Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

শীতের মরসুমে ঘুরে আসুন চন্দ্রকেতুগড়

1 min read

||সুদীপা সরকার||

শীতের মরসুম মানেই মনটা উরু উরু করে ঘুরু ঘুরু করে।
ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে বিশেষ করে শীতকালে ঘোড়ার একটা আলাদা প্রবণতা থাকে।
এই শীতে ঘুরে আসুন চন্দ্রকেতুগড়ে।
কলকাতা থেকে মাত্র 45 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চন্দ্রকেতুগড়।
যারা ইতিহাসে উৎসাহী তারা অবশ্যই চলে যান এই স্থানে।
এখানে মাটি খুঁড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজে পাওয়ার পর থেকে পর্যটকদের ভীড় জমতে শুরু করে।
সাধারণ পর্যটকদের জন্য যারা ছুটি কাটাতে হৈ-হুল্লোড় করতে মহানগরীর কাছেপিঠে বেড়াতে যেতে চায় তারা অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন এই চন্দ্রকেতুগড়ে।
কথিত আছে চন্দ্রকেতু


নামে এক রাজার গড় অর্থাৎ দুর্গ ছিল বলেই জায়গাটার এই নামকরণ।
এখানকার দর্শনীয় জায়গা হল খনা মিহিরের ঢিপি।
এছাড়াও পীর গোরাচাঁদ এর অর্ধ সমাপ্ত মসজিদ দেখে নেবেন ঘুরতে ঘুরতে। ভ্যানে চেপে ঘুরে আসতে পারেন বিদ্যাধরী ব্রিজ। এখান থেকে বিদ্যাধরী নদীর রূপ অসাধারণ।
কালিন্দী নদীর তীরে ব্যবসা-বাণিজ্যে পিঠস্থান ছিল চন্দ্রকেতুগড়।
এই স্থান থেকে পাওয়া গেছিল অংক চিহ্নিত রজত মুদ্রা ঢালাই তাম্রমুদ্রা কুষান ও গুপ্ত যুগের সীলমোহর এবং মৌর্য ও গুপ্ত যুগের পোড়ামাটির ফলক মূর্তি নানা প্রকার সহ অসংখ্য প্রত্নবস্তু।
প্রায় আড়াই হাজার বছরের স্মৃতি চিহ্ন পাওয়া যায় এই খানকার মাটিতে।

কিভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে সড়কপথে বারাসাত।
সেখান থেকে তাকে ইঁদুর ধরে 23 কিলোমিটার গেলেই বেড়াচাঁপা বা চন্দ্রকেতুগড়।
বেড়াচাঁপা মরে যেদিকে খনামিহিরের ঢিপি তার বিপরীত দিকে হাড়োয়া যাবার রাস্তায় মিনিট পাঁচেকের পথ চন্দ্রকেতুগড়। তবে খানিক গিয়ে বাম দিকে মূল রাস্তা ছেড়ে গ্রাম্য পথ ধরতে হবে। বারাসাত পর্যন্ত ট্রেনে গিয়ে বাসে পৌঁছনো যায় বেড়াচাঁপা।
ঘোরাঘুরি জন্য প্রচুর অর্থ তথ্য পাবেন।

এখনও পর্যন্ত এখানে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই তাই শীতে একদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন তবে কিছুদিনের মধ্যেই নতুন তৈরি হওয়া মিউজিয়ামে অতিথি আবার চালু হয়ে যাবে। শীতের সপ্তাহান্তে বেরিয়ে আসার তালিকায় রাখতে পারেন চন্দ্রকেতুগড়ে।