• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home প্রথম বাংলা

রথের মেলায় জিলিপি আর পাঁপড়ের এত কদর কেন? শত বছরের অজানা ইতিহাস জানলে অবাক হবেন

বিশ্বাস, ইতিহাস আর সংস্কৃতির গল্প

News Desk by News Desk
July 16, 2026
in প্রথম বাংলা, অফবিট
0
Freshly fried papad being served at a traditional Rath Mela Papad History stall during Rath Yatra, reflecting Bengal's long-standing fair food tradition.
66
SHARES
104
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

Rath Mela Papad History: রথযাত্রার মেলা মানেই রঙিন ভিড়, নাগরদোলা, খেলনার দোকান আর সেই চিরচেনা গরম গরম জিলিপি ও মুচমুচে পাঁপড়। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, রথের মেলায় এই দু’টি খাবারই কেন এত জনপ্রিয়? এর পেছনে রয়েছে লোকবিশ্বাস, ইতিহাস, সামাজিক বাস্তবতা এবং বহু বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

ADVERTISEMENT

প্রচলিত একটি লোককথা অনুযায়ী, স্নানযাত্রার দিন ১০৮ ঘড়া জলে স্নান করার পর জগন্নাথদেব অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েকদিন নিভৃতবাসে থাকেন। সুস্থ হওয়ার পর মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দিরে যাওয়ার পথে মুখের স্বাদ বদলাতে তিনি নাকি জিলিপি ও পাঁপড় খেয়েছিলেন। যদিও জগন্নাথদেবের ছাপ্পান্ন ভোগে এই দুই খাবারের উল্লেখ নেই, তবু লোকবিশ্বাসের হাত ধরেই এগুলি রথের মেলার অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

তবে শুধু ধর্মীয় কাহিনিই নয়, এর পেছনে রয়েছে বাস্তব কারণও। বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বড় বড় মেলার আয়োজন হয়ে আসছে। সেখানে এমন খাবারের চাহিদা ছিল, যা সহজে তৈরি করা যায়, দ্রুত পরিবেশন করা সম্ভব এবং দীর্ঘ সময় ভালো থাকে। জিলিপি ও পাঁপড় এই তিনটি শর্তই পূরণ করায় খুব অল্প সময়েই মেলার অপরিহার্য খাবারে পরিণত হয়।

বিশেষ করে পাঁপড় অল্প সময়ে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করা যায় এবং সহজে বহন করা যায়। অন্যদিকে জিলিপি তুলনামূলক সস্তা হলেও স্বাদে অনন্য। ফলে গ্রামবাংলার হাট-মেলা থেকে শুরু করে শহরের রথের মেলাতেও এই দুই খাবার দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
রথযাত্রার মেলা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি গ্রামবাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলাও। বহু শতাব্দী ধরে বাংলার বিভিন্ন গ্রাম, মফস্বল এবং জনপদে রথকে ঘিরে বসেছে বিশাল মেলা। সেই মেলার অন্যতম পরিচিত খাবার হয়ে উঠেছে গরম গরম পাঁপড়। কিন্তু প্রশ্ন হল, এত খাবার থাকতে পাঁপড়ই কেন রথের মেলার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠল?

এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ইতিহাস, অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মধ্যে।

এক সময় রথযাত্রার মেলা মূলত বসত গ্রামের প্রান্তিক অঞ্চল বা ছোট ছোট জনপদে। তখন শহরের মতো উন্নত মিষ্টির দোকান, রেস্তোরাঁ বা নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা ছিল না। দামি মিষ্টি কিংবা বিলাসবহুল খাবার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই ছিল। তাই এমন খাবারের প্রয়োজন ছিল, যা কম খরচে তৈরি করা যায়, সহজে বিক্রি করা যায় এবং সব শ্রেণির মানুষ কিনে খেতে পারেন।

এই জায়গাতেই নিজের জায়গা করে নেয় পাঁপড়।

পাঁপড় তৈরির উপকরণ ছিল সহজলভ্য এবং খরচও তুলনামূলক কম। অল্প তেলেই দ্রুত ভেজে গরম গরম পরিবেশন করা সম্ভব হতো। ফলে মেলার দোকানদারদের জন্য যেমন এটি লাভজনক ছিল, তেমনি সাধারণ ক্রেতাদের কাছেও ছিল সাশ্রয়ী ও সুস্বাদু খাবার।

পাঁপড়ের আরও কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা তাকে রথের মেলার জন্য প্রায় আদর্শ খাবারে পরিণত করেছে। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না। অর্ডার পেলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভেজে পরিবেশন করা যায়। খেতে মুচমুচে হওয়ায় শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের কাছেই এর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। পাশাপাশি হাতে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই খাওয়া যায়, আলাদা থালা-বাসনেরও প্রয়োজন হয় না। তাই মেলায় ঘুরতে ঘুরতে পাঁপড় খাওয়ার আনন্দ একসময় নিজস্ব সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, রথযাত্রার সময় সাধারণত বর্ষাকাল শুরু হয়। এই সময় গরম গরম ভাজা খাবারের প্রতি মানুষের আলাদা আকর্ষণ থাকে। সদ্য ভাজা মুচমুচে পাঁপড় সেই চাহিদাও পূরণ করত। ফলে মেলায় পাঁপড়ের দোকানের সামনে সবসময় ভিড় দেখা যেত।

ধীরে ধীরে এই খাবারটি শুধু ক্ষুধা মেটানোর উপায় নয়, রথের মেলার ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠে। অনেক পরিবারে এখনও রথের দিন বাড়িতে পাঁপড় ভাজার রীতি রয়েছে। আবার অনেকে বিশ্বাস করেন, রথের মেলায় গিয়ে গরম পাঁপড় না খেলে যেন উৎসবটাই সম্পূর্ণ হয় না।

আজ আধুনিক যুগে মেলায় ফাস্ট ফুড, আইসক্রিম, বার্গার কিংবা নানা ধরনের খাবারের ভিড় থাকলেও, গরম গরম পাঁপড়ের জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। কারণ এটি শুধু একটি খাবার নয়, এটি বাঙালির রথযাত্রার স্মৃতি, নস্টালজিয়া এবং লোকসংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতীক।

জিলিপির ইতিহাসও বেশ পুরনো। ইতিহাসবিদদের মতে, এর উৎপত্তি বাংলায় নয়। মধ্যপ্রাচ্যে ‘জালাবিয়া’ নামে এক ধরনের মিষ্টির প্রচলন ছিল, যা পরবর্তীকালে ভারতবর্ষে এসে বর্তমান জিলিপির রূপ পায়। মোগল আমলে এই মিষ্টির জনপ্রিয়তা আরও বাড়ে এবং ধীরে ধীরে বাংলার হাট-মেলা ও উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।

আজ রথের মেলা মানেই গরম গরম জিলিপি। তবে এই জনপ্রিয় মিষ্টির জন্ম কিন্তু বাংলায় নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, জিলিপির শিকড় বহু শতাব্দী আগে মধ্যপ্রাচ্যে।

খাদ্য ইতিহাস বিষয়ক অন্যতম নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ অক্সফোর্ড কম্পানিয়ন টু ফুড-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ শতাব্দীতে বিখ্যাত আরব রন্ধনবিশারদ মোহাম্মদ বিন হাসান আল-বাগদাদি তাঁর রচিত একটি রান্নার বইয়ে জিলিপির মতো একটি মিষ্টির উল্লেখ করেছিলেন। ইতিহাসবিদদের মতে, এটিই বর্তমানে পরিচিত জিলিপির অন্যতম প্রাচীন লিখিত দলিল।

তৎকালীন মিশরে ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে ‘জালাবিয়া’ নামে একটি রসালো পাকানো মিষ্টি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ময়দার গোলা তেলে ভেজে চিনির রসে ডুবিয়ে তৈরি করা হতো এই মিষ্টি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘জালাবিয়া’ বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির হাত ধরে রূপ বদলাতে বদলাতে ভারতীয় উপমহাদেশে এসে আজকের পরিচিত জিলিপি হয়ে ওঠে।

ভারতে প্রবেশের পর বিশেষ করে মোগল আমলে জিলিপির জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, মোগল সম্রাটরা এই রসাল মিষ্টি অত্যন্ত পছন্দ করতেন। রাজদরবার থেকে সাধারণ মানুষের উৎসব—সব ক্ষেত্রেই ধীরে ধীরে জায়গা করে নিতে শুরু করে জিলিপি।

বাংলার ইতিহাসেও রয়েছে একটি উল্লেখযোগ্য কাহিনি। প্রচলিত মতে, বর্ধমানের মহারাজ মহতাবচন্দ্র বাহাদুর একবার ইফতার উপলক্ষে বিশেষ ধরনের মানকচুর জিলিপি বিতরণ করেছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকেই বাংলায় এই মিষ্টির জনপ্রিয়তা আরও দ্রুত বাড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে গ্রামবাংলার হাট, মেলা, ধর্মীয় উৎসব এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে জিলিপি একটি অপরিহার্য খাবারে পরিণত হয়।

পরবর্তীকালে রথযাত্রার মেলার মতো বৃহৎ জনসমাগমের উৎসবেও জিলিপি স্থায়ী জায়গা করে নেয়। সহজে তৈরি করা যায়, দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে এবং গরম গরম পরিবেশন করা সম্ভব হওয়ায় রথের মেলার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে এই মিষ্টি। আজও রথের মেলায় জিলিপির দোকানের সামনে ভিড় প্রমাণ করে, শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়েও এই ঐতিহ্যের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জিলিপি আর পাঁপড় শুধু খাবার নয়, রথযাত্রার আবেগ ও ঐতিহ্যের অংশ হয়ে উঠেছে। আজও অনেক মানুষ রথ দেখতে না গেলেও এই দিনে বাড়িতে জিলিপি ও পাঁপড় কিনে খান। যেন এই ছোট্ট খাবার দু’টির মধ্যেই লুকিয়ে আছে রথের উৎসবের স্বাদ, স্মৃতি আর বাঙালির বহুদিনের সংস্কৃতি।
#RathMela #PapadHistory #RathYatra #Jagannath #BengaliTradition #StreetFood #CulturalHeritage #FestivalFood #jalebi

Tags: Bengali TraditionCultural HeritageIndian FestivalsJagannath FestivalPapad HistoryRath MelaRATH YATRAStreet Food
Previous Post

অভিষেককে নিয়ে আর নীরব নন, একের পর এক অভিযোগের জবাব মমতার

News Desk

News Desk

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version