উত্তাল সমুদ্র,নোনা জল ঢুকছে শহরে

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

হাওয়া অফিসের নির্দেশ অনুসারে ও নিম্নচাপের জেরে কার্যত উত্তাল সমুদ্র,জলোচ্ছ্বাস পৌঁছে গেছে গার্ডওয়াল পর্যন্ত, ফলে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে পড়েছে শহরে।আর কার্যত এই দৃশ্য এক অন্যরূপ এনে দিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সমুদ্র সৈকত দীঘা এলাকায়। প্রশাসনের তরফ থেকে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি নজরদারি, করা হচ্ছে মাইকিং এর মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এলাকার মানুষকে সর্তক বার্তা।বিভিন্ন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন এক তরফ থেকে।

তবে এই সতর্কতার মাঝেও প্রত্যেক বছর এই জলোচ্ছ্বাস দেখতে কার্যত ভিড় জমায় বহু পর্যটকরা।তবে এই বছর মহামারি ভাইরাসের ফলে কার্য তো ফাঁকা গোটা সমুদ্র সৈকত এলাকা, রয়েছে কিছু সংখ্যক পর্যটক। আর এই উত্তাল সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস দেখতে প্রশাসনের সতর্ক বার্তা কে মাথায় রেখে দূর থেকেই দেখছে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসের এইরূপ।অনেকে তো আবার জলোচ্ছ্বাস এর মাঝে সেলফি তুলতে ব্যস্ত।তেমনি ছবি ধরা পরল এই দিন।

আর সমুদ্রে কর্মরত এক লুলিয়া জানায় গত ১০ বছরেও দেখা যায়নি এ রকম জলোচ্ছ্বাস। তবে আমরা সব সময় তৈরি করেছি আপৎকালীন মোকাবিলার জন্য, অন্যদিকে পর্যটকরাও দূর থেকে উপভোগ করছে এই সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসের দৃশ্য। কোনো পর্যটক যাতে অতিরিক্ত রোমাঞ্চকর হয়ে গার্ডওয়ালের ওপর গিয়ে উঠে না পড়ে, সেই দিকে নজর রাখছে প্রশাসনিক কর্তারা। কলকাতার এক বাসিন্দা দীঘায় বেড়াতে এসে দীঘার এমন ভয়ঙ্করী সমুদ্রের সম্মুখীন হয়ে অবাক হয়েছেন কারণ, সপরিবারে বেড়াতে এসেছেন বহুবার তবে এমন ভয়ঙ্কর রূপ কখনও দেখেনি বলে জানায়।

নিউ আলিপুরের দোলা ব্যানার্জী পরিবার নিয়ে সমুদ্রের টানে দীঘায় বারে বারে ছুটে এসেছেন, তবে এবারে যেন অন্য রুপ দেখলেন। চেনা সমুদ্রের রূপ যেন পাল্টে ফেলে অতি ভয়ানক হয়েছে বলে জানায় তাঁরা। প্রশাসন সূত্রে খবর, ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের জেরে শঙ্করপুরে বাঁধ ভেঙেছে বলে জানা গিয়েছে ,এছাড়াও তাজপুর, মন্দারমনিতে নোনাজল ঢুকে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন রামনগর ১ নং ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা পাত্র। তিনি জানান প্রতি বছর পূর্ণীমা-অমাবস্যা সময় সমুদ্র ফুলে ওঠে, তবে এবারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। যার ফলে বাঁধ টকপে জল ঢুকছে, শঙ্করপুর, জামড়া, ট্যাংরামারী, জলধা, চাঁদপুর এলাকায়। দীঘার সাপুয়ায় দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে।