রাজ্য বিজেপি-তে ‘বিশ্রামরত’ নেতারা কি সক্রিয় হবেন ভোটের আগে!

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

একে রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর! এতদিন ছিলেন প্রাক্তন কলকাতার মেয়র ও মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জী। এবার তার দলে নাম লেখালেন বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা।

না এঁরা কোনও নতুন দল করছেন না। বরং আপাতত রাজনৈতিক বিশ্রামে রয়েছেন। এনিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে জল্পনা। এঁরা কি আদৌ সক্রিয় হবেন ২০২১এর ভোটের আগে।

তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসার পর থেকেই কার্যতঃ রাজনৈতিক বিশ্রামে রয়েছেন শোভন চ্যাটার্জী। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র মতো নেতা শোভনের বাড়িতে ছুটে গিয়েও তাঁকে সক্রিয় করতে পারেননি। বিজেপির কোনও কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা যায়নি। যদিও তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতেই আছেন।

আরও পড়ুন: নতুন কৃষি আইন কৃষকের আত্মার ওপর আক্রমণ: রাহুল গান্ধী

এবার আসা যাক রাহুল সিনহার কথায়। তিনি ৪০ বছর ধরে রাজ্যে বিজেপি করছেন। যখন দিলীপ ঘোষরা বিজেপি-র হয়ে ময়দানে নামেননি, তখন থেকেই রাজ্য বিজেপির নেতা রাহুল। তিনি এতদিন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদকও ছিলেন। কিন্তু গোল বাধল বিজেপির সাম্প্রতিক রদবদলে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনলেন তৃণমূল থেকে আসা মুকুল রায়-ঘনিষ্ঠ অনুপম হাজরাকে। দৃশ্যতঃই এতে ক্ষুব্ধ ও হতাশ রাহুল জানিয়েছিলেন, তিনি ১০ দিনের মধ্যেই তাঁর পরিকল্পনা জানাবেন। কিন্তু ২০-২১ দিন হয়ে গেলেও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি রাহুল। সম্প্রতি বিজেপির নবান্ন অভিযানেও অংশ নেননি তিনি। বাড়িতে বসে বিশ্রাম নিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠছে শোভনের মতই তিনিও কি নিষ্ক্রিয় বিশ্রামরত অবস্থায় থাকবেন! ২১এর বিধানসভা ভোটের আগে এনিয়ে রীতিমত প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।