ফাঁসির মঞ্চে ক্ষুদিরাম শেষ কি কথা বলেছিলেন! জেনে নিন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

১৬ বছর বয়সে ক্ষুদিরাম ইংরেজ কর্মকর্তাদের লক্ষ করে পুলিশ স্টেশনের কাছে বোমা পুঁতে রাখেন। এভাবে একের পর এক বোমা হামলার দায়ে তাঁকে ৩ বছর পর আটক করা হয়। ৩০ এপ্রিল ১৯০৮-এ মুজাফফরপুর, বিহারে রাত সাড়ে আটটায় ইওরোপিয়ান ক্লাবের সামনে বোমা ছুড়ে তিনজনকে হত্যা করার দায়ে অভিযুক্ত ক্ষুদিরামের বিচার শুরু হয় ২১ মে ১৯০৮ তারিখে। এই মামলা আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিত।

এই মামলার বিচারক ছিলেন জনৈক ব্রিটিশ মি. কর্নডফ এবং দুইজন ভারতীয়, লাথুনিপ্রসাদ ও জানকিপ্রসাদ। রায় শোনার পরে ক্ষুদিরামের মুখে হাসি দেখা যায়। তার বয়স খুব কম ছিল। বিচারক কর্নডফ তাকে প্রশ্ন করেন, তাকে যে ফাঁসিতে মরতে হবে সেটা সে বুঝেছে কি না? তবে ফাঁসির মঞ্চে এক কথায় জল্লাদকেও অবাক করে দিয়েছিলেন ক্ষুদিরাম। জল্লাদ যখন শেষ মুহূর্তের কাজ করছিল।গলায় ফাঁসির দড়ি পরানো মাত্রই ক্ষুদিরাম প্রশ্ন করে “ফাঁসির দড়িতে মোম দেওয়া হয় কেন?”

– এটাই তার শেষ কথা। চমকে দিয়েছিল জল্লাদকে।অন্তিম সময়ে ক্ষুদিরাম ম্যাৎসিনী, গ্যারিবল্ডি ও রবীন্দ্ররচনাবলী পড়তে চেয়েছিলেন। অন্তিম দিনে আইনজীবী কালিদাসবাবুকে ক্ষুদিরাম বলেছিলেন , “রাজপুত নারীরা যেমন নির্ভয়ে আগুনে ঝাঁপ দিয়া জওহরব্রত উদযাপন করত , আমিও তেমন নির্ভয়ে প্রাণ দিব। ”১০ আগস্ট ক্ষুদিরাম বলেছিল, “আগামীকাল আমি ফাঁসির আগে চতুর্ভুজার প্রসাদ খাইয়া বধ্যভূমিতে যাইতে চাই” ফাঁসির আগে ক্ষুদিরামের শেষ ইচ্ছা ছিল – তিনি বোমা বানাতে পারেন, অনুমতি পেলে ওটা সবাইকে শিখিয়ে যেতে চান!