চট্টগ্রামে চা নিলামে প্রথমবারের মত উঠলো হোয়াইট টি

1 min read

।। চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ।।

চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক চা নিলামে প্রথমবারের মত উঠলো দামি ও বিরল হোয়াইট টি । যা পরিমানে খুব বেশি নয়, মাত্র ১০ কেজি। সোমবার (২৭ জুলাই) এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ওজন কমাতে গ্রিন টি সাহায্য করে। অনেকে তাই ঝুঁকছেন গ্রিন টি’র দিকে। গ্রিন টি’তে রয়েছে এন্টি অক্সিডেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে গ্রিন টি থেকেও বেশি কার্যকর হোয়াইট টি। এই চা কম প্রসেসড। তাই অধিকতর কার্যকর। বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রফতানি হয় হোয়াইট টি। কাজী এন্ড কাজী সেখানে রফতানি করে।

নিলাম সূত্রে জানা যায়, সবটাই বিক্রি হয়েছে। দর ওঠেছে প্রতি কেজি ২ হাজার ৫০০ টাকা। কিনেছে শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোডের পদ্মা টি সাপ্লাই। ন্যাশনাল টি কোম্পানির চাম্পারাই বাগানে উৎপাদিত হোয়াইট টি চট্টগ্রাম নিলামে ক্যাটালগভুক্ত করেছে পূর্ব বাংলা ব্রোকারস।

সাদা চায়ের বাজার শ্রীমঙ্গল এলাকায়। পর্যটক এবং বিদেশিরা কিনে এই চা। আবার স্থায়ী কিছু ক্রেতাও রয়েছেন। তারা কিনেন। দর কেজি ৭/৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই চা হজমে যেমন সাহায্য করে তেমনই শরীরে ফ্যাট কোষ জমতে বাধা দেয় বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

পূর্ব বাংলা ব্রোকারস লিমিটেডের পরিচালক আরিফুর রহমান শাহীন জানান, চট্টগ্রাম নিলাম কেন্দ্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মত হোয়াইট টি উঠলো এবং সবটাই বিক্রি হয়ে গেল। এই চায়ের গ্রেড সিলভার নিডেল। প্রাথমিকভাবে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে প্রাথমিকভাবে উৎপাদিত হয়েছিল।

চা বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে জানা যায়, হোয়াইট টি আসলে হোয়াইট নয়। ফ্যাকাশে হলদেটে রং। সাদা চা মূলত নামেই সাদা। এর রঙ আসলে সাদা নয়। দেখতে অনেকটা গ্রিন টি’র মতো । তবে, কিছুটা পার্থক্য আছে। হোয়াইট টি গরম পানিতে দেয়ার পর রূপালী আভা দৃশ্যমান হয়। তাই নামকরণ হয়েছে হোয়াইট গোল্ড।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরে ২ জুন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের দ্বিতীয় চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় নিলামে ভাল মানের চা বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ২১০ টাকা থেকে ২২৫ টাকার মধ্যে। একই চা প্রথম নিলামে ২৪০-২৪৫ টাকা পর্যন্ত দর উঠে। প্যাকেটিয়াররা যে চা কিনেছেন তার দর ছিল কেজি প্রতি ১৮৫ টাকা থেকে ২০৫ টাকার মধ্যে। দেশের উত্তর সীমানার পঞ্চগড় থেকে আসা প্লেইন চা ১২৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা দর পাওয়া গেছে।