Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কোথায় ফাইভস্টার হোটেলের খাবার! দরিদ্র পরিবারের রান্নাই খেলেন অমিত-রাজীব

।। প্রথম কলকাতা ।।

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার বহু আগে থেকেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে এসে বহুবার মধ্যাহ্নভোজন করেছেন আদিবাসী, দলিত বা কৃষক পরিবারে। যদিও তৃণমূল বিষয়টিকে নিয়ে নিয়মিত কটাক্ষ করেছে। তাদের অভিযোগ, ভোটের টানে এটা বিজেপির ‘লাঞ্চ পলিটিক্স’। যদিও সেই সমালোচনায় কান দেননি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যদিও গত দু’মাস ছবিটার বদল ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় নেতারা বারবার রাজ্যে এসেছেন, কিন্তু মধ্যাহ্নভোজন করতে দেখা যায়নি। সেটা ফের দেখা গেল আজ বুধবার। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ডোমজুড়ের বিজেপি প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মধ্যাহ্নভোজন করলেন চামরাইলের মন্ডলপাড়ার একটি দরিদ্র পরিবারে। পাত পেতে খেলেন তাঁরা। ছিলেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বকে নিশানা করে বলছেন, ফাইভ স্টার হোটেল থেকে খাবার নিয়ে এসে তাঁরা খাচ্ছেন এবং ছবি তুলে প্রচার করছেন তাঁরা নাকি দরিদ্র পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করেছেন। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বারবার উড়িয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক এবং কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

আরো পড়ুন : সিআরপিএফ গন্ডগোল করলেই কিভাবে ঘিরে ফেলবেন শিক্ষা দিলেন মমতা

এদিন দেখা গেল‌ যথারীতি বাড়ির রান্নাই পরিবেশন করছেন মহিলারা। মাটির থালা, গ্লাস ও বাটিতে খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। অত্যন্ত তৃপ্তির সঙ্গে আহার করেন তাঁরা। ভাত, ডাল, ভাজা, সবজি, চাটনি সহযোগে নিরামিষ আহার করেছেন তাঁরা। বলাবাহুল্য এতে স্থানীয় বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা যথেষ্ট চাঙ্গা হলেন। বিজেপি বারবার প্রচার করে, সবকা সাথ, সবকা বিশ্বাস। সেই বার্তা এদিন ফের দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থী হওয়ার পর তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন। প্রচার করতে বহুবার বাধা দেওয়া হয়েছে রাজীবকে। স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বহুবার কুকথা বলেছেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু রাজীব পাল্টা খারাপ শব্দ ব্যবহার করেননি। ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী বললে কম বলা হয়।

কাজের মানুষ, কাছের মানুষ হিসেবে তিনি পরিচিত ঘরে ঘরে। তাই বুধবার সেখানে রোড শো’র পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে রাজীব ওই দরিদ্র পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন করায় উচ্ছ্বসিত গোটা পাড়া। নির্বাচনে এটা বিজেপিকে বাড়তি ‘ডিভিডেন্ড’ দেবে বলেই মনে করছেন সবাই।