করোনা নিয়ে কর্মসূচি, শোভন প্রসঙ্গে কী বললেন দিলীপ

1 min read


।। রাজীব ঘোষ ।।

আর নয় করোনা অব্যবস্থা এই নামে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। কোভিড মহামারী আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজনৈতিক ইচ্ছা এবং সদিচ্ছা না থাকার কারণে করোনা সংক্রমণ শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সুস্থতার হার বেড়েছে। তবু প্রতিদিন ৩ হাজারের উপরে আক্রান্ত হচ্ছে এবং ৫০ এর অধিক ব্যক্তির মৃত্যু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কোভিডের জন্য হাসপাতালগুলিতে বেডের কথা বলেছেন।

অথচ মানুষকে হাসপাতালে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হতে হয়েছে। ফিরে আসতে হয়েছে। অনেকে মারা গিয়েছেন। এছাড়াও যারা অন্যান্য অসুখে কারণে অসুস্থ হয়েছেন তারাও এই সময়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অভিযোগ করে বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আরো বলেন যে এলাকায় বিজেপি সাংসদ রয়েছে সেখানকার হাসপাতালগুলোতে গিয়ে দলের পক্ষ থেকে মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে।

রাজ্য সরকার প্রথমে লকডাউন কে সেই ভাবে গুরুত্ব দেননি। ফলে এখন লকডাউন করা হলেও মানুষ নিয়ম মানছে না। সেই কারণে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। রাজ্যের মানুষকে এই সময়ের সতর্ক থাকার আবেদন জানান দিলীপ। তার কথায় মুখ্যমন্ত্রী এখন তথ্য দিচ্ছেন। কিন্তু সেই তথ্য বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ করছে। কোনো রকম নিয়ম বিধি না মেনে। কিন্তু যখন বিজেপির কর্মীরা খুন হচ্ছেন সেখানে নেতারা যাচ্ছেন তাদের নামে পুলিশের কেস দেওয়া হচ্ছে।

এই বিমাতৃসুলভ ব্যবহার করা হচ্ছে। নেট এবং জেইই পরীক্ষার বিষয়ে দিলীপ বলেন সঠিক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া উচিত। তা না হলে অন্যান্য রাজ্যে পরীক্ষা হলে বাংলায় যদি না হয় সে ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা সমস্যায় পড়বেন। সরকার শিক্ষার প্রতি আগ্রহী নন। তা না হলে সমাজবিরোধীরা শান্তিনিকেতনের গেট ভেঙে দিত না। মুখ্যমন্ত্রীর পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে অনীহা ছিল। রেশন আমপানের দুর্নীতি হয়েছে। ঠিক সেভাবেই শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়ে সমস্যা তৈরি করতে চাইছেন। শান্তিনিকেতন রবীন্দ্রনাথ কে আক্রমণ করছেন।

বাঙালির কৃষ্টি-সংস্কৃতি কে ধ্বংস করা হচ্ছে। যারা বাংলা ভাষার কথা বলছেন তারাই বহু জায়গায় বাংলাভাষাকে না রেখে উর্দু ভাষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। কলকাতা পুলিশের বোর্ড লেখা আছে ইংরেজি আর উর্দু ভাষাতে। সেখানে বাংলা লেখা নেই। অভিযোগ করলেন দিলীপ। তিনি বলেন যারা এইসব বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন ২০২১ সালে রাজ্যের মানুষ তাদের যোগ্য জবাব দেবে। পশ্চিমবঙ্গের সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে বলে আশা করেন তিনি। এরপর দিলীপ বলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তিনি দলে আছেন। কাজ করতে চাইলে দল সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।