Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষের আগেই কেন কোভ্যাক্সিনের অনুমোদন, দেশে রাজনীতি শুরু

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

কোভিড-১৯ টিকার অনুমোদন নিয়ে ভারতে রাজনীতি শুরু হয়ে গেল। তাঁরা প্রশ্ন তুললেন কোভ্যাক্সিন টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হওযার আগেই কেন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হল।

ভারতের ড্রাগ নিয়ন্ত্রক রবিবারই দুটি করোনাভাইরাস টিকা কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ভিজি সোমানি অনুমোদনের ঘোষণা করার সময় বলেছিলেন, নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র আশঙ্কা থাকলে আমরা কখনই অনুমোদন দিতাম না। টিকাগুলি ১০০ শতাংশ নিরাপদ।

কোভিশিল্ড তৈরি করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা। ভারতে এটি উৎপাদন করছে সেরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া। হায়দরাবাদ-ভিত্তিক ভারত বায়োটেক ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি করেছে আরেকটি টিকা কোভ্যাক্সিন, যেটিরও রবিবার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কংগ্রেসের শশী থারুর রবিবার টুইট করেছেন, কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল এখনও শেষ হয়নি। এর অনুমেোদন অপরিপক্ক ও বিপদজনক। ডাঃ হর্ষ বর্ধনের এটির ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। ট্রায়াল সম্পূর্ণ হওযার আগে পর্যন্ত এর ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া উচিত। ইতিমধ্যে ভারত অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা দিয়ে শুরু করতে পারে।

তাঁর দলীয় সহকর্মী জয়রাম রমেশও একই ধরণের ইস্যু তুলেছেন।

দলের নেতা সালমান নিজামি আরও দূর গিয়েছেন, টুইট করেছেন, টিকা হল জালিয়াতি।

সিনিয়ার কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা বলেছেন, বিশেষজ্ঞ প্যানেলের কাছে যে তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। তাই নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে এখনও মূল্যায়ন হয়নি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোভ্যাক্সিন নিয়ে বিবৃতিতে জানিয়েছিল, তৃতীয় পর্যায়ের কার্যকারিতার ট্রায়াল ভারতে শুরু হয়েছে… এখনও পর্যন্ত পাওযা তথ্যে দেখা যাচ্ছে টিকাটি নিরাপদ… দেশে চলা সংস্থাটির টিকার ট্রায়াল চালু থাকবে।

ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বিরোধীদে্র টিকার সমালোচনা করার জন্য আক্রমণ করেছেন। বলেছেন, সিনিক জয়রাম, থারুর ও অখিলেশ আগে আমাদের সেনার বীরত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে্ছেন, এখনও তারা অখুশী যে ভারতে তৈরি দুটি টিকা অনুমোদন পেয়েছে।

তার উত্তরে খারুর বলেছেন, প্রক্রিয়ার শর্ট-সার্কিটিং অভূতপূ্র্ব, অপরামর্শযোগ্য ও জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তিনি সারা ভারত ড্রাগ অ্যাকশান নেটওয়ার্কের বিবৃতির উদাহরণ দিয়েছেন. য্খোনে কোভ্যাক্সিনের অনুমোদন প্রত্যাহারের দাবি করা হয়েছে।

ওদিকে অখিলেশ যাদব বলেছেন, আমি কীভাবে টিকায় বিশ্বাস করব, যা বিজেপি টিকাকরণের জন্য ব্যবহার করছে। আমরা বিজেপির টিকা দিয়ে টিকাকরণ করতে পারব না।