Tag: Child

  • ফেসবুক শিশুর ছবি শেয়ার করছেন! শিয়রে মারাত্মক বিপদ, সন্তানকে ঠেলে দিচ্ছেন বড় রিস্কে

    ফেসবুক শিশুর ছবি শেয়ার করছেন! শিয়রে মারাত্মক বিপদ, সন্তানকে ঠেলে দিচ্ছেন বড় রিস্কে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আপনি কি আপনার বাচ্চার ছবি ফেসবুকে শেয়ার করছেন? প্রচুর মানুষ লাইক করছে, শেয়ার করছে। আবার কেউ বা করছেন নানান মন্তব্য। যদি এমনটা করে থাকেন তাহলে একটু সাবধান। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শেরেন্টিং বিপদের জাল। এই ফাঁদে একবার পড়লে বেরোনো ভীষণ মুশকিল। এই শেরেন্টিং কি? কীভাবে এই মায়াজাল থেকে শিশুকে দূরে রাখবেন?

    অনেকেই আছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণ অ্যাক্টিভ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্ম গুলোতে প্রতিনিয়ত নিজেদের বাচ্চাদের ছবি শেয়ার করেন । বাচ্চা কি খাচ্ছে, সারাদিন কি করছে, কিভাবে খেলাধুলো করছে, কতক্ষণ পড়াশুনা করছে সেই নিয়ে নানান ভিডিও বানান। আবার কেউ বা ছবি তুলে সিরিয়ালি সেগুলো পোস্ট করেন। অনেকে কমেন্ট আর লাইক পাওয়ার জন্য এতটাই মগ্ন যে শিশুর ছবি পোস্ট করার আগে ভুলেই যান, ঠিক কতটা ঝুঁকি বা রিস্ক রয়েছে। এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপেন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করছেন সন্তানের ব্যক্তিগত তথ্য। এই ধরুন কোন স্কুলে পড়ে, ডেট অফ বার্থ, প্রাইভেট টিউটরের কাছে যাওয়ার সময়, কি কি জিনিস খেতে পছন্দ করে, কেমন পোশাক পরে, থেকে শুরু করে খুঁটিনাটি যাবতীয় তথ্য।

    ভেবে দেখেছেন কি, আপনার অজান্তে সাইবার অপরাধীরা বিছিয়ে রেখেছে ভয়ঙ্কর জাল। আপনার শেয়ার করা সন্তানের তথ্য চুরি করছে তারা। তারপর সেগুলো হোক ব্যবহার করছে অপরাধমূলক কাজে। এমনকি ব্যবহার করতে পারে অনলাইন চাইল্ড পর্নের ক্ষেত্রেও। বিপদের তালিকাটা এখানেই শেষ নয়। বহু অপরাধী প্রথমে শিশুর বাবা মায়ের নামে ভুয়ো প্রোফাইল খোলে। তারপর পরিচিতদের কাছে নানান অজুহাতে টাকা চায়। আবার কেউ ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। যাকে বলা হয় ডিজিটাল কিডন্যাপিং। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে আপনার শিশুর কণ্ঠস্বর নকল করে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে অপরাধীরা। যা ডিপফেকিং নামে পরিচিত।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সম্প্রতি শেরেন্টিংয়ের কারণে যেভাবে শিশুদের তথ্য ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হচ্ছে তাতে ২০৩০ সাল নাগাদ এই সংখ্যাকে পৌঁছাবে প্রায় ৭০ লক্ষে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ পৌঁছাতে পারে বছরে প্রায় ৬০ কোটি ৭০ লক্ষ পাউন্ডে। সম্প্রতি বায়োমেট্রিকের সাহায্যে তথ্য হাতিয়ে প্রচুর জালিয়াতির খবর আসছে। নিমেষে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে ততই সাইবার অপরাধী আঁটছে নতুন নতুন ফন্দি। আপনার বাচ্চার ছবি বিকৃত হওয়ার আগেই সাবধান হয়ে যান।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শিশুর মুখে গণেশের শুঁড়! কীভাবে সম্ভব?

    শিশুর মুখে গণেশের শুঁড়! কীভাবে সম্ভব?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভগবান গণেশ রূপে জন্ম নিল এক শিশু। ভারতের এই গ্রামে সদ্যোজাতের মুখে হুবুহু গণেশের শুঁড় এও কী সম্ভব? এ যেন সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা মানুষের রূপ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছেন। শুঁড় সমেত সন্তানের জন্ম হল কীভাবে? এই আশ্চর্য শিশুকে কোথায় গেলে দেখতে পাবেন ? এ যেন অবিকল ভগবান গণেশ। গণেশ চতুর্থীর আর হাতে গোনা কয়েকদিন বাকি। তার আগেই এ যেন এক অলৌকিক ঘটনা।

    শিব ও পার্বতী পুত্র শিশুর বেশে জন্ম নিলেন শুঁড় সহ শিশুকে দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় চিকিৎসকদের। খবরটা জানা মাত্র একটিবার দর্শনের আশায় হইহই পড়ে যায়। এ যেন ঈশ্বরের অলৌকিক লীলা বলতে থাকেন অনেকেই। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা।

    রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ৩১ জুলাই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু তার মুখটা পুরোটাই শুঁড়ের মতো। যে চিকিৎসকরা প্রসব করিয়েছেন এমন শিশু দেখে রীতিমত চমকে গিয়েছেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই গোটা রাজস্থান জুড়ে খবর ছড়িয়ে যায়। সকলে ভিড় করতে থাকেন হাসপাতাল চত্বরে। সকলে বলতে থাকেন গনেশ চতুর্থীর আগে সাক্ষাৎ সিদ্ধিদাতা এসেছেন। কিন্তু দুঃখের খবর জন্মের প্রায় ২০ মিনিট পরেই তার মৃত্যু হয়। ২ রা অগাস্ট সংবাদমাধ্যমে এমনই তথ্য দাবি করা হয়েছে।

    কিন্তু শিশু এরকম শুঁড় নিয়ে জন্ম নিল কীভাবে ? বিজ্ঞান কি বলছে? গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করলে শিশুর অস্বাভাবিক গঠন সম্পর্কে জানা যায়। জেনেটিক কিছু সমস্যা থাকার পাশাপাশি ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণেও এমন শিশুর জন্ম হতে পারে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছেষ। এমনটাই এই সংবাদমাধ্যমে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মৃত্যু ডেকে আনছে লিচুর বীজ, এগুলো থেকেও সাবধান! গলায় আটকে গেলে প্রথম কয়েক সেকেন্ডে যা করবেন

    মৃত্যু ডেকে আনছে লিচুর বীজ, এগুলো থেকেও সাবধান! গলায় আটকে গেলে প্রথম কয়েক সেকেন্ডে যা করবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এখনই ভুল শুধরে নিন। লিচুর বীজ গলায় আটকে পর পর শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যখন চারিদিকে তোলপাড় চলছে তখন যে প্রশ্নগুলো বারবার উঠে আসছে শুধুই কি লিচুর বীজ? চকলেট, মার্বেল এমনকি রসগোল্লাও গলায় আটকে ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন তখন! এক পর্যায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ছোটাছুটি, হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই যে কাজটা আপনাকে করতে হবে আজ এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা সেটাই জানানোর চেষ্টা করবো। এই “চোকিং” থেকে কিভাবে বাঁচবেন? কিভাবে বুঝবেন আপনার শিশু গলায় কিছু আটকে গেছে? সমস্যাটা কিন্তু বাড়ির বয়স্কদের ক্ষেত্রেও হতে পারে। কোন বয়সের ক্ষেত্রে কি সাবধানতা অবলম্বন করবেন? তাৎক্ষণিক করনীয়ই বা কি? সতর্ক থাকতে কি কি ব্যবস্থা নিতে পারেন? বিস্তারিত থাকছে আজকের এই প্রতিবেদনে।

    বাড়ির শিশু বা বয়স্কদের ক্ষেত্রেই সমস্যাটা বড় হয়ে দাঁড়ায়, সেক্ষেত্রে গলায় কিছু আটকে গেলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়েযাচ্ছেন। কিন্তু কত দ্রুত? তখন এক একটা সেকেন্ড ভীষণ দামি। চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে ৭–১২ মিনিটের মধ্যে চিকিৎসা শুরু না করলে রোগীকে বাঁচানো মুশকিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ রকম পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যরা ঘাবড়ে গিয়ে নানা ধরনের ভুল করে বিপদের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। ভুল করেও গলায় আঙুল ঢুকিয়ে আটকে যাওয়া জিনিসটা বের করে আনার চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে, রক্তারক্তি কাণ্ড হতে পারে। যে কোনো ফলের বীজ শুধু নয়, চকলেট, মার্বেল, ছোটখাটো খেলনা, ধাতব মুদ্রা, রসগোল্লা জাতীয় মিষ্টি, ডিমের কুসুম ইত্যাদি গলায় আটকে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে ওই পরিস্থিতিকে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘চোকিং’ বলে।

    যেটা বেশি ঘটে শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে। ৫ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে। অনেক ক্ষেত্রে তারা বলার মতো অবস্থায় থাকে না, তেমন হলে বুঝবেন কি করে যে গলায় কিছু আটকেছে? খাবার হোক বা অন্য কিছু, শ্বাসনালিতে আটকে গেলে প্রথমেই শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হবে। কাশি হবে, বুকের মধ্যে হাওয়ার মতো শব্দ, বমি বমি ভাব, কথা বলতে না পারা, ঠোঁট নীল হওয়া বা জ্ঞান হারানোর মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    কেন শিশু আর বয়স্কদেরকেই বেশি এফেক্ট করে?

    চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, প্রবীণ আর ছোট শিশুদের গলার গ্যাগ রিফ্লেক্স নামে মুখগহ্বরে এক ধরনের স্নায়ু ব্যবস্থাপনা কম থাকে, ফলে গলায় খাবার আটকে যেতে পারে। শ্বাসনালির মুখে খাবার আটকে গেলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়, শরীরে অক্সিজেন চলাচল কমে যায়। এমনকি পুরোপুরি বন্ধও হয়ে যেতে পারে। শ্বাসনালি একেবারে বন্ধ হয়ে গেলেয়অক্সিজেনের অভাবে হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্ক কাজ করতে পারে না, অবস্থা মারাত্মক হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে আটকে যাওয়া বস্তুটি দ্রুত বের না করে দিলে রোগীকে বাঁচানো যায় না। নিন।

    এই পরিস্থিতিতে পরলে কী করবেন?

    কোনো মানুষকে হঠাৎ এ রকম পরিস্থিতিতে পড়তে দেখলে অসুস্থ ব্যক্তিকে পেছন থেকে জড়িয়ে দুহাত দিয়ে পেটের ওপরের দিকে জোরে জোরে চাপ দিলে আটকে যাওয়া বস্তুটি দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। খুব ছোট শিশুকে উপুড় করে পিঠে চাপড় দিতে হবে। কাছের হাসপাতালে নিতে হবে। বস্তুটি বের না হওয়া বা হাসপাতালে চিকিৎসা না শুরু হওয়া পর্যন্ত পদ্ধতিটি চালিয়ে যেতে হবে। পুরোটা সময় সতর্কভাবে খেয়াল রাখতে হবে রোগীর জ্ঞানের মাত্রা কমে যাচ্ছে কি না, রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হচ্ছে কি না। তাহলে দ্রুত বুকে চাপ তথা সিপিআর শুরু করতে হবে।

    সতর্কতা সাবধানতা অবলম্বন করুন:

    • বীজ সমেত কোন ফল ছোট শিশুকে দেবেন না।
    • ছোট ব্যাটারি, বোতাম, গয়না, পুঁতি, পিন, ফলের বীজ, কাগজের ক্লিপ, ট্যাপ, স্ক্রু, পেরেক, মার্বেল ইত্যাদি শিশুর হাতের নাগালের বাইরে রাখুন।
    • পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শক্ত দানার কোনো খাবার এমনকি লজেন্স দেওয়াও উচিত নয়, বিপদ হতে পারে।
    • শিশুর মুখে রাবার বেলুন দেবেন না, বেলুন শ্বাসরোধের ঝুঁকি বাড়ায়। ফিতা বা গোলাকার রাবারও শ্বাসরোধের ঝুঁকি তৈরি করে।
    • অন্য কারও বাড়িতে গেলে, শিশুর দিকে বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
    • বয়স উপযোগী খেলনা দিয়ে শিশুকে খেলতে দিন, এমন কিছু দেবেন না যা গলায় বা নাকে আটকে রিস্ক বাড়ে।
    • শিশু বা বয়স্ক কাউকেই খাওয়ানোর সময় অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করবেন না।
    • মুখে জোর করে খাবার গুঁজে দেবেন না।
    • অসুস্থ ও বয়স্ক রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার দেওয়া উচিত।

    বিশেষজ্ঞদের এই পরামর্শ গুলো মেনে চললে কিছুটা হলেও চোকিং এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কারণ, এই চোকিং এতটাই মারাত্মক যে প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় ১ কোটি মানুষ গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক পরিস্থিতির শিকার হয়। পৃথিবীর নানা প্রান্তে প্রতি ২ ঘণ্টায় একজন মানুষ গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে স্রেফ দম বন্ধ হয়ে মারা যান। তাই শেষেও বলবো সাবধান হোন। সাবধানের মার নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Child Care in Summer: অসহ্য গরমে জলশূন্য হয়ে পড়ছে শিশুর শরীর! বাড়িতে কীভাবে সুস্থ রাখবেন?

    Child Care in Summer: অসহ্য গরমে জলশূন্য হয়ে পড়ছে শিশুর শরীর! বাড়িতে কীভাবে সুস্থ রাখবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Child Care in Summer: বাইরের তীব্র দাবদাহ। এই অসহ্যকর গরমে বড়রাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শিশুদের (Children) একটু বিশেষ যত্ন (Special Care) নেওয়া প্রয়োজন। আপনার বাড়িতে যদি ছোট শিশু থাকে তাহলে একটু সাবধান। আপনার ভুলে ভ্যাপসা অসহ্যকর গরমে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ সবাই। সেই তালিকায় শিশুরাও বাদ নেই। শিশু যদি অতিরিক্ত ঘামে তাহলে জল শূন্যতায় ভুগতে পারে। পাশাপাশি কমে যাবে প্রস্রাবের পরিমাণ। শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। এছাড়াও এই গরম আবহাওয়ায় জ্বর, বমি, ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। আসলে বড়দের তুলনায় শিশুদের শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শিশুদের যত্নে একটু বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।

    (১) শিশুর ঘুমানোর সময় বিছানায় চাদর কিংবা কাঁথা বিছিয়ে দেবেন। এর ফলে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যাবে,
    তোশক ব্যবহার করলে গরম আর অস্বস্তি আরো বাড়তে পারে।

    (২) বাইরে বেরোলে শিশুরা তৃষ্ণা মেটাতে নানান ধরনের ঠান্ডা পানীয় কিংবা আইসক্রিমের বায়না করে। শিশু চাইলেই যে দিতে হবে এমনটা নয়। তাকে ভালোভাবে বোঝান। তীব্র গরমে এই ধরনের খাবার শিশুর শরীর অসুস্থ করে দেবে। হতে পারে বমি কিংবা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা। এর পরিবর্তে তাজা ফলের জুস দিতে পারেন।

    (৩) শিশু যে ঘরে ঘুমায় কিংবা সারাক্ষণ খেলা করে সেই ঘর যেন ঠান্ডা এবং আরামদায়ক হয়। নিশ্চিত করতে হবে ঘরে বাতাস চলাচলের বিষয়টি। ঘর ঠান্ডা রাখতে ঘরের মধ্যে গামছা কিংবা তোয়ালে ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন।

    (৪) শিশুরা সাধারণত জল নিয়ে খেলা করতে একটু বেশি ভালোবাসে। তার উপর গরম। তাই শিশুদের একটু খেয়াল রাখবেন। তীব্র গরমে বারংবার জল নিয়ে খেলা করলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

    (৫) শিশুর শরীর কখনোই জলশূন্য হতে দেওয়া যাবে না। খুব ছোট শিশু যারা বুকের দুধ পান করে তাদের ঘন ঘন বুকের দুধ দিতে হবে এবং একটু বড় শিশুদের ঘন ঘন জল খাওয়াতে হবে। কিন্তু জোর করলে হবে না। এক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে।

    (৬) শিশুর পোশাক হবে পাতলা সুতির ঢিলেঢালা। যা দ্রুত শরীর থেকে ঘাম শুষে নেবে।

    (৭) যদি দেখেন প্রচণ্ড গরমে শিশু শরীরে ঘামাচি বা চামড়ার উপর লাল দানার মত ফুসকুড়ি হয়েছে, তাহলে শিশুকে অবশ্যই পরিষ্কার রাখুন। শিশুকে নিয়মিত স্নান এবং পরিষ্কার জামা পরাতে হবে। ফুসকুড়ির জায়গা গুলিতে বেবি পাউডার ব্যবহার করতে পারেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

    (৮) এই গরমে আপনার ছোট্ট সোনার চুলের দিকেও নজর দিতে হবে। কারণ গরমে চুলের গোড়া ঘেমে যায়। যার কারণে ধুলোবালি বসে এবং জীবাণু সংক্রমণ করতে পারে। গরমে শিশুর চুল ছেঁটে ছোট করে দিন। যদি দেখেন শিশু বারবার ঘামছে তাহলে ঘাম মুছে দিতে হবে। শরীরে ঘাম শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা লাগতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine: যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে দেশে ফিরেছে ইউক্রেনের ৩১ শিশু, ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিবারের কাছে

    Russia-Ukraine: যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে দেশে ফিরেছে ইউক্রেনের ৩১ শিশু, ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিবারের কাছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine: রাশিয়া থেকে যুদ্ধের সময় নেওয়া ৩১ শিশুকে উদ্ধার করল সেভ ইউক্রেন মানবিক সংস্থা। ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, শনিবার সংস্থাটি জানায় শিশুদের ইউক্রেনে ফিরিয়ে আনা হয় এবং তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার অভিযানে সাহায্যকারী ইউক্রেনের উদ্ধার সংস্থার প্রধান মাইকোলা কুলেবা বলেন, “এখন পঞ্চম উদ্ধার অভিযান সমাপ্তির কাছাকাছি। আমরা বেশ কয়েকজন শিশুকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।”

    কুলেবা বলেন, “সেখানে এমন বাচ্চা ছিল যারা পাঁচ মাসে পাঁচবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল, কিছু শিশু বলে যে তারা ইঁদুর এবং তেলাপোকার সঙ্গে বাস করছিল। শিশুদেরকে রাশিয়ানরা ইউক্রেনের খারকিভ এবং খেরসন অঞ্চলের দখলকৃত অংশে গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে থাকতে বলেছিল।”

    জানা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মস্কো আক্রমণ করার পর থেকে ইউক্রেন থেকে প্রায় ১৯,৫০০ শিশুকে রাশিয়া ও রাশিয়া-অধিকৃত ক্রিমিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেটিকে অবৈধ নির্বাসন হিসাবে নিন্দা করা হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, মস্কো ইউক্রেনের পূর্ব এবং দক্ষিণের অংশ দখল করে, শিশুদের অপহরণের কথা অস্বীকার করে। মস্কো জানায় তাদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তাদের দূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

    ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে ইউক্রেনের শিশুদের নির্বাসন উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ১৭ মার্চ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ার শিশু অধিকার কমিশনার মারিয়া লভোভা-বেলোভাকে ইউক্রেন থেকে শিশুদের অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে রাশিয়ার উপর চাপ বাড়ায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mundan Ceremony: ১৮ মাসে জন্মের চুল কামিয়ে কেন দেওয়া হয় জানেন? জানুন সত্যিটা

    Mundan Ceremony: ১৮ মাসে জন্মের চুল কামিয়ে কেন দেওয়া হয় জানেন? জানুন সত্যিটা

    ।। প্রথম বাংলা ।।

    Mundan ceremony: জন্মের পরপরই শিশুকে ন্যাড়া করিয়ে দেওয়া হয় ১৮ মাসে জন্মের চুল কামিয়ে কেন দেওয়া হয় জানেন? বাচ্চার মাথার চুল কোথায় যায়? ১৮ মাসের শিশুর চুল দিয়ে আসলে কী করা হয়?

    অনেকেই তাদের বাচ্চাদের জন্মের পর ১৮ মাসে চুল (Hair) কামিয়ে দেন।হিন্দু শাস্ত্রে (Hindu Rituals) বাচ্চাদের মাথা কামিয়ে দেওয়ার এই প্রথা মুণ্ডন নামে পরিচিত। দুধের দাঁত পড়ে গিয়ে যেমন নতুন দাঁত গজায় ঠিক তেমনই পুরনো চুল কামালে বাচ্চাদের মাথা ভর্তি নতুন চুল গজায়! এমনটা বিশ্বাস করেন অনেকেই
    কিন্তু এই নিয়ম কেন মানা হয়?বাচ্চাদের এই চুল দিয়ে কি করা হয় জানেন?

    ছেলে সন্তান হোক বা মেয়ে মাথা কামিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ কিন্তু সব হিন্দু পরিবারেই রয়েছে। একে বলা হয়ে থাকে মুণ্ডন সংস্কার। হোম বা পূজার আয়োজন করা হয় থাকে যেখানে মা তার কোলে সন্তানকে নিয়ে বসেন।
    পুরোহিত সন্তানের চুলের একটি অংশ কামিয়ে দেন। চুলের বাকি অংশ পরে নাপিত কামিয়ে দেন। বলা হয়ে থাকে যে একটি শিশু যখন জন্মায় তখন সে আগের জন্মের পাপ নিজের সঙ্গে পৃথিবীতে নিয়ে আসে। এই পাপ থেকে তাকে মুক্ত করতে তার চুলগুলি দেবতার চরণে অর্পণ করা হয়।ভগবানকে (God) নৈবেদ্য হিসেবে দেওয়া হয়। শিশুটির সৌভাগ্যের প্রার্থনা করা হয়। শিশুর মুন্ডন সবসময় একটি শুভ তারিখ ও সময়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে।জন্মের সময়ে সব শিশুর মাথায় চুল থাকে না। আবার কোনও কোনও শিশুর অনেক চুল থাকে। জন্মের সময় শিশুর মাথায় যে চুল থাকে তা সাধারণত পাতলা ও নরম হয়।এখন সেসব কুসংস্কারে (Superstition) না মানলেও
    ১৮ মাসে মাথার চুল কামিয়ে দিলে আরো ঘন চুল উঠবে বলেই বিশ্বাস করেন অনেকেই। সে কারণে শিশুর মাথা কামিয়ে দেয় বহু পরিবার।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গর্ভাবস্থার (Pregnancy) ৩০তম সপ্তাহের কাছাকাছি গর্ভের সন্তানের চুল তৈরি হয়। যদি সেই সময়েই শিশুর মাথায় চুল গজাতে শুরু করে। তা হলে সেই শিশুর চুল নিয়ে জন্মানোর সম্ভাবনা ।মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত আয়রনের (Iron) অভাব ঘটলে চুল গজাতে বেশ দেরি হয়। তবে ১৮ মাসে চুল কাটলেই যে ঘন চুল উঠবে এমনটা ঠিক নয়।কারোর মাথায় কেমন চুল হবে তা ফলিকলস-এর ওপর নির্ভর করে আমরা প্রত্যেকেই জন্মের সময় নির্দিষ্ট সংখ্যক ফলিকলস নিয়ে জন্মাই ন্যাড়া করা হলেও এই ফলিকলস-এর সংখ্যা বাড়ে না। চুল ঘন হবে না পাতলা তা জিনের ওপর নির্ভর করে। তাই ভালো চুলের আশায় বাচ্চাকে বারবার ন্যাড়া করানো আসলে কিন্তু অর্থহীন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Holi 2023: রঙের উৎসবে মাতুন সাবধানে, এই নিয়ম না জানলে মুশকিল!

    Holi 2023: রঙের উৎসবে মাতুন সাবধানে, এই নিয়ম না জানলে মুশকিল!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Holi 2023: রাত পোহালেই দেশ জুড়ে পালিত হবে দোল (Dol) উৎসব। রঙের উৎসবে মেতে উঠবে আপামর ভারতবর্ষ। একে অপরকে রং মাখিয়ে রঙিন হয়ে উঠবে। কিন্তু একটু অসাবধান হলেই আনন্দের উৎসব নিরানন্দে পরিণত হতে পারে। তাই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করে রং খেলবেন বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

    অনেকেই রং কিনে নিয়েছেন আবার অনেকেই এখনো কেনেননি। প্রাকৃতিক রং বলে নকল আবিরে ছেয়ে গেছে বাজার। এই নকল রং মাখার পরই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আমাদের। যেমন স্কিন লাল হয়ে যাওয়া, র‍্যাশ বেরোনো, চুল ওঠা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি।

    রং খেলার সময় শিশুদের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখবেন:

    • দোল খেলার সময় শিশুদের একা ছাড়বে না। ওদের সঙ্গে থাকুন। কারণ রং খেলার সময় ওরা নিজেদের উপর খেয়াল রাখে না, খেলায় মত্ত থাকে। যে কোন সময় বিপদ ঘটে যেতেই পারে।
    • শিশুদের জন্য ভেষজ এবং প্রাকৃতিক রং কিনে আনুন। সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি সেই আবির বাড়িতে তৈরি করে দেন। কেমিক্যালযুক্ত রং বা আবির শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
    • হোলি খেলতে যাবার আগে শিশুদের ফুলহাতা জামা প্যান্ট পরিয়ে দিন। ফুল হাতা জামা প্যান্ট পরিয়ে দিলে ত্বকে রং লাগার সম্ভাবনা কম থাকে।
    • শিশুদের সারা শরীরে নারকেল বা সরষে তেল মাখিয়ে রং খেলতে পাঠান। এতে রং তোলার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হবে।
    • একে অপরকে রং মাখাতে গিয়ে নোখের খোঁচায় মুখ চোখ ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই বাচ্চাদের নখগুলো ছোটো ছোটো কর কেটে দিন।
    • হোলির দিন পিচকারি শিশুদের অত্যন্ত পছন্দের। তাই ওদের পিচকারির সঠিক ব্যবহার শেখান। ওই পিচকারি দিয়ে যেন কারো চোখে, নাকে বা কানে রং ঢুকে না যায়।
    • এবারে অ্যাডিনা ভাইরাসের ভয়টাও রয়েছে। শিশুদেরকে মাস্ক পড়িয়ে রাখুন এবং জল রং থেকে দূরে রাখুন। কারণ বেশিক্ষণ ভিজে গায়ে থাকলে, ঠান্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হতে পারে।

    বড়রা কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন?

    • বড়দের ক্ষেত্রেও ওই একই নিয়ম বজায় রয়েছে, তবে আরো কিছু বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন। যেমন ধরুন,
    • রং খেলতে যাবার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে যান। এতে ক্ষতিকারক রং আপনার চামড়ার ক্ষতি করবে না।
    • খুব বেশি রোদে রং খেলবেন না।
      মেয়েরা টুপি পরে রং খেলুন। তার আগে চুলে ভালো করে তেল মাখিয়ে নিতে ভুলবেন না।
    • যে পোশাকে অনেকক্ষণ জল আটকে থাকতে পারে, রং খেলার সময় সেই পোশাক পরবেন না। দীর্ঘক্ষণ ভেজা পোশাকে থাকলে শরীর খারাপ হতে পারে।
    • কারও যদি ত্বকে অ্যালার্জির সমস্যা থাকে, তাহলে রং এড়িয়ে চলাই ভাল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus: কলকাতার অ্যাডিনো আতঙ্ক বাংলাদেশে! সংক্রমণের ক্ষেত্রে শিশুদের আইসোলেশন কতটা জরুরি?

    Adeno Virus: কলকাতার অ্যাডিনো আতঙ্ক বাংলাদেশে! সংক্রমণের ক্ষেত্রে শিশুদের আইসোলেশন কতটা জরুরি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus: বিগত কত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে কলকাতায় (Kolkata) নয়া আতঙ্ক তৈরি করেছে অ্যাডিনো ভাইরাস (Adeno Virus)। যার কারণে এক থেকে দেড় বছরের শিশুরা বেশি সংক্রমিত হচ্ছে। গত ৫ দিনে প্রায় ১০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। পাশাপাশি কলকাতার এই আতঙ্ক পৌঁছে গিয়েছে এবার বাংলাদেশে (Bangladesh)। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ শুধুমাত্র কলকাতায় আসেন চিকিৎসার জন্য। এছাড়াও অনেকে ভ্রমণ কিংবা ব্যবসায়িক কাজের ক্ষেত্রে কলকাতায় এসে থাকেন।

    ‘সময় টিভি’তে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় এসেছিলেন ঢাকার (Dhaka) গুলশানের বাসিন্দা। সঙ্গে ছিল যমজ দুই শিশু, তবে শিশুদের মা এখন বেশ বিপাকে পড়েছেন। বেশ কয়েকদিন ধরে শিশুদের শরীরে দেখা দিচ্ছে ছোট ছোট লাল ফুসকুড়ি। এর আগেও তিনি একবার কলকাতায় এসেছিলেন। তখন কলকাতা ঘুরে ঢাকা ফিরে যাওয়ার পর তার দুই যমজ শিশু তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়। সেই জ্বর নিয়ে আবার কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসেছেন তিনি। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, শিশু দুটি অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।

    চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি শিশুর মধ্যে ৫ দিনের বেশি তীব্র জ্বর, খেতে না পারা, ঘনঘন প্রস্রাব শ্বাসকষ্ট, হাঁপানির উপসর্গগুলি দেখেন তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সম্প্রতি করোনার মতোই রূপ বদলে ফেলেছে অ্যাডিনো ভাইরাস। যার নতুন কিছু লক্ষণ চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। যদিও করোনার মতো এক্ষেত্রে মৃত্যুর ঝুঁকি কম। চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাসের মতে, অ্যাডিনোর ক্ষেত্রে ৯৯% সুস্থ হয়ে যায়। যদিও এর কোন নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। যে শিশু আক্রান্ত হবে তাকে আলাদা রাখলেই হবে। এক্ষেত্রে পাঁচ থেকে সাত দিন আইসোলেশনের প্রয়োজন রয়েছে।

    শীতের বিদায় বেলায় ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে অ্যাডিনোকে গুলিয়ে ফেলবেন না। ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে দিন কয়েক পরেই শিশুরা সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু অ্যাডিনো ভাইরাসের ক্ষেত্রে একেবারে উল্টো। প্রায় ১৪ দিন পর্যন্ত জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কখনো বা তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ১০৪ কিংবা ১০৬ ডিগ্রিতে। যেখানে প্যারাসিটামল ব্যবহার করেও খুব একটা সুরাহা মেলে না। জ্বরের সাথে আসতে পারে তীব্র কাঁপুনি। পাশাপাশি রয়েছে ফুসফুস, চোখ আর পেটে ইনফেকশন।

    অ্যাডিনো রুখতে যা করবেন

    • এই ভাইরাস বেশ ছোঁয়াচে। শিশুকে ভিড় এলাকা থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখুন।
    • বাইরে থেকে এলেই শিশুর পোশাক পরিবর্তন করে দিন এবং হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে দেবেন।
    • করোনার মতই বাইরে বেরোলে শিশুর মুখে যেন মাস্ক থাকে। মাঝে মাঝে হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
    • বাড়ির খুদেকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব অভিভাবকদের উপর। তাই এই সময়ে অভিভাবকদেরও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত। এই ভাইরাসকে বড়রা রুখে দিলেও, শিশুরা পারবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus Guidelines: অ্যাডিনোর বাড়বাড়ন্ত রুখতে জারি নয়া গাইডলাইন, ২৪ ঘন্টার জন্য চালু ARI ক্লিনিক

    Adeno Virus Guidelines: অ্যাডিনোর বাড়বাড়ন্ত রুখতে জারি নয়া গাইডলাইন, ২৪ ঘন্টার জন্য চালু ARI ক্লিনিক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus Guidelines: রাজ্যে উত্তরোত্তর অ্যাডিনো ভাইরাসের আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। যার জেরে উদ্বিগ্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। পরিস্থিতি মোকাবিলার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জরুরি বৈঠক ডাকেন। সেখানে নয়া গাইডলাইন জারি করা হয়। আগামী সাতদিন পর্যবেক্ষণ করা হবে, তারপর সরকার সতর্কীকরণের কথা ভাববে।

    অ্যাডিনোর বাড়বাড়ন্তে নবান্নের গাইডলাইন

    • চালু হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০-৩১৩৪৪৪-২২২
    • অসুস্থ শিশুকে রেফার করার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট কিংবা অধ্যক্ষের অনুমতি প্রয়োজন।
    • আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা অ্যাডিনো ভাইরাস সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অভিযান চালাবেন।
    • ৭দিন ২৪ ঘন্টা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত হাসপাতাল গুলিতে এআরআই অর্থাৎ পেডিয়াট্রিক অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ক্লিনিক চালু রাখতে হবে।
    • ভেন্টিলেশন সহ আইসিইউ, সিসিইউ প্রস্তুত রাখতে হবে।
    • চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসুবিধা যাতে না হয় তার জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
    • প্রত্যেক হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
    • ৫টি হাসপাতালকে পেডিয়াট্রিক হাব হিসেবে কাজে লাগানো হবে। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ, বিসি রায় শিশু হাসপাতাল, মালদহ মেডিক্যাল কলেজ প্রভৃতি।
    • আউটডোরের বাইরেও মেডিক্যাল কলেজে আলাদাভাবে ক্লিনিক থাকবে। সেখানে এমার্জেন্সিতে ২৪ ঘন্টা থাকবেন শিশুরোগ্য বিশেষজ্ঞরা।

    এখনো পর্যন্ত অ্যাডিনো ভাইরাসের পাকাপোক্ত কোন ওষুধ নেই। তাই এই সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। শিশু থেকে বড়দের মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। ভিড় এলাকা একটু এড়িয়ে চলবেন। বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। বাইরে থেকে এলে পোশাক পরিবর্তন করে হাত মুখ ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন। মনে রাখবেন, অ্যাডিনো কিন্তু করোনার মতোই ছোঁয়াচে। এই সময়ে বড়দের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বড়দের শরীরে এই রোগ বাসা বাঁধলে সেখান থেকে ছোটরাও সংক্রমিত হতে পারে। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে শিশু রয়েছে তাদেরকে এই সময় একটু বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে হবে। এই রোগের এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো ওষুধ নেই। জ্বর সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, পেটে ইনফেকশন, গলা ব্যথা, হাঁপানির মত সমস্যা দেখা দিলে বিন্দুমাত্র দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভাইরাল ভেবে ভুল করবেন না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adeno Virus SOP by KMC: অ্যাডিনোর বাড়বাড়ন্তে আশঙ্কায় শহর, জারি পুরসভার নয়া নির্দেশিকা

    Adeno Virus SOP by KMC: অ্যাডিনোর বাড়বাড়ন্তে আশঙ্কায় শহর, জারি পুরসভার নয়া নির্দেশিকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Adeno Virus SOP by KMC: কলকাতা (Kolkata) শহর জুড়ে ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে অ্যাডিনোভাইরাসের। এই ভাইরাসটি তার প্রভাব বৃদ্ধি করছে শিশুদের শরীরের। গতকাল রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adeno Virus) জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৩ বছরের এক কিশোরের । স্বাস্থ্য মহলের দাবি অ্যাডিনো ষভাইরাস ক্রমশ্য তার চরিত্রে বদল আনছে। যা শিশুদের জন্য আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এই মতো পরিস্থিতিতে অ্যাডিনো ভাইরাসকে রুখে দিতে পুরকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipality)। করোনাভাইরাসের পরে অ্যাডিনোভাইরাস যাতে মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে সেই প্রচেষ্টাই চালানো হচ্ছে বর্তমানে।

    যদিও কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকায় ‘অ্যাডিনো ভাইরাস’ এই শব্দের কোন উল্লেখ রাখা হয়নি । কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে যে ভাইরাল জ্বর (Viral Fever) শিশুদের কাবু করছে সেই সম্পর্কে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মেডিকেল অফিসার থেকে শুরু করে নার্স, ফার্মাসিস্ট, ল্যাবরেটরি টেকনোলজিস্ট, স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবক ও আশা কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব সঠিকভাবে বন্টন করে দেওয়া হয়েছে।

    * মেডিকেল অফিসারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশ

    কলকাতা পৌরসভার তরফ থেকে মেডিকেল অফিসারদের (Medical Officer) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, কোন শিশু যদি ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত অবস্থায় তাদের কাছে আসে, তাহলে সর্বপ্রথম অভিভাবকদের কথা ভালোভাবে শুনতে হবে। শিশুকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি তাঁর বাড়িতে চিকিৎসা করা সম্ভব হয় তাহলে সেটাই করতে হবে। পাশাপাশি বাড়িতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে বিষয়টি অভিভাবকদের ভালোভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে।

    * নার্সদের উদ্দেশ্যে নির্দেশিকা

    ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসায় কোন রকম ত্রুটি রাখা যাবে না। তাঁর শারীরিক অবস্থা কতটা খারাপ সেই বিষয়টি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে বুঝিয়ে দিতে হবে নার্সদেরকে (Nurse) । এছাড়াও শিশু শরীরে কী কী সমস্যা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে? কেমন জ্বর থাকছে ? সর্দি-কাশির পরিমাণ, খাবারে অনীহা এই ধরনের সমস্যাগুলো রয়েছে কিনা তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে । আর যদি পরিস্থিতির গুরুতর মনে হয় তাহলে অবিলম্বে যোগাযোগ করতে হবে মেডিকেল অফিসারের সঙ্গে।

    * ফার্মাসিস্টদের উদ্দেশ্যে নির্দেশিকা

    কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মেডিকেল অফিসাররা যে প্রেসক্রিপশন দেবেন সেটা অনুযায়ীই ফার্মাসিস্টদের (Pharmacist) ওষুধ দিতে হবে। ওই ওষুধগুলি অভিভাবকটা কখন শিশুদের কীভাবে খাওয়াবেন তা ভালোভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম