Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সিআরপিএফ কমিশনের অধীনে, শান্তিপূর্ণ ভোট চান না মমতা, সরব শাহ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন মধ্য কলকাতার একটি হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ” পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন চলছে। তাই এখানে সিআরপিএফ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে নয়। তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে। তাই যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেগুলি অবান্তর। আসলে মমতাজি শান্তিপূর্ণ ভোট চাইছেন না। তাই এসব কথা বলছেন। তিনি কতটা হতাশাগ্রস্ত তা এতেই পরিষ্কার।

রাজনৈতিক জীবনে এমন কথা কোনও দিন শুনিনি। একজন মুখ্যমন্ত্রী এমন কথা বলতে পারেন, ভাবাই যায় না। তিনি মানুষকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।” এভাবেই শহরে এসে তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, ” হার নিশ্চিত জেনে তিনি এমন কথা বলছেন। তিনটি পর্যায়ের ভোট হয়ে গিয়েছে। বিজেপি ৬৩-৬৮ আসনে জিততে চলেছে। তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরছে না”।

উল্লেখ্য মমতা সাম্প্রতিককালে দুটি জনসভা থেকে যে বক্তব্য রেখেছেন তার ভিত্তিতে তাঁকে নির্বাচন কমিশন শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে। একইভাবে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” নোটিশ যখন পাঠানো হয়েছে তখন মমতা এবং শুভেন্দু দুজনেরই উত্তর দেওয়া উচিত। শুভেন্দু নিশ্চয়ই উত্তর দেবেন বলে মনে করি”। এখনও পাঁচ দফার নির্বাচন বাকি। সেই প্রসঙ্গে অমিত বলেন, ” প্রতিটি পর্যায়ে বিজেপি ভাল ফল করবে।

কলকাতা, মালদা এবং মুর্শিদাবাদেও বিজেপির সংগঠন অত্যন্ত শক্তিশালী। তাই সব জেলা থেকেই প্রচুর আসনে জিততে চলেছে বিজেপি। বাংলায় নিশ্চিতভাবে এবার পদ্ম ফুটছে।” সেইসঙ্গে তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, ” দিদির আমলে বাংলার সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বিজেপি আসলে কলকাতা হবে সিটি অফ ফিউচার। কলকাতাকে দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী তৈরি করব আমরা। মমতা একসময় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের কথা বলতেন। এখন বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট লুট করছে।

এবারের ভোটে হিংসা কম হচ্ছে। সেই কারণে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন দিদি। কারণ হিংসাকে আশ্রয় করে তিনি ভোটে জিততেন আগে। এবার পারছেন না বলে বাহিনীকে দোষারোপ করছেন।” বৃহস্পতিবার রাতে চেতলায় তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেখানে সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা হয়। সেই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ” চেতলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। নির্বাচন কমিশনের উচিত বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া”। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে সার্বিক উন্নয়ন না হওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন তিনি।