুললো আর তারপর যা বলল তাতে কতটা ভরসা করা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। চীন কি আবারও বিশ্ব থেকে কিছু লুকোচ্ছে যেমন নোবেল করোনা ভাইরাসের সময় লুকিয়েছিল?

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার তথ্য বলছেন চীনের রাজধানী বেইজিং এবং চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াওনিংয়ের হাসপাতালগুলোতে রহস্যময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ভিড় উপচে পড়ছে।প্রতিদিন হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসছে গড়ে ৭ হাজার শিশু। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এই অবস্থায় আশ্বস্ত করেছে চীন বেজিংয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন করে যে নিউমোনিয়া নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সেটা মোটেই বাড়তি চিন্তার নয়। তার কারণও অজানা নয়। চীনা প্রশাসন হু-কে জানিয়েছে এই নিউমোনিয়া নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা নতুন কোনও প্যাথোজেন বা কোনও নভেল ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়নি। সাধারণ জীবাণুর প্রকোপেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাছাড়া এর প্রাদুর্ভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটাও সত্যি নয়। চীনের দাবি এখনও কোনও হাসপাতালেই রোগী ‘ওভারলোড’ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। চীনের এই জবাবে আপাতত সন্তুষ্ট হু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

    অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলছেন এই পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার জন্যয়বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে যে গাউডলাইন দেওয়া হয়েছে সেগুলো মেনে চলা উচিত। যেহেতু শিশুরা মূলত আক্রান্ত হচ্ছে সেজন্য।

    ১. ঠিক সময়ে টিকাকরণ প্রয়োজন।

    ২. অসুস্থদের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    ৩. অসুস্থ থাকলে Self Isolation- বজায় রাখুন।

    ৪. প্রয়োজন হলে যাবতীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

    ৫. খোলা জায়গায় বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে, কোভিডবিধি যা যা ছিল পালন করতে হবে।

    সেই সঙ্গে একটা কথা মনে রাখুন এটা মহামারি বা অতিমারি হবে কিনা সেটা বলার মতো পরিস্থিতি এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চীন থেকে অন্য দেশে এমন সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেও এখনও পর্যন্ত শোনা যায়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • আবারও রহস্যময় রোগ চীনে! জ্বর, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত বহু শিশু, রিপোর্ট চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    আবারও রহস্যময় রোগ চীনে! জ্বর, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত বহু শিশু, রিপোর্ট চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আবারও রহস্যময় রোগ চীনে! সেখানের হাসপাতালগুলিতে ফের শিশুদের ভিড়। আবারও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন অনেকে। নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে শি জিনপিংয়ের দেশে। ‘রহস্যময়’ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে চীনের বহু স্কুল পড়ুয়া। অসুস্থ শিশুদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বেজিংয়ের হাসপাতালগুলি।ভাঁজ পড়েছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালেও। করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা কি করে ভুলবেন আপনারা!এখনও সেই অতিমারির প্রভাব থেকে বেরোতে পারেনি এই দেশ। বিশ্বজুড়ে করোনার জন্য দায়ি করা হয় চীনকেই। সেখানের ইউহানের ল্যাবরেটরি থেকেই নাকি ছড়িয়ে পড়েছিল এই মারণ রোগ। প্রশ্নটা তাই থেকেই যাচ্ছে। আবার কী হলো চীনে! আবারও কি ভুগতে হবে সবাইকে?

    চীন বলেছে, তাদের বেশিরভাগ শিশুদের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু বিষয়টিকে আর এতো সহজভাবে দেখছে না কেউই। বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। তারা বেইজিংকে এই রহস্যময় রোগ সম্পর্কে দ্রুত যাবতীয় তথ্য পাঠাতে বলেছে। সম্প্রতি বেশ কয়েক দিন ধরেই চীনা শিশুদের মধ্যে একধরনের শ্বাসতন্ত্রের রোগের প্রকোপ শুরু হয়েছে।যা এর আগে কখনও দেখা যায়নি। চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ন্যাশনাল হেলথ কমিশন গত ১৩ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে রোগটিকে রহস্যজনক নিউমোনিয়া বলে উল্লেখ করেছে। রোগটিকে রহস্যজনক বলার কারণ, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। পরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে শ্বাসকষ্টও শুরু হচ্ছে। যা মূলত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

    নিউমোনিয়ার রোগীদের শ্বাসকষ্ট ছাড়াও কফ ও বুকে ঘড়ঘড় শব্দের মতো উপসর্গ দেখা যায়। তা আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা প্রোমেড জানিয়েছে, রহস্যময় এই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের প্রায় সবাই শিশু। চীনের বিভিন্ন শহরে এই রোগের উপস্থিতি শনাক্ত করা গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রকোপ দেখা যাচ্ছে রাজধানী বেইজিং এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় লিওনিয়াং প্রদেশে। সেখানে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন চীনা হাসপাতালগুলো অসুস্থ শিশুতে ভর্তি। এসব শিশু শ্বাসকষ্টে ভুগছে। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ডব্লিউএইচও এই রোগের জন্য Covid-19 বিধিনিষেধ শিথিল করাকে দায়ী করেছে। ডব্লিউএইচও অসুস্থ শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জা, SARS-CoV-2, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া সম্পর্কিত অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে।

    চীনে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি কোভিড- এর মতো লক্ষণগুলির ফিরে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অসুস্থ শিশুদের পরিবারের বক্তব্য দিয়ে একটি চীনা নিউজ চ্যানেল বলেছে, এই রোগের নতুন কোনও উপসর্গ নেই। শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকছে। ফুসফুসেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। শিশুদের চিকিৎসার জন্য চীনের হাসপাতালগুলোতে লম্বা লাইন পড়ছে। রোগ পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট প্রোমেড মেইল অ্যালার্ট একজন মেডিক্যাল কর্মীকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রোগীদের ২ ঘন্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মেডিকেল কর্মীরা সবাই জরুরি বিভাগে আছেন। চায়না ডেইলির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ রোগের ভরা মরসুম চলছে। মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, কিছু শিক্ষকও এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এই রোগের কারণে বেশ কিছু স্কুল বন্ধও করা হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • প্রাণঘাতী নিউমোনিয়া ? বিশ্বে হুহু করে ছেয়ে যাচ্ছে এ কোন রহস্যময় রোগ, লক্ষণ জেনে সাবধান হোন

    প্রাণঘাতী নিউমোনিয়া ? বিশ্বে হুহু করে ছেয়ে যাচ্ছে এ কোন রহস্যময় রোগ, লক্ষণ জেনে সাবধান হোন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আরও একটা মহামারী? ঝড়ের গতিতে বিশ্বজুড়ে হু হু করে ছড়াচ্ছে এ কোন রহস্যময় রোগ? কোভিডের ডিটো প্রাণঘাতী নিউমোনিয়া? নাকি তার চেয়েও বেশি ডেনজারাস? সিম্পটমগুলো জেনে আগেভাগেই সাবধান হোন। কাজাখস্থানের অজানা নিউমোনিয়ার কথা মনে আছে তো? ছুঁলেই কি শরীর পচে যাচ্ছে? চীন কি ছড়িয়ে দিল এটা? কোন বয়স আছে “অজানা নিউমোনিয়ার” রিস্কজোনে? কোন নতুন বিপদে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে গোটা পৃথিবী? কোভিডের এফেক্ট কাটতে পারলো না। ছেয়ে যাচ্ছে কোন ভয়ংকর অজানা রোগ? বিশ্বের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কিন্তু কীসের ভয়ে কাঁটা গোটা বিশ্ব? উপসর্গগুলোর সঙ্গে কোভিডের মিল কোথায়? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘রহস্যময়’ নিউমোনিয়ার উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের প্রদাহ আর গায়ে হাত পায়ে অসম্ভব ব্যাথা! তবে সাধারণ নিউমোনিয়ার মতো এই রোগে কোনও কাশি নেই।

    এখনও কোভিড-১৯ অতিমারির প্রভাব থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেনি গোটা বিশ্ব। তার মধ্যেই আবার নতুন করে আতঙ্ক শি জিনপিংয়ের দেশে। অজানা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চীনে বহু শিশু হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসাধীন। অনেকের কাশি বা অন্য কোনও উপসর্গ নেই। তবে প্রবল জ্বর এবং ফুসফুসে প্রদাহ রয়েছে। মূলত বেজিং এবং লিয়াওনিং প্রদেশের স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে এই রহস্যময় নিউমোনিয়া হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে। এই দুই জায়গায় শিশু হাসপাতালগুলো নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুতে ভরে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক স্কুলের পঠনপাঠন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি স্কুলে পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অর্থাৎ, এই রোগে মূলত শিশুরা আক্রান্ত হলেও ছাড় পাচ্ছেন না বড়রাও।

    যার জেরে কার্যত জরুরি অবস্থা হাসপাতালগুলোতে। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। চীনের স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন, বেজিংয়ের বহু হাসপাতালের পরিস্থিতি করোনার শুরুর দিনগুলির মতো। এই রোগের পিছনে কোন ভাইরাস দায়ী, তার চরিত্রই বা কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্কুলে পাঠরত শিশুদের মধ্যেই যেহেতু সংক্রমণ বেশি, তাই স্কুল থেকেই রোগটি ছড়িয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক রোগ নজরদারি সংস্থা ProMed এই পরিস্থিতিতে লাল সতর্কতা জারি করেছে মঙ্গলবার।অন্যদিকে, আমেরিকার এপিডেমিওলজিস্ট এরিক ফিগল-ডিং সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে চিনের লোকজনকে মাস্কে মুখ ঢেকে রাস্তায় বেরোতে দেখা গিয়েছে। ভিডিও-টির সত্যতা যদিও যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। তবে রোগ বিশেষজ্ঞদের অনুমান, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়ে-তে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, যা আসলে একটি ব্যাকটিরিয়া জনিত সংক্রমণ।চলতি কথায় ‘ওয়াকিং নিউমোনিয়া’ নামেও পরিচিত এই রোগ।

    যাতে মাঝারি মানের সংক্রমণ থেকে পরিস্থিতি গুরুতর হচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে এই রোগে। যদিও এই রহস্যজনক নিউমোনিয়ায় এখনও কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু রোগটাকে মোটেই হালকা ভাবে হালকাভাবে দেখছেনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চিনের চিকিৎসক এবং গবেষকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে চীনের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছে হু। মনে করিয়ে দিয়ে ২০২০ সালে কাজ়াখস্তানে এক অজানা নিউমোনিয়ায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যে নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর হার করোনাভাইরাসের কারণে হওয়া নিউমোনিয়ার চেয়ে অনেক বেশি। ওই রহস্যজনক প্রাণঘাতী নিউমোনিয়ার সঙ্গে চীনে ছড়ানো এই নিউমোনিয়ার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সাবধান! কালীপুজোর পর করোনার বাড়াবাড়ি ? WHO যা বলেছিল মিলে গেল

    সাবধান! কালীপুজোর পর করোনার বাড়াবাড়ি ? WHO যা বলেছিল মিলে গেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    WHO আগেই সাবধান করেছিল আশঙ্কা সত্যি করে শীতের হালকা আমেজ আসতেই করোনাও নাগাড়ে বাড়ছে। তবে কি কালীপুজোর পরেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট খেলা দেখাবে? মাথাব্যথা, গলা ব্যথার সাথে জ্বর রয়েছে আপনার? দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। নতুন রূপটি ইতিমধ্যেই ভারতের ৯টি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তারমধ্যে কি রয়েছে বাংলাও? অন্য সব ভ্যারিয়েন্টের থেকে একদম আলাদা। এর আগেও আক্রান্ত হয়ে থাকলে করোনার এই রূপ আপনার ডেনঞ্জারাস। শুনশান রাস্তা, গাড়ি নেই, শুধু অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ এবারের শীতে লকডাউনের সেই চেনা ছবি আবারও ফিরছে?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-র তরফে জানানো হয়েছিল যে পাকাপাকিভাবে করোনা বিশ্ব থেকে দূর হবে না কিন্তু কেউ আর মাস্কও পরে না, সতর্কতাও মানে না! তার সুযোগেই আবারএও করোনা জাঁকিয়ে বসছে না তো? বাঙালি পরিচালক সোনালি বোস করোনা আক্রান্ত। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট XBB.1.16.1 মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। করোনার এই নতুন রূপ অদ্ভূত এক ক্ষমতা রয়েছে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটিকে ফাঁকি দিয়ে এই ভাইরাস ফুসফুসে আঘাত হানতে পারে। আপনার ফুসফুস ছারখাড় করে দেবে। এর স্পাইক প্রোটিনে মিউটেশন ঘটিয়ে প্রবল সংক্রমণ ক্ষমতার অধিকারী হয়েছে। তাই আমেরিকা থেকে চিন, ফ্রান্স থেকে ইংল‌্যান্ড সব জায়গায় নিয়ে দুশ্চিন্তা তবে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে এখনও বাড়াবাড়ির কোনওরকম ইঙ্গিত দেয়নি প্রশাসন।

    একদিকে ডেঙ্গি অন্যদিকে ভাইরালের প্রকোপ! কীভাবে বুঝবেন আপনি করোনা আক্রান্ত? জ্বর বা ঠান্ডা লাগার তো আছেই সাথে কাশি, শ্বাসকষ্ট, পেশি ব্যথা, মাথাব্যথা, গলা ব্যথা হবেই এমনকী সর্দি, বমি, ডায়রিয়া হতে পারে। স্বাদ-গন্ধ নষ্ট হতে পারে। প্রথমে খুব একটা প্রাণঘাতী নয় বলে আশ্বস্ত করেছিল ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা কিন্তু এই ভ্যারিয়েন্টের জেরেই সময়ের সাথে শক্তিশালী হয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫২। করোনার যাবতীয় বিধি নিষেধ উঠেছে। এরই মধ্যএদ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক ছবির পরিচালক সোনালি বোস সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান করোনা ফিরে এসেছে। তিনি ফের করোনা আক্রান্ত।

    অতিমারি পর্ব শেষ হলেও করোনাভাইরাসের নতুন নতুন রূপ যেন পিছু ছাড়ছে না।করোনা টিকা নেওয়া সত্ত্বেও করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তাকিয়ে অনেকেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কোভিড ভ্যাকসিন ? ICMR এর চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কোভিড ভ্যাকসিন ? ICMR এর চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কোভিড ভ্যাকসিন? গবেষণায় সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কোভিডের মারণ থাবা যখন ক্রমেই চওড়া হচ্ছিল, তখন ভরসা জুগিয়েছিল ভ্যাকসিন। সেই ভ্যাকসিনেই নাকি লুকিয়ে মরণ ঝুঁকি? সত্যিই কি তাই? নাকি সবটাই ভুয়ো?২০১৯ সালে করোনাভাইরাস চিনে আছড়ে পড়েছিল। চিন থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে এই ভাইরাস। ২০২০ সাল নাগাদ ভারতে পরিস্থিতি খারাপ হতে দেখে লকডাউন জারি করতে হয়েছিল। এর পরে ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং অনেক দেশ এই রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে। ২০২১ সালের মধ্যে ভারতেও টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল। তবে এর পাশাপাশি হঠাৎ করে অল্প বয়সীদের মধ্যে বেড়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনাও। অনেকেরই দাবি কোভিড ভ্যাকসিনের কারণেরই নাকি এই হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বাড়ছে।

    আইসিএমআর এই অভিযোগ নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছে। এই সমীক্ষায ICMR কোভিড -১৯ টিকাকরণ এবং ভারতের তরুণ জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে যোগসূত্র বোঝার চেষ্টা করেছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা ICMR এর তথ্য বলছে অন্য কথা। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য তরুণদের আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়েনি। গবেষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এর পিছনে রয়েছে অন্য হাজারো কারণ। কোভিড ভ্যাকসিন নয়, জীবনধারণের ধরন ও আনুসঙ্গিক নানা কারণে বেড়েছে তরুণদের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়েছে।

    এই হার্ট অ্যাটাক বা মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ার পিছনে অন্য কারণ দেখিয়েছে ICMR। দীর্ঘদিন ধরে কোভিডে ভোগা। অত্যধিক মদ্যপান করা। যাঁরা কোভিড থেকে সেরে ওঠার পরপরই খুব বেশিরকম ব্যায়াম বা শারীরিক কার্যকলাপ করেছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও এই হার্ট অ্যাটাক বাড়ার প্রবণতা বেড়েছে। ভারতে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের আকস্মিক মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক কারণ এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে কোভিড ভ্যাককসিনের কোনও প্রভাব নেই।

    এই সমীক্ষা উদ্দেশ্য ছিল ভারতে সুস্থ তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর কারণ খুঁজে বের করা। গবেষণার আওতায় আনা হয় ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী দৃশ্যত সুস্থ ব্যক্তিদের, যাঁদের কোনও অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল না এবং যাঁরা ২০২১ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৩ এর ৩১ মার্চের মধ্যে হঠাৎ মারা গেছেন। গবেষকরা মোট ৭২৯ জনের উপর স্টাডি করেন তাতে স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়, Covid-19 টিকা ভারতে অল্প বয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম