Tag: Cleanser

  • রান্নাঘরের একটি উপাদানই করবে ক্লিনজ়ারের কাজ, সঙ্গে হাজার উপকার

    রান্নাঘরের একটি উপাদানই করবে ক্লিনজ়ারের কাজ, সঙ্গে হাজার উপকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ক্লিনজ়ার শেষ? চিন্তার কোন কারণ নেই। রান্নাঘরের একটি উপাদান দিয়েই সেরে নিতে পারবেন ক্লিনজার এর কাজ। সাথে পাবেন হাজার উপকার। গোটা শীতকাল গ্লো করবে আপনার ত্বক। কাঁচা দুধেই করবে বাজিমাত। কিভাবে ইউস করবেন? শীতের মরশুমে বেশিরভাগ মানুষ এমন পণ্য বেছে নেন যাতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। এক্ষেত্রে ত্বকের যত্নে দুধের জুড়ি মেলা ভার। ডায়েটে দুধ রাখলে যেমন বিশেষ উপকার মেলে, তেমনই ত্বককে সুন্দর রাখতেও দুধের কোনও বিকল্প হয় না। বিশেষত এই শীতের দিনে, ত্বকের আর্দ্রভাব বজায় রাখতে, ত্বকের জেল্লা বজায় রাখতে এবং ক্লিনজ্জার হিসেবে দুধ ভীষণ কার্যকর। কিন্তু ত্বকের কোন সমস্যার জন্য কীভাবে দুধ ব্যবহার করবেন।

    শুষ্ক ত্বকের সমস্যা বাড়লে ত্বকের প্রদাহও বাড়তে থাকে। এ ছাড়াও ত্বকের নানা সমস্যা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে কাঁচা দুধ ব্যবহার করুন। সরাসরি ত্বকের উপর কাঁচা দুধ লাগান। কাঁচা দুধ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। তুলোর বলে কাঁচা দুধে ডুবিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। মিনিট কুড়ি অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। প্রতিদিন এই টোটকা মানলে নিজেই পার্থক্য দেখতে বুঝতে পারবেন।

    দুধ একটি আশ্চর্যজনক ক্লিনজার। কাঁচা দুধের মধ্যে ভিটামিন, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, ক্যালশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বককে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা ভালো ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে। মেক আপ অপসারণ করতে এবং ঘুমোনোর আগে মুখ গভীরভাবে পরিষ্কার করতে দুধ ভালো ক্লিনজারের কাজ করে।এটি শুধুমাত্র ময়লা এবং দাগ দূর করে না বরং ত্বককে নরম ও কোমল করে। রোজ রাতে কাঁচা দুধে সামান্য ময়দা মিশিয়ে মুখে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে পারেন। ৫,৭ মিনিট করার পর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নেবেন। অনেক উপকার পাবেন।

    ট্যান দূর করতেও দারুন কার্যকরী কাঁচা দুধ। শীতেও ত্বকে ট্যান পড়ে। দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের ট্যান দূর করে দেয়। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। ঠাণ্ডা দুধ রোদে পোড়া জায়গার উপর কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন জ্বালাভাব ও লালচে ভাবও কমে গিয়েছে।

    ত্বকের দাগ ছোপ দূর করার ক্ষেত্রেও কাঁচা দুধ দারুণ উপকারী। কাঁচা দুধে ৪টে আমন্ড ও ৪টে খেজুর সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে এটা মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর হালকা হাতে স্ক্রাব করুন। এতে ত্বকের যাবতীয় দাগছোপ দূর হয়ে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Face Cleaning Tips: ফেসওয়াশ নাকি ক্লিনজার, আপনার ত্বকের জন্য সেরা কোনটি?

    Face Cleaning Tips: ফেসওয়াশ নাকি ক্লিনজার, আপনার ত্বকের জন্য সেরা কোনটি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বর্ষা শুরু হলেও গুমোট ভাব কিছুতেই কাটছে না। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ অনেকটাই বেশি অল্পতেই মুখ ঘেমে যাচ্ছে তেলতেলে হয়ে যাচ্ছে। আবার মুখ বেশি দুলে মুখের ময়েশ্চার চলে যাবে। মুখ শুষ্ক হয়ে যাবে মুখ পরিষ্কার করতে বেশিরভাগ মানুষ ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ বেছে নিন। এই দুটো জিনিসই মুখে জমে থাকা ময়লা, জীবাণু পরিষ্কার করে দেয়। কিন্তু দুটো সম্পূর্ণ আলাদা পণ্য। ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার মুখ পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার হলেও দুটো এক জিনিস নয়। ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার মুখ পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার হলেও দুটো এক জিনিস নয়। একটু খেয়াল করলে আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন। আর যদি না পারেন, এই প্রতিবেদনটি রইল আপনাদের জন্য।

    ফেসওয়াশ হল এক প্রকার তরল সাবান। ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে মুখে ফেনা উৎপন্ন হয়। ক্লিনজারে তা হয় না। এই ক্রিম আকারে পাওয়া যায় এবং এতে ফেনা তৈরি হয় না। ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার ব্যবহারের পদ্ধতিও একটু আলাদা। ফেসওয়াশ মুখে লাগিয়ে একটু ঘষেই ধুয়ে ফেলা যায়। এতেই সমস্ত ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু ক্লিনজারের ক্ষেত্রে তা হয় না। মুখে হালকা জলের ঝাপ্টা দিন। এরপর মুখে ক্লিনজার লাগিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এরপর তুলোর বল দিয়ে মুখ মুছে নিন। তারপর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখ থেকে সমস্ত ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

    যেহেতু প্রসাধনী দুটি আলাদা তাই এর প্রভাবও ত্বকের উপর ভিন্ন। ফেসওয়াশ ব্যবহারে ত্বকের প্রাকৃতিক তেলও অপসারণ হয়। ক্লিনজার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বজায় রেখেই মুখ পরিষ্কার করে দেয়। সেনসিটিভ, শুষ্ক ও ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য ক্লিনজার ব্যবহার করা ভাল। এতে ত্বকের ক্ষয়ের সম্ভাবনা কম।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম