Kanya Ratna Diwas 2026: কন্যা রত্ন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নারী ও শিশুদের কল্যাণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহ থেকে এই প্রকল্পগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন ও প্রকল্পগুলির সূচনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে রাজ্য সরকারের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতী রাভা রায়ের নেতৃত্বে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্যোগেই কন্যা রত্ন দিবসের এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
নারী ও শিশুদের সুরক্ষা, শিক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক উন্নয়নকে সামনে রেখে একাধিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। এর মধ্যে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ সহ মহিলাদের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রকল্পের শুভ সূচনা করা হয়েছে।
ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহের এই অনুষ্ঠান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নারী ও শিশুদের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগের কথা জানান। কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা এবং মহিলাদের আরও বেশি সুযোগ ও সরকারি সহায়তার আওতায় আনার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কন্যারত্ন দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রীদের পড়াশোনা ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, চলতি শিক্ষাবর্ষে ২০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রীকে আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। পড়াশোনার পথে অর্থ যাতে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই লক্ষ্যেই এই সহায়তা চালু রাখা হচ্ছে।
বিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে ছাত্রীদের তথ্য যাচাইয়ের পর ধাপে ধাপে অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রীর জন্য অর্থ পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিদ্যালয়গুলি যত দ্রুত যাচাইকরণ সম্পূর্ণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাবে, তত দ্রুত সংশ্লিষ্ট ছাত্রীরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবেন।
এই কর্মসূচির জন্য মোট ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে জানানো হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনও ছাত্রী যাতে পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য না হন এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত না হন।
শুধু আর্থিক অনুদান নয়, কন্যারত্নদের শিক্ষা, ক্ষমতায়ন ও ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে একাধিক উদ্যোগ একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মেধাবৃত্তি, উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহায়তা, বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিশেষ তহবিল এবং ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচির মতো উদ্যোগ।
অর্থাৎ, কন্যারত্ন দিবসের অনুষ্ঠানে মূল বার্তা ছিল—শিক্ষা, আর্থিক স্বনির্ভরতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের পাশে থাকবে সরকার।
#KanyaRatnaDiwas2026 #WomenWelfare #ChildWelfare #BetiBachaoBetiPadhao #WomenEmpowerment #GovernmentSchemes #WomenAndChildWelfare














