• Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
PROTHOM KOLKATA
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস
No Result
View All Result
PROTHOM KOLKATA
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT
Home প্রথম বাংলা

বারুইপুর: তিন মৃত্যু, রাষ্ট্র ও সমাজের পরীক্ষা

News Desk by News Desk
July 16, 2026
in প্রথম বাংলা
0
Baruipur Mob Lynching case highlights child death, mob violence, police encounter and growing concerns over the rule of law in West Bengal.
65
SHARES
103
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

লিখেছেন সুব্রত আচার্য

ADVERTISEMENT

Baruipur Mob Lynching: বারুইপুরের সূর্যপুরে একটি শিশুর নিখোঁজ হওয়া দিয়ে যে ঘটনাপ্রবাহ শুরু হয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যে তা তিনটি মৃত্যুর ইতিহাস হয়ে উঠল। প্রথম মৃত্যু এক স্কুলছাত্রীর। দ্বিতীয় মৃত্যু ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের—যাঁকে সন্দেহ ও গুজবের ভিত্তিতে আক্রমণ করা হয়েছিল। তৃতীয় মৃত্যু মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের—পুলিশের দাবি অনুযায়ী, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা করলে গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়।

তিনজনের অবস্থান এক নয়। একজন নির্যাতিত শিশু, একজন নির্দোষ নাগরিক এবং একজন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত। তবু তিনটি মৃত্যুই শেষ পর্যন্ত একই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় পশ্চিমবঙ্গকে—বিপদের প্রথম মুহূর্তে রাষ্ট্র কোথায় ছিল, ক্ষুব্ধ জনতাকে আইন নিজের হাতে নিতে হলো কেন, আর বিচার আদালতে পৌঁছনোর আগেই একজন অভিযুক্তের মৃত্যু তদন্তকে কতটা অসম্পূর্ণ রেখে গেল?

প্রথম কয়েক ঘণ্টার হিসাব

৪ জুলাই বিকেলে বাড়ি থেকে খাবার কিনতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় বারুইপুরের স্কুলছাত্রী। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ৯টার সময় বারুইপুর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়েছিল। পরদিন স্থানীয় জলাশয় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে যৌন নির্যাতন ও হত্যার মামলা রুজু করে পুলিশ। তদন্তে ছয় সদস্যের বিশেষ দল গঠন করা হয় এবং প্রভাস মণ্ডল, আনন্দ সর্দার-সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

কিশোরীর মায়ের অভিযোগ ছিল আরও মর্মান্তিক। তাঁর কথায়, “অভিযোগের পরেই পুলিশ তল্লাশি শুরু করলে, নজরদারি ক্যামেরার ছবি দেখলে, হয়তো মেয়েকে জীবিত পাওয়া যেত।” এই বক্তব্য শুধু শোকাহত মায়ের অভিযোগ নয়; নিখোঁজ শিশু সংক্রান্ত অভিযোগে পুলিশের প্রথম প্রতিক্রিয়া কতটা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন, বারুইপুর সেই পুরনো প্রশ্নটিকেই আবার সামনে এনেছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জেলা পুলিশের কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন চান। পরিবারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত তদন্ত, অভিযোগপত্র এবং সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করার আশ্বাসও দেন তিনি। নিহত কিশোরীর বাবা পরে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা রেখেছেন। কিন্তু তাঁর লড়াই শেষ হয়নি; ঘটনায় যুক্ত প্রত্যেকের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি মেয়ের বিচারের দাবি জানিয়ে যাবেন।

পরিবারের বক্তব্যের মধ্যেই বারুইপুরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি রয়েছে—প্রতিশোধ তাৎক্ষণিক তৃপ্তি দিতে পারে, কিন্তু বিচার সম্পূর্ণ হয় প্রমাণ, অভিযোগপত্র, সাক্ষ্য ও আদালতের রায়ের মাধ্যমে।

মায়েদের দুই বক্তব্য, সময়ের দুই নির্মম ছবি

পুলিশি গুলিতে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর পর তাঁর মা সন্ধ্যা মণ্ডলের বক্তব্য সারা দেশে আলোচিত হয়। পুলিশ তাঁকে ছেলের মৃত্যুসংবাদ দিয়ে হাসপাতালে যেতে বললে তিনি দেহ নিতে অস্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্য, “আমার ছেলে ভাল কাজ করেনি। তার শাস্তি হয়েছে। পুলিশ দেহ নিয়ে যা করার করুক।”

অন্যদিকে নিহত কিশোরীর মায়ের কথায় উঠে এসেছে দেরিতে তল্লাশি শুরু হওয়ার অভিযোগ এবং সন্তানকে জীবিত ফিরে পাওয়ার হারানো সম্ভাবনা। অভিযুক্তের মৃত্যুর পরে তিনি আরও কঠোর শাস্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্যে ছিল একজন সন্তানহারা মায়ের অসহায় ক্ষোভ; প্রভাসের মায়ের বক্তব্যে ছিল নিজের সন্তানের অভিযোগের সঙ্গে প্রকাশ্য দূরত্ব।

দুই মায়ের বক্তব্যকে আইনি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা যায় না। প্রভাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর হলেও তাঁর বিচার আদালতে সম্পূর্ণ হয়নি। একইভাবে কিশোরীর পরিবারের ক্ষোভও তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার বিকল্প নয়। তবে এই দুই বক্তব্য বারুইপুরের সামাজিক অভিঘাতকে স্পষ্ট করে—এক মা মনে করছেন, সময়মতো ব্যবস্থা হলে সন্তান বাঁচতে পারত; অন্য মা ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে এতটাই ক্ষুব্ধ যে তাঁর দেহও গ্রহণ করতে চাননি।

এই দুই পরিবারের মাঝখানে রাষ্ট্রের দায়িত্ব আরও বড়। কিশোরীর পরিবারকে প্রমাণনির্ভর বিচার দিতে হবে। পাশাপাশি প্রভাসের পুলিশি মৃত্যুর ঘটনাও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। কারণ সভ্য বিচারব্যবস্থায় নিহতের পরিবারের পরিচয় কিংবা অভিযুক্তের প্রতি জনরোষ নয়—প্রমাণ ও আইনই শেষ কথা।

গুজব যখন দ্বিতীয় অপরাধের জন্ম দিল

কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেই ক্ষোভের মধ্যেই ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে আক্রমণ করা হয়। পরে পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী জানান, কিশোরীর উপর সংঘটিত অপরাধে ইন্দ্রজিতের যোগ পাওয়া যায়নি। তাঁর দাদা বাপি মণ্ডলের বক্তব্য, মামলার এক অভিযুক্তের সঙ্গে পরিচয় এবং এলাকায় ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন কথাই ইন্দ্রজিৎকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।

১১ জুলাই পর্যন্ত ইন্দ্রজিৎ হত্যার মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী অশান্তি, পুলিশের উপর হামলা ও সম্পত্তি নষ্ট করার ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৩৫-এ পৌঁছেছিল বলে পুলিশ সূত্রে প্রকাশ। আরও অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে দৃশ্য ও সাক্ষ্য পরীক্ষা করা হচ্ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী এই মৃত্যুকে আকস্মিক গণপিটুনি বলতে অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, ইন্দ্রজিতের “নাম ও পরিচয়” নিশ্চিত করার পর তাঁকে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়েছিল। তিনি নির্বাচনে প্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক শক্তি এবং উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির যোগ থাকার অভিযোগও তোলেন। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বক্তব্য প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই বিবেচিত হবে।

তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা অভিযোগ করে, নতুন সরকার নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কথা তুলে প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল করতে চাইছে। কলকাতা ও বারুইপুরে বিরোধীদের প্রতিবাদ, শাসক দলের পাল্টা কর্মসূচি এবং পুলিশি বাধাকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি দ্রুত রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত হয়। ফলে কিশোরীর বিচার ও পরিবারের দাবি অনেক সময় রাজনৈতিক চাপানউতোরের আড়ালে চলে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়।

দু’মাসের সরকারের প্রথম বড় অগ্নিপরীক্ষা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের বয়স তখন মাত্র দু’মাস। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েই নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। বারুইপুর তাই এই সরকারের প্রথম বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরীক্ষা হয়ে ওঠে।

সরকার দ্রুত বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে, চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে, পুলিশি গাফিলতি নিয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে এবং সূর্যপুরে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি ও নারী সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছে। ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা সাহায্য, পরিবারের একজনকে নাগরিক স্বেচ্ছাসেবকের কাজ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

কিন্তু প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি কয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্নও থেকে গিয়েছে। নিখোঁজের অভিযোগ পাওয়ার পরে পুলিশের পদক্ষেপ যথেষ্ট দ্রুত ছিল কি না; জনরোষের মধ্যে ইন্দ্রজিৎকে কেন রক্ষা করা গেল না; পুলিশি হেফাজতে থাকা প্রভাস কীভাবে অস্ত্র ছিনিয়ে নিলেন—এই প্রশ্নগুলির উত্তর শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যে মিলবে না।

প্রভাসের মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যের অপরাধ তদন্ত বিভাগ এবং বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তে গুলির গতিপথ, ঘটনাস্থলের ফরেন্সিক নমুনা, ব্যবহৃত অস্ত্র, পুলিশকর্মীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য নথি যাচাই করেই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে। পুলিশি গুলির ঘটনা স্বাধীন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানো ন্যায্যতার পাশাপাশি পুলিশের বিশ্বাসযোগ্যতার জন্যও জরুরি।

এই সরকারের সাফল্য শুধু দ্রুত গ্রেফতার বা কঠোর ভাষায় মাপা যাবে না। নির্ভুল তদন্ত, সময়মতো অভিযোগপত্র, সাক্ষীদের নিরাপত্তা এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করাই হবে আসল পরীক্ষা।

পরিসংখ্যান যে সতর্কবার্তা দেয়

বারুইপুর কোনও বিচ্ছিন্ন সামাজিক শূন্যতায় ঘটেনি। জাতীয় অপরাধ নথি দপ্তরের সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩ সালের হিসাবে পশ্চিমবঙ্গে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের *৩৪ হাজার ৬৯১টি মামলা* নথিভুক্ত হয়েছিল। আগের বছরের ১০ হাজার ২৪টি বিচারাধীন তদন্ত যোগ করলে ওই বছরে পুলিশের সামনে মোট তদন্তযোগ্য মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল *৪৪ হাজার ৭৩১*। রাজ্যে ১ হাজার ১১০টি ধর্ষণের মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল এবং পুলিশের অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার হার ছিল ৯৩.৮ শতাংশ।

সারা দেশে ২০২৩ সালে শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩৩৫টি মামলা নথিভুক্ত হয়—আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি ৯.২ শতাংশ। এই সংখ্যা বুঝিয়ে দেয়, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা কোনও একটি সরকার বা দলের বিরুদ্ধে ব্যবহারের রাজনৈতিক অস্ত্র নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক ও সামাজিক সংকট।

অপরাধের পর কঠোরতা প্রয়োজন। কিন্তু তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন প্রতিরোধ—নিখোঁজের অভিযোগ সঙ্গে সঙ্গে নথিভুক্ত করা, দ্রুত তল্লাশি, নজরদারি ক্যামেরার ছবি পরীক্ষা, বিদ্যালয় ও পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা এবং থানার জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

কী পেলাম, কী হারালাম

বারুইপুরে একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি হয়েছে। নারী সহায়তা কেন্দ্র চালু হয়েছে। কয়েক ডজন গ্রেফতার হয়েছে। সরকার দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। এগুলি প্রশাসনিক প্রাপ্তি।

কিন্তু হারানোর তালিকা আরও দীর্ঘ।

একটি শিশুর জীবন হারিয়েছে তার পরিবার। গুজব ও সন্দেহের কারণে ইন্দ্রজিৎকে হারিয়েছেন তাঁর বৃদ্ধ মা-বাবা ও দাদা। প্রভাসের মৃত্যুর সঙ্গে আদালতে তাঁর বক্তব্য, অপরাধের পূর্ণ পরিকল্পনা এবং অন্য অভিযুক্তদের ভূমিকা জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগও হারিয়েছে তদন্ত।

বারুইপুর থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা তাই তিনটি।

প্রথমত , নিখোঁজ শিশুর ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক ঘণ্টা কোনও সাধারণ সময় নয়—সেটিই জীবন বাঁচানোর সম্ভাব্য সময়।

দ্বিতীয়ত , গুজব প্রমাণ নয়, পরিচিতি অপরাধ নয় এবং জনতার হাতে শাস্তি বিচার নয়।

তৃতীয়ত, অভিযুক্ত যত গুরুতর অপরাধেই অভিযুক্ত হোন, আইনের বাইরে তাঁর মৃত্যু রাষ্ট্রের সামনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে।

বারুইপুরের বিচার তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন আদালতে নির্ভুল প্রমাণ পেশ হবে, প্রত্যেক অপরাধীর দায় নির্ধারিত হবে, ইন্দ্রজিৎ হত্যার বিচার হবে এবং পুলিশের সম্ভাব্য গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গও প্রকাশ্যে আসবে।

অন্যথায় বারুইপুর শুধু ২০২৬ সালের জুলাইয়ের একটি আলোচিত ঘটনা হয়ে থাকবে না। এটি সংরক্ষিত থাকবে সেই সময়ের দলিল হিসেবে—যখন একটি শিশুকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছিল ব্যবস্থা, ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছিল সমাজ এবং বিচার প্রতিষ্ঠার আগেই রাজনীতি ঘটনাটিকে নিজেদের ভাষায় ভাগ করে নিয়েছিল।
#Baruipur #MobLynching #PoliceEncounter #WestBengal #LawAndOrder #Justice #CrimeNews #HumanRights #BengalNews

Tags: Baruipur Mob LynchingBengal Politicschild deathCrime NewsHuman RightsJustice SystemLaw and OrderMob ViolencePolice EncounterWest Bengal News
Previous Post

ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, তারপরই ইরানে নতুন হামলা! কী ঘটছে মধ্যপ্রাচ্যে?

Next Post

গুন্ডারাজে কড়া বেড়ি

News Desk

News Desk

Next Post
West Bengal New Criminal Laws illustration highlighting preventive detention, organized crime law, Baruipur incident and concerns over misuse of legal powers

গুন্ডারাজে কড়া বেড়ি

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

বিশেষ ঘোষণা : সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তিও পাল্টে যাচ্ছে ! তাই বদলাতে হচ্ছে আমাদেরও। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টালের আপডেট ভার্সন। নতুন সাইটে আপনি আরো দ্রুততার সাথে ঝপটপ খবর পড়ে নিতে পারবেন। ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা চার বার সাইট আপডেট করেছি। অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা প্রার্থণা : ওয়েব সাইটটি আপডেট করার সময় পুরনো সাইটের কমবেশি ১০ শতাংশ খবর ”ডাটালস” এর কারণে কোনও পুরনো লিঙ্ক নাও খুলতে পারে। এটা একান্তই টেকনিক্যাল গ্রাউন্ড। যে কারণে প্রথম কলকাতা সম্পাদকীয় বিভাগ আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী। সঙ্গে থাকুন। প্রথম কলকাতা-র

  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
  • লাইফস্টাইল
  • বিগ ভাইরাল
  • আরো

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

No Result
View All Result
  • Home
  • কলকাতা
  • প্রথম বাংলা
  • প্রথম আনন্দ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • মাঠে ময়দানে
    • FIFA ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ Qatar
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
  • লাইফস্টাইল
    • সেল্ফ কেয়ার
  • বিগ ভাইরাল
    • অফবিট
  • আরো
    • জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
    • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
    • মহা শিবরাত্রি
    • টপ ফাইটস
    • ত্রিপুরা বিধানসভার খবর
    • নাগাল্যান্ড বিধানসভার খবর
    • মেঘালয় বিধানসভার খবর
    • বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাস

© 2023 The MESD Technology The MESD TechnologyThe MESD Technology.

Go to mobile version